এই কবি সম্বন্ধে আরও তথ্য এবং নতুন কোনও পদ আমাদের কাছে পাঠালে আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে  
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো


আমরা
মিলনসাগরে  কবি মুক্তারাম দাসের বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে
দিতে পারলে  এই  প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি মুক্তারাম দাসের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২২.১.২০১৯

...
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
কবি মুক্তারাম দাস - এই কবির জীবন সম্বন্ধে আমাদের কাছে কোনও তথ্য নেই।

১৩২১ বঙ্গাব্দে (১৯১৪ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, মুনশী আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ সঙ্কলিত, বঙ্গীয় সাহিত্য
পরিষদের “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ, ১ম খণ্ড ১ম সংখ্যা”, ১৪-পৃষ্ঠায় "কান্দএ কাতর হৈয়া রাধিকা
যুবতী" পদটি আংশিকভাবে তিনি উদ্ধৃত করেছেন “শ্রীমতী রাধিকার চৌতিশা” নামক পুথির পদ হিসেবে।
সে থেকে বলা যায় যে কবি মুক্তারাম “শ্রীমতী  রাধিকার চৌতিশা” নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।


পদের ভাষা বিচার করলে মনে হয় পদকর্তা
মুক্তারাম সেন ও মুক্তারাম দাস এক ও অভিন্ন ব্যক্তি।
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
মুক্তারাম দাস
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”