কবি স্বপ্না ঘোষের কবিতা
*
অস্থির এ ধরা
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


কিশোরী তুমি টালমাটাল কেন তোমার কপাল আজ অক্ষরত্যাগী!
নৈরাশ্যের দীপশিখা যুবক যুবতীর বুক ভরা নিবু নিবু আঁচে বোধ ও
বিবেকের কঙ্কাল ছায়া ফেলে আর্তরব
মাতৃসমা জন্মভূমি ভাষা ভুলে আজ নীরব
গোলার ধান পোকায় ভরা
অক্ষর পারে ধানের পোকা তুলে ক্ষয়াটে সমাজের প্রতিরোমে ফসলের
রোদ ঢেলে দিতে
তেজী ঘোড়া ছোটে ভোগ্য পণ্যের বাজারে ফসলের বীজ একদিন হবে দৃঢ় যৌবনা
সেথায় ব্যস্ত ঘোড়সাওয়ার ভোগের মোমবাতি জ্বেলে দেয় বোধ ও বিবেকের
সলতেগুলো জ্বলে যায় নতশিরে
কিশোরীর কপাল আজ অক্ষরত্যাগী যুবক যুবতীরা
শুধু আকাশ জানে একদিন ঝড় হবে
একদিন ঝড় হবে সময়ের নষ্ট স্থিরতায় আজ বড়ো অস্থির এ-ধরা।

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নুনহীন তেতো
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


তরাই-এর মাটি বুক দিয়ে কানু জঙ্গলের স্বপ্নকে আজও লালন করে
দেশজুড়ে ভোগবাদের নিঃশ্বাস টাট্ কা যৌবনের কাঁধ বেয়ে নামে এক
মিথ্যে মায়া
চারিদিকের নির্জনতা নিয়ে যুবতী একা গাছেদের কাছে শীতের শেষে
হাওয়া জুড়ে যুবতীর শরীর ছুঁয়ে শুধু পাতাঝরা
এভাবে বুক ভ’রে বেঁচে থাকা মন্দ নয়,
এভাবে চারিদিকের খরা থেকে পালিয়ে এসে জলপান, নিজেকে ক্লিন্ন
ক্লিষ্ট পরাজিত এক ক্লীব মনে হয়
আকাশ বাতাস জুড়ে ভোগের মন্ত্রে সকলেরই মাথা নত
যুবতীর জিভে যুবকের দেওয়া চুম্বন নুনহীন তেতো এ সময়ের
স্বাদ
তবু বাংলার মাটিতে জঙ্গলের চিতার ছাই ধান হ’য়ে ঝরে পুতুলের
ক্রুদ্ধ জীবন |
আঘাতগুলো স’য়ে যুবক স্রোতের বিপরীতে, তরাই এর শুদ্ধ পলিমাটি
সারা গায়ে মাখে
জঙ্গলের স্বপ্ন ঘিরে কখন কোথায় কিভাবে যেন আবারও শুরু
ঝড়ের শুরুতে আকাশ তোয়াক্কা করে না যন্ত্রমানবের কুঞ্চিত ভুরু

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
এক সত্তরের জন্ম হয়
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


ধূসর বালির গায়ে সময় তার বয়স লিখে রাখে
ভোগে পাওয়া যৌবন অনুতাপে পুড়ে নিজেরই দিকে তর্জনী তুলে
ধরে
চৈত্রের বিকেলে এক সর্ব্বনাশা হাওয়া বয়
যুবতীর কপাল-ত্রিশূলে সহিষ্ণুতা প্রেম ও ত্যাগের ত্রিধারা সভ্যতার
নাভিবিন্দুতে আজ ধংসের উত্সমুখ
যুবক নতমুখে অবিনশ্বরের কাছে ক্ষমা চায়
সময় স্থির হ’য়ে ফিরে আসে সময়ের কাছে যৌবন মেলে ধরে তার
যত ক্ষত ব্যথিত মনের কথা
ধ্বংসস্তূপে উচ্ছিষ্ট ঘাঁটা কাকও বোঝে এ সভ্যতায় নবজাতকের ব্যথা যেন
প্রস্ফুটিত ফুলের কান্না |
ধূসর বালির গায়ে যুবক তার নারীর নাম লিখে রাখে অসামাজিক
শুদ্ধ অনুভব
চৈত্রের বিকেলে এক সর্বনাশা হাওয়া বয়
উচ্ছিষ্ট ঘাঁটা কাক প্রতিদিন ভোরকে ডেকে আনে যৌবনের অগ্নিভ ক্রোধ
যুবতীর কপাল-ত্রিশূলে যুবক ঠোঁট ঘষে তার মনের কামনা সমাজের
উচ্ছিষ্ট শুষে নেয়
ভোগে পাওয়া সভ্যতায় অগ্নি লগ্নে আবারও এক সত্তরের জন্ম হয়

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
এতো রক্ত কেন
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


চারিদিকে এতো রক্ত কেন নির্বোধের রাতভোর আস্ফালন !
হাড়িকাঠে কোন শব্দ নেই কান্নার আড়ম্বর
একাত্তরে কি ভীষণ রাত নেবে এলো ভুল ত্রুটি নিয়ে কথা
আর লাগে না ভালো
কি জানি কিছু কি জানি কেন ওরা ব্যর্থ হ’ল ঝরণার প্রতি জলকণায়
রঙের বিচ্ছুরণ |
আমি তখন সতেরোয় |
রাস্তায় মৃতের মিছিল ঘরের ঘেরাটোপে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখি
দেখি আর ভাবি মৃতেরা এতো জোরালো কন্ঠ কোথায় পেল !
একাত্তরে কত ঘরে দিবাভাগে রাত নেবে এলো, শুনশান লোকালয় |
চারিদিকে এতো রক্তের ছাপ আজও কেন নির্বোধের আস্ফালন !
হাড়িকাঠে শব্দ নেই কোনও প্রায়শ্চিত্তের আয়োজন

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
অমর বিহগেরা ফিরবে আবার
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


অমর বিহগেরা আকাশে ঘুরপাক খেয়ে মর্ত্ত্যলোকে ফিরে আসে
নেমে আসার আগে ওরা গত জন্মের দুঃখ সুখ ঠোঁটে খুঁটে জরিপ করে
পাখনায় গত জন্মের বিদায়বেলার দহনজ্বালা আজও ইচ্ছাগুলো
ধানক্ষেতের তীক্ষ্ণফলা
কতবার আঘাতে জর্জরিত হ’য়ে হাওয়ার আলিঙ্গনে মেরুদন্ড সোজা রেখে
ওরা দেখে চরাচর ভাসে সূর্য্যোদয়ে,  দূরীভূত অন্ধকার
এমন মুহূর্তে ওদের আনমনা হতে ভালো লাগে নরম স্বপ্ন বেয়ে ভাবতে
বসে গোলার ধান সবার ঘরে,  বধূর সলাজ ঠোঁটে প্রেম ঝরে |
সমাজের ভিন্ন ভাবনায় ঝাঁকে ঝাঁকে তীর এসে বিহগের সারা গায়ে
বিদ্ধ ইচ্ছেগুলো আজও ধানক্ষেতের তীক্ষ্ণফলা
গোধূলির কনে দেখা আলোয় আবারও ফিরবে জেনে অমর বিহগেরা
ভুলে যায় মৃত্যুজ্বালা

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রক্ত ঝরিও না
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


তোমায় দেখেছি যৌবনের শুরুতে পরিপূর্ণ চোখ মেলে দুঠোঁটে খড়কুটো
নিয়ে
সে সময় অতিথিরা উঠে গেছে পংক্তি ভোজন সেরে
সারা দেশময় ছড়ানো উচ্ছিষ্ট
কাকেরাও ক্লান্ত
কত না মতবাদ এ বলে এটা ঠিক ‘ও’ বলে ভ্রান্ত
স্তূপীকৃত মতবাদ ঘেঁটে অবশেষে তূণীর পেলে ?
সহযোদ্ধারা সে তূণীর ভ’রে দিল অব্যর্থ অসংখ্য বাণে |
কেন যুদ্ধ,  যুদ্ধ কেন মাঠ ঘাট উঠোনময়
যুদ্ধ বিনে যুদ্ধ জয় হয় না কখনও ?
ক্ষুধিত হা-মুখে ধানের তীক্ষ্ণ ফলা ঘষে দেয় ওই ওরা |
তবু অস্ত্রাঘাতে রক্ত ঝরিও না,  ওদের উত্তর এ ভাবে নয়
ওরা কে বা কারা ?
তুমি জানো আমিও জানি,  ওদের পেটগুলো ভুরিভোজে ভরা
রক্ত ঝরিও না,  হিংস্র একাত্তর,  না আর নয়,
দুঠোঁটের খড়কুটো ব্রহ্মাস্ত্র হ’য়ে ওঠে একতার বলে,
কত জঙ্গল খাক হ’লো দাবানলে
দাবানলের ঔরসে যুবতীর পেটে ক্ষিদের পাশে অরণির জন্ম হয়

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
প্রতিরাতে মাঝরাত ডাকে
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


এখনও প্রতিরাতে মাঝরাত ডাকে
মুহূর্তে আর সব মিথ্যে হ’য়ে যায়
দূরে তাকিয়ে দেখি ওদের চিতাগুলো এখনও জ্বলে ঘাতকের জ্বালানো
আগুন |
এখনও ওদের এতো ভয় !
তবে কি ঘাতকেরা জানে সৎ-চিন্তার নেই কোনও ক্ষয় এ মহাবিশ্বে আর
কিবা থাকে !
জেনেছি পিঁপড়ের আছে সম্প্রীতি,
কুকুরের প্রভুভক্তি |
তবে শুনেছি মানুষই সেরা
সে জানে পৈশাচিকতা বিশ্বাসভঙ্গের খেলা
সে খেলায় সে বার অগুন্তি দর্শকের মাঝে অসংখ্য যৌবন হত্যা আপনার
কেমন লেগেছে ?
আমার ভালো না লাগলেও খুব সাবধানে ঘরে ফিরি
ঘরে সুগন্ধি ধূপ জ্বেলে যন্ত্রণা বেশ মুছে ফেলি
ছেষট্টি হতে একাত্তর কথা বলে মাঝরাতে ডাক দেয় |
আমার অশক্ত ফুসফুস বাংলার বদ্ধ হাওয়ায় ক্রমে নিভে যায়

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ক্ষয় ক্ষতির হিসেব নয়
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


ক্ষয় ক্ষতির হিসেব নয়
যা গেছে তা গেছে
রইলো কি ?
ফিরবে না জেনেও বারে বারে ডাকি
একবার এসে দেখে যাও তোমাদের জন্যে মাটি আজও কাঁদে
সন্ধ্যাতারা |
খোলা মাঠে আকাশের নীচে শুধুই গঙ্গাফড়িং আর ধুলো ওড়ে
তোমাদের রেখে যাওয়া শপথের শব্দগুলো রামধনু আঁকে |
বাংলার আকাশে তাই রঙের হুল্লোড়
আজও সূর্য্য বাংলার ধানে প্রাণদায়ী রোদ ঢালে অপার ভালোবাসা
সমকালের কৈশোর সে রোদ হেলায় ফেলে কূপের গন্ডিতে খুলে
বসে পাঠ্য বই ও খাতা
ক্ষয় ক্ষতি বেড়ে চলে খরা বন্যায় অনাচারে ফসলেরা নষ্ট হয় মহাজনের
গোপন ভান্ডারে ইঁদুরের কামনার ঝড়
একাত্তর স্বপ্ন নিয়ে চলে গেছে
তবু এতো বছর পার করে,   বাংলার রিক্ত মাঠে ওদের দগ্ধ চোখের
আলো জ্বলে পথের আভাস
গঙ্গাফড়িং ওই আলো নিয়ে আজও আকাশের গায়ে শপথের শব্দগুলো
রামধনু আঁকে |

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সমাজের কড়িকাঠ
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


রক্তচোষাদের ঠোঁটগুলো আজ এত বিবর্ণ কেন ?
ফ্যাকাশে রুগ্ন সমাজের কড়িকাঠ তোমার চুম্বন চায়,   হে কিশোরী,
সত্য দিয়ে গড়া তোমার নবীন স্তন
সময় তোমায় কামনা করে তোমার ঠোঁট নিঃসৃত সত্য কখন যেন
ফুটে ওঠা নয়নতারা হাওয়ায় দোলে হাওয়ায় দোলে
ভোগবাদের পৃষ্ঠাগুলো বালকটি অকপটে ছিঁড়ে ফেলে পিতার সম্মুখে
সে কিছু প্রশ্ন রাখে আকাশ বাতাসে এভাবে শুরু হয় নীরব তোলপাড়
যুবতীর শরীর হতে আভরণ খসে পড়ে সজ্জার আতিশয্য  এ নয়
আমার |  শোকতাপ এক প্রায়শ্চিত্ত নীরবে নিভৃতে তোমার আমার মনের গভীরে
একাত্তরে ঝিনুক যুবকেরা পথ এঁকে দিল একটু এলোমেলো পথে মহানিমের
পাদস্পর্শ নিয়ে যাত্রা হল শুরু
তিরিশ বছর বাদে মহানিমের উঠোনে হাওয়ায় দোলে হাওয়ায় দোলে
কিশোরীর সত্য কখন যেন সমাজের মাতৃভাষা |
এভাবে যাত্রা হ’ল শুরু,  রক্তচোষাদের আর ঘৃণা নয়,
ভালোবাসায় বিপ্লবের আবিনশ্বর দেহটুকু গড়া

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ফ্যাকাশে যুগে সে ও তাহারা
কবি স্বপ্না ঘোষ
মাঘ ১৪১১ সালে  প্রকাশিত ( জানুয়ারী ২০০৫ ) কবির ‘দিবাবসানে’ কাব্য গ্রন্থ থেকে
নেওয়া |


অষ্টাদশীর মুখময় চাঁদের আলোয় ভাসে এক অলৌকিক ভেলা |
সে ভেলায় যুবতী চলেছে পিছুটানে বেশ কিছু বছর পেরিয়ে
এক বধ্যভূমিতে,  মৃতদের মাঝে এক বেঁচে থাকা অষ্টাদশী
তার ভয় ডর নেই
সে ধীর পায়ে চলেছে মৃতদের কাছে তাকে জানতে হবে গৈরিক আলো
ঠিক কতটা তীব্র হতে পারে
এক ফ্যাকাশে যুগে সে ও তাহারা বেঁচে আছে পুকুরের কচুরিপানা ঘেঁটে
মৃতেরা চক্ষুহীনতায় চেয়ে দেখে এ কোন যুবতী !
সারা গায়ে দিকভ্রান্ত বাণ বেঁধে  ‘ও’ বড়ো অস্থির
ও’কে ঠেকাতে হবে
বোঝাতে হবে হিংস্রতার পথে নয়
মৃতদের নিমিত্ত শোকাতুর হ’য়ে নয়,
চাঁদের আলোয় এ বদ্ধভূমির ত্যাজ্যমাটিকে আপন করে উচ্চারিত হবে
ওদের মুখে শপথের বর্ণমালা
সে ও তাহারা কেন যে এত ফ্যাকাশে হ’য়ে আছে
সত্তর একাত্তরে নষ্ট সমাজকে পাল্টাতে গিয়ে কত শত যুবক যুবতী
প্রাণ দিলো ঘাতকের হাতে
বধ্যভূমির রক্তদাগ করতলে তুলে এ যুগের যুবক যুবতীরা ফিরে আসে বাতাস জুড়ে
শুধু ওরা, ওদের মনোকষ্ট
বর্ণময় যৌবনে ওদের জানতে হবে গৈরিক ভাবনা ঠিক কতটা তীব্র হ’লে
হিংস্রতার পথে নয় পাখিদের ডাকে ঘাতকের দরজায় ভোর হয়
অষ্টাদশীর মুখময় পঞ্জিকার শব্দাবলী ঘিরে জেগে ওঠে যুবক যুবতী
ওদের কঠোর নির্দেশ
সে নির্দেশ মেনে ঘাতকেরা চলেছে পুকুরের কচুরিপানা তুলবে বলে
ফ্যাকাশে যুগে যুবতী আবারও ক্যানভাসে রঙ ঢালে যৌবনের উত্তাল
ঢেউ, গাছে ডালে পাতায় পাখি ডাকে

.                   ****************                   
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর