এই কবি সম্বন্ধে আরও তথ্য এবং নতুন কোনও পদ আমাদের কাছে পাঠালে আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো
।
আমরা
মিলনসাগরে
কবি রামত
নু
র বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টার সার্থকতা।
কবি রামত
নু
র মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন
।
আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in
এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২৪.১.২০১৯
...
*
এই পাতার উপরে . . .
*
এই পাতার উপরে . . .
*
এই পাতার উপরে . . .
*
এই পাতার উপরে . . .
কবি রামত
নু
- এই কবি
ও তাঁর রচনা
সম্বন্ধে আমাদের কাছে কোনও তথ্য নেই।
আমরা কবি রামতনুর একটি মাত্র পদ,
১৩২১ (১৯১৪) বঙ্গাব্দে প্রকাশিত, সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকার অন্তর্গত,
মুনশী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
সঙ্কলিত “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ”, ১ম খণ্ড, ১ম সংখ্যা, ১০৪-
পৃষ্ঠায়
পেয়েছি
। পদটি আংশিক অবস্থায় পাওয়া গেছে।
পদটি
উদ্ধব-সম্বাদ
গ্রন্থের
।
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের
ভূমিকা
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও
উত্স গ্রন্থাবলী
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
শ্রী
রামত
নু
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি
-
পাতার উপরে . . .
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”