কবি আর্যতীর্থর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
এয়ারহোস্টেস
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
ভদ্রতা মুখে লেগে প্রলেপের মত
দমবন্ধ কখনো কি লাগে না রে মেয়ে?
কখনো কি মনে হয় কাঁদলে ভাল হতো,
বিষাদ যখন ফেলে মন কুরে খেয়ে?
রোজ রোজ অনন্ত জনতা আসে,
বসে, সেবা নেয়, নেমে চলে যায়
আবার উড়ান এক নতুন আকাশে
মাপা হাসি মেখে দেখা কে ঠিক কি চায়।
হাসিমুখ দেখে কেউ সীমা ছাড়ায় কখনো
আব্দারে অবুঝ হয়ে তোলে নানা দাবী
তোরা কি যন্ত্র না কি, নেই বুঝি মনও
সেই হাসি হাসি মুখে নিয়ম বোঝাবি।
এছাড়া উপরি পাওয়া পুরুষের চোখ
গায়ে পড়ে ভাব করা, যদি ছোঁয়া যায়
যথারীতি মনে মনে চলে মাপজোক
কখনো গণ্ডিপারে বিপদও ঘটায়।
রাতের নোঙর ফেলা অজানা শহরে
এক ছোটো স্যুটকেসে সংসার রাখা
কতদিন পর পর ফিরিস রে ঘরে?
ভালো লাগে ভিড়ে এই একা বেঁচে থাকা?
ভোর থেকে রাত তক হাসি হাসি মুখ
কখনো বিষণ্ণ হাসি কান্নার চেয়ে
অন্যের সুখে হয় খুঁজে নিতে সুখ
ঠিক বল, দমবন্ধ লাগে না রে মেয়ে?
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
ভদ্রতা মুখে লেগে প্রলেপের মত
দমবন্ধ কখনো কি লাগে না রে মেয়ে?
কখনো কি মনে হয় কাঁদলে ভাল হতো,
বিষাদ যখন ফেলে মন কুরে খেয়ে?
রোজ রোজ অনন্ত জনতা আসে,
বসে, সেবা নেয়, নেমে চলে যায়
আবার উড়ান এক নতুন আকাশে
মাপা হাসি মেখে দেখা কে ঠিক কি চায়।
হাসিমুখ দেখে কেউ সীমা ছাড়ায় কখনো
আব্দারে অবুঝ হয়ে তোলে নানা দাবী
তোরা কি যন্ত্র না কি, নেই বুঝি মনও
সেই হাসি হাসি মুখে নিয়ম বোঝাবি।
এছাড়া উপরি পাওয়া পুরুষের চোখ
গায়ে পড়ে ভাব করা, যদি ছোঁয়া যায়
যথারীতি মনে মনে চলে মাপজোক
কখনো গণ্ডিপারে বিপদও ঘটায়।
রাতের নোঙর ফেলা অজানা শহরে
এক ছোটো স্যুটকেসে সংসার রাখা
কতদিন পর পর ফিরিস রে ঘরে?
ভালো লাগে ভিড়ে এই একা বেঁচে থাকা?
ভোর থেকে রাত তক হাসি হাসি মুখ
কখনো বিষণ্ণ হাসি কান্নার চেয়ে
অন্যের সুখে হয় খুঁজে নিতে সুখ
ঠিক বল, দমবন্ধ লাগে না রে মেয়ে?
*********************
নাবিক
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
একলা নাবিক, ভাঙা মাস্তুলে সাগরে দিচ্ছি পাড়ি
এ তট ও তট ছুঁয়ে ভেসে যাই, ঘরের সঙ্গে আড়ি।
বস্তুত আমি ঠিকানাবিহীন, ঢেউয়ের সঙ্গে ভাসি,
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
নৌকা ভেড়ালে পাড়ের লোকেরা প্রশ্ন করবে এসে
কিভাবে কাটাই একলা জীবন সারাদিন জলে ভেসে।
কি উত্তর দেবো এ কথার ভেবে মিটিমিটি হাসি
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
রোজ রোমাঞ্চ কত চলে আসে সাগরের জল বয়ে
তোমাদের থিতু জীবনের মত নয় মোটে একঘেয়ে।
রাতের আঁধারে তুফানের সাথে লড়ে যেতে ভালবাসি
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
দুচোখে স্বপ্ন নিয়ে ডেকে গেছে কত না পাড়ের মেয়ে,
বলেছে এবার ঘর বেঁধে নাও নোঙর ফেলো হে নেয়ে।
কেউ তো কখনো বলেনি চলো গো তোমার সাথেই ভাসি
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
আজকে সাগর উথাল পাথাল, কাল ঢেউহীন, স্থির,
রোজ জমা হয় একশো রকম অভিজ্ঞতার ভিড়।
মরণ আমার ছায়াসঙ্গিনী চলে রোজ পাশাপাশি
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
একলা নাবিক, ভাঙা মাস্তুলে সাগরে দিচ্ছি পাড়ি
এ তট ও তট ছুঁয়ে ভেসে যাই, ঘরের সঙ্গে আড়ি।
বস্তুত আমি ঠিকানাবিহীন, ঢেউয়ের সঙ্গে ভাসি,
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
নৌকা ভেড়ালে পাড়ের লোকেরা প্রশ্ন করবে এসে
কিভাবে কাটাই একলা জীবন সারাদিন জলে ভেসে।
কি উত্তর দেবো এ কথার ভেবে মিটিমিটি হাসি
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
রোজ রোমাঞ্চ কত চলে আসে সাগরের জল বয়ে
তোমাদের থিতু জীবনের মত নয় মোটে একঘেয়ে।
রাতের আঁধারে তুফানের সাথে লড়ে যেতে ভালবাসি
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
দুচোখে স্বপ্ন নিয়ে ডেকে গেছে কত না পাড়ের মেয়ে,
বলেছে এবার ঘর বেঁধে নাও নোঙর ফেলো হে নেয়ে।
কেউ তো কখনো বলেনি চলো গো তোমার সাথেই ভাসি
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
আজকে সাগর উথাল পাথাল, কাল ঢেউহীন, স্থির,
রোজ জমা হয় একশো রকম অভিজ্ঞতার ভিড়।
মরণ আমার ছায়াসঙ্গিনী চলে রোজ পাশাপাশি
একলা নৌকা জগৎ আমার, অনিকেত সন্ন্যাসী।
*********************
শঙ্খ ঘোষ
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
কাগজে চোখ বোলানো দায় রাজনৈতিক মারপিটে
কোথায় হলো ঘোটালা আর কোন নেতা পায় তার ছিটে
আজকে হঠাৎ কোন ম্যাজিকে বদলে গেলো সবকিছু,
সকাল সকাল খবর পেলাম শঙ্খ সাজেন জ্ঞানপীঠে।
ও কবিতা, আবার তোমার বাজলো জয়ডংক হে
ভারতে ওই তুললো আওয়াজ বাংলা মায়ের শঙ্খ যে
কলম ধরেন এমন কবি সিপাই যেমন বন্দুকে
কপটীরা ভাবছে ভয়ে লাগবে পদ্য কার বুকে
লাভ হবেনা এই কবিকে ধমকি দিয়ে ভয় দেখিয়ে
শঙ্খ জানেন করতে আগুন কালির প্রতি বিন্দুকে।
রঙবদলের পাঁকপুকুরে স্মরণ রেখো পঙ্কজে
ভারত জুড়ে সুবাস ছড়ায় বাংলা মায়ের শঙ্খ যে।
রঙ মানেনা ঢঙ মানেনা শাসক ভাবে ব্যাপার কি?
একটু শুধু করবে স্তুতি কাজটা এমন হ্যাপার কি!
শঙ্খ চলেন নিজের চালে তার ধাতে নেই তেল দেওয়া
বাঁধাগতে গান গেয়ে আর মন ওঠে এই খ্যাপার কি?
তাঁর কবিতার চাবুক খেয়ে নেতা থাকেন সংকোচে
ভারতে ওই তুললো আওয়াজ প্রতিবাদের শঙ্খ যে।
শব্দবারুদ পদ্যে ভরেন ছন্দতে দেন অস্ত্র শান
তোমার আমার মনের কথায় শঙ্খ করেন জীবনদান।
আলোর দিকে মুখ ফিরালে দেখতে পাবে দূর থেকে,
সমকালের দলিল লিখে ওই যে কবি শঙ্খ যান।
শঙ্খ মানেই বানভাসি ঢেউ, সহজ সরল অংক যে,
জ্ঞানপীঠ আজ ধন্য হলো পেয়ে তোমায় শঙ্খ হে।
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
কাগজে চোখ বোলানো দায় রাজনৈতিক মারপিটে
কোথায় হলো ঘোটালা আর কোন নেতা পায় তার ছিটে
আজকে হঠাৎ কোন ম্যাজিকে বদলে গেলো সবকিছু,
সকাল সকাল খবর পেলাম শঙ্খ সাজেন জ্ঞানপীঠে।
ও কবিতা, আবার তোমার বাজলো জয়ডংক হে
ভারতে ওই তুললো আওয়াজ বাংলা মায়ের শঙ্খ যে
কলম ধরেন এমন কবি সিপাই যেমন বন্দুকে
কপটীরা ভাবছে ভয়ে লাগবে পদ্য কার বুকে
লাভ হবেনা এই কবিকে ধমকি দিয়ে ভয় দেখিয়ে
শঙ্খ জানেন করতে আগুন কালির প্রতি বিন্দুকে।
রঙবদলের পাঁকপুকুরে স্মরণ রেখো পঙ্কজে
ভারত জুড়ে সুবাস ছড়ায় বাংলা মায়ের শঙ্খ যে।
রঙ মানেনা ঢঙ মানেনা শাসক ভাবে ব্যাপার কি?
একটু শুধু করবে স্তুতি কাজটা এমন হ্যাপার কি!
শঙ্খ চলেন নিজের চালে তার ধাতে নেই তেল দেওয়া
বাঁধাগতে গান গেয়ে আর মন ওঠে এই খ্যাপার কি?
তাঁর কবিতার চাবুক খেয়ে নেতা থাকেন সংকোচে
ভারতে ওই তুললো আওয়াজ প্রতিবাদের শঙ্খ যে।
শব্দবারুদ পদ্যে ভরেন ছন্দতে দেন অস্ত্র শান
তোমার আমার মনের কথায় শঙ্খ করেন জীবনদান।
আলোর দিকে মুখ ফিরালে দেখতে পাবে দূর থেকে,
সমকালের দলিল লিখে ওই যে কবি শঙ্খ যান।
শঙ্খ মানেই বানভাসি ঢেউ, সহজ সরল অংক যে,
জ্ঞানপীঠ আজ ধন্য হলো পেয়ে তোমায় শঙ্খ হে।
*********************
কালিকাপ্রসাদ
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
ভীষণ ভীষণ রেগে আছি তোমার ওপর আমি,
ও কালিকা, এমন করে থামিয়ে দিলে গানখোঁজা পাগলামি?
ভাঁড়ার ভরে হীরেমানিক, অর্ধেক তার শোনা হলো না যে,
এমন ঝরে পড়তে আছে সব্বনেশে বিনামেঘের বাজে?
আমরা যখন সুমন শুনি, উঠতি নচিকেতা,
বাংলা গানে নতুন করে ফিরছে কথকতা,
আমরা যখন সামনে দেখি, পুরোনো সব বাতিল,
আমরা যখন অতীত ঢেকে দিচ্ছি উঁচু পাঁচিল,
তুমি তখন খ্যাপার মতো এ গ্রামে সে গ্রামে,
কষ্টি ঘষে চিনছো সোনা গান খোঁজার নামে,
দোহার এলো, গাঁয়ের গানের মাটির গন্ধী ডালি নিয়ে,
দোহার এলো, সহজ কথায় শহুরে মন চমকে দিয়ে,
দোহার এলো, চিনিয়ে দিতে ভুলে যাওয়া চেনা গলি
দোহার এলো, শহুরে ঠোঁট গুনগুনালো বাউল কলি,
সিঁটকিয়ে নাক আমরা যাদের খোলামকুচি ভেবেছিলাম,
কালিকা হে, তোমার দয়ায় হীরে বলে চিনতে পেলাম!
আমি তোমার গান শুনিনি স্টেজের ওপর সরাসরি
আজকাল তো ইউটিউবেই ইচ্ছেগানের ছড়াছড়ি,
ভেবেছিলাম সময় আছে, হীরেমানিক খোঁজার ফাঁকে
একদিন ঠিক দেখে নেবো লোকগীতির ওই পাগলাটাকে।
এই তো সামনে দোলের দিনেই আসতো দোহার আমার ক্লাবে,
তখন কি আর বুঝেছি ছাই এমন করে এড়িয়ে যাবে?
তোমার ওপর রাগ করেছি, তুমি কেন উধাও হলে?
ফিরে এসো কালিকাপ্রসাদ, দোহাই তোমার চোখের জলের।
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
ভীষণ ভীষণ রেগে আছি তোমার ওপর আমি,
ও কালিকা, এমন করে থামিয়ে দিলে গানখোঁজা পাগলামি?
ভাঁড়ার ভরে হীরেমানিক, অর্ধেক তার শোনা হলো না যে,
এমন ঝরে পড়তে আছে সব্বনেশে বিনামেঘের বাজে?
আমরা যখন সুমন শুনি, উঠতি নচিকেতা,
বাংলা গানে নতুন করে ফিরছে কথকতা,
আমরা যখন সামনে দেখি, পুরোনো সব বাতিল,
আমরা যখন অতীত ঢেকে দিচ্ছি উঁচু পাঁচিল,
তুমি তখন খ্যাপার মতো এ গ্রামে সে গ্রামে,
কষ্টি ঘষে চিনছো সোনা গান খোঁজার নামে,
দোহার এলো, গাঁয়ের গানের মাটির গন্ধী ডালি নিয়ে,
দোহার এলো, সহজ কথায় শহুরে মন চমকে দিয়ে,
দোহার এলো, চিনিয়ে দিতে ভুলে যাওয়া চেনা গলি
দোহার এলো, শহুরে ঠোঁট গুনগুনালো বাউল কলি,
সিঁটকিয়ে নাক আমরা যাদের খোলামকুচি ভেবেছিলাম,
কালিকা হে, তোমার দয়ায় হীরে বলে চিনতে পেলাম!
আমি তোমার গান শুনিনি স্টেজের ওপর সরাসরি
আজকাল তো ইউটিউবেই ইচ্ছেগানের ছড়াছড়ি,
ভেবেছিলাম সময় আছে, হীরেমানিক খোঁজার ফাঁকে
একদিন ঠিক দেখে নেবো লোকগীতির ওই পাগলাটাকে।
এই তো সামনে দোলের দিনেই আসতো দোহার আমার ক্লাবে,
তখন কি আর বুঝেছি ছাই এমন করে এড়িয়ে যাবে?
তোমার ওপর রাগ করেছি, তুমি কেন উধাও হলে?
ফিরে এসো কালিকাপ্রসাদ, দোহাই তোমার চোখের জলের।
*********************
নেতাজী
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
শ্যামবাজারে মূর্তি তোমার। খুব বড়।
জন্মদিন। ফুলের মালা তাই পরো।
নেতারা সব হস্তে মালা। লাইন দিয়ে।
মাইক বাজে। দেশপ্রেমের গান শুনিয়ে।
রক্ত দাও। এনে দেবো স্বাধীনতা।
নেতায় নেতায় রটি গেল এই বারতা।
রঙ অনেক। সব দলেরই একই সুর।
থাকতে যদি, দেশ এগোতো বহুদূর।
সত্যি নাকি? পারতে তুমি পাল্টাতে?
এই নেতাদের? দেশের ভালো হয় যাতে?
ঘুণ ধরেছে। এই দেশটার সব কাঠে।
নেতা হলে খুব আরামে দিন কাটে।
মানে জানো? ঘোটালা বা স্ক্যাম কথার?
আবশ্যিক। ওইটা এখন সব নেতার।
ধম্মো নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি।রোজ জবাই।
ময়ূর নেই। পুচ্ছধারী কাক সবাই।
গদীর লোভ। মূল্যবোধে রোজ আপোষ।
এমনটাই কি চেয়েছিলে, সুভাষ বোস?
একটা দিন। তারপর সব ফক্কিকার।
দেশপ্রেম? বিষয় শুধু বক্তৃতার।
বলেন নেতা। মিথ্যেকথার ফুলঝুড়ি।
তুচ্ছ প্রজা। সাহস কি তার ভুল ধরি?
কালকে আবার তুমি একা। শুকনো ফুল।
আরেকটা দিন। নেতা দেবেন অন্য গুল।
ফি জন্মদিন মিথ্যে পুজো। ভাল্লাগে?
সারাবছর একলা থাকো। কাগ হাগে।
নেতার মানে পাল্টে গেছে। জুলুমবাজি।
অনেক নেতা আমার দেশে। এক নেতাজী।
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
শ্যামবাজারে মূর্তি তোমার। খুব বড়।
জন্মদিন। ফুলের মালা তাই পরো।
নেতারা সব হস্তে মালা। লাইন দিয়ে।
মাইক বাজে। দেশপ্রেমের গান শুনিয়ে।
রক্ত দাও। এনে দেবো স্বাধীনতা।
নেতায় নেতায় রটি গেল এই বারতা।
রঙ অনেক। সব দলেরই একই সুর।
থাকতে যদি, দেশ এগোতো বহুদূর।
সত্যি নাকি? পারতে তুমি পাল্টাতে?
এই নেতাদের? দেশের ভালো হয় যাতে?
ঘুণ ধরেছে। এই দেশটার সব কাঠে।
নেতা হলে খুব আরামে দিন কাটে।
মানে জানো? ঘোটালা বা স্ক্যাম কথার?
আবশ্যিক। ওইটা এখন সব নেতার।
ধম্মো নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি।রোজ জবাই।
ময়ূর নেই। পুচ্ছধারী কাক সবাই।
গদীর লোভ। মূল্যবোধে রোজ আপোষ।
এমনটাই কি চেয়েছিলে, সুভাষ বোস?
একটা দিন। তারপর সব ফক্কিকার।
দেশপ্রেম? বিষয় শুধু বক্তৃতার।
বলেন নেতা। মিথ্যেকথার ফুলঝুড়ি।
তুচ্ছ প্রজা। সাহস কি তার ভুল ধরি?
কালকে আবার তুমি একা। শুকনো ফুল।
আরেকটা দিন। নেতা দেবেন অন্য গুল।
ফি জন্মদিন মিথ্যে পুজো। ভাল্লাগে?
সারাবছর একলা থাকো। কাগ হাগে।
নেতার মানে পাল্টে গেছে। জুলুমবাজি।
অনেক নেতা আমার দেশে। এক নেতাজী।
*********************
বইমেলাতে গিয়েছিলাম
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
আজকে জানো, বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
সুযোগ পেয়ে ছুটির দিনে, চাখতে কিছু খুশীর সময়,
বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
বইয়ের জন্য এখনো লোক কেমন পাগল,
নেটজমানায় মনজমিতে আছে কিনা বইয়ের দখল,
এমনি এমনি ঘুরতে কি যায়, নাকি যাওয়া ভালোবাসায়,
সরেজমিন দেখতে সে সব, ছুটির দিনে সময় করে,
বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
এক পৃথিবীর বই সাজানো, হাঁফ ধরে যায় ঘুরে ঘুরে,
পিলপিলিয়ে হাজার মানুষ, মাছি যেমন আখের গুড়ে
সন্ধানী চোখ জরিপ করে বই কিনছে বই ঘাঁটছে,
মনজুড়ানো এই ছবিটাই দেখবো বলে,
আজকে হঠাৎ বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
আমার কোনো দিক ছিলোনা, কি কিনবো তা ঠিক ছিলোনা,
তাই বলে স্রেফ ঘুরেই যাবো, তাতেও যে মন সায় দিলোনা,
খুঁজতে কিছু কবিতার বই, আলুকঝালুক আরো কিছু,
ঘাস চেবানো গরুর মতো, স্টলে স্টলে বেড়াচ্ছিলাম,
সেই কারণেও বলতে পারো, বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
শঙ্খ দেখি, সুনীল দেখি, শ্রীজাত আর জয়ও পেলাম,
এসব দেখে কোণের দিকে, খুচরো কিছু স্টলে এলাম,
যে সব কবির নাম শুনিনি, তাদের কত বই ছড়ানো,
হামলে তাদের স্বপ্ন পড়ে, বোঝাই করে পদ্য নিলাম,
মনে হলো এই জন্যই বইমেলাতে গিয়েছিলাম . . .
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
আজকে জানো, বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
সুযোগ পেয়ে ছুটির দিনে, চাখতে কিছু খুশীর সময়,
বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
বইয়ের জন্য এখনো লোক কেমন পাগল,
নেটজমানায় মনজমিতে আছে কিনা বইয়ের দখল,
এমনি এমনি ঘুরতে কি যায়, নাকি যাওয়া ভালোবাসায়,
সরেজমিন দেখতে সে সব, ছুটির দিনে সময় করে,
বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
এক পৃথিবীর বই সাজানো, হাঁফ ধরে যায় ঘুরে ঘুরে,
পিলপিলিয়ে হাজার মানুষ, মাছি যেমন আখের গুড়ে
সন্ধানী চোখ জরিপ করে বই কিনছে বই ঘাঁটছে,
মনজুড়ানো এই ছবিটাই দেখবো বলে,
আজকে হঠাৎ বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
আমার কোনো দিক ছিলোনা, কি কিনবো তা ঠিক ছিলোনা,
তাই বলে স্রেফ ঘুরেই যাবো, তাতেও যে মন সায় দিলোনা,
খুঁজতে কিছু কবিতার বই, আলুকঝালুক আরো কিছু,
ঘাস চেবানো গরুর মতো, স্টলে স্টলে বেড়াচ্ছিলাম,
সেই কারণেও বলতে পারো, বইমেলাতে গিয়েছিলাম।
শঙ্খ দেখি, সুনীল দেখি, শ্রীজাত আর জয়ও পেলাম,
এসব দেখে কোণের দিকে, খুচরো কিছু স্টলে এলাম,
যে সব কবির নাম শুনিনি, তাদের কত বই ছড়ানো,
হামলে তাদের স্বপ্ন পড়ে, বোঝাই করে পদ্য নিলাম,
মনে হলো এই জন্যই বইমেলাতে গিয়েছিলাম . . .
*********************
একুশে
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
আমার ভাষাতে শহুরে পালিশ, তোমার ভাষায় ঘাসের গন্ধ
তোমার মননে লালন ফকির, আমার পঠনে জীবনানন্দ,
আসলে আমরা দুই সৈনিক, পরণে বাংলা ভাষার উর্দি,
গান লিখে যাই মায়ের ভাষাতে, যতই ভিন্ন ভিন্ন সুর দি।
আজন্মকাল বিদেশে থেকেও, কারোর বাংলা এখনও শুদ্ধ,
কারোর বাংলা কথাদের মাঝে ভিনভাষাদের প্রবল যুদ্ধ,
গ্রাম থেকে আসা উড়োখই লোক, মুখে অন্ত্যজ শব্দ অচেনা
বইছে সবাই একটা পতাকা, সক্কলে এরা বাংলার সেনা।
শেকড় গেড়েছে বুকের ভেতর, ভাষার হয়না জাত বা ধর্ম,
ভাষার সেনারা ঘরে ঘরে আছে, বাংলার নামে পরেছে বর্ম,
অতীতে ছিলাম, এখনো রয়েছি, আমরা থাকবো ভবিষ্যতে
প্রয়োজন হলে কোটি কোটি হাতে মশাল জ্বলবে একুশের পথে।
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
আমার ভাষাতে শহুরে পালিশ, তোমার ভাষায় ঘাসের গন্ধ
তোমার মননে লালন ফকির, আমার পঠনে জীবনানন্দ,
আসলে আমরা দুই সৈনিক, পরণে বাংলা ভাষার উর্দি,
গান লিখে যাই মায়ের ভাষাতে, যতই ভিন্ন ভিন্ন সুর দি।
আজন্মকাল বিদেশে থেকেও, কারোর বাংলা এখনও শুদ্ধ,
কারোর বাংলা কথাদের মাঝে ভিনভাষাদের প্রবল যুদ্ধ,
গ্রাম থেকে আসা উড়োখই লোক, মুখে অন্ত্যজ শব্দ অচেনা
বইছে সবাই একটা পতাকা, সক্কলে এরা বাংলার সেনা।
শেকড় গেড়েছে বুকের ভেতর, ভাষার হয়না জাত বা ধর্ম,
ভাষার সেনারা ঘরে ঘরে আছে, বাংলার নামে পরেছে বর্ম,
অতীতে ছিলাম, এখনো রয়েছি, আমরা থাকবো ভবিষ্যতে
প্রয়োজন হলে কোটি কোটি হাতে মশাল জ্বলবে একুশের পথে।
*********************
পাঠক
( সমস্ত কবিদের উদ্দেশ্যে এই অকবি পাঠকের নিবেদন . . . )
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
কে তুমি কবি রক্ত উথলে লেখো,
প্রতি শব্দতে চোখের জলের ফোঁটা,
কে তুমি মনকে অনায়াসে করো নদী
আকাশে লিখছো জীবনের গল্পটা।
কে তুমি কবি শব্দচয়নে রত,
মালির আদরে তুলে আনো তাজা ফুল,
কাঁটাদের ব্যথা আঙুলরা চেনে শুধু
ফুলেরা আলোর ব্রত জানে নির্ভুল।
কে তুমি নিত্য মন্থন করো দুঃখ,
পান করে যাও জীবনের কালকূটও
ভেসে যাও স্রোতে ইচ্ছেবিহীন পথে
পারতে, কিন্তু জাপটে ধরোনা কুটো।
চোখ তুলে আনো পদ্মে অভাব দেখে,
অকালবোধনে কমল পুজোতে লাগে,
ঋত্বিক হও নিজেকে আহুতি দিয়ে
মন্ত্রেরা তবু অমৃত নিয়ে জাগে।
কে তুমি বাজাও অর্ফিয়াসের বাঁশি,
সন্ধান রাখো কোথায় সোনার কাঠি,
কে তুমি লাভাকে কবিতা বানাতে জানো
বুকে চেপে রাখো বোমাবারুদের ঘাঁটি।
কে তুমি ভাঙছো সমাজকালের বেড়া
নিষিদ্ধ প্রেম কলমকে ছুঁয়ে সোনা
কে তুমি বলছো সবাইকে ডেকে ডেকে
নিয়মের ফাঁস কোনোদিনই মানবো না
কে তুমি করছো কবিতায় পাগলামি
ব্যাকরণে দিয়ে যাবজ্জীবন কয়েদ
কলমে লিখছো নির্ভীক ইতিকথা
ঋজু শব্দরা মোহহীন নির্মেদ
কে তুমি পদ্যে শব্দ মশাল জ্বেলে
পুড়িয়ে দিচ্ছো জঞ্জাল যাবতীয়
আমি অকবি কথার পিয়াসী শুধু
গণ্ডুষ ভরে তোমার কবিতা দিয়ো
*********************
( সমস্ত কবিদের উদ্দেশ্যে এই অকবি পাঠকের নিবেদন . . . )
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
কে তুমি কবি রক্ত উথলে লেখো,
প্রতি শব্দতে চোখের জলের ফোঁটা,
কে তুমি মনকে অনায়াসে করো নদী
আকাশে লিখছো জীবনের গল্পটা।
কে তুমি কবি শব্দচয়নে রত,
মালির আদরে তুলে আনো তাজা ফুল,
কাঁটাদের ব্যথা আঙুলরা চেনে শুধু
ফুলেরা আলোর ব্রত জানে নির্ভুল।
কে তুমি নিত্য মন্থন করো দুঃখ,
পান করে যাও জীবনের কালকূটও
ভেসে যাও স্রোতে ইচ্ছেবিহীন পথে
পারতে, কিন্তু জাপটে ধরোনা কুটো।
চোখ তুলে আনো পদ্মে অভাব দেখে,
অকালবোধনে কমল পুজোতে লাগে,
ঋত্বিক হও নিজেকে আহুতি দিয়ে
মন্ত্রেরা তবু অমৃত নিয়ে জাগে।
কে তুমি বাজাও অর্ফিয়াসের বাঁশি,
সন্ধান রাখো কোথায় সোনার কাঠি,
কে তুমি লাভাকে কবিতা বানাতে জানো
বুকে চেপে রাখো বোমাবারুদের ঘাঁটি।
কে তুমি ভাঙছো সমাজকালের বেড়া
নিষিদ্ধ প্রেম কলমকে ছুঁয়ে সোনা
কে তুমি বলছো সবাইকে ডেকে ডেকে
নিয়মের ফাঁস কোনোদিনই মানবো না
কে তুমি করছো কবিতায় পাগলামি
ব্যাকরণে দিয়ে যাবজ্জীবন কয়েদ
কলমে লিখছো নির্ভীক ইতিকথা
ঋজু শব্দরা মোহহীন নির্মেদ
কে তুমি পদ্যে শব্দ মশাল জ্বেলে
পুড়িয়ে দিচ্ছো জঞ্জাল যাবতীয়
আমি অকবি কথার পিয়াসী শুধু
গণ্ডুষ ভরে তোমার কবিতা দিয়ো
*********************
বাণী বন্দনা
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
কবিতা তো কেবল ছুতো কথাগুলো মারছে গুঁতো
প্রশ্নগুলো ছিটকে আসে ঠোঁটে
সরস্বতী মহাভাগে, বলতে তোমায় লজ্জা লাগে
সত্যিকারের মান কি তোমার জোটে?
টোকাটুকির এই দুনিয়ায় পড়াশোনায় কি আসে যায়
ডিগ্রিখানা হাসিল করাই মুখ্য
জ্ঞানের কথা চাপো গুরু মস্তি করার এই তো শুরু
পড়তে বলে দিচ্ছো কেন দুঃখ।
লক্ষ্মীলাভই জীবনমটো মানিব্যাগে গণেশফটো
তোমার পুজো একটা দিনই শুধু
সকালবেলায় পুজোয় বসে দিন বদলায় প্রেমদিবসে
চাখতে ছোটে নতুন প্রেমের মধু।
বক্তৃতা দেয় এখন যারা মোটেও তো নয় বাগ্মী তারা
তোমার জন্য সময় কোথায় তাদের?
বাগদেবী হে বীণাপাণি তোমার পুজোয় গাঁজা টানি
সন্ধেবেলা বসাই আসর মদের।
কি আর বলি হে সুভগে ছাত্ররা যায় মায়ের ভোগে
পড়ার থেকে ঘেরাও বেশী চলে
অধ্যাপকের ফাঁকা আসন কলেজ জুড়ে দাদার শাসন
সময় পেষাই ফাঁকির জাঁতাকলে।
তবু হে মা একটু শোনো প্রমাদ টমাদ পরে গোনো
এখনো তো ভক্ত তোমার আছে
আজও দেখি চাষীর ছেলে দিনের কাজের জোয়াল ঠেলে
নিত্য ফেরে পড়ার বইয়ের কাছে।
আজও তো কেউ রেওয়াজ করে পদ্য লিখে খাতা ভরে
বইয়ের খিদে আজও কারো পায়
জ্ঞানপিপাসুর মনে মা গো আলো হয়ে আজও জাগো
আকুল মনে তোমার কৃপা চায়।
তোমার পুজো যুগে যুগে তোমার পুজো নয় হুজুগে
তোমার আসন ভক্ত হৃদয় জুড়ে
মগ্ন তোমার স্তবগাঁথায় তোমার পুজো বইয়ের পাতায়
তোমার পুজো প্রতি গানের সুরে।
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
কবিতা তো কেবল ছুতো কথাগুলো মারছে গুঁতো
প্রশ্নগুলো ছিটকে আসে ঠোঁটে
সরস্বতী মহাভাগে, বলতে তোমায় লজ্জা লাগে
সত্যিকারের মান কি তোমার জোটে?
টোকাটুকির এই দুনিয়ায় পড়াশোনায় কি আসে যায়
ডিগ্রিখানা হাসিল করাই মুখ্য
জ্ঞানের কথা চাপো গুরু মস্তি করার এই তো শুরু
পড়তে বলে দিচ্ছো কেন দুঃখ।
লক্ষ্মীলাভই জীবনমটো মানিব্যাগে গণেশফটো
তোমার পুজো একটা দিনই শুধু
সকালবেলায় পুজোয় বসে দিন বদলায় প্রেমদিবসে
চাখতে ছোটে নতুন প্রেমের মধু।
বক্তৃতা দেয় এখন যারা মোটেও তো নয় বাগ্মী তারা
তোমার জন্য সময় কোথায় তাদের?
বাগদেবী হে বীণাপাণি তোমার পুজোয় গাঁজা টানি
সন্ধেবেলা বসাই আসর মদের।
কি আর বলি হে সুভগে ছাত্ররা যায় মায়ের ভোগে
পড়ার থেকে ঘেরাও বেশী চলে
অধ্যাপকের ফাঁকা আসন কলেজ জুড়ে দাদার শাসন
সময় পেষাই ফাঁকির জাঁতাকলে।
তবু হে মা একটু শোনো প্রমাদ টমাদ পরে গোনো
এখনো তো ভক্ত তোমার আছে
আজও দেখি চাষীর ছেলে দিনের কাজের জোয়াল ঠেলে
নিত্য ফেরে পড়ার বইয়ের কাছে।
আজও তো কেউ রেওয়াজ করে পদ্য লিখে খাতা ভরে
বইয়ের খিদে আজও কারো পায়
জ্ঞানপিপাসুর মনে মা গো আলো হয়ে আজও জাগো
আকুল মনে তোমার কৃপা চায়।
তোমার পুজো যুগে যুগে তোমার পুজো নয় হুজুগে
তোমার আসন ভক্ত হৃদয় জুড়ে
মগ্ন তোমার স্তবগাঁথায় তোমার পুজো বইয়ের পাতায়
তোমার পুজো প্রতি গানের সুরে।
*********************
ডাক্তার ও রোগী
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
তুমি বললে ফোনে শুনে রোগ বলতে পারবে কি সব?
আমি বললাম অসম্ভব।
তুমি বললে তবে?
আমি বললাম অমন করে ডাক্তার আর অসুখ ধরে কবে?
আমি শুধু বলতে পারি সম্ভাবনার কথা,
তুমি বললে তার জন্যই টেস্ট করো অযথা?
আমি বললাম অযথা নয়, যেভাবে শিখেছি,
সেইমতো লিখেছি।
তার আগে যে তোমার সাথে এত কথা হলো,
ভেবেছো সেগুলো?
তুমি বললে, বোঝাও।
আমি বললাম আমি শুধুই শুনি, তুমি বলে যাও।
বলো তোমার অসুবিধা, শুরু কবে থেকে,
এবার যদি তুমি সেসব বলো রেখেঢেকে,
তবে আমি কানা।
যেসব কথা কেউ শোনেনা, কাউকে বলা মানা,
ভরসা করে বলতে হবে সেসব আমাকে,
ওরই মাঝে যদি কোথাও রোগের উৎস থাকে,
খুঁজে পেতেও পারি।
মোটের ওপর, সব বলা দরকারী।
ইনস্যুরেন্সে যে সব গেছো চেপে, রাত্রে যদি করো ঢুকুঢুকু,
বলতে হবে বেবাক সবটুকু,
তবেই কিছু বুঝবো,
তা নইলে তো গোলোকধাঁধায় আঁধারে পথ খুঁজবো।
এসব শুনে যখন ছোঁবো দেহ,
সে তো কেবল মেটাতে সন্দেহ,
টেস্টও জেনো তাই,
তোমার বলা কথার ভিতে নির্ণয়ী ধরতাই।
তুমি বললে, মানে?
তুমি আমি মিলেই কি যাই সমস্যা সন্ধানে?
আমি বললাম ভালো,
এতক্ষণে আসল কথা মনেতে চমকালো।
তুমি আমি একই দলে, উল্টোদিকে রোগ,
প্রতিপক্ষ ভাবলে আমায় খামোখা দুর্ভোগ,
এবং সেটা দুজনারই।
এবার চলো, আমায় খুলে বলো,
দেখি কেমন আমরা দুজন অসুখ ধরতে পারি।
*********************
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.৩.২০১৯।
তুমি বললে ফোনে শুনে রোগ বলতে পারবে কি সব?
আমি বললাম অসম্ভব।
তুমি বললে তবে?
আমি বললাম অমন করে ডাক্তার আর অসুখ ধরে কবে?
আমি শুধু বলতে পারি সম্ভাবনার কথা,
তুমি বললে তার জন্যই টেস্ট করো অযথা?
আমি বললাম অযথা নয়, যেভাবে শিখেছি,
সেইমতো লিখেছি।
তার আগে যে তোমার সাথে এত কথা হলো,
ভেবেছো সেগুলো?
তুমি বললে, বোঝাও।
আমি বললাম আমি শুধুই শুনি, তুমি বলে যাও।
বলো তোমার অসুবিধা, শুরু কবে থেকে,
এবার যদি তুমি সেসব বলো রেখেঢেকে,
তবে আমি কানা।
যেসব কথা কেউ শোনেনা, কাউকে বলা মানা,
ভরসা করে বলতে হবে সেসব আমাকে,
ওরই মাঝে যদি কোথাও রোগের উৎস থাকে,
খুঁজে পেতেও পারি।
মোটের ওপর, সব বলা দরকারী।
ইনস্যুরেন্সে যে সব গেছো চেপে, রাত্রে যদি করো ঢুকুঢুকু,
বলতে হবে বেবাক সবটুকু,
তবেই কিছু বুঝবো,
তা নইলে তো গোলোকধাঁধায় আঁধারে পথ খুঁজবো।
এসব শুনে যখন ছোঁবো দেহ,
সে তো কেবল মেটাতে সন্দেহ,
টেস্টও জেনো তাই,
তোমার বলা কথার ভিতে নির্ণয়ী ধরতাই।
তুমি বললে, মানে?
তুমি আমি মিলেই কি যাই সমস্যা সন্ধানে?
আমি বললাম ভালো,
এতক্ষণে আসল কথা মনেতে চমকালো।
তুমি আমি একই দলে, উল্টোদিকে রোগ,
প্রতিপক্ষ ভাবলে আমায় খামোখা দুর্ভোগ,
এবং সেটা দুজনারই।
এবার চলো, আমায় খুলে বলো,
দেখি কেমন আমরা দুজন অসুখ ধরতে পারি।
*********************
