কবি লবঙ্গলতা দেবী - মহারাজ জগদীন্দ্রনাথ রায় ও প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “মানসী ও
মর্ম্মবাণী” মাসিক পত্রিকার বৈশাখ ১৩৩০ (এপ্রিল ১৯২৩) সংখ্যায়, মন্মথনাথ ঘোষের লেখা, ধারাবাহিক
“হেমচন্দ্র”-এর নবম পরিচ্ছেদ-এ (উপসংহার) লবঙ্গলতা দেবীর ছবি (এই পাতায় দেওয়া ছবিটি) ও পরিচয়
দেওয়া রয়েছে। কবিতাগুলো আমরা পেয়েছি নারায়ণচন্দ্র বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত স্বদেশী পত্রিকার, ১৯০৮
সালের (১৩১৪ - ১৩১৫ বঙ্গাব্দ) চারটি সংখ্যা থেকে।
এই ছবিটি কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যম পুত্র প্রতুলচন্দ্রের কন্যা লবঙ্গলতা দেবীর। কবি হেমচন্দ্র
বন্দ্যোপাধ্যায়ের একমাত্র পৌত্রীই এই পাতায় দেওয়া কবিতার রচয়িতা কিনা সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত
নই। এই লবঙ্গলতা দেবী কবি ছিলেন কিনা সেই প্রশ্ন আমরা বিশেষজ্ঞদের কাছে রাখছি। এ বিষয়ে কেউ
আলোকপাত করলে এই সন্দেহের নিরসন ঘটবে।
কবির এই ছবি ও এই কবিতাগুলির রচনা কাল মিলিয়ে দেখলে মনে হয় যে এমন বয়সের কেউ ওই সময়ে
কবিতা লিখে থাকতেই পারেন। কবির ছবিটি যদি ১৯২৩ সালেই তোলা হয়ে থাকে, তাহলে ছবিতে কবিকে
দেখে অন্তত ৫০ বছরের কিম্বা তারও অধিক বয়সের বলে মনে হচ্ছে। সে যুগেরর জীবনযাত্রার কথা মাথায়
রেখে যদি তাঁর বয়স কমিয়ে, ৪০ বছরও ধরা হয়, তা হলে, ১৯০৮ সালে “স্বদেশী” পত্রিকায় “কবি লবঙ্গলতা
দেবীর” কবিতা ছাপার সময় এই লবঙ্গলতা দেবীর বয়স আনুমানিক অন্তত ২৫ বছর হয়। সেই বয়সে ওই
রকম পরিবারের মেয়ে (হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশের) হয়ে তাঁর পক্ষে কবিতা রচনা অস্বাভাবিক কিছু
বলে মনে করার মতো কোনো কারণ নেই।
তবুও, প্রমাণেরর অভাবে আমরা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছিনা যে এই কবিতার রচয়িতা এই ছবির
লবঙ্গলতা দেবিই!
কবি লবঙ্গলতা দেবীর কবিতায়, নিপীড়িতের প্রতি দরদ ও সহানুভূতি, অন্যায়ের বিরূদ্ধে প্রতিবাদ এবং
স্বদেশভাবনা পুরোমাত্রায় প্রস্ফুটিত। এখনকার “দেশভক্ত”-দের, “মা-মাটি-মানুষের পক্ষের মানুষদের” এবং
“মেহনতী মানুষের পক্ষের মানুষদের” এই কবিতা অবশ্যপাঠ্য বলে আমরা মনে করি।
আমরা মিলনসাগরে কবি লবঙ্গলতা দেবীর কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে
আমাদের এই প্রচেষ্টা সফল মনে করবো।
কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
ইমেল - mondalsudip72@gmail.com
উত্স - ইমেলে যোগাযোগ।
কবি লবঙ্গলতা দেবীর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল - srimilansengupta@yahoo.co.in
এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২৫.৬.২০১৭।
...