এই কবি সম্বন্ধে আরও তথ্য এবং নতুন কোনও পদ আমাদের কাছে পাঠালে আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে  
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো


আমরা
মিলনসাগরে  কবি মুক্তারাম সেনের বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে
পারলে  এই  প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি মুক্তারাম সেনের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২২.১.২০১৯

...
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
কবি মুক্তারাম সেন - সুরেশচন্দ্র সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার ১৩১০ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ
সংখ্যায় (মে ১৯০৩ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত,
মুনশী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের , কবি ভক্তরাম দাসের
“গোকুল-মঙ্গল” নামক প্রবন্ধে কবি ভক্তরাম দাসের পদাবলী সম্বন্ধে লিখতে গিয়ে তিনি বলেছেন যে তাঁর
অনুমান এই যে  
কবি ভক্তরাম দাস ছিলেন কবি মুক্তারাম সেনের খুড়তুতো ভাই। তাঁর আরও অনুমান যে
তাঁদের রচনাকাল ছিল ১৭০০ খৃষ্টাব্দের আশেপাশে। তাঁরা চট্টগ্রামের আনোয়ারা গ্রামের গগনচন্দ্র সেনের
পূর্বপুরুষ। সেই সূত্রে এই কবি,
রাধামোহন ঠাকুরেরও পূর্ববর্তী কবি হন।

পদের ভাষা বিচার করলে মনে হয় পদকর্তা মুক্তারাম সেন ও
মুক্তারাম দাস এক ও অভিন্ন ব্যক্তি।
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
মুক্তারাম সেন
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”