মোর বিদায়বেলায় বন্ধু ব’লে, তুমি এলে মনে কবি অনির্বাণ সিনহা কবির প্রয়াণের পরে, ১৯৯৫ সালে আনন্দ পাবলিশার্স দ্বারা প্রকাশিত, “জাগো জাগো কবি” কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া।
॥ গান॥
মোর বিদায়বেলায় বন্ধু ব’লে, তুমি এলে মনে, সকল আঁধার দূর হ’ল মোর তোমার পরশনে। . পথে যেতে যেতে তুমি ডাকলে বারে বার, . পিছন পানে তাকিয়ে দেখি কেবল অন্ধকার। যে পথ ’পরে, আপন সুরে, গাইতেছিলাম গান, তুমি হঠাৎ সেথায় বাজিয়ে বাঁশি, জাগালে মোর প্রাণ। . পথিক আমি চলি পথে পথ যে চলে দূর, . তুমি এসে ডাকলে মোরে বাজায়ে মধুর সুর। শুধু হাসির ধ্বনি, বাঁশির সে সুর, নিলাম আমি শুনে, পথ ফেলে তাই ভুল পথে যাই তোমারি সন্ধানে।
এবার যেতে দাও, রাখিও না বেঁধে কবি অনির্বাণ সিনহা কবির প্রয়াণের পরে, ১৯৯৫ সালে আনন্দ পাবলিশার্স দ্বারা প্রকাশিত, “জাগো জাগো কবি” কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া।
॥ গান॥
এবার যেতে দাও, রাখিও না বেঁধে, দ্বার খোল আলোকের, মরি কেঁদে কেঁদে। . আঁধারে আঁধারে ছায়, . তার মাঝে আমি---হায়! আলো বুঝি ছড়াবে না মায়াবিনী চাঁদ-এ।
একটি তিরস্কারে তোমার নীরব হল ধরা কবি অনির্বাণ সিনহা কবির প্রয়াণের পরে, ১৯৯৫ সালে আনন্দ পাবলিশার্স দ্বারা প্রকাশিত, “জাগো জাগো কবি” কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া।
॥ গান॥
একটি তিরস্কারে তোমার নীরব হল ধরা, ঘুচল অহংকারের নেশা, বইল নয়নধারা। . গর্ব আমার সকল ধূলায়, . মিথ্যা যত বক্ষ জ্বালায়, তোমার কঠিন দৃষ্টি আমায়, কাঁদিয়ে করে সারা। কি চোখ দিয়ে দেখি চেয়ে, কি মুখ দিয়ে কহি, একটু কথার একটু ব্যথার, কি অপমান সহি। . কি সাজা হয় এই নিরাশার, . তাই দিয়ে হোক বিদায় আমার, এই বেলাতে আর একটিবার, কাঁদিয়ে পালাও ত্বরা।