দেখিয়ে হৃদয়-মন্দিরে ভজ না শিবসুন্দরে কবি যদু ভট্ট মাঘ ১৩৫৬ বঙ্গাব্দে (জানুয়ারী ১৯৫০খৃষ্টাব্দ) সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ দাস দ্বারা সম্পাদিত “ব্রহ্মসঙ্গীত”, দ্বাদশ সংস্করণে প্রকাশিত।
॥ দেশ, সুবফাক্তা॥
দেখিয়ে হৃদয়-মন্দিরে, ভজ না শিবসুন্দরে! কি ভ্রমে ভুলিয়ে তাঁরে, কর অযতন? এখন করহ সাধন। এই সে পতিতপাবন, এই সে জগত-তারণ, এই সে পরম কারণ, করহ তাঁরে মনন। হইয়ে বিষয়ে মত্ত, হারালে পরম তত্ত্ব, ভাবিলে না সেই সত্য নিত্য বিভু নিরঞ্জন ; হৃদয়ের প্রেমহার, দেও হে তাঁহারে উপহার, পেয়েছ কৃপায় যাঁহার দেহ হৃদয় জীবন॥
বিপদ-ভয়-বারণ যে করে ওরে মন তাঁরে কেন ডাক না কবি যদু ভট্ট মাঘ ১৩৫৬ বঙ্গাব্দে (জানুয়ারী ১৯৫০খৃষ্টাব্দ) সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ দাস দ্বারা সম্পাদিত “ব্রহ্মসঙ্গীত”, দ্বাদশ সংস্করণে প্রকাশিত।
॥ ছায়ানট, ঝাঁপতাল॥
বিপদ-ভয়-বারণ যে করে ওরে মন তাঁরে কেন ডাক না! মিছা ভ্রমে ভুলে সদা রয়েছ ভব-ঘোরে মজি, এ কি বিড়ম্বনা! এ ধন জন না রবে হেন, তাঁহে যেন ভুল না, ছাড়ি অসার ভজহ সার, যাবে ভব যাতনা। এখন হিত বচন শোন যতনে করি ধারণা, বদন ভরি নাম হরি সতত কর ঘোষণা ; যদি এ ভবে পার হবে, ছাড় বিষয়-কামনা ; সঁপিয়ে তনু হৃদয় মন তাঁর কর সাধনা॥
নাদ পরম বিদ্যা দেহি ভবানি রঙ্গনাথ (যদু ভট্ট) হিন্দী গীত ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত, রামপ্রসন্ন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রণীত, গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত সঙ্গীত-মঞ্জরী গ্রন্থের ৯৬-পৃষ্ঠার গীত। [ ৰ শব্দটি হিন্দীতে উঅ বা व উচ্চারণ করতে হবে ]
শম্ভুহর মহেশ আদি ত্রিলোচন ভব-ভয়-হর ভবেশ রঙ্গনাথ (যদু ভট্ট) হিন্দী গীত ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত, রামপ্রসন্ন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রণীত, গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত সঙ্গীত-মঞ্জরী গ্রন্থের ৩১৬-পৃষ্ঠার গীত। [ ৰ শব্দটি হিন্দীতে উঅ বা व উচ্চারণ করতে হবে ]