| কবি ফতন-এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| কার ঘরের নাগর তুহ্মি কালিআ সোনা ভণিতা হীন ফতন কবি ফতন অথবা সেখ ফতন্ আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ রচিত, জলধর সেন সম্পাদিত “ভারতবর্ষ” পত্রিকার কার্ত্তিক, ১৩২৩ সংখ্যার (নভেম্বর ১৯১৬) “বৈষ্ণব কবিগণের পদাবলী” প্রবন্ধের ৭৩৫- পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগ - রামগরা॥ কার ঘরের নাগর তুহ্মি কালিআ সোণা। কার ঘরের নাগর তুহ্মি। আউলাই কুন্থল মু’খানি ঝাপিআ রৈছে ভালে চিনিতে নারি আমি॥ ধু॥ নঅনের কাজল বআনে লাগিছে কথাএ আছিলা পরবাসী। ঘুমের আলসে হালি ঢলি পড়ে শুতি না ছিলা আজু নিশি॥ প্রেমের আনলে সকল শরীর জ্বলে কি হৈল জঞ্জাল দিআ। হীন ফতনে কহে ওরে সোণার বন্ধু কঠিন তোহ্মার হিআ॥ এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত, যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “বাঙ্গালার বৈষ্ণব-ভাবাপন্ন মুসলমান কবি”, ৭৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রযেছে। খণ্ডিতা ॥ রাগ - রামগরা॥ কার ঘরের নাগর তুহ্মি কালিআ সোনা কার ঘরের নাগর তুহ্মি। আউলাই কুন্থল মুখ’খানি ঝাপিআ রৈছে ভালে চিনিতে নারি আমি॥ ধু॥ নঅনের কাজল বআনে লাগিছে কথাএ আছিলা পরবাসী। ঘুমের আলসে হালি ঢলি পড়ে শুতি না ছিলা আজু নিশি॥ প্রেমের আনলে সকল শরীর জ্বলে কি হইল জঞ্জাল দিআ। হীন ফতনে কহে ওরে সোণার বন্ধু কঠিন তোহ্মার হিআ॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| মোর একি পরমাদ হৈল ভণিতা অধম ফতন এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত, আবদুল কাদির ও রেজাউল করীম সম্পাদিত, “কাব্য-মালঞ্চ” সংকলনের ৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সমর্পণ॥ মোর একি পরমাদ হৈল। ছটফট করে হিয়া, কহ না বঁধুরে গিয়া, কি দিয়া কিবা গুণ কৈল॥ ধ্রু। জিতে মোর নাহি সাধ মিছামিছি পরিবাদ মিছা পাকে ঠেকিয়া রৈনু। এমন করম মোর কলঙ্কের নাহি ওর কলঙ্কে কলঙ্কে মুঞি মেনু॥ সহিতে পারি না আর, কৃপা করি’ কর পার, জনম অবধি দুখ পাইনু। অধম ফতনের সাধ, ক্ষম প্রভু অপরাধ, রাঙ্গা পায় শরণ লইনু॥ এই পদটি সচ্চিদানন্দ ভট্টাচার্য সম্পাদিত “বঙ্গশ্রী” পত্রিকার অগ্রহায়ণ ১৩৪৫ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় (নভেম্বর ১৯৩৮ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত কনক বন্দ্যোপাধ্যায়ের “বঙ্গের মুসলমান বৈষ্ণব-কবি” প্রবন্ধে, ৬৬৯-পৃষ্ঠায় আংশিক ভাবে এইরূপে দেওয়া রযেছে। সহিতে না পারি আর, কৃপা করি কর তার, জনম অবধি দুখ পাইনু। অধম ফতনের সাধ, ক্ষেম প্রভু অপরাধ, রাঙ্গা পায় শরণ লৈনু॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |