কবি কুমুদ রঞ্জন মল্লিকের কবিতা
*
গ্র্যাণ্ড্ ট্রাঙ্ক্ রোড্
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
১৯৬২ সালে প্রকাশিত, কবিশেখর কালিদাস রায় সংকলিত “মাধুকরী” কাব্য সংকলন থেকে নেওয়া।


চলিয়াছ তুমি সড়কের রাজা কলিকাতা থেকে পেশবার,
সুবিধ পেয়েছ কত নদ নদী নগরীর সাথে মেশবার।
আঙুর পেস্তা কিসমিস                         লোভে ডিভ করে নিশ্ পিশ্
ডাকে খাইবার গিরিপথ, ডাকে ডাকিনী এলায়ে কেশ-ভার।

ধর্ম তোমার বিশ্বজনীন, পথে পথে তব মন্দির
নগরে নগরে কত মসজিদ, গির্জার চূড়া গম্ভীর।
সমাধির যত গম্বুজ                                কালো নীরে শ্বেত-অম্বুজ,
রয়েছে দাঁড়ায়ে, স্বর্গে মর্ত্যে মন্দী করিছে সন্ধির।

পথ দেখাইয়া পানিপথ দিয়া ভাঙ’ গড়’ কত দিল্লী---
কোথাও তোমার বাজিছে সারঙ, কোথাও ডাকিছে ঝিল্লি।
কোথাও মিনার চিক্কণ,                                কোথাও বীণার নিক্বণ,
কোথাও উগ্র ব্যাঘ্রের বাসা, কোথাও আভীর-পল্লী।

তুমি নিয়ে যাও দুর্বার সেনা, কামান, অশ্ব, হস্তী
দেশের ফসল নষ্ট করিয়া ছড়ায় মৃতের অস্থি।
লয়ে যাও দিবা রাত্রি                                ঝোলা ঝাণ্ডা ও যাত্রী,
সোহাগে কোথাও লোহাকে গলাও, মরু-বুকে গড়’ বস্তি।

স্বর্গ না হ’ক, ভূ-স্বর্গ যেতে সড়ক বানাল শের্ শা’---
সিধা আগাগোড়া, নয় বাঁকা-চোরা, কোনখানে নয় তের্ছা।
ভারতের দুই প্রান্ত                                  এক করি’ তবে ক্ষান্ত ;
গঙ্গার তুমি সঙ্গীই বটে, দেখে মনে জাগে ঈর্ষা।

তুমিই মিশালে আমে আখরোটে, আলুবোখরায় চালতায়,
এক পর্দায় ফুটি সর্দায়, ভিণ্ডি পালঙ পলতায়।
বাঙালী এবং তুর্কে,                                       দুর্গাবাড়ী ও দুর্গে,
জর্দার সাথে সাঁচি পান, আর সুর্মার সাথা আলতায়।

তুমিই মিলালে শালে মসলিনে, হুঁকাতে মিলিল ফর্ সী,
মিহিদানা পাশে বেদানা বসিল, বর্শার পাশে বঁড়শি,
হিঙ্-জাফরান-গন্ধে                                   মহুয়া মাতিয়া বন্দে ;
ভুট্টা বাজরা গম ধান হ’ল একদম পাড়া-পড়সী।

তুমি ঘরছাড়া বিবাগী বাউল, পায়ে পায়ে ধূলো উড়ছে---
কোথা খায় পাক ময়ূরের ঝাঁক, টিকা টাকসোনা ঘুরছে।
হরিণ ঊষর ক্ষেত্রে                                চাহিয়া আকুল নেত্রে,---
বাঙালী পথিক, বাংলার লাগি মোর আঁখি তবু ঝুরছে।

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
মুচিরাম গুড়
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “তুণীর” কাব্যগ্রন্থের কবিতা।
( বঙ্কিম বাবুর মুচিরাম গুড়ের জীবনী পাঠান্তে লিখিত। বঙ্কিম বাবু নিজে ডেপুটী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন কিন্তু
মুচিরাম গুড়ের ন্যায় নিকৃষ্ট শ্রেণীর লোকও তখন কেবলমাত্র তোষামুদীর বলে ঐ পদ পাইয়াছিল। এখনো
মুচিরাম শ্রেণীর হাকিম দুষ্প্রাপ্য নহে। )


ধন্য তুমি, পুণ্য তুমি, হে মুচিরাম গুড়।
মহাকবির মস্ত হাকিম, আসামীর মুগুর।
বিদ্যা বুদ্ধি নাই,
রক্ষা তবু তাই,
সরস্বতীর গর্ব্ব কর এক ঘায়েতে চূর।


