কবি রতিপতি ঠাকুরের বৈষ্ণব পদাবলী
*
এতদিনে বুঝলুঁ তুয়া হৃদয় নিঠুর
ভণিতা রতিপতি দাস        
কবি রতিপতি ঠাকুর
এই পদটি রামগোপাল দাস (গোপাল দাস) দ্বারা ১৬৪৩-১৬৭৬ সময়কালে, সংকলিত ও
বিরোচিত এবং ১৯৪৬ সালে হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, সুকুমার সেন ও প্রফুল্ল পাল দ্বারা
সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণ-রসকল্পবল্লী”, সপ্তম কোরক, ১০৫-পৃষ্ঠায়,
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

তত্র পদম্
শ্রীমৎ প্রভুর--- (রতিপতি ঠাকুর সংকলক রামগোপাল দাসের দীক্ষাগুরু ছিলেন)

এতদিনে বুঝলুঁ তুয়া হৃদয় নিঠুর।
কানু উপেখি আয়লি এত দূর॥
অব তুহু একলি রহলি বনমাঝ।
তোহে নাহি সম্ভবে এ হেন কাজ॥
সময় উচিত করিয়ে যদি মান।
আঁচরে ঝাপয়ে আধ বয়ান॥
একদিগে সুতিয়ে চীত সমাধি।
সাধিয়ে বাদ তহি রাখিএ উপাধি॥
অনুগত তুয়া বিনে না বোলয়ে আন।
করে ধরি বোলে দূতী করহ পয়ান॥
রতিপতি দাস করয়ে পরণাম।
দূতী নহো ইহোঁ দুহুক পরাণ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১০৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের মান
॥ তথারাগ॥

এতদিনে বুঝলুঁ তুয়া হৃদয় নিঠুর।
রাই উপেখি আয়লি এত দূর॥
অব তুহুঁ একলি রহসি বন মাঝ।
তোহে নাহি সম্ভবে এমন অকাজ॥
সময় উচিত করিয়ে যদি মান।
আঁচরে ঝাঁপিয়ে আপন বয়ান॥
এতক্ষণ শুতিয়ে চিত সমাধি।
সাধিয়ে বাদ তঁহি ঝাঁখয়ে উপাধি॥
অনুগত তুয়া বিনু না বোলয়ে আন।
করে ধরি বলে দূতী করহ পয়ান॥
রতিপতি দাস করয়ে পরণাম।
দূতী নহো ইহো দুঁহুক পরাণ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৯৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

এতদিনে বুঝলুঁ তুয়া হৃদয় নিঠুর।
রাই উপেখি আয়লি এত দূর॥
অব তুহুঁ একলি রহসি বন মাঝ।
তোহে নাহি সম্ভবে এমন অকাজ॥
সময় উচিত করিয়ে যদি মান।
আঁচরে ঝাঁপিয়ে আপন বয়ান॥
এতক্ষণ শুতিয়ে চিত সমাধি।
সাধিয়ে বাদ তঁহি ঝাঁখয়ে উপাধি॥
অনুগত তুয়া বিনু না বোলয়ে আন।
করে ধরি বলে দূতী করহ পয়ান॥
রতিপতি দাস করয়ে পরণাম।
দূতী নহো ইহো দুঁহুক পরাণ॥

.            *************************             
.                                                                           
সূচীতে . . .      



মিলনসাগর
*
কুঞ্জে কুসুম হেরি পন্থ নেহারই
ভণিতা রতিপতি
কবি রতিপতি ঠাকুর
এই পদটি রামগোপাল দাস (গোপাল দাস) দ্বারা ১৬৪৩-১৬৭৬ সময়কালে, সংকলিত ও বিরোচিত এবং
১৯৪৬ সালে হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, সুকুমার সেন ও প্রফুল্ল পাল দ্বারা সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
"শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণ-রসকল্পবল্লী”, অথ বাসকসজ্জা, ২৭৬-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কেদারিকা॥

কুঞ্জে কুসুম হেরি                        পন্থ নেহারই
সহচরী মেলি আনন্দে।
দিশি দিশি রচন-                  পদীপ কত রাজত
ঝলমলি করতহি চান্দে॥
সুন্দরী সেজ বিছাঅই রঙ্গে।
আওব মদন-                       বিনোদ বর নাগর
বিলসব বিনোদিনী সঙ্গে॥
মৃগমদচন্দন                           তনু পরিলেপন
গন্ধ মহোত্সব কুঞ্জে।
কোকিল মধুকর                   মধুর রস গাওয়ই
হেরি হেরি নব রসপুঞ্জে॥
বাজত ডম্ফ                        পাখাউল ঘন ঘন
সহচরী নাচএ সুছন্দে।
আনন্দে কোই কোই                    মঙ্গল গাঅই
মুরছিত রতিপতি-বৃন্দে@॥

@ - ধন্দে। পাঠান্তর।

.            *************************             
.                                                                           
সূচীতে . . .      



মিলনসাগর
*
সুন্দরি তোহারি চরিত অপার
ভণিতা রতিপতি দাস
কবি রতিপতি ঠাকুর
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১০৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার মান
॥ ধানশী॥

সুন্দরি তোহারি চরিত অপার।
কানু সঞে মান মানলি অবিচার॥
যাকর পরশনে নহে সব তূল।
ভাবই তুহুঁ তছু নাহ কত মূল॥
তুহুঁ সে গোঁয়ারি না হেরসি পরিণাম।
এতহু কাকুতি করয়ে তোহে শ্যাম॥
ভাবে বুঝলুঁ হাম তো বিনু শ্যাম।
রতিপতি দাস কহে না জানত আন॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৯৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সুন্দরি তোহারি চরিত অপার।
কানু সঞে মান মানলি অবিচার॥
যাকর পরশনে নহে সব তূল।
ভাবই তুহুঁ তছু নাহ কত মূল॥
তুহুঁ সে গোঁয়ারি না হেরসি পরিণাম।
এতহু কাকুতি করয়ে তোহে শ্যাম॥
ভাবে বুঝলুঁ হাম তো বিনু শ্যাম।
রতিপতি দাস কহে না জানত আন॥

.            *************************             
.                                                                           
সূচীতে . . .      



মিলনসাগর
*
আহিলুঁ হাম অতি মানিনী ভোই
ভণিতা রতিপতি দাস
কবি রতিপতি ঠাকুর
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১০৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মানভঞ্জন
॥ তথারাগ॥

আহিলুঁ হাম অতি মানিনী ভোই।
ভাঙ্গল নাগর নাগরী হোই॥
কি কহব রে সখি আজুক রঙ্গ।
কানু আওল তঁহি দূতিক সঙ্গ॥
বণী বনাই চাঁচর কেশে।
নাগর শেখর নাগরী বেশে॥
পহিরল হার উরজ করি উরে।
চরণহি নেল রতন নূপুরে॥
পহিলহি চলইতে বাম পদাঘাত।
নাচত রতিপতি ফুলধনু হাত॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৯৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আহিলুঁ হাম অতি মানিনী ভোই।
ভাঙ্গল নাগর নাগরী হোই॥
কি কহব রে সখি আজুক রঙ্গ।
কানু আওল তঁহি দূতীক সঙ্গ॥
বণী বনাই চাঁচর কেশে।
নাগর শেখর নাগরী বেশে॥
পহিরল হার উরজ করি উরে।
চরণহি নেল রতন নূপুরে॥
পহিলহি চলইতে বাম পদাঘাত।
নাচত রতিপতি ফুলধনু হাত॥

.            *************************             
.                                                                           
সূচীতে . . .      



মিলনসাগর