পরান কাঁদে ভাই কবি সুনন্দা গুহ রায় এই কবিতাটি রাজেশ দত্ত সম্পাদিত ‘আবাদভূমি’ পত্রিকার দ্বিতীয় বর্ষ, ষষ্ঠ সংখ্যায় (ফেব্রুয়ারী ২০১৬) প্রকাশিত হয়।
হাটের মাঝে বাস করি তাই পরান কাঁদে ভাই – হাটের মাঝে থাকতে নারি, নির্জনতা চাই। নানাজনের নানান কথায় ব্যথায় ভরে মন, ভিড়ের মাঝেই দিন কেটে যায়, কোথায় আপনজন? হাটের মানুষ সবাই চতুর পাকা বেচাকেনায়! তাদের কাছে নেইকো সময় আপনজনে চেনায়। চাই না আমার সওদাপাতি কিছুতে কাজ নাই – আপনজনে দাওগো আনি, নির্জনেতে যাই।
নস্ট্যালজিয়া কবি সুনন্দা গুহ রায় এই কবিতাটি রাজেশ দত্ত সম্পাদিত ‘আবাদভূমি’ পত্রিকার দ্বিতীয় বর্ষ, ষষ্ঠ সংখ্যায় (ফেব্রুয়ারী ২০১৬) প্রকাশিত হয়।
জীবনের ফেলে আসা সেই দিনগুলি পিছু ডাকে বারে বারে দুই বাহু তুলি। বলে যেন আয় ফিরে, এই পথ দিয়া। তোমরা তাকেই বল নস্ট্যালজিয়া? জানি আমি সে তো কভু হবে নাকো সাধা, হারানো গানের কলি নব সুরে বাঁধা। ফেলে আসা জীবনের পথ সুমধুর আমা হতে সরে গেছে দূর বহুদূর – হারানো পথের বাঁকে কেঁদে মরে হিয়া। তোমরা তাকেই বল নস্ট্যালজিয়া?
মেঘের দেশে যাবে কি ভাই? মেঘপরীরা আছে যেথায়। যখন তখন গান ধরে সব মেঘমল্লার রাগে। ফুলপরীদের দেশে চল, ফুলে ফুলে ঢল ঢল। ফুলপরীদের মেঘপরীদের আমার ভালো লাগে। নাইকো সেথায় দুঃখ কিছু, নাইকো উঁচু, নাইকো নীচু। সবাই সেথা সবার আপন রাগে অনুরাগে। মেঘপরীদের ফুলপরীদের তাইতো ভালো লাগে।
দাদু দিদা ঠাম্মাকে কোথায় যে পাই? একে একে কোথা তারা হারালো সবাই? ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমী রূপকথা যত কোথায় মিলালো সব ভোজবাজি মতো! গল্প বলবে কে বা, সময় তো নাই। দাদু দিদা ঠাম্মাকে তাই মোরা চাই।
গাং-শালিকের ছানা বলছে ডেকে তার বাবাকে, ঊড়ব না - না - না - না। মানুষ বাচ্ছা পড়ছে শুধু, আমার তরে আকাশ ধু ধু। শিখব এবার লেখাপড়া। ভাল্লাগে না শুধুই ওড়া। কাগজ কলম বই নে এসো, পড়ব কেতাব নানা।