হাবলা তুমি ভ্যাবলা তুমি, মস্ত তুমি সঙ্,
তোষামোদের তোষাখানা আস্ত জবরজঙ্।
My lord ব’লে,
হাকিম তুমি হ’লে
নইলে তুমি চৌমাথাতে বেচতে চানাচূর।


ঘুনসিপরা মুন্সী তুমি, বুদ্ধি ক্ষুরের ধার,
লাঙুলটী যে দেননি বিধি কেমন কৃপা তাঁর?
চরণ চাটার জোরে
মানুষ গেলে গড়ে,
একেবারে খেতাব পেলে ‘লাঙলা বাহাদুর’।


রাসভ খাঁটী পরিপাটী ঘুসের বেলা হায়
সাধুদিগের উপপ্লবে তোমার দিবস যায়।
দেমাক তোমার ভারী
হাজত দিতে পারি,
হাজত বাসের সম্ভাবনা তোমার যে প্রচুর।

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
আদুরী
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
শ্রীজ্যোত্স্নানাথ মল্লিক, শ্রীকৌশাম্বীনাথ মল্লিক ও শ্রীসুধেন্দু মল্লিক সম্পাদিত “কুমুদ
কাব্যমঞ্জুষা”  কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া | ১৯১১ সালে প্রকাশিত “উজানী” কাব্যগ্রন্থের
কবিতা।


ওরে ঐ দেখ পড়িয়াছে বান অজয়ে,
ঘাট মাঠ বাট সব দিল আজ ডুবায়ে,
থাকি থাকি দেখ দেখ চমকি উঠিছে বিজুরী,
হাঁসগুলি তোর ডেকে নিয়ে আয় আদুরী।
মার কথা শুনে ছুটিল কৃষক বালিকা,
সে যে সোহাগিনী দয়াবতী পশুপালিকা।
পদ্ম দীঘির পদ্মের হেরি মাধুরী
তি তি করে তার হাঁসগুলিকে ডাকে আদুরী।
বালিকা চকিতে দেখিল নিকটে আসিয়া,
বন্যার জলে হাঁসগুলি যায় ভাসিয়া।
হংস ধরিতে লাফায়ে পড়িল দুলালী,
পদ্মদীঘির যেন সে স্বর্ণমরালী।
আর হাঁস নিয়ে কই সে এলো না ফিরিয়া,
বাপ মা তাহার কেঁদে খোঁজে গ্রাম ঘুরিয়া।
দেখে সবে হায় পরদিন সেথা আসি যে,
পদ্মের মাঝে সে মুখকমল ভাসিছে।

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রামসুক তেওয়ারি
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
২০০৬ সালের মেমারি বইমেলাতে প্রকাশিত, কালিদাস ভদ্র সম্পাদিত, “ছোটদের আবৃত্তির
কবিতা” সংকলনের কবিতা।


এসেছিল এই দেশে রামসুক তেওয়ারি----
অধিবাসী হবে বুঝি ‘বুন্দী’ কী ‘রেওয়া’রি!
বুক ছিল কি দরাজ, কী গভীর পেটটি!
ভুট্টার ছাতু খেত, সের দুই লেট্টি।
আধসের চানা খেত চিবাইয়া দন্তে,
মিছরির শরবত কুস্তির অন্তে।
বাঙলায় কাটাইয়া গোটা দুই বর্ষা
রামসুক তেওয়ারির পরকাল ফর্সা।
প্রাতে আর সন্ধ্যায় চা ধরেছে নিত্য
আজ বাড়ে অম্বল, কাল বাড়ে পিত্ত।
কবিরাজ লেগে আছে লেগে আছে ডাক্তার,
ভুঁড়ি তার কমে গেছে, ---বেড়ে গেছে নাক্ তার।
খায় দাদখানি চাল, ডুমুরের ছেঁচকি,---
তবু উঠে উদগার, কভু উঠে হেঁচকি।
বড়া বড়ি ট্যাবলেট,---দর্পটি চূর্ণ ;
অনুপান, অবহেলে ঘর তার পূর্ণ।
ভাজিবার মুগদর --- শৌর্যের উত্স,
দূরে প’ড়ে ; খোঁজে আজ মুদগুর মত্স।
ভবেনি সে হবে তার এত বড় ‘চেঞ্জ’ই,
পাঞ্জাবি হ’ল তার পুরাতন গেঞ্জি।
অবশেষে অসুখের সংবাদ পাইয়া,
দেশ থেকে ধেয়ে এল দেশোয়ালি ভাইয়া।
ক’রে দিল প্রথমেই চা খাওয়াটা বন্ধ---
বে-ভাষায় বললে সে কত কী যে মন্দ।
ভোরে ঘোরে খোলা মাঠে রামসুক সাথে সে
তুলসীর রামায়ণ পাঠ করে রাতে সে।
চা ছাড়িয়া রামসুক উঠলো যে মুটিয়ে,
অড়হরের ডাল খায়, জোয়ারের রুটি হে।
চা খেলেই তাড়া করে---করে নাক কেয়ার-ই,
খাসা আছে, সুখে আছে রামসুক তেওয়াড়ি।

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
দারোগা
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
শ্রীজ্যোত্স্নানাথ মল্লিক, শ্রীকৌশাম্বীনাথ মল্লিক ও শ্রীসুধেন্দু মল্লিক সম্পাদিত “কুমুদ
কাব্যমঞ্জুষা”  কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া | ১৯১৬ সালে প্রকাশিত “চুন ও কালি”
কাব্যগ্রন্থের কবিতা।


ভূতপূর্ব্ব দারোগা এক দাগীরে কন ডাকি
দেশে তোদের চোরের সংখ্যা তেমনি আছে নাকি ?
দাগী বলে একেবারে মিথ্যা নয় যা রটে
আপনি আসায় চোরের সংখ্যা কমতি কিছু বটে |
আমরা ত তাই দিবা নিশি করছি তোলাপাড়া
হুজুর বিনে হয়ে আছি অভিভাবক হারা |

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ইচ্ছামৃত্যু
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
শ্রীজ্যোত্স্নানাথ মল্লিক, শ্রীকৌশাম্বীনাথ মল্লিক ও শ্রীসুধেন্দু মল্লিক সম্পাদিত “কুমুদ
কাব্যমঞ্জুষা”  কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া | ১৯১৬ সালে প্রকাশিত “চুন ও কালি”
কাব্যগ্রন্থের কবিতা।


দুটি বছর জ্বর ও শোথে পেয়ে অশেষ কষ্ট
ভীমরতিতে দুমাস আগে স্মৃতি হল নষ্ট |
মুখে নাইক হরেকৃষ্ণ নারায়ণ কি গঙ্গা
দুদিন আগে হারাইল একেবারে সংজ্ঞা |
রাখতে শেষে ডাক্তার এবং আত্মীয়দের মানটা
অনেক কষ্টে অনিচ্ছাতে ত্যাগ করিলেন প্রাণটা |
বলে লোকে অবাক হয়ে, দেখুক এবার বিশ্ব
মরণ বলে মরণ এ যে মলেন যেন ভীষ্ম |
একেবারে ইচ্ছামৃত্যু, মরণ নয় ও মোক্ষ,
ব্রহ্মরন্ধ ফাটে নাইক এইটুকু যা দুঃখ |

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ভীষণ চোর
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
শ্রীজ্যোত্স্নানাথ মল্লিক, শ্রীকৌশাম্বীনাথ মল্লিক ও শ্রীসুধেন্দু মল্লিক সম্পাদিত “কুমুদ
কাব্যমঞ্জুষা”  কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া | ১৯১৬ সালে প্রকাশিত “চুন ও কালি”
কাব্যগ্রন্থের কবিতা।

                                                      
সুধায় পথিকে এক ভদ্রলোক ডাকি
এই হুঁকা কোথা পেলে মোরে কহ দেখি |
এ যে মোর হুঁকা আছে সহস্র প্রমাণ
জ্বল পুরে টানিলেই বেজে উঠে টান |
বলিহারী দাগাদারি পাছে হয় গোল
সেই ভয়ে বদলেছে নলচে ও খোল |

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
পক্ক ইচরের গান
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
শ্রীজ্যোত্স্নানাথ মল্লিক, শ্রীকৌশাম্বীনাথ মল্লিক ও শ্রীসুধেন্দু মল্লিক সম্পাদিত “কুমুদ
কাব্যমঞ্জুষা”  কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া | ১৯১৬ সালে প্রকাশিত “চুন ও কালি”
কাব্যগ্রন্থের কবিতা।


আমার পাকার যখন কথা ছিল তখন পাকিনি,
আমি আগে ভাগে পেকে গেছি খেয়াল রাখিনি |
.        আষাঢ়েতে পাকলো যে ধান,
.        সমের আগেই থামলো যে গান
না দেখিয়াই মজলো রে মন এমন দেখিনি ;
আমার পাকার যখন কথা ছিল তখন পাকিনি |
দিন দুপুরে উঠলো রে চাঁদ আমার গগনে
বলো হরি করলে আমায় বিয়ের লগনে
.        এ ব্যথা কি ফুরায় কয়ে,
.        ললিত গেল বেহাগ হয়ে,
.        কৃষ্ণে আমার করলে কালী এ কোন ডাকিনী |
আমার পাকার যখন কথা ছিল তখন পাকিনি |

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
পুরাণো প্রেমপত্র
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
শ্রীজ্যোত্স্নানাথ মল্লিক, শ্রীকৌশাম্বীনাথ মল্লিক ও শ্রীসুধেন্দু মল্লিক সম্পাদিত “কুমুদ
কাব্যমঞ্জুষা”  কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া | ১৯১৮ সালে প্রকাশিত “বনমল্লিকা” কাব্যগ্রন্থের
কবিতা।


হঠাৎ যেন  উঠলো বেজে হুলুধ্বনি বাজনা শাঁখ
শিষ দিয়ে কে আনলে ডেকে হারানো মোর পায়রা ঝাঁক |
শুকনো ডালে উঠলো যেন কুসুম কোরক মুঞ্জরি
পাঁপড়ি ঝরা বৃন্তে এলো মত্ত ভ্রমর গুঞ্জরি |
দোলের আবির ছড়িয়ে দিলে ত্যক্ত তিমির কুঞ্জে কে
জাললে ভাঙা নাট্যশালায় সুপ্ত দীপ পুঞ্জরে |
যৌবনেরি লজ্জা হাসি চুম্বনেরি দ্রাক্ষারস
কেমন করে রাখলে ধরে শুষ্ক কালীর কৃষ্ণ কস্ |
কাল যাহারে রাখতে নারে কালী তারে রাখলে গো
যৌবনেরি যৌতুকেরে যতন করে আগলে গো |
হারা তরীর পণ্যরাশি বাঁশীর হারা সঙ্গীতে
ফিরায়ে কে আনলে আজি অমনি আঁখির ইঙ্গিতে |
কোন অলকার যক্ষবালা দক্ষ তুমি মোর প্রিয়ে
রাখ্ লে প্রেমের মণি মাণিক এমন করে যক্ দিয়ে |

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রামকমল
কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক
শ্রীজ্যোত্স্নানাথ মল্লিক, শ্রীকৌশাম্বীনাথ মল্লিক ও শ্রীসুধেন্দু মল্লিক সম্পাদিত “কুমুদ
কাব্যমঞ্জুষা”  কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া | ১৯১৮ সালে প্রকাশিত “বনমল্লিকা” কাব্যগ্রন্থের
কবিতা।

( রামকমল অতিশয় আমুদে লোক ছিলেন, বৃদ্ধ বয়সেও বালকের ন্যায় উত্সাহ ও সরলতা
ছিল | তাঁহার বার্দ্ধক্যকে আমি ‘শুক্লসন্ধ্যা’ বলিতাম | )


বুকখানি তার তেমনি আছে মুখখানি তার শুকিয়েছে,
কেবল বুড়ার মুখোস্ পরে বুকের শিশু লুকিয়েছে |
জড়িয়ে যাওয়া প্রাণের শিকড় নড়িয়ে তারে তুলবে কি,
রোদের তাতে শ্বেত করবী সুরভি তার ভুলবে কি ?
মাথায় কালো কেশগুলি তার কাল ত সাদা করছে রে
কেদারনাথের মন্দিরেতে শীতের তুষার ঝরছে রে |
কন্ঠে তাহার কস্ লেগেছে মনের ভিতর গান গাহে,
শিবের মাথায় কুলকুলিয়ে উঠছে আজি গঙ্গা হে |
প্রজাপতির ঝাঁক বসেছে বৃন্তশিথিল রঙ্গনে,
খোঁপের কপোত দিচ্ছে বাজি প্রাণের গগন অঙ্গনে |
আনন্দ তার পদ্ম মধু করবে কে তায় তিক্ত নিম্
‘তপ্ত তোয়া’র উষ্ম ধারা না’রবে জরা করতে হিম |
জীবন ভোরের ভাবমাখা হায় পূর্ণিমারি সন্ধ্যাতে,
শিউলি কলি পড়ছে নুয়ে শুভ্র নিশিগন্ধাতে |

.              *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর