| কবি ধরণীর বৈষ্ণব পদাবলী |
| সই নিরবধি কত পড়ে মনে ভণিতা ধরণী কবি ধরণী দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য়শাখা ৬ষ্ঠ পল্লব, রসোদ্গার, ৬৭৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সিন্ধুড়া॥ সই নিরবধি কত পড়ে মনে। শ্যাম বন্ধু বিনু না রহে মোর তনু সোয়াস্ত নাহিক রাতি দিনে॥ ধ্রু॥ ধরিয়া আমার করে বৈসায় আপন কোরে পুন দেই সিথায়ে সিন্দুর। তাম্বুল সাজাঞা তোলে খাও খাও কত বোলে কত গুণ কহিব বন্ধুর॥ ঝাড়িয়া বান্ধয়ে চুল বেঢ়িয়া মালতী ফুল বসন পরাই আমা দেখে। দেখিয়া আমার মুখ না জানি কি পায় সুখ রসের আবেশে করে বুকে॥ হিয়ার উপরে ধরি কাঁপে পহু থরহরি মুখে মুখ দিয়া ঘন কান্দে। বিহি পোহাইলে রাতি মোরে ছাড়ি যাবা কতি ধরণী থীর নাহি বান্ধে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১১৫১-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ সিন্ধুড়া॥ সই নিরবধি কত পড়ে মনে। শ্যাম বন্ধু বিনু না রহে মোর তনু সোয়াস্ত নাহি রাতি দিনে॥ ধ্রু॥ ধরিয়া আমার করে বসায় আপন কোরে পুন দেয় সিথায়ে সিন্দুর। তাম্বুল সাজাই তোলে খাও খাও কত বোলে কত গুণ কহিব বন্ধুর॥ ঝাড়িয়া বান্ধয়ে চুল বেড়িয়া মালতী ফুল বসন পরাই আমা দেখে। দেখিয়া আমার মুখ না জানি কি পায় সুখ রসের আবেশে করে বুকে॥ হিয়ার উপরে ধরি কাঁপে পহু থরহরি মুখে মুখ দিয়া ঘন কান্দে। বিহি পোহায়ল রাতি আমা ছাড়ি যাবা কতি ধরণী থীর নাহি বান্ধে॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ১৩|৪৭-পদ-সংখ্যায়, ভণিতা হীন পদ হিসেবে, এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ সুহই॥ সই নিরবধি কত পড়ে মনে। সে শ্যাম বন্ধুয়া বিনু না রহে আমার তনু সোয়াস্ত নাহিক রাতি দিনে॥ ধ্রু॥ ধরিয়া আমার করে বৈসায় আপন কোরে পুন দেই সিথায়ে সিন্দুর। তাম্বুল সাজাঞা তোলে খাও খাও কত বোলে কত গুণ কহিব বন্ধুর॥ ঝাড়িয়া বান্ধয়ে চুল বেঢ়িয়া মালতী ফুল বসন পরাঞা আমা দেখে। দেখিয়া আমার মুখ না জানি কি পায় সুখ রসের আবেশে করে বুকে॥ হিয়ার উপরে ধরি কাঁপে পহু থরহরি মুখে মুখ দিয়া ঘন কান্দে। বিহি পোহাইলে রাতি মোরে ছাড়ি যাবে কতি এত বলি১ স্থির নাহি বান্ধে॥ ১। পাঠান্তরটি এমন ভাবে দেওয়া আছে যাতে শেষ পংক্তিটি দুরকম ভাবে সাজানো যেতে পারে--- এত বলি স্থির নাহি বান্ধে॥ অথবা ধরণী এত বলি স্থির নাহি বান্ধে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১০৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রসোদ্গার ॥ সিন্ধুড়া॥ সই নিরবধি কত পড়ে মনে। শ্যাম বন্ধু বিনু না রহে মোর তনু সোয়াস্ত নাহিক রাতি দিনে॥ ধ্রু॥ ধরিয়া আমার করে বৈসায় আপন কোরে পুন দেই সিঁথায়ে সিন্দূর। তাম্বুল সাজাঞা তোলে খাও খাও কত বোলে কত গুণ কহিব বন্ধুর॥ ঝাড়িয়া বান্ধয়ে চুল বেঢ়িয়া মালতী ফুল বসন পরাই আমা দেখে। দেখিয়া আমার মুখ না জানি কি পায় সুখ রসের আবেশে করে বুকে॥ হিয়ার উপরে ধরি কাঁপে পহু থরহরি মুখে মুখ দিয়া ঘন কান্দে। বিহি পোহাইলে রাতি মোরে ছাড়ি যাবা কতি ধরণী থীর নাহি বান্ধে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৯৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সই নিরবধি কত পড়ে মনে। শ্যাম বন্ধু বিনু না রহে মোর তনু সোয়াস্ত নাহিক রাতি দিনে॥ ধরিয়া আমার করে বৈসায় আপন কোরে পুন দেই সিঁথায়ে সিন্দূর। তাম্বুল সাজাঞা তোলে খাও খাও কত বোলে কত গুণ কহিব বন্ধুর॥ ঝাড়িয়া বান্ধয়ে চুল বেঢ়িয়া মালতী ফুল বসন পরাই আমা দেখে। দেখিয়া আমার মুখ না জানি কি পায় সুখ রসের আবেশে করে বুকে॥ হিয়ার উপরে ধরি কাঁপে পহু থরহরি মুখে মুখ দিয়া ঘন কান্দে। বিহি পোহাইলে রাতি মোরে ছাড়ি যাবা কতি ধরণী থীর নাহি বান্ধে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| আরে মনমথ নাহি তুয়া ধরম-বিচার ভণিতা ধরণী কবি ধরণী দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য়শাখা, ১১শ পল্লব, আক্ষেপানুরাগ, ৮৫৮- পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ আরে মনমথ নাহি তুয়া ধরম-বিচার। কো করু দোখ রোখ করু কা সঞে বড় তুহুঁ মুরুখ গোঙার॥ শুনইতে রূপ কলা গুণ-মাধুরি তেঞি দিঠি হেরল কান। সোই যোধ-পতি তাহে নাহি পারলি হৃদয়ে হানলি পাঁচ বাণ॥ কিয়ে গুণে রতি তোহে পতি করি মানল নাম কে রাখল কাম। নাশসি কাম কুলটা-পদ দেওসি অব তোহে চীনলুঁ হাম॥ দেবীপতি শিব জীব তুয়া রাখল ছিয়ে ছিয়ে এ বড়ি দূখে। তা সঞে বাদ সাধি যৈছে ধাওলি তৈছে অনল দিল মূখে॥ অব হাম শম্ভু আরাধব তুয়া লাগি পুন তোহে করব বিনাশ। বিরহিণিগণ যেন কিয়ে ঘর কিয়ে বন যাহাঁ তাহাঁ সুখে করু বাস॥ ধরণিক বাণি মান তুহুঁ সুন্দরি শম্ভু আরাধবি কায়। মনমথ-কোটি মথন করু যো জন সো তুয়া চরণ ধোয়ায়॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১৩৪৭-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ আরে মনমথ নাহি তুয়া ধরম-বিচার। কো কর দোখ রোখ করু কা সঞে বড় তুহুঁ মুরুখ গোঙার॥ শুনইতে রূপ কলা গুণ-মাধুরি তেঞি দিঠি হেরল কান। সোই যোধ-পতি তাহে নাহি পারলি হৃদয়ে হানলি পাঁচ বাণ॥ কিয়ে গুণে রতি তোহে পতি করি মানল নাম কে রাখল কাম। নাশসি কাম কুলটা-পদ দেওসি অব তোহে চীনলুঁ হাম॥ দেবীপতি শিব জীব তুয়া রাখল ছিয়ে ছিয়ে এ বড়ি দুখে। তা সঞে বাদ সাধি যৈছে ধাওলি তৈছে অনল দিল মুখে॥ অব হাম শম্ভু আরাধব তুয়া লাগি পুন তোহে করব বিনাশ। বিরহিণিগণ যেন কিয়ে ঘর কিয়ে বন যাহাঁ তাহাঁ সুখে করু বাস॥ ধরণিক বাণি মানি তুহুঁ সুন্দরি শম্ভু আরাধবি কায়। মনমথ-কোটি মথন করু যো জন সো তুয়া চরণ ধোয়ায়॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগ তালো যথা॥ আরে মনমথ নাহি তুয়া ধরম বিচার। কো করূ দোখ রোখ করা কা সঞে তুহু বর মুরূখ গোঞার॥ ধ্রু॥ সোনইতে রূপকলা গুণ মাধুরী তেই দিঠে হেরল কান। সোই অধিপতি তাহে না পারলি হৃদএ হানলি পাঁচবাণ॥ কিএ গুণে রতি তোহে পতি করি মানল নাম কেবা রাখল কাম। নাশসি কাম কুলটা পদ দেওসি অব তোহে চিনল হাম॥ দেব পতি শিব জীব তুয়া রাখল ছিয়ে ছিয়ে এ বড়ি দুখে। তা সঞে বাদ সাধি যৈছে সাতাওলি তৈছে আনল দিল মুখে॥ হাম অব শম্ভু আরাধব তুয়া লাগি গুণ তোহে করব বিনাশ। বিরহিনী গণ জেন কিএ ঘর কিএ বন জাঁহা তাঁহা করউ নিবাস॥ ধরণীক বাণী মানি তুহু সুন্দরী শম্ভু পূজবি অব কায়। মনমথ কোটী মথন করূ জোজন সো তুয়া চরণ ধেয়ায়॥ এই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ২৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগ তালো যথা॥ আরে মনমথ নাহি তোরা ধরম বিচার। কো করু দোখ, রোখ করু কা সঞে, বড় তুহু মুরখ গোঙার॥ শুনইতে রূপকলা গুণ-মাধুরী, তেঞি দিঠি হরল কান। সোই যোধপতি তাহে নাহি পারলি, হৃদয়ে হানিলি পাঁচবাণ॥ কিয়ে গুণবতী, তোহে পতি করি মানল, নাম কে রাখল কান। নাশসি কাম কুলট পদ দেওসি, আর তোহি চিনল হাম॥ দেবপতি শিব, জীব তুয়া রাখাল ছিয়ে ছিয়ে এ বড় দুখে। তা সঙে বাদ সাধি, যৈছে ধাওলি, তৈছে আনল দিল মুখে॥ হব হাম শম্ভু, আরাধব তুয়া লাগি, পুন তোহে করব বিনাশ। বিরহিনীগণ যেন, কিয়ে ঘর কিয়ে বন, যাঁহা তাঁহা সুখে করু বাস॥ ধরণীর বাণী, মান তুহুঁ সুন্দরি, শম্ভু আরাধবি কায়। মনমথ কোটী মথন, করু যো জন, সো তুয়া চরণ ধেয়ায়॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| অনুখণ গৌর-প্রেম-রসে গরগর ভণিতা ধরণী কবি ধরণী দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২৫শ পল্লব, শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র-বর্ণন, ২৩৮১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ অনুখণ গৌর-প্রেম-রসে গরগর ঢর ঢর লোচনে লোর। গদ গদ ভাষ হাস খণে রোয়ত আনন্দে মগন সঘনে হরি-বোল॥ পহু মোর শ্রীশ্রীনিবাস। অবিরত রামচন্দ্র পহু বিহরত সঙ্গে নরোত্তম দাস॥ ধ্রু॥ ব্রজপুর-চরিত সদত অনুমোদই রসিক ভকতগণ পাশ। ভকতি-রতন ধন যাচত জনে জন পুন কি গৌর পরকাশ॥ ঐছে দয়াল কবহুঁ নাহি হেরিয়ে ভুবন চতুর্দ্দশ মাঝে। দিন হিন পতিতে পরম পদ দেয়ল ধরণি বঞ্চিত নিজ কাজে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৪৮৪-পদসংখ্যায় কোনও পাঠান্তর ছাড়াই হুবহু একই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ মঙ্গল॥ অনুখণ গৌর-প্রেম-রসে গরগর ঢর ঢর লোচনে লোর। গদ গদ ভাষ হাস খণে রোয়ত আনন্দে মগন সঘনে হরি-বোল॥ পহু মোর শ্রীশ্রীনিবাস। অবিরত রামচন্দ্র পহু বিহরত সঙ্গে নরোত্তম দাস॥ ধ্রু॥ ব্রজপুর-চরিত সদত অনুমোদই রসিক ভকতগণ পাশ। ভকতি-রতন ধন যাচত জনে জন পুন কি গৌর পরকাশ॥ ঐছে দয়াল কবহুঁ নাহি হেরিয়ে ভুবন চতুর্দ্দশ মাঝে। দিন হিন পতিতে পরম পদ দেয়ল ধরণি বঞ্চিত নিজ কাজে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১০৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীবাস বন্দনা ॥ মঙ্গল॥ অনুখণ গৌর প্রেম-রসে গরগর ঢর ঢর লোচনে লোর। গদ গদ ভাষ হাস খনে রোয়ত আনন্দে মগন সঘনে হরি-বোল॥ পহু মোর শ্রীশ্রীনিবাস। অবিরত রামচন্দ্র পহু বিহরত সঙ্গে নরোত্তম দাস॥ ধ্রু॥ ব্রজপুর-চরিত সদত অনুমোদই রসিক ভকতগণ পাশ। ভকতি-রতন ধন যাচত জনে জন পুন কি গৌর পরকাশ॥ ঐছে দয়াল কবহুঁ নাহি হেরিয়ে ভুবন চতুর্দ্দশ মাঝে। দিন হিন পতিতে পরম পদ দেয়ল ধরণি বঞ্চিত নিজ কাজে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৯৩৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অনুখণ গৌর প্রেম রসে গরগর ঢর ঢর লোচনে লোর। গদ গদ ভাষ হাস খনে রোয়ত আনন্দে মগন সঘনে হরি বোল॥ পহু মোর শ্রীশ্রীনিবাস। অবিরত রামচন্দ্র পহু বিহরত সঙ্গে নরোত্তম দাস॥ ব্রজপুর চরিত সদত অনুমোদই রসিক ভকতগণ পাশ। ভকতি রতন ধন যাচত জনে জন পুন কি গৌর পরকাশ॥ ঐছে দয়াল কবহুঁ নাহি হেরিয়ে ভুবন চতুর্দ্দশ মাঝে। দিন হিন পতিতে পরম পদ দেয়ল ধরণি বঞ্চিত নিজ কাজে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |