তোমার লাগিয়া রাধে তোমা আরাধিনু ভণিতা প্রতাপরুদ্র কবি মহারাজ প্রতাপরুদ্র কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ১৯২নং পুথিতে নীলাচলের রাজা প্রতাপরুদ্রের ভণিতাযুক্ত একটি বাংলা পদ আছে। পুরো পদটি অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ, ৩য় খণ্ড”, ১৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
তোমার লাগিয়া রাধে তোমা আরাধিনু। মনের মানস জত সকল সাধীনু॥ অঙ্গ মাঝে হব তোমার অঙ্গ পরিপুর। অভরণ মাঝে হব দুখানি নপুর॥ নখচন্দ্র চকোর পদকমলে ভ্রমর। উ রূপে মকুর হব নিরাগে চামর॥ আর এক সাধ আমি করিয়াছি মনে। অতি খিণ রেণু হয়্যা থাকিব চরণে॥ রেণু হতে না পাই জদি মনে অনুমানি। প্রতাপরুদ্রে কৃপা করহ আপনি॥
এই পদটি ১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত, যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”-এর উপসংহার, ৩০৮-পৃষ্ঠায় আংশিক এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি স্বয়ং প্রতাপরুদ্রের কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং যুধিষ্ঠির জানা।
আভরণ মাঝে হ’ব দু’খানি নূপুর॥ নখচন্দ্রে চকোর, পদকমলে ভ্রমর। ওরূপে মুকুর হব, নিরাগে চামর॥ আর এক সাধ আমি করিয়াছি মনে। অতি ক্ষীণ রেণু হৈয়া থাকিব চরণে॥ রেণু হইতে না পাই যদি মনে অনুমানি। প্রতাপরুদ্রে কৃপা প্রভু করহ আপনি॥