কবি হাসিমের বৈষ্ণব পদাবলী
*
ফুলের মালা গলে রে চম্পার মালা দোলে
ভণিতা হীন হাসিম
কবি হাসিম
এই পদটি “সাহিত্য সংহিতা” পত্রিকার শ্রাবণ ১৩০৮ সংখ্যায় (অগাস্ট ১৯০১) প্রকাশিত,
শ্রী আবদুল করিম সম্পাদিত “অপ্রকাশিত প্রাচীন পদাবলী”, ২৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রযেছে।

॥ গীত বিভাস॥

ফুলের মালা গলে রে চম্পার মালা দোলে।
রূপ যৌবন হরি নিল মালতীর মালে॥ ধ্রু।
সুখেণে গাঁথিয়াছে মালা মাঝে মাঝে ফুল।
ফুলের মালা গলে দিয়া নিল জাতি-কুল॥
সেফালি ফুলের মাঝে গন্ধরাজ ফুল।
ফুলের মহিমা জানে নন্দের ঠাকুর॥
হীন হাসিমে বোলে ফুলের মালা গলে দোলে।
রূপ যৌবন হরি নিল মালতীর মালে॥

ই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত, যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “বাঙ্গালার বৈষ্ণব-
ভাবাপন্ন মুসলমান কবি” সংকলন, ১০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রযেছে।

॥ বিভাস॥ আক্ষেপ॥

ফুলের মালা গলে রে চম্পার মালা দোলে।
রূপ যৌবন হরি নিল মালতীর মালে॥ ধু।
সুক্ষেণে গাঁথিয়াছে মালা মাঝে মাঝে ফুল।
ফুলের মালা গলে দিয়া নিল জাতি কুল॥
শেফালি ফুলের মাঝে গন্ধরাজ ফুল।
ফুলের মহিমা জানে নন্দের ঠাকুর॥
হীন হাসিমে বোলে ফুলের মালা গলে দোলে।
রূপ যৌবন হরি নিল মালতীর মালে॥

.            *************************             
.                                                                           
সূচীতে . . .      



মিলনসাগর
*
প্রথম বৈশাখ রাধার মনে শোক
রাধিকার বারোমাস
ভণিতা হীন হাসিম
কবি হাসিম
এই পদটি “সাহিত্য-পরিষৎ” পত্রিকার ১৩২১বঙ্গাব্দের (১৯১৪ খৃষ্টাব্দ) অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত, মুনশী
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ সংকলিত ও সম্পাদিত “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ”, ১ম খণ্ড, ১ম
সংখ্যা, ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রযেছে। পদটি পুরো দেওয়া নেই। ‘আরম্ভ’ এবং ‘শেষ’ এইভাবে
দেওয়া রয়েছে।

রাধিকার বারোমাস।

আরম্ভ :---

প্রথম বৈশাখ,                রাধার মনে শোক,
দারুণি রবির জ্বালা।
নতুন অবলা,                  আমা ছাড়ি গেলা,
মথুরা নগরে কালা॥
গোকুল নগরে,                   প্রতি ঘরে ঘরে,
ফিরিব যোগিনী হৈআ।
যে ঘরে পাইব,                   আপনা বন্ধুআ,
বান্ধিব বসন দিআ॥

শেষ :---

চৈত্র মধু মাস,                  পুরাইল বারমাস,
হীন হাসিমের বাণী।
কাকুতি করিআ,                  কৈলে আরাধন,
আসি@ মিলিব পুনি॥

@ - অপাঠ্য অক্ষর।

.            *************************             
.                                                                           
সূচীতে . . .      



মিলনসাগর
*
শূন্য কৈল আমার বৃন্দাবন
ভণিতা হাসিম
কবি হাসিম
এই পদটি হুগলী থেকে, যদুনাথ কাঞ্জিলালের তত্ত্বাবধনে প্রকাশিত “পূর্ণিমা” মাসিক পত্রিকার
শ্রাবণ ১৩০৮ সংখ্যায় (অগাস্ট ১৯০১) প্রকাশিত, শ্রী আছনজ্জমাঁ চৌধুরীর “অপ্রকাশিত
প্রাচীন পদাবলী” প্রবন্ধে, ২৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রযেছে।

॥ গ্রাম্যগীত॥

শূন্য কৈল আমার বৃন্দাবন।
আর আইব নি আমার রস্যা রে পরাণ বন॥ ধ্রু।
আজুয়া নিশি, শ্যাম বন্ধে না পাইল তিথি,
রস্যা বন্ধুরে মোর পাইল কুমতি,
সারারাত্রি বসিয়া রৈলাম, শ্যাম না আইলা কি কারণ॥
.        কালুয়া নিশি, বন্ধুরে মোর পাইল কুমতি,
.        সারা রাত্রি বৈয়া রৈলাম কান্দিতে নিশি ;
যাইবার কালে প্রাণনাথ! দিয়া যাইও মোরে দরশন॥
আমার বাসি হৈল ও যৌবন।
আর নি আসবে আমার রসিক পরাণ-বন॥
একলা মন্দিরের মাঝে, ও মুই কারে লই করিম্ শয়ন।
আর নি আসিবে আমার রসিক পরাণ-বন॥
মিনতি হাসিমের বাণী, শুনরে রসের কামিনী!
নারীর যৌবন জানো যেন জোয়ারের পানি॥

.            *************************             
.                                                                           
সূচীতে . . .      



মিলনসাগর