| সাধক কমলাকান্তের শাক্ত ও বৈষ্ণব পদাবলী |
| তুমি যে আমার, নয়নের নয়ন কবি সাধক কমলাকান্ত ভট্টাচার্য ১২৯২ বঙ্গাব্দে (১৮৮৫ সাল) প্রকাশিত শ্রীকান্ত মল্লিক দ্বারা প্রকাশিত “কমলাকান্ত-পদাবলি” গ্রন্থ, পদসংখ্যা ১০৫, পৃষ্ঠা ৩৭। ॥ রাগিণী জোয়ান্ পুরীয়া টোড়ী। তাল আড়া চৌতাল॥ তুমি যে আমার, নয়নের নয়ন, মনেরই মন, প্রাণেরই প্রাণ, শ্যামা ! এ দেহের দেহী, জীবনের জীবন || ধর্মার্থ কাম মোক্ষ পরধাম প্রাপ্তি গতি, অগতির গতি, কারণেরই কারণ | কমলাকান্ত কুলকান্ত, প্রবল কৃতান্ত ভবতারণ || . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| শ্যামা যদি হের নয়নে গো কবি সাধক কমলাকান্ত ভট্টাচার্য্য শ্যামা যদি হের নয়নে গো ! ইথে বল ক্ষতি কি তোমার || জননী হইয়ে এই যন্ত্রণা দেখিয়ে দয়া না করিলে এ কোন্ বিচার আগমে নিগমে শুনি পতিত-পাবনী তুমি, আমি যে পতিত দুরাচার | অধম-তারণ-বোলে, যদি মনে অভিলাষ, কমলাকান্তেরে কর পার গো || . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ওরে নবমী নিশি ! না হৈওরে অবসান কবি সাধক কমলাকান্ত ভট্টাচার্য্য ওরে নবমী নিশি ! না হৈওরে অবসান | শুনেছি দারুণ তুমি, না রাখ সতের মান || খলের প্রধান যতো, কে আছে তোমার মতো | আপনি হৈয়ে হত, বধ রে পরেরি প্রাণ || প্রফুল্ল কুমুদবরে, সচন্দন লয়ে করে ; কৃতাঞ্জলি হৈয়ে, তোমার চরণে করিবো দান | মোরে হইয়ে শুভদয়, নাশ দিন-মণি-ভয়, যেন না সহিতে হয় রে ! শিবের বচন বাণ | হেরিয়ে তনয়া মুখ, পাসরিলাম সব দুখ্ ; আজি সে কেমন সুখ, হতেছে স্বপন জ্ঞান | কমলাকান্তের বাণী শন গো গিরিরাণি ! লুকায়ে রেখো না মায়েরে হৃদয় দিয়ে স্থান || . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |