এই কবি সম্বন্ধে আরও তথ্য এবং নতুন কোনও পদ আমাদের কাছে পাঠালে আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে  
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো


আমরা
মিলনসাগরে  কবি রামমোহন ভট্ট-এর বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে
পারলে  এই  প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি রামমোহন ভট্ট-এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২.১.২০১৯

...
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
কবি রামমোহন ভট্ট - সম্ভবত চট্টগ্রামের রাইজান থানার অন্তর্গত কদলপুর গ্রামে বাস করতেন।
"রামমোহন" এবং "রামমোহন ভট্ট" ভণিতার পদ পাওয়া গিয়েছে। আমরা দুটি ভণিতাই রামমোহন ভট্টের
বলে মেনে নিয়ে একই পাতায় তুলে দিচ্ছি। কবির জীবনকাল সম্বন্ধে কিছু জানা যায় না।

মুনশী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ সঙ্কলিত, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ, ১ম
খণ্ড”, ৬৮-পৃষ্ঠায়, ৫৩৫-সংখ্যক পুথির কবি সম্বন্ধে লিখেছেন . . .

ইহাতে কয়েকটি বৈষ্ণব কবিতা আছে। একখণ্ড বড় কাগজের দুই পিঠে লেখা। লিপিকরের নাম ও তারিখ
নাই। রামমোহন ভট্টের রচনা। ইহাঁর বাড়ী সম্ভবতঃ চট্টগ্রাম---রাইজান থানার অন্তর্গত কদলপুর গ্রামে।
সেখানে অনেক ভট্ট ব্রাহ্মণের বাস আছে
।”
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
রামমোহন ভট্ট, রামমোহন
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”