হরিয়াল কবি তিমিরবরণ সিংহ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে, “পিপাসা পরিক্রমা” নামের যাদপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রিদের কবিতা সংকলনে। কবি নিজেই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। সম্পাদক ছিলেন সমরেন্দ্র ভট্টাচার্য ও গৌতম ভট্টাচার্য।
আমি সকালবেলায় নগ্ন পায়ে ঘাস মাড়িয়ে যেতে ভালোবাসি আমি রোদ্রু মাখতে ভালোবাসি আমার জংলী ফুল ভালোলাগে আমার মাটি মাখতে ভালোলাগে আমার ক্লান্ত বেলায়--- হরিৎ-পাতার মেঘল ছায়া ভালোলাগে
উদাসী হেঁটেছি কবি তিমিরবরণ সিংহ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬-৬৭ সালে, “অরণি” নামের যাদপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছত্রছাত্রিদেক কবিতা সংকলনে। কবি নিজেই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সম্পাদক ছিলেন।
এক একটা রাতে আমি হু-হু বর্ষার মত কেঁদেছি। অন্ধ কুঠরীতে আগুন ঢেলেছি ক্ষ্যাপা সেজেছি . . . উদাসী হেঁটেছি ফসলকাটা মাঠে, অন্ধকারে নেমে
রোদ ও ঘাসফুল কবি তিমিরবরণ সিংহ কবিতাটি প্রকাশিত হয় গৌতম সেন সম্পাদিত, প্রাসঙ্গিক প্রকাশনী, ৯৭/২ ব্যানাপ্জী পাড়া রোড, কলকাতা-৪১, থেকে প্রকাশিত, “ভেঙে দাও বন্ধ্যা প্রহর” কবিতা সংকলনে।
তোমাকে আমি নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম আমার গ্রামে--- ভালবাসতে চেয়েছিলাম চামেলির মত। যারে তুমি ‘লক্ষ্মী’ আমার সাথে--- পৌষালো সকালে তোমায় শিশির মাখাব।
এ বাসি পৃথিবীর বুকে আমার যন্ত্রণা কোথায় রাখব বলতো পারো কোথায় ? দিতে পারো আমাকে সেই অরণ্যনীর মহুয়া পথ খুঁজে!
ও পাগল কবি তিমিরবরণ সিংহ কবিতাটি প্রকাশিত হয় গৌতম সেন সম্পাদিত, প্রাসঙ্গিক প্রকাশনী, ৯৭/২ ব্যানাপ্জী পাড়া রোড, কলকাতা-৪১, থেকে প্রকাশিত, “ভেঙে দাও বন্ধ্যা প্রহর” কবিতা সংকলনে।
ও পাগল, ও পথ তুই মাড়াসনে মাড়াসনে ও পাগল, পালামী তুই ছাড় ঘরে তোর মুমূর্ষু বোন পাগলামী তুই ছাড়