সুবর্ণরেখায় যত রঙ সব ছিলো ঠোঁটে সমুদ্রের প্রটিতি শঙ্খ বাজিয়ে দেখেছি বেদনার রূপ ছাড়া অন্য কোন বর্ণপরিচয় জানে না এ মাটি এই আমি পাল্টে নিচ্ছি মুদ্রা দক্ষিণ সমুদ্র থেকে হাওয়া ভৈরবীর নীল শাড়ি দুলিয়ে আসছে আমার মুখের হাসি টেনে নিচ্ছে চুম্বক বিষ এ আমার হিংস্র --- হয়ে ওঠার প্রাকমুহুর্ত শিরা কেটে দেখে নিও ডোরাকাটা বাঘের নিঃশ্বাস!
এইমাত্র যে মেয়েটি চোখের মুদ্রায় সাগর নাচালো আমি নিজে ভেলা নিয়ে সে সাগরে ডুবে দেখি আগুন লেগেছে জলে মান্দাস ছাই হয়ে ভেসে গেল পুড়ে! মনে হয় প্রেম বুঝি নেমে গেলো বুকের ঘুঙুর থেকে পায়ের নুপুরে!
তবে কেন পৃথিবীতে এতো ফুল এতো ফুল রং ঢালে মাটির সরায়! প্রেম ছিল এখনো রয়েছে কিছু সাধনায় অবহেলা দেখে চলে গেছে মরুর মালায় আমি এক ধু ধু বালি চিরে ঠোঁটের কাঁপন দেখি বেহুলার শুক্লা জ্যোত্স্নায়!
মাথায় করে ঝাঁকায় করে ঝড় বয়ে বেড়ানোর পর বড় ক্লান্ত লাগে! অথচ এই স্নায়ুতে কতবার আগুন এসে ভয় পেয়েছে! সময় ভীষণ ভীষণ হারিয়ে দেয়! আমি আর তোর সঙ্গে খেলবো না ভাই! আমার এখন একটি নদী একটি মাঝি নৌকো চাই! বটের ঝুরির মত আলো এসে মাটির ভিতর চলে গেল কয়েক বছর লাশ হয়ে শুয়ে থাকা! জ্যোত্স্নাতো আকাশে উঠবেই চোখ বুঁজে জ্যোত্স্না আর জল নিয়ে বাঁশী বানাবো নদীর উপরে লাশ, বাঁশী বাজাবো
কতক্ষণ মাটিতে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা যায়! কেউ দাঁড়ায় দেয়াল ধরে কেউ বাঁশের বেড়া রোদ্দুর ধরে কেহ-বা উজ্জ্বল দাঁড়াতে চায়! দেয়াল বাঁশের বেড়া রোদ্দুর সকালেই মুছে যায় মুছে গেছে রাত্রি নামে কোন এক পাখীর আঁচড়ে!
কষ্টে আছি স্বপ্ন ধরে দাঁড়িয়ে আছি! স্বপ্নেরও আততায়ী আছে ট্রিগারে আঙ্গুল চেপে মিশে গেলো বেশ্যার ঘরে শব্দ নেই শিশিরের বৃষ্টি নেই একা আমি বসে আছি শূণ্য এ মাটির কবরে!