| অনন্ত ভণিতার বৈষ্ণব পদাবলী |
| সজনি ও কে নাগর তরু মূলে সজনী, ও কে নাগর তরু-মূলে ও কে নাগর তরুমূলে কবি অনন্ত / অনন্ত দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ১ম শাখা, ৭ম পল্লব, শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ - সবিস্তার, ১৪৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সিন্ধুড়া॥ সজনী, ও কে নাগর তরু-মূলে। এতদিন নাহি জানি লোকমুখে নাহি শুনি হেনজন আছয়ে গোকুলে॥ ধ্রু॥ মুরলীর আলাপনে পবন রহিয়া শুনে যমুনায় বহয়ে উজান। না চলে রবির রথ বাজি নাহি পায় পথ দরবয়ে দারু পাষাণ॥ রমণী-রমণ-বর গতি মদ-মন্থর মনোহরের মনোহর বেশ॥ মৃগমদ চন্দন তনু ঘন লেপন পরিমলে ভুলায়ল দেশ। শুনিয়া মুরলী-ধ্বনি ধ্যান ছাড়ে যত মুনি জপ তপ কিছুই না ভায়। তৃণমুখে ধেনু যত ঊর্দ্ধমুখে রহত বাছুরে দুগ্ধ নাহি খায়॥ ময়ূর-পাখের চূড়া মালতীর মালে বেড়া ভুবন-মোহন তার বেশ। অগোর চন্দন তনু ঘন লেপন সৌরভে ভরল সব দেশ॥ ব্রজরাজ-নন্দন অনন্ত-জীবন-ধন নাম তার সুন্দর কানাই। তাঁহার আঁখির ঠারে এ দেশে তাহার ডরে ঘরের বাহির হইতে নাই॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৩|৩১-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ শ্রীরাগ॥ সজনি, ও কে নাগর তরু-মূলে। এতদিন নাহি জানি লোকমুখে নাহি শুনি হেনজন আছয়ে গোকুলে॥ ধ্রু॥ মুরলীর আলাপনে পবন রহিয়া শুনে যমুনায় বহয়ে উজান। না চলে রবির রথ বাজি নাহি পায় পথ দরপয়ে দারুণ পাষাণ॥ রমণী-রমণ-বর গতি মদ-মন্থর মনোহরের মনোহর বেশ॥ মৃগমদ চন্দন তনু ঘন লেপন পরিমলে ভুলায়ল দেশ। দাস অনন্তের ধন সেই নন্দ-নন্দন নাম উহার সুন্দর কানাই। এ দেশে উহার ডরে মরয়ে আঁখির ঠারে ঘরের বাহির হৈতে নাই॥ এই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”, ৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধনাশ্রী॥ ও কে নাগর তরুমূলে। এতদিন নাহি জানি লোক মুখে নাহি শুনি হেনজন আছয়ে গোকুলে॥ ধ্রু॥ যার মুরলির আলাপনে পবন রহিয়া শুনে যমুনায় ধরল উজান। না চলে রবির রথ বাজি না দেখয়ে পথ দরবয়ে দারুণ পাষাণ॥ মৃগ মদ চন্দন অঙ্গে বিলেপন পরিমলে ভুলাওল দেশ। রমণী রমণ মন্থর গমন মনোহর মোহনিয়া বেশ॥ ময়ূর কণ্ঠ জিনি রসাল অঙ্গখানি নিরমিল ধাত্তকি পাখে। সেবিয়া গৌরপতি সে কেমন পুণ্যবতী সেরূপ লাবণ্য দেখে॥ নন্দ কুলে নন্দন অনন্ত জীবন ধন নাম যার সুন্দর কানাই। তাঁহার দিঠির ঠারে যুবতী তাহার ডরে ঘরের বাহির হইতে নাই॥ এই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ১৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশ্রী॥ ও কে নাগর তরুমূলে। এতদিন নাহি জানি, লোক মুখে নাহি শুনি, হেন জন আছয়ে গোকুলে॥ ধ্রু॥ যার মুরলীর আলাপনে, পবন রহিয়া শুনে, যমুনায় ধরল উজান। না চলে রবির রথ, বাজি না দেখয়ে পথ, দরবয়ে দারুণ পাষাণ॥ মৃগমদ চন্দন, অঙ্গে বিলেপন, পরিমলে ভুলাওল দেশ। রমণী রমণ, মন্থর গমন, মনোহর মোহনিয়া বেশ॥ ময়ূরকণ্ঠ জিনি, রসাল অঙ্গ খানি নিরমল ধাতুকি পাখে। সেবিয়া গৌরপতি, সে কেমন পুণ্যবতী, সে রূপ লাবণ্য দেখে॥ নন্দকুলে নন্দন, অনন্ত জীবন ধন, নাম যার সুন্দর কানাই। তাহার দিঠির ঠারে, যুবতী তাহার ডরে, ঘরের বাহির হৈতে নাই॥ এই পদটি ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “পদরত্নাবলী”-এর (পরিবর্ধিত আনন্দ সংস্করণ, ২০০৬), ৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা এই গ্রন্থের এই পাতার পাদটীকা-পাঠান্তর হুবহু নীচে তুলে দিলাম। ॥ সিন্ধুড়া॥ সজনি, ও কে নাগর তরুমূলে। এতদিনে নাহি জানি লোকমুখে নাহি শুনি হেন জন আছয়ে গোকুলে॥ ধ্রু॥ মুরলীর আলাপনে পবন রহিয়া শুনে যমুনায়ে১ বহয়ে উজান। না চলে রবির রথ, বাজি নাহি পায় পথ, দরবয়ে দারু পাষাণ॥ রমণীরমণবর গতি অতি২ মন্থর মনোহরের মনোহর বেশ। মৃগমদ চন্দন তনু ঘন লেপন পরিমলে ভুলায়ল দেশ॥৩ দাস অনন্তের মন সেই নন্দনন্দন নাম উহার সুন্দর কানাই। এদেশে উহার ডরে মরয়ে আঁখির ঠারে ঘরের বাহির হৈতে নাই॥ পাঠান্তর - সাক্ষাদ্দর্শন পদকল্পতরু, সংখ্যা ১৪৮ ১. যমুনায়। ২. মদ। ৩। এই পঙ্ক্তির পর পদকল্পতরু গ্রন্থে একটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পাঠ লক্ষিত হয় ; এখানে তাহা উদ্ধৃত হইল--- শুনিয়া মুরলী ধ্বনি ধ্যান ছাড়ে যত মুনি জপ তপ কিছুই না ভায়। তৃণমুখে ধেনু যত ঊর্দ্ধমুখে রহত বাছুরে দুগ্ধ নাহি খায়॥ ময়ূর-পাখের চূড়া মালতীর মালে বেড়া ভুবন-মোহন তার বেশ। অগোর চন্দন তনু ঘন লেপন সৌরভে ভরল সব দেশ॥ ব্রজরাজ-নন্দন অনন্ত-জীবন-ধন নাম তার সুন্দর কানাই। তাঁহার আঁখির ঠারে এ দেশে তাহার ডরে ঘরের বাহির হইতে নাই॥ এই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও রায়বাহাদু খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ১০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ ॥ সিন্ধুড়া - তেওট॥ সজনি ও কে নাগর তরুমূলে। এতদিন নাহি জানি লোকমুখে নাহি শুনি হেনজন আছয়ে গোকুলে॥ ধ্রু॥ মুরলীর আলাপনে পবন রহিয়া শুনে যমুনায় বহই উজান। না চলে রবির রথ বাজি নাহি পায় পথ দরপয়ে দারুণ পাষাণ॥ শুনিয়া মুরলী ধ্বনি ধ্যান ছাড়ে যত মুনি জপ তপ কিছুই না ভায়। তৃণ মুখে ধেনু যত ঊর্দ্ধমুখে রহত বাছুরী দুগ্ধ নাহি খায়॥ ময়ূর-পাখের চূড়া মালতীর মালে বেড়া ভুবনমোহন তার বেশ। অগোর চন্দন তনু ঘন লেপন সৌরভে ভরল সব দেশ॥ রমণী-রমণ-বর গতি মদ মন্থর মনোহরের মনোহর বেশ॥ মৃগমদ চন্দন তনু ঘন লেপন পরিমলে ভুলায়ল দেশ। দাস অনন্তের ধন সেই নন্দনন্দন নাম উহার সুন্দর কানাই। এ দেশে উহার ডরে মরয়ে আঁখির ঠারে ঘরের বাহির হইতে নাই॥ এই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সিন্ধুড়া॥ সজনি, ও কে নাগর তরুমূলে। এত দিনে নাহি জানি লোকমুখে নাহি শুনি হেন জন আছয়ে গোকুলে॥ মুরলীর আলাপনে পবন রহিয়া শুনে যমুনায় বহয়ে উজান। না চলে রবির রথ বাজী নাহি পায় পথ দরবয়ে দারু পাষাণ॥ রমণী-রমণ-বর গতি মদ-মন্থর মনোহর মোহনিয়া বেশ॥ মৃগমদ চন্দন তনু ঘন লেপন পরিমলে ভুলায়ল দেশ। দাস অনন্তের মন সেই নন্দের নন্দন নাম উহার সুন্দর কানাই। এ দেশে উহার ডরে মরয়ে আঁখির ঠারে ঘরের বাহির হৈতে নাই॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ ॥ সিন্ধুড়া॥ সজনি, ও কে নাগর তরুমূলে। এত দিনে নাহি জানি লোকমুখে নাহি শুনি হেন জন আছয়ে গোকুলে॥ ধ্রু॥ মুরলীর আলাপনে পবন রহিয়া শুনে যমুনায় বহয়ে উজান। না চলে রবির রথ বাজী নাহি পায় পথ দরবয়ে দারু পাষাণ॥ রমণীরমণবর গতি মদমন্থর মনোহরের মনোহর বেশ॥ মৃগমদ চন্দন তনু ঘন লেপন পরিমলে ভুলায়ল দেশ। শুনিয়া মুরলী ধ্বনি ধ্যান ছাড়ে যত মুনি জপ তপ কিছুই না ভায়। তৃণমুখে ধেনু যত ঊর্দ্ধমুখ অবিরত বত্সগণে দুগ্ধ নাহি খায়॥ ময়ূর পাখের চূড়া মালতীর মালে বেড়া ভ্রমর গুঞ্জরে চারি পাশে। বারেক দেখিলে তায় কুলশীল সব যায় চিত নাহি রহে গৃহবাসে॥ ব্রজরাজনন্দন অনন্ত জীবনধন নাম তার সুন্দর কানাই। তাহার আঁখির ঠারে এ দেশে তাহার ডরে ঘরের বাহির হইতে নাই॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ১৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সজনি ও কে নাগর তরুমূলে। এত দিনে নাহি জানি লোকমুখে নাহি শুনি হেন জন আছয়ে গোকুলে॥ ধ্রু॥ মুরলীর আলাপনে পবন রহিয়া শুনে যমুনায় বহয়ে উজান। না চলে রবির রথ বাজী নাহি পায় পথ দরবয়ে দারু পাষাণ॥ রমণীরমণবর গতি মদমন্থর মনোহরের মনোহর বেশ॥ মৃগমদ চন্দন তনু ঘন লেপন পরিমলে ভুলায়ল দেশ। শুনিয়া মুরলী ধ্বনি ধ্যান ছাড়ে যত মুনি জপ তপ কিছুই না ভায়। তৃণমুখে ধেনু যত ঊর্দ্ধমুখ অবিরত বত্সগণে দুগ্ধ নাহি খায়॥ ময়ূর পাখের চূড়া মালতীর মালে বেড়া ভ্রমর গুঞ্জরে চারি পাশে। বারেক দেখিলে তায় কুলশীল সব যায় চিত নাহি রহে গৃহবাসে॥ ব্রজরাজনন্দন অনন্ত জীবনধন নাম তার সুন্দর কানাই। তাহার আঁখির ঠারে এ দেশে তাহার ডরে ঘরের বাহির হইতে নাই॥ . ************************* . সকল অনন্ত ভণিতার সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| সরস বসন্ত সময় বন শোভন কবি অনন্ত / অনন্ত দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৭শ পল্লব, বাসন্তী-রাস-লীলা, ১৪৯৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ সরস বসন্ত সময় বন শোহন মোহন মোহিনি সঙ্গ। অপরুপ রাস- বিলাসহি নিমগন দুহুঁ দুহুঁ অঙ্গহি অঙ্গ॥ দেখ সখি রাস-বিলাস। কত কত যন্ত্র তন্ত্র সঙারত কতহুঁ রাগ পরকাশ॥ ধ্রু॥ যুথহি যুথ মেলি সব কামিনি যামিনি বিলসই ভাল। নাচত রঙ্গিণি প্রেম-তরঙ্গিণি গাওত মদন-গোপাল॥ বাওয়ে উপাঙ্গ ডম্ফ সর-মণ্ডল কঙ্কণ-কিঙ্কিণি-রোল। বহুবিধ তাল মান ধরু করতলে অনন্ত আনন্দ হিলোল॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২০৪৭-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ কামোদ॥ সরস বসন্ত সময় বন শোহন মোহন মোহিনি সঙ্গ। অপরুপ রাস- বিলসই নিমগন দুহুঁ দুহুঁ অঙ্গহি অঙ্গ॥ দেখ সখি রাস-বিলাস। কত কত যন্ত্র তন্ত্র সঙারত কতহুঁ রাগ পরকাশ॥ ধ্রু॥ যুথহি যুথ মিলি সব কামিনি যামিনি বিলসই ভাল। নাচত রঙ্গিণি প্রেম-তরঙ্গিণি গাওত মদন-গোপাল॥ বাওয়ে উপাঙ্গ ডম্ফ সর-মণ্ডল কঙ্কণ-কিঙ্কিণি-রোল। বহুবিধ তাল মান ধরু করতলে অনন্ত দাস আনন্দ হিলোল॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ গোরতাল তদন্তে দশকোসি॥ সরস বসন্ত সময় বন শোভন মোহন মোহিনী সঙ্গ। অপরুপ রাস বিলাসই নিমগন দুহু দুহুঁ অঙ্গহি অঙ্গ॥ দেখ সখি রাস বিলাস। কত কত জণ্ড তণ্ড সোঙারত কতহি রাগ পরকাস॥ যূথহি যূথ মিলি সব কামিনী যামিনী বিলসই ভাল। নাচত রঙ্গিণী প্রেমতরঙ্গিণী গাওত মদনগোপাল॥ বায়এ উপাঙ্গ ডম্ফ রস মণ্ডল কিঙ্কিণি কঙ্কণবোল। বহুবিধ তাল মান ধরূ করতলে দাস অনন্ত আনন্দহিল্লোল॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বসন্তরাস ॥ কামোদ॥ সরস বসন্ত সময় বন শোহন মোহন মোহিনি সঙ্গ। অপরূপ রাস বিলাসহি নিমগন দুহুঁ দুহুঁ অঙ্গহি অঙ্গ॥ দেখ সখি রাস বিলাস। কত কত যন্ত্র তন্ত্র সমারত কতহুঁ রাগ পরকাশ॥ ধ্রু॥ যূথহি যূথ মেলি সব কামিনি যামিনি বিলসই ভাল। নাচত রঙ্গিণি প্রেমতরঙ্গিণি গাওত মদন গোপাল॥ বাওয়ে উপাঙ্গ ডম্ফ সরমণ্ডল কঙ্কণ-কিঙ্কিণি-রোল। বহুবিধ তাল মান ধরু করতলে অনন্ত আনন্দ হিলোল॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ১৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সরস বসন্ত সময় বন শোহন . মোহন মোহিনি সঙ্গ। অপরূপ রাস বিলাসহি নিমগন . দুহুঁ দুহুঁ অঙ্গহি অঙ্গ॥ দেখ সখি রাস বিলাস। কত কত যন্ত্র তন্ত্র সমারত . কতহুঁ রাগ পরকাশ॥ যূথহি যূথ মেলি সব কামিনি . যামিনি বিলসই ভাল। নাচত রঙ্গিণি প্রেমতরঙ্গিণি . গাওত মদন গোপাল॥ বাওয়ে উপাঙ্গ ডম্ফ সরমণ্ডল . কঙ্কণ-কিঙ্কিণি-রোল। বহুবিধ তাল মান ধরু করতলে . অনন্ত আনন্দ হিলোল॥ . ************************* . সকল অনন্ত ভণিতার সূচীতে . . . মিলনসাগর |