| কবি মোহম্মদ হাসিমের বৈষ্ণব পদাবলী |
| সহিমু কথ বিরহ আগুনি ভণিতা মহাম্মদ হাসিম কবি মহাম্মদ হাসিম এই পদটি জলধর সেন সম্পাদিত ভারতবর্ষ পত্রিকার কার্ত্তিক ১৩২৩ সংখ্যায় (নভেম্বর ১৯১৬) প্রকাশিত, আবদুল করিমের “বৈষ্ণব-কবিগণের পদাবলী”, প্রবন্ধে ৭৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রযেছে। ॥ রাগ - গান্ধার॥ সহিমু কথ বিরহ আগুনি। ধু। জবে করি রোস তবে হৈবে দোষ তোকারণে বসি শুনি। কহিলে এ হএ আনলে বাহিরে দএ পিছে লাগি আছে শনি। মোহম্মদ হাসিমে কহে গুরুজনের ভয়ে মুখে ন আইসএ বাণী। কহিলে এ কথা মনে লাগে বেথা অকীর্ত্তি হইবে জানি॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| নব যৌবনী তোর রূপ নিরক্ষিতে না রহে পরাণি ভণিতা মহাম্মদ হাসিম কবি মহাম্মদ হাসিম এই পদটি জলধর সেন সম্পাদিত ভারতবর্ষ পত্রিকার পৌষ ১৩২৫ সংখ্যায় (জানুয়ারী ১৯১৯) প্রকাশিত, আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদের “মুসলমান কবির বৈষ্ণব-পদাবলী”, প্রবন্ধে ৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রযেছে। পদটি ১৬৪০ শকাব্দে () লিখিত, চট্টগ্রামে প্রাপ্ত “রাগমালা” নামক ॥ কানড়া॥ নব যৌবনী তোর রূপ নিরক্ষিতে না রহে পরাণি। ধু। যমুনার জলেরে জাইতে ননদী চলিল সাথে লাজে নারী না বোলাই বন্ধেরে১। আঞ্চলে ঢাকিয়া বুক মনেত রহিল দুঃখ কান্দি কান্দি আইলুম নিজ ঘরে॥ উঞ্চল নিঞ্চল২ ঘাট নামিতে সঙ্কট তাত নামিয়াছে এ চন্দ্রবদনী। তিলেক দাণ্ডাই যাও জুড়াউক শ্যামের গাও কলসী ভরিয়া দিমু আমি॥ কহিও বন্ধুর আগে মাথার সপথ লাগে খাম্বা৩ চুকাই পড়ে পানি। খাম্বার পানিএ লোটন ভিজিল রে কাঞ্চা ঘুমে কে দিল আগুনি॥ তু ম নব জৌবনী কানু মন মোহিনী তাত দেখি ঐরূপ খানি। মোহাম্মদ হাসিমে কহে এই না দুঃখ গাএ সহে তো লাগি তেজিমু পরাণি॥ ১। বন্ধেরে - বন্ধুরে। ২। উঞ্চল নিঞ্চল - উচ্চনীচ। ৩। খাম্বা - খাম। . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |