| কবি মনোহর দাসের বৈষ্ণব পদাবলী |
| শ্যামের মুরলী হৃদয় খুরলি কবি মনোহর দাস এই পদটি গোকুলানন্দ সেন (বৈষ্ণবদাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭৫০ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ১৯১৮ সালে, সতীশচন্দ্র রায় দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদকল্পতরু”, ২ খণ্ড, ৩য় শাখা, ১১শ পল্লব, আক্ষেপানুরাগ, ৮২৫-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বালা ধানশী॥ শ্যামের মুরলী হৃদয় খুরলি করিলি সকলি নাশ। মোহর মিনতি না শুনি আরতি করহ বাজিতে আশ॥ শুন শুন রে ধরমনাশা। দেব আরাধিয়া ও মুখ বান্ধিব ঘুচাব তোমার আশা॥ ধ্রু॥ আমরা অবলা সহজে অখলা দেখিয়া তোহার লোভ। অলপে অলপে সকলি খাইয়া জীবনে করহ ক্ষোভ॥ এখনে আমরা সতর হইলুঁ তেজহ এ সব আশ। যাহার যেমন না ছাড়ে করণ কহে মনোহর দাস॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১৩১৪-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ বালা ধানশী॥ শ্যামের মুরলী হৃদয় খুরলি করিলি সকল নাশ। মোরহ মিনতি না শুনি আরতি করহ বাজিতে আশ॥ শুন শুন রে ধরমনাশা। দেব আরাধিয়া ও মুখ বান্ধিব ঘুচাব তোমার আশা॥ ধ্রু॥ আমরা অবলা সহজে অখলা দেখিয়া তোমার লোভ। অলপে অলপে সকলি খাইয়া জীবনে করহ ক্ষোভ॥ এখনে আমরা সতর হইলুঁ তেজহ এ সব আশ। যাহার যেমন না ছাড়ে করণ কহে মনোহর দাস॥ এই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ৩৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। আক্ষেপানুরাগ ॥ বালা ধানশী॥ শ্যামের মুরলী হৃদয় খুরলি করিলি সকল নাশ। আমার মিনতি না শুনি আরতি করহ বাজিতে আশ॥ শুন শুন রে ধরম-নাশা। দেব আরাধিয়া ও মুখ বান্ধিব ঘুচাব তোমার আশা॥ আমরা অবলা সহজে অখলা দেখিয়া তোহারি লোভ। অলপে অলপে সকল খাইয়া জীবনে করহ ক্ষোভ॥ এখনে আমরা সতর হইলুঁ তেজহ এ সব আশ। যাহার যেমন না ছাড়ে কারণ কহে মনোহর দাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত,হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। আক্ষেপানুরাগ ॥ বালা ধানশী॥ শ্যামের মুরলী হৃদয় খুরলি করিলি সকলি নাশ। মোহর মিনতি না শুনি আরতি করহ বাজিতে আশ॥ শুন শুন রে ধরমনাশা। দেব আরাধিয়া ও মুখ বান্ধিব ঘুচাব তোমার আশা॥ ধ্রু॥ আমরা অবলা সহজে অখলা হৃদয়ে জাগায়া ক্ষোভ। অলপে অলপে সকলি খাইয়া জীবনে করহ লোভ॥ এখনে আমরা সতর হইলুঁ তেজহ এসব আশ। যাহার যেমন না ছাড়ে করণ কহে মনোহর দাস॥ এই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ৬৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী - জপতাল॥ শ্যামের মুরলী, হৃদয় খুরলি, করিলি সকল নাশ। মোহর মিনতি না শুনি আরতি করহ বাজিতে আশ॥ শুন শুনরে ধরম-নাশা। দেব আরাধিয়া ও মুখ বাঁধিব ঘুচাব তোমার আশা॥ ধ্রু॥ আমরা অবলা সহজে অখলা দেখিয়া তোহারি লোভ। অলপে অলপে সকল খাইয়া জীবনে করহ ক্ষোভ॥ এখনে আমরা সতর্ক হইনু, তেজহ এ সব আশ। যাহার যেমন, না ছাড়ে করণ, কহে মনোহর দাস॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৪৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্যামের মুরলী হৃদয় খুরলি করিলি সকলি নাশ। মোহর মিনতি না শুনি আরতি করহ বাজিতে আশ॥ শুন শুন রে ধরমনাশা। দেব আরাধিয়া ও মুখ বান্ধিব ঘুচাব তোমার আশা॥ আমরা অবলা সহজে অখলা হৃদয়ে জাগায়া ক্ষোভ। অলপে অলপে সকলি খাইয়া জীবনে করহ লোভ॥ এখনে আমরা সতর হইলুঁ তেজহ এসব আশ। যাহার যেমন না ছাড়ে করণ কহে মনোহর দাস॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কানাই কত ফরকাহ চুল ভণিতাহীন / মনোহর এই পদটি গোকুলানন্দ সেন (বৈষ্ণবদাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭৫০ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ১৯১৮ সালে, সতীশচন্দ্র রায় দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদকল্পতরু”, ২ খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৫শ পল্লব, দান-লীলা, ১৩৮৬-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ কানাই কত ফরকাহ চুল। দানী হইয়া যে জন বৈসয়ে তার ধরম গণ্ডার মূল॥ আছে মেন তোমার চাঁচর কেশ টানিয়া বান্ধ্যাছ ভালে। তাহার উপরে শিখী-পাখ্যের পাখা জড়ান বকুল-মালে॥ এ তাড় তোড়ল বলয়া ঘাঘর ইথে আছে বুঝি ভাড়া। নন্দরাজ ঘরে নবনী খাইয়া হৈয়াছ উমাদ ষাঁড়া॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১৮১৬-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ শ্রীরাগ॥ কানাই কত ফরকাহ চুল। দানী হইয়া যে জন বৈসয়ে অব ধরম গণ্ডা মূল॥ আছে বেন তোমার চাঁচর কেশ টানিয়া বান্ধিছ ভালে। তাহার উপরে শিখী পাখা দেখি লবঙ্গ মালতি মালে॥ এ তাড় তোড়ল বলয়া ঘাঘর ইথে আছে বুঝি ভাড়া। নন্দরাজ ঘরে নবনী খাইয়া হৈয়াছ উমাদ সাড়া॥ যশোদা যেমন দু-করে বান্ধিতো রাখিতো তোমারে কেবা। কহে মনোহর কেমন বাটপাড় বাটপাড়ি শিখি যাবা॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত,হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। দান-লীলা ॥ শ্রীরাগ॥ কানাই কত ফরকাহ চুল। দানী হইয়া যে জন বৈসয়ে তার ধরমগণ্ডা মূল॥ আছে ঘন তোমার চাঁচর কেশ টানিয়া বান্ধ্যাছ ভালে। তাহার উপরে শিখী-পাখীর পাখা জড়ান বকুল-মালে॥ এ তাড় তোড়ল বলয়া ঘাঘর ইথে আছে বুঝি ভাড়া। নন্দরাজ ঘরে নবনী খাইয়া হৈয়াছ উমাদ ষাঁড়া॥ বনের কাষ্ঠ ঘসিয়া মেখেছ কত না সুগন্ধ তাহে। কি দেখি তোমার যুবতি ভুলিবে দাস মনোহর গাহে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৪২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কানাই কত ফরকাহ চুল। দানী হইয়া পথে যে জন বৈসয়ে . তার ধরমগণ্ডা মূল॥ আছে ঘন তোমার চাঁচর কেশ . টানিয়া বান্ধ্যাছ ভালে। তাহার উপরে শিখী পাখীর পাখা . জড়ান বকুল মালে॥ এ তাড় তোড়ল বলয়া ঘাঘর . ইথে আছে বুঝি ভাড়া। নন্দরাজ ঘরে নবনী খাইয়া . হৈয়াছ উমাদ ষাঁড়া॥ বনের কাষ্ঠ ঘসিয়া মেখেছ . কত না সুগন্ধ তাহে। কি দেখি তোমার যুবতি ভুলিবে . দাস মনোহর গাহে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| বরিখে রিমি ঝিমি সঘনে যামিনি কবি মনোহর এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত,হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অভিসারিকা ॥ সৌরাষ্ট্রী॥ বরিখে রিমি ঝিমি সঘনে যামিনি দামিনী ঝটকাই রে। রাগে অভিসরি সঙ্গে সহচরি চলল সুন্দরী রাই রে॥ চসিতে অহিকুল চরণে বেঢ়ল আন্ধ পিছলিত পন্থ রে। গিরত শত বেরি উঠিয়া ধাওত ভেটিতে গোকুল-চন্দ রে॥ সঘনে বরিখনে ভিজল কামিনি তিতল আ-পদ অঙ্গ রে। বাদল-বারি নি- বারি কর-তলে তবহুঁ গতি নাহি ভঙ্গ রে॥ সকল সঙ্কট জিতল কামিনি বিঘন কি করু আর রে। কহে মনোহর কুঞ্জ-কাননে মিলল নন্দ-কুমার রে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৪৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বরিখে রিমি ঝিমি সঘনে যামিনি দামিনী ঝটকাই রে। রাগে অভিসরি সঙ্গে সহচরি চলল সুন্দরী রাই রে॥ চসিতে অহিকুল চরণে বেঢ়ল আন্ধ পিছলিত পন্থ রে। গিরত শত বেরি উঠিয়া ধাওত ভেটিতে গোকুল চন্দ রে॥ সঘনে বরিখনে ভিজল কামিনি তিতল আপদ অঙ্গ রে। বাদল বারি নিবারি কর-তলে তবহুঁ গতি নাহি ভঙ্গ রে॥ সকল সঙ্কট জিতল কামিনি বিঘন কি করু আর রে। কহে মনোহর কুঞ্জ কাননে মিলল নন্দ কুমার রে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| নবিন কিশলয় ফুটল ফুল চয় কবি মনোহর এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত,হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বাসকসজ্জা ॥ ধানশী॥ নবিন কিশলয় ফুটল ফুল চয় পাতি বিবিধ বিধান। যৈছে খির সর তৈছে শেজ কর কুসুম কুল উপাধান॥ সখি হে স্বরূপে কহলমু তোয়। ঐছে সাজাহ বাস গৃহ জনু নিরখি হরি-সুখ হোয়॥ ধ্রু॥ চারু চম্পক--- কুসুম-হারক গন্ধ মালতি-মাল। খপুর কর্পূর পাণ সুমধুর পুরিঞা কাঞ্চন-থাল॥ করহ সব তুহুঁ জাগি রহলুহুঁ পিয়াক পন্থ নিহার। কহে মনোহর কুঞ্জ-কাননে মিলব নন্দ-কুমার॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৪৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। নবিন কিশলয় ফুটল ফুল চয় পাতি বিবিধ বিধান। যৈছে খির সর তৈছে শেজ কর কুসুম কুল উপাধান॥ সখি হে স্বরূপে কহলমু তোয়। ঐছে সাজাহ বাস গৃহ জনু নিরখি হরি-সুখ হোয়॥ ধ্রু॥ চারু চম্পক---কুসুম হারক গন্ধ মালতি মাল। খপুর কর্পূর পাণ সুমধুর পুরিঞা কাঞ্চন থাল॥ করহ সব তুহুঁ জাগি রহলুহুঁ পিয়াক পন্থ নিহার। কহে মনোহর কুঞ্জ কাননে মিলব নন্দ কুমার॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| চন্দ্রাবলী রতি ছরমে ঘুমাওল কবি মনোহর দাস এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন- মালা”, ৩৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাষ॥ চন্দ্রাবলী রতি ছরমে ঘুমাওল কুহু কোকিলা নিশি ভোর। ঐছন সময়ে চতুর বর নাগর তেজল তাকর কোর॥ দিনমণি দেওল বার। কুমুদিনী ত্যজি অলি কমল পর ধাবই বায়স নিয়ড়ে ফুকার॥ ধ্রু॥ চন্দনে চরচিত সবহু কলেবর নীল বসন পরিধান। অরুণিত লোচন যুগল ঢুলু ঢুলু দিগ দলি আওত কান॥ দূরে হেরি সুন্দরী ভবনহি পৈঠল হলধর আওল জানি। ললিতা নতমুখী হাসি হাসি অঙ্গনে আসন দেওল আনি॥ যবতহি বৈঠল কান। করে কর সুন্দরী গলে অম্বর ধরি ভরমে করল পরণাম॥ লহু লহু পুছই রোহিণীক মঙ্গল ললিতা সখী করি আড়। ঐছন বচন শুনি হরি অন্তরে ভয় উপজল গাঢ়॥ রোহিনী মঙ্গল পুছ তুহুঁ সুন্দরি সো হোয়ত মঝু জেঠ। রামানুজ হাম প্রাতরে আওল তুয়া সঙ্গে করইতে ভেট॥ ঐছন বচন শুনি ধনী অন্তরে অতিশয় মতি ভেল বাম। দাস মনোহর তুহুঁ বহুবল্লভ রজনী বঞ্চলি কোন ঠাম॥ এই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ৩২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস - বৃহৎ জপতাল॥ চন্দ্রাবলী রতি- ছরমে ঘুমাওল কুহু কোকিলা নিশি ভোর। ঐছন সময়ে, চতুর বর নাগর তেজল তাকর কোর॥ দিনমণি দেওল বার। কুমুদিনী তেজি অলি কমল পর ধাবই বায়স নিয়ড়ে ফুকার॥ ধ্রু॥ চন্দনে চরচিত সবহুঁ কলেবর নীল বসন পরিধান। অরুণিম লোচন- যুগল ঢুলু ঢুলু, দিগ দলি আওত কান॥ দূরে হেরি সুন্দরী, ভরমহি বৈঠল হলধর আওল জানি। ললিতা নতমুখী, হাসি হাসি অঙ্গনে, আসন দেয়ল আনি॥ তব তঁহি বৈঠল কান। করে কর সুন্দরী, গলে অম্বর ধরি, ভরমে করল পরণাম॥ লহু লহু পুছই, রোহিণীক মঙ্গল ললিতা সখি করি আড়। ঐছন বচন, শুনি হরি অন্তরে, ভয় উপজিল গাঢ়॥ রোহিনীক মঙ্গল, পুছ তুহুঁ সুন্দরী, সো হোয়ত মঝু জেঠ। রামানুজ হাম, প্রাতরে আয়লুঁ, তুয়া সনে করইতে ভেট॥ ঐছন বচন, শুনি ধনি অন্তরে, অতিশয় মতি ভেল বাম। দাস মনোহর, তুহুঁ বহু-বল্লভ রজনি বঞ্চিলা কোন ঠাম॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |