| কবি কবীরের বৈষ্ণব পদাবলী |
| বরজ কিশোরী ফাগু খেলত রঙ্গে ভণিতা কবীর কবি কবীর এই পদটি সুরেশচন্দ্র সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ ১৩২১ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৪ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত অনাথবন্ধু দেবের “বঙ্গীয় মুসলমান ও বঙ্গ-সাহিত্য” প্রবন্ধে, ৭৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রযেছে। ॥ দোললীলা॥ বরজ কিশোরী ফাগু খেলত রঙ্গে। চুয়া চন্দন আবীর গুলাব দেয়ত শ্যামর অঙ্গে। ফাগু হত করি ফিরত শ্রীহরি ফিরি ফিরি বোলত রাই। ঘুমট উঠামে বয়ানে ছাপায়ত বেরি বেরি যৈসে মেঘমে চাঁদ লুকাই॥ ললিতা এক সখী ফাগু হাত করি দেয়ত কানু নয়ান। বৃকভানু কিশোরী দুঁহু বাহু ধরি মারত শ্যাম বয়ান। আওর এক সখী জীউ জীউ করি কাঁহা লাগাএয়ো আবীর। কমরি ফাগু লেই কান নয়ানে বেরি দেওত হঁ হা করত কবীর। এই পদটি সচ্চিদানন্দ ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “বঙ্গশ্রী” পত্রিকার অগ্রহায়ণ ১৩৪৫ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় (নভেম্বর ১৯৩৮ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত কনক বন্দ্যোপাধ্যায়ের “বঙ্গের মুসলমান বৈষ্ণব কবি” প্রবন্ধে, ৬৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রযেছে। বরজ কিশোরী ফাগু খেলত রঙ্গে। চুয়া চন্দন, আবীর গোলাব, দেয়ত শ্যামের অঙ্গে॥ ধ্রু॥ ফাগু হাতে করি, ফিরত শ্রীহরি, ফিরি ফিরি বোলত রাই। ঘুমট উঠামেঁ বয়ান ছাপায়ত, বেরি বেরি যৈসে মেঘসে চাঁদ লুকাই॥ ললিতা একা সখী, ফাগু হাতে করি, দেয়ত কানু নয়ান। বৃকভানু কিশোরী দুহুঁ বাহু ধরি, মারাত শ্যাম বয়ান। আওর এক সখী, জীউ জীউ করি, কাঁহা লাগাও আবীর। কমরি ফাগু লেই, কান নয়ান বেরি দেওত, হাঁ হাঁ করত কবীর॥ এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত, যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্ষ্য সম্পাদিত, “বাঙ্গালার বৈষ্ণব-ভাবাপন্ন মুসলমান কবি” সংকলনের ৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এখানে কবির নাম কবীর বলা হয়েছে। হোলী-লীলা ॥ বসন্ত॥ বরজ-কিশোরী ফাগু খেলত রঙ্গে। চুয়া চন্দন, আবীর গোলাব, দেয়ত শ্যামের অঙ্গে॥ ধু॥ ফাগু হাতে করি, ফিরত শ্রীহরি, ফিরি ফিরি বোলত রাই। ঘুমট উঠামেঁ, বয়ান ছাপায়ত, বৈরি বৈরি যৈছে মেঘসে চাঁদ লুকাই॥ ললিতা একা সখী, ফাগু হাতে করি, দেয়ত কানু নয়ান। বৃকভানু কিশোরী দুহুঁ বাহু ধরি, মারত শ্যাম বয়ান। আওর একসখী, জীউ জীউ করি, কাঁহা লাগাও আবীর। কমরি ফাগু লেই, কান নয়ান বেরি বেরি দেওত, হাঁ হাঁ করত কবীর॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |