কবি রামরায় - এই কবি সম্বন্ধে আমাদের কাছে বিশেষ কোনও তথ্য নেই। তবে তাঁর একটি মাত্র পদ
পাওয়া গিয়েছে। বৈষ্ণবদাস সমকলিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরুতে তাঁর পদটি ২২৪৪ সংখ্যক পদ হিসেবে দেওয়া
রয়েছে।
এর অর্থ এই যে এই কবি রামরায়, বৈষ্ণবদাস পূর্ব কবি।
এই পাতার কবিতার ভণিতা - রামরায়
|
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি - পাতার উপরে . . .
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক, শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . . বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই।”
কবি রামরায় সম্বন্ধে সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি - পাতার উপরে . . .
সতীশচন্দ্র রায় তাঁর সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরুর ৫ম খণ্ডের ভূমিকায় কবি রামকান্ত ও তাঁর পদ সম্বন্ধে
লিখেছেন . . .
“রাম রায়-ভণিতার একটি মাত্র (২৮৪৪ সংখ্যক) পদ পদকল্পতরুতে উদ্ধৃত হইয়াছে। এই পদটীর রচয়িতা
রাম কে, তাহা নিশ্চিত বলা যায় না। পদটী শ্রীপাধা-কৃষ্ণের আরতি-বিষয়ক ব্রদবুলীর পদ। রামানন্দ রায়ের
কোন পদে আমরা তাঁহার নামের সংক্ষিপ্ত রূপান্তর দেখিতে পাই নাই। সুতরাং আলোচ্য পদের রচয়িতা
সম্ভবতঃ রামানন্দ রায় নহেন, ---অন্য কেহ হইবেন।”