কবি তিমিরবরণ সিংহ - তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, যেমন জন্মের তারিখ, পিতামাতা পরিবার, জন্মস্থান
ইত্যাদি সম্বন্ধে আমাদের প্রায় কিছুই জানা নেই। যেটুকু জানা আছে তা হলো . . .

কবি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাবিভাগে বাংলার ছাত্র হিসেবে ভর্তি হন ১৯৬৫ সালে।

তিনি পৌষ ১৩৭৩ বঙ্গাব্দে (ডিসেম্বর ১৯৬৬), যাদবপুর থেকেই প্রকাশিত করতে শুরু করেন
পত্রিকা “পিপাসা পরিক্রমা”। প্রথম সংস্করণে লিখেছিলেন, প্রকৃতি-প্রেম নিয়ে কবিতা “হরিয়াল”। [-- সুভাষ
ঘোষাল, দীপ্র পলাশ, স্বপন দাশাধিকারী সম্পাদিত “সত্তরের শহীদ লেখক শিল্পী”, মে ১৯৯৮।]

তিমিরবরণ সম্পাদনা করেছেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস কলেজের মুখপত্র অরণি, ১৯৬৭-১৯৬৮
সময়কালে।  

যাদবপুরে পড়ার সময়ে তাঁর শিক্ষক ছিলেন শঙ্খ ঘোষ, অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত প্রমুখরা। ছাত্র হিসেবে তিনি
এতটাই অধ্যাপকদের দৃষ্টি আকর্ষণ বা প্রভাবিত করতে পেরেছিলেন যে ১৯৭১ সালে তাঁর মৃত্যুর পর
এই দুই অধ্যাপকের লেখনী দিয়ে বেরিয়ে আসে তাঁকে কেন্দ্র করেই --- কবিতা!

স্নাতক হবার পরই তিনি নকশালবাড়ী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। গ্রামে গ্রামে ঘুরে সংঘটনের কাজ করতে
থাকেন। শোনা যায় যে তিনি নাকি তাঁর সংঘটনে যথেষ্ট প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলেন এবং একই সময়ে
পুলিশে খাতায়ও তাঁর নাম উঠেছিল উপর দিকেই। তিনি ধরা পড়েন এবং বহরমপুর জেলে বন্দী
হয়ে থাকার সময়ে, পুলিশ তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে ২৪শে ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ তারিখে।

আমরা
মিলনসাগরে  কবি তিমিরবরণ সিংহের কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে
পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা।

কবির একটি ছবি ও তাঁর জীবন সম্বন্ধে আরও তথ্য যদি কেউ আমাদের পাঠান তাহলে আমরা, আমাদের
কৃতজ্ঞতাস্পরূপ প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো।


উত্স --- স্বপন দাসাধিকারী সম্পাদিত “সত্তরের শহীদ লেখক শিল্পী” সংকলন, মে ১৯৯৮।    


কবি তিমিরবরণ সিংহের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ১৪.৪.২০১৭
...