কবি হরিরাম দাসের বৈষ্ণব পদাবলী
*
অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা
ভণিতা হরিরাম দাস
কবি হরিরাম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড,
২য় শাখা, ২২শ পল্লব, কারণাভাস মান, ৫৮৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ নির্হেতু-মানঃ।
তত্র কারণাভাসঃ প্রতিবিম্ব-দৃষ্টে যথা।
তদুচিত-শ্রীমহাপ্রভুঃ।
॥ বরাড়ী॥

অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা।
সুরধুনী-সিনানে চলিলা॥
রাধিকার ভাব হৈল মনে।
ঘন চাহে কাল জল পানে॥
নিজ প্রতিবিম্ব দেখি জলে।
কোপিত-অন্তরে কিছু বলে॥
ঢীট নাগর শ্যাম রায়।
আন জন সহিতে খেলায়॥
কোপ করি চলে নিজ বাসে।
কহে কিছু হরিরাম দাসে॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির
৭৭০-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র
রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ বরাড়ী॥

অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা।
সুরধুনী-সিনানে চলিলা॥
রাধিকার ভাব হৈল মনে।
ঘন চাহে কাল জল পানে॥
নিজ প্রতিবিম্ব হেরি জলে।
কুপিত-অন্তরে কিছু বলে॥
ঢীট নাগর শ্যাম রায়।
আন জন সহিত খেলায়॥
কোপ করি চলে নিজ বাসে।
কহে কিছু হরিরাম দাসে॥

ই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্র প্রতিবিম্ব মান॥ তদুচিত মহাপ্রভু॥

অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা। সুরধুনীতীরে চলি গেলা॥
রাধিকার ভাব হৈল মনে। ঘন চাহে কাল জল পানে॥
নিজ প্রতিবিম্ব দেখি জলে। কুপিত অন্তরে কিছু বলে॥
ঢট নাগর শ্যামরায়। আন জন সহিতে খেলায়॥
কোপ করি চলু নিজ বাস। কহে কিছু হরিনামদাস১॥

১। হরিনামদাস - হরিরামদাস হবে, মুদ্রণ প্রমাদ।

ই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পদং॥

অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা। সুরধুনী সিনানে চলিলা॥
রাধিকার ভাব হইল মনে। ঘন চাহে কাল জল পানে॥
নিজ প্রতিবিম্ব দেখে জলে। কোপিত অন্তরে কিছু বলে॥
দিঠ নাগর শ্যামরায়। আন জন সহিত খেলায়॥
কোপ করি চলু নিজবাস। কহে কিছু হরিরাম দাস॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৪র্থ তরঙ্গ, ৬ষ্ঠ উচ্ছ্বাস,
২০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা। সুরধুনী-সিনানে চলিলা॥
রাধিকার ভাব হৈল মনে। ঘন চাহে কাল জল পানে॥
নিজ প্রতিবিম্ব দেখি জলে। কুপিত অন্তরে কিছু বলে॥
ঢীট নাগর শ্যাম রায়। আন জন সহিত খেলায়॥
কোপ করি চলে নিজবাসে। কহে কিছু হরিরাম দাসে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১০৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নির্হেতু মানে গৌরচন্দ্র
॥ বরাড়ী॥

অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা।
সুরধুনী-সিনানে চলিলা॥
রাধিকার ভাব হইল মনে।
ঘন চাহে কাল জল পানে॥
নিজ প্রতিবিম্ব দেখি জলে।
কোপিত অন্তরে কিছু বলে॥
ঢীট নাগর শ্যাম রায়।
আন জন সহিতে খেলায়॥
কোপ করি চলে নিজ বাসে।
কহে কিছু হরিরাম দাসে॥ 

ই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন
পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ৪৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মানপ্রকরণ
শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ সুহই - মধ্যম দশকুশী॥

অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা।
সুরধুনী সিনানে চলিলা॥
রাধিকার ভাব হৈল মনে।
ঘন চাহে কাল জল পানে॥
নিজ প্রতিবিম্ব দেখি জলে।
কোপিত অন্তরে কিছু বলে॥
ঢীট নাগর শ্যাম রায়।
আন জন সহিতে খেলায়॥
কোপ করি চলে নিজ বাসে।
কহে কিছু হরিরাম দাসে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ১৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অপরূপ গৌরাঙ্গের লীলা।
সুরধুনী সিনানে চলিলা॥
রাধিকার ভাব হইল মনে।
ঘন চাহে কাল জল পানে॥
নিজ প্রতিবিম্ব দেখি জলে।
কোপিত অন্তরে কিছু বলে॥
ঢীট নাগর শ্যাম রায়।
আন জন সহিতে খেলায়॥
কোপ করি চলে নিজ বাসে।
কহে কিছু হরিরাম দাসে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নিতাই করুণাময় অবতার
ভণিতা হরিরাম দাস
কবি হরিরাম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭০০ সালে, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা সংকলিত ও বিরোচিত এবং
১৯২৪ সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”,
অষ্টাদশ ক্ষণদা - শুক্লা তৃতীয়া, ১৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

নিতাই করুণাময় অবতার।
দেখিয়া দীনহীন                করয়ে প্রেমদান
আগম নিগমের সার॥
সহজে ঢল ঢল                     সজল নিরমল
কমল জিনিয়া আঁখি-শোভা।
বদন মণ্ডল                        কোটি শশধর
জিনিয়া জগ-মন-লোভা॥
অঙ্গ সুচিক্কণ                        মদন-মোহন
কণ্ঠে শোভে মণি-হার।
বচন-রচন                       শ্রবণে দূরে গেল
পাতকী-মন-আন্ধিয়ার॥
নবীন-করি-কর                জিনিয়া ভুজ-বর
তাহে শোভে হেম-দণ্ড।
হেরিয়া সব লোক           পাসরে দুঃখ শোক
খণ্ডয়ে হৃদয় পাষণ্ড॥
নিতাইর করুণায়                  অবনি ভাসল
পূরল জগ-মন-আশ।
ও প্রেম লব লেশ               পরশ না পাইয়া
কান্দয়ে হরিরাম দাস॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২২শ পল্লব,
শ্রীনিত্যানন্দের গুণ-বর্ণন, ২৩০৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীগান্ধার॥

নিতাই করুণাময় অবতার।
দেখিয়া দীন হীন                করয়ে প্রেম-দান
আগম নিগমের সার॥ ধ্রু॥
সহজে ঢল ঢল                     সজল নিরমল
কমল জিনিয়া দিঠি-শোভা।
বদন মণ্ডল                        কোটি শশধর
জিনিয়া জগ-মন-লোভা॥
অঙ্গ সুচিকণ                        মদন-মোহন
কণ্ঠে শোভে মণি-হার।
বচন-অমিয়া                    শ্রবণে দূরে গেল
পাতকীর মনে আন্ধিয়ার॥
নবীন-করি-কর                  জিনিয়া ভুজ-বর
তাহে শোভে হেম-দণ্ড।
হেরিয়া সব লোক             পাসরে দুখ শোক
খণ্ডয়ে হৃদয় পাষণ্ড॥
নিতাই করুণায়                 অবনি ভাসায়ল
পুরল জগ-মন-আশ।
ও প্রেম-লবলেশ-                পরশ না পাইয়া
কান্দয়ে হরিরাম দাস॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৪০৭-পদসংখ্যায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে
এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ শ্রীগান্ধার॥

নিতাই করুণাময় অবতার।
দেখিয়া দীন হীন                করয়ে প্রেম-দান
আগম নিগমের সার॥ ধ্রু॥
সহজে ঢল ঢল                    সজল নিরমল
কমল জিনিয়া দিঠি-শোভা।
বদন মণ্ডল                        কোটি শশধর
জিনিয়া জগ-মন-লোভা॥
অঙ্গ সুচিকণ                       মদন-মোহন
কণ্ঠে শোভে মণি-হার।
বচন-অমিয়া                   শ্রবণে দূরে গেল
পাতকীর মনে আন্ধিয়ার॥
নবীন-করি-কর                জিনিয়া ভুজ-বর
তাহে শোভে হেম-দণ্ড।
হেরিয়া সব লোক           পাসরে দুখ শোক
খণ্ডয়ে হৃদয় পাষণ্ড॥
নিতাই করুণায়                অবনি ভাসায়ল
পুরল জগ-জন-আশ।
ও প্রেম-লবলেশ-                পরশ না পাইয়া
কান্দয়ে হরিরাম দাস॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৬ষ্ঠ তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, ২৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

নিতাই করুণাময় অবতার।
দেখিয়া দীনহীন                করয়ে প্রেমদান
আগম নিগম সার॥ ধ্রু॥
সহজে ঢর ঢর                   সজল নিরমল
কমল জিনিয়া দিঠি শোভা।
বদনমণ্ডল                        কোটি শশধর
জিনিয়া জগমনলোভা॥
অঙ্গ চিক্কণ                        মদনমোহন
কণ্ঠে শোভে মণিহার।
. . . এই কলিটি নেই . . . .
নবীন করিকর                জিনিয়া ভুজবর
তাহে শোভে হেমময় দণ্ড।
হেরিয়া সব লোক          পাসরে দুঃখ শোক
খণ্ডয়ে হৃদয়ে পাষণ্ড॥
নিতাই করুণায়                   অবনী ভাসল
পুরল জগজন আশ।
ও প্রেমলেশ                   পরশ না পাইয়া
কাঁদয়ে হরিরাম দাস॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ১০৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীনিত্যানন্দ মহিমা
॥ তথারাগ॥

নিতাই করুণাময়-অবতার।
দেখিয়া দীনহীন                   করয়ে প্রেমদান
আগম নিগমের সার॥
সহজে ঢলঢল                      সজল-নিরমল
কমল জিনিয়া আঁখি-শোভা।
বদন-মণ্ডল                         কোটি শশধর
জিনিয়া জগ-মন-লোভা॥
অঙ্গ সুচিকণ                         মদন-মোহন
কণ্ঠে শোভে মণিহার।
বচন-রচন                       শ্রবণে দূরে গেল
পাতকী-মন-আন্ধিয়ার॥
নবীন-করি-কর                  জিনিয়া ভুজ-বর
তাহে শোভে হেমদণ্ড।
হেরিয়া সবলোক              পাসরে দুঃখ শোক
খণ্ডয়ে হৃদয় পাষণ্ড॥
নিতাই করুণায়                      অবনী ভাসল
পুরল জগমন-আশ।
ও প্রেম লবলেশ-                পরশ না পাইয়া
কান্দয়ে হরিরাম দাস॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মানপ্রকরণ
॥ শ্রীগান্ধার - কাটা দশকুশী॥

নিতাই করুণাময় অবতার।
দেখিয়া দীনহীন                  করয়ে প্রেমদান
আগম নিগমের সার॥ ধ্রু॥
সহজে ঢলঢল                       সজল নিরমল
কমল জিনিয়া দিঠি-শোভা।
বদন-মণ্ডল                         কোটি শশধর
জিনিয়া জগ-মন-লোভা॥
অঙ্গ সুচিকণ                        মদন-মোহন
কণ্ঠে শোভে মণি-হার।
বচন-অমিয়া                     শ্রবণে দূরে গেল
পাতকী মনের আন্ধিয়ার॥
নবীন-করি-কর                  জিনিয়া ভুজ বর
তাহে শোভে হেম-দণ্ড।
হেরিয়া সবলোক                পাসরে দুখ শোক
খণ্ডয়ে হৃদয় পাষণ্ড॥
নিতাই করুণায়                   অবনি ভাসায়ল
পুরল জগ-মন-আশ।
ও প্রেম লবলেশ                 পরশ না পাইয়া
কান্দয়ে হরিরাম দাস॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৯৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নিতাই করুণাময় অবতার।                
দেখিয়া দীনহীন করয়ে প্রেমদান             
আগম নিগমের সার॥ ধ্রু॥
সহজে ঢলঢল সজল নিরমল                  
কমল জিনিয়া আঁখি শোভা।
বদন মণ্ডল কোটি শশধর                     
জিনিয়া জন মন লোভা॥
অঙ্গ সুচিকণ মদন মোহন                    
কণ্ঠে শোভে মণিহার।
বচন রচন শ্রবণে দূরে গেল                 
পাতকী মন আন্ধিয়ার॥
নবীন করি কর জিনিয়া ভুজ বর            
তাহে শোভে হেমদণ্ড।
হেরিয়া সবলোক পাসরে দুঃখ শোক        
খণ্ডয়ে হৃদয় পাষণ্ড॥
নিতাইর করুণায় অবনী ভাসল               
পুরল জগমন আশ।
ও প্রেম লবলেশ পরশ না পাইয়া              
কান্দয়ে হরিরাম দাস॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রোসভরে গৃহে পহুঁ আসি
ভণিতা হরিরাম
কবি হরিরাম দাস
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৪র্থ তরঙ্গ, ৬ষ্ঠ উচ্ছ্বাস,
১৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

রোসভরে গৃহে পহুঁ আসি। মানে মলিন মুখশশী॥
শেজ পাতি কয়ল শয়ান। বলে একি ছিয়ে ছিয়ে কান॥
সব তেজি ভজিনু তোমারে। তাই বুঝি হেন ব্যবহারে॥
আন সনে বিহারের সাধ। হাম কি করিনু অপরাধ॥
হেরি হেন অহেতুক মানে। হরিরাম হাসে মনে মনে॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন
পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ৪৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মানপ্রকরণ
শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ সুহই - কাটাদশকুশী॥

রোসভরে গৃহে পহুঁ আসি।
মানে মলিন মুখশশী॥
শেজ পাতি কয়ল শয়ান।
বলে একি ছিয়ে ছিয়ে কান॥
সব তেজি ভজিনু তোমারে।
তাই বুঝি হেন ব্যবহারে॥
আন সনে বিহারের সাধ।
হাম কি করিনু অপরাধ॥
হেরি হেন অহেতুক মানে।
হরিরাম হাসে মনে মনে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর