এই কবি সম্বন্ধে আরও তথ্য এবং নতুন কোনও পদ আমাদের কাছে পাঠালে আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে  
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো


আমরা
মিলনসাগরে  কবি রামনারায়ণের বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে  
এই  প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি রামনারায়ণের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২৩.১.২০১৯

...
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
কবি রামনারায়ণ - এই কবি সম্বন্ধে আমাদের কাছে নিশ্চিত কোনও তথ্য নেই।

১৯৫৫সালে প্রকাশিত, প্রিয়নাথ জানা সম্পাদিত, “বঙ্গীয় জীবনকোশ ১ম খণ্ড” গ্রন্থে একজন অষ্টাদশ শতাব্দীর
রামনারায়ণ নামের কবির উল্লখ রয়েছে। কিন্তু এই কবির একটি “ধর্মমঙ্গল” কাব্যের পুঁথি পাওয়া গিয়েছে।
ইনিই এই বৈষ্ণব পদকর্তা কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

এ ছাড়া দ্বিজ রামনারায়ণ নামের কবির “শক্তিলীলামৃত” নামের কাব্য রয়েছে, যার রচনাকাল ১৮০৭ খৃষ্টাব্দ।
ইনি শুধু “রাম” অথবা “রামদাস” ভণিতা ব্যবহার করেছেন। তাই নিশ্চিতভাবে বলা চলে যে ইনি আমাদের
“রামনারায়ণ” ভণিতার কবি নন।
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
রামনারায়ণ
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”