| কবি জয়ানন্দের বৈষ্ণব পদাবলী |
| অনেক দিবস ধরি সভে অনুমান করি কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, নদীয়া খণ্ড, ২২শ অধ্যায়, ২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কথা দিশা ॥ পঠমঞ্জরী॥ অনেক দিবস ধরি সভে অনুমান করি গৌরাঙ্গ আনিল গৃহবাসে। মনে অনুভব যত বিনোদ কর শত শত হাসি হাসি সভারে প্রকাশে॥ শুন শচী ঠাকুরাণী অপরূপ কাহিনী কুলবধূ কৈল কেন ভূতে। গৃহকাজে না লয় মন প্রাণ করে উচাটন না জানি কি কৈল তোমার পুতে॥ তিমির মন্দিরে থাকি বসনে বদন ঢাকি সব অলঙ্কার ঢাকি লে। তোরা রামকৃষ্ণ বল দেখি পুলক জল হাসিয়া আনন্দে কোল দে॥ যে জনা না বলে হরি তারে মারে চুলে ধরি বান্ধিয়া পেলাএ অন্ধকূপে। দেখিঞা শুনিঞা খুড়ি ভাঙ্গে সব হাঁড়ি কুড়ি বিবসন করাএ স্বরূপে॥ চাপের দুধের সর ক্ষীর নাড়ু মনোহর আপনি খাইআ মিছা দোষে। জিজ্ঞাসিলে করে দ্বন্দ্ব তাহে সাক্ষী জয়ানন্দ তুমারে করিল আর দাসে॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| অনেক সেবক সঙ্গে হাস পরিহাস রঙ্গে কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, নদীয়া খণ্ড, ৩৫শ অধ্যায়, ৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কথা দিশা ॥ মাউর ধানশি রাগ॥ অনেক সেবক সঙ্গে হাস পরিহাস রঙ্গে ইন্দ্রাণী নৈহাটি করি বামে। অজয় নদী পার হয়্যা চাকটা য়ালকণা ডাহিনে থুঞা উত্তরিলা তিলপুর গ্রামে॥ শিষ্যগুরু ভগবান গয়া করিবারে জান চরণারবিন্দ পরকাশে। পদরজে অনায়াসে নিরবধি অভিলাষে কেবল মুনীন্দ্র সম্ভাষে॥ ডাহিনে বামে বাউবাড়া একতালা গৌড় মাল্বা পাড়া বাহিয়া কানাঞির নাটশালে। গড়িপা পর্ব্বততলে গঙ্গার দক্ষিণ কূলে তপ্ত সিকতা রবি জ্বলে॥ জয়ঢাক বীরঢাক পর্ব্বত লাখে লাখ মহারণ্য কর্কট কর্কশে। খগমৃগ তরুলতা পাষাণ বনদেবতা মুক্ত হইল চরণ পরশে॥ কুসুমিত বনস্থলী কোকিল ভ্রমর কেলি কূজিত কুঞ্জকুটীরে। কপোত শুকসারী যত দেখি পুলকাবৃত মুরুছিত নদনদী তীরে॥ দুর্গম পথ পরিহরি মগধে প্রবেশ করি রাজগিরি ঈশ্বরপুরী বসে। গোপাল মন্ত্র দশাক্ষর প্রেমভক্তি শক্তিধর ঈশ্বরপুরী কহে জপের উদ্দেশে॥ পথশ্রমে জ্বর আইল বিপ্র পাদোদক লইল সভারে কহিল হাসি হাসি। ব্রাহ্মণমহিমা জত কহি সব সঞ্জাত কালি হব গয়াক্ষেত্রবাসী॥ রজনী বঞ্চিয়া সুখে চলিলা পশ্চিম মুখে গয়ার ময়াল (?) দেখি নাচে। প্রবেশিলা গয়াক্ষেত্রে মুনীন্দ্রের মঠ বিচিত্রে বাসা করি ফল্গু নদী কাছে॥ চৈতন্যমঙ্গল গীত সর্ব্বলোক আনন্দিত জয়ানন্দ মুখে দৈববাণী। জেবা শুনে জেবা গাএ আনন্দে বৈকুন্ঠে জাএ গঙ্গা জেন ত্রিপথগামিনী॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| অভাগীর উদরে পুত্র তোর জন্ম হইল কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, বৈরাগ্য খণ্ড, ৭ম অধ্যায়, ৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। তত কথা দিশা ॥ পঠমঞ্জরী রাগ॥ অভাগী উদরে পুত্র তোর জন্ম হইল ধ্রুব রে কৃষ্ণসেবা না করিল আমি। তাহে বাপের দুলাল নহ সিংহাসনে বসিতে চাহ এত ভাগ্যে না জন্মিলা তুমি॥ ধ্রুব না কান্দ না কান্দ, ধ্রুব রে, কত মিছা মায়াজাল বান্ধ॥ ধ্রু॥ দুর্ভাগার পুত্র তুমি জগতে বিদিৎ। রাজসিংহাসন তোমার নহে ত উচিৎ॥ ব্রহ্মা আদি আত্ম (? ) মত কৃষ্ণ সেবা করে। উলসিত উচ্চপদ পায় স্বর্গপুরে॥ তুমি জদি কৃষ্ণ ভজ করি আরাধনা। সিংহাসন পাবে তুমি করি উপাসনা॥ মায়ের বচন শুনি ধ্রুব মনে গুণি। কোথা গেলে পাব কৃষ্ণ কহ গো জননী॥ মধুবনে পাবে কৃষ্ণ কহেন উপদেশ। আমার বচন শুন কহিল বিশেষ॥ উত্তানপাদের পুত্র ধ্রুব মহাশয়। সিংহাসন পাবে তুমি কহিলাম নিশ্চয়॥ তবে ধ্রুব নাম মোর জগতে বিস্তারি। মায়ের সৌভাগ্য দিব সেবিআ শ্রীহরি॥ আপনা প্রতিজ্ঞা ধ্রুব মায়েরে কহিল। পঞ্চ বত্সরের শিশু বনেতে চলিল॥ মায়ের চরণ শিরে বিভূষিত করি। শুভক্ষণে সেই বেলা লড়ে যাত্রা করি॥ তুমার সতাই পূর্ব্বে কৃষ্ণ আরাধিয়াছিল স্বামীর সৌভাগ্যা তে কারণে। কৃষ্ণভক্তিহীন আমি হারাল্য সে হেন স্বামী কেমতে বসিবে সিংহাসনে॥ তুমার সতাইর পুত্র জত বাপে তারা অনুরত সিংহাসনে বস্যে মাএর বোলে। তুমি দুহইর বেটা সংসার যুড়িয়া খোঁটা কেমতে বসিবে বাপের কোলে॥ ব্রহ্মাদি অমর জত কৃষ্ণ ভজে অবিরত উচ্চপদ বস্যে স্বর্গভূমি। তুমি জদি কৃষ্ণ ভজ সিংহাসন কোন পদ ত্রিলোকে পূজিত হবে তুমি॥ মাএর বচন শুনি ধ্রুব মনে মনে গুনি কোথা পাব কৃষ্ণের উদ্দেশ। মধুবনে কৃষ্ণ পাবে তথা কেমনে জাবে এই তোরে কহি উপদেশ॥ উত্তানপাদপুত্র নাম পড়াএ ধ্রুব মা বাপের সিংহাসন দেঙ। তবে ধ্রুব নাম ধরোঁ তুমারে সৌভাগ্য করোঁ সিংহাসন তুমারে দেঙ॥ মাএর চরণধূলি শিরে বিভূষণ করি শুভক্ষণে যাত্রা করি লড়ে। চৈতন্যচরণ ধ্যানে জয়ানন্দানন্দে ভণে জয় জয়কার স্বর্গে পড়ে॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| অলকা ললিত ভালে কবরী কুসুম মালে কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, তীর্থ খণ্ড, ৫০তম অধ্যায়, ৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গুর্জ্জরী রাগ॥ অলকা ললিত ভালে কবরী কুসুম মালে চন্দন তিলক বিন্দু নাএ। হাটক কুণ্ডল শ্রুতি পঙ্কজ লোচন দ্যুতি শারদ বিশদ ইন্দু নাএ॥ ধ্রু॥ কেয়ুর কঙ্কণ হার প্রবাল মৌক্তিক মাল ক্ষৌম বাস দিব্য শঙ্খ হাথে। দিব্য সিংহাসনে বসি প্রকাশ রোহিণী শশী রমণীগণ তারকাগণ সাথে॥ দিব্য মালা করে ধরি সখিগণ সঙ্গে করি প্রদিক্ষণ করি সাত বার। সম্মুখে রহিআ গিয়া প্রভু গলাএ মালা দিয়া জোড় হাথে করি নমস্কার॥ পুষ্পের ছামনে বেলা গলায়ে কুসুম মালা বেড়িলেক রমণীর ঠাটে। দেখি লক্ষ্মী বিশ্বম্ভরে ধন্য ধন্য সভে করে জয়ানন্দ আনন্দে নিকটে॥ এই পদটি পুনরায় কয়েকটি পাঠান্তর পাঠসহ নদীয়া খণ্ড, ৬৫শ অধ্যায়, ৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সিন্ধুড়া॥ অলকা ললিত ভালে কবরী হৃদি মণ্ডলে চন্দন তিলক বিন্দু নাএ। হাইক কুন্তল শ্রুতি পঙ্কজলোচন সুতি জয় জয় জয় বিষ্ণুপ্রিয়া গৌরচন্দ্র। বৃদ্ধ বাল যুবা জত কুলবধূ শত শত বলে কমলাক্ষী মকরন্দ॥ ধ্রু॥ কেয়ুর কঙ্কণ হার প্রবাল মৌক্তিক মাল ক্ষৌমবাস দিব্য শঙ্খ হাথে। দিব্য সিংহাসনে বসি প্রকাশে রোহিণী শশী মূলে তারকাগণ সাথে॥ দিব্য মালা করে ধরি সখিগণ সঙ্গে করি প্রদক্ষিণ করি সাতবার। সমুখে রহিলা গিয়া প্রভু গলে মালা দিয়া জোড় হাথে হইল নমস্কার॥ পুষ্পের ছামনি বেলা গিরিশ কুসুম মালা বেড়িলেক রমণের ঠাটে। বিষ্ণুপ্রিয়া বিশ্বম্ভরে প্রদক্ষিণ সাত বারে জয়ানন্দ আনন্দে কপাটে॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| আচার্য্য বনমালী কহে শুনিঞা আনন্দমএ কবি জয়ানন্দ ভণিতা দ্বিজ জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, নদীয়া খণ্ড, ৪৭শ অধ্যায়, ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। আচার্য্য বনমালী কহে শুনিয়া আনন্দমএ ধন্য করি মানিল জীবনে। ধন্য ধন্য লক্ষ্মী পিতা ধন্য লক্ষ্মীর মাতা ধন্য ধন্য জত বন্ধুজনে॥ শুন শুন অপূর্ব্ব কাহিনী। শুনহে লক্ষ্মীর জননী ॥ মিশ্র পুরন্দর সুত অশেষ মহিমাযুত তারে বিভা দেহ লক্ষ্মীমণি। কুলে শীলে বিদ্যা ধনে ত্রিজগতে জারে জানে হেন বর নবদ্বীপ চান্দে জার অঙ্গের সৌরভ পায়্যা মধুকর আস্যে ধায়্যা আসি রূপ দেখে ত্রিজগতে॥ তুমি অনেক জন্মের তপে জন্ম লভিলে নবদ্বীপে লক্ষ্মী তুমার বংশ উদ্ধারিতে॥ কি আর অনুমান কর আমার বচন ধর বরমালা দেহ শচীসুতে॥ লক্ষ্মীর জননী বলে বর দেখি কোন ছলে লক্ষ্মী বিভা দিব গৌরচন্দ্রে। দ্বিজ জয়ানন্দ বলে শুন সাধু অবহেলে কর্ণপথে পিয় মকরন্দে . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| আজ্ঞা দিল জগন্নাথ সাজন করিয়া ঠাট কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, উত্কল খণ্ড, ৪র্থ অধ্যায়, ১৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ আজ্ঞা দিল জগন্নাথ সাজন করিয়া ঠাট অনুব্রজি যায় দ্বিজরাজে। নানা বর্ণে বাদ্য বাজে তরল নিশান গাজে পুষ্পবৃষ্টি নীলাচল মাঝে॥ সিন্দুরে মণ্ডিত জত পাট হস্তী শত শত ঘোড়ার পআন চারিপাশে। শত শত কোটি জ্বলে প্রদীপ দেউটি মহাতাপ গগন পরশে॥ চৌদিগে আনন্দময় নীলাচলে জয় জয় শঙ্খধ্বনি বাজে নানা ছান্দে। শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর বিজয় হইল ভেটিবারে নীলাচলচান্দে ॥ ধ্রু॥ জত স্বর্ণ বিদ্যাধরী নানা যন্ত্র হাথে করি জোগান ধরিল নট বেশে। গজঘন্টা চন্দ্রাতপ ছত্র চামর মুক্তা থোপ ধ্বজ পতাকা আচ্ছাদে আকাশে॥ জত উড়্যা গৌড়্যা ব্রাহ্মণে বেত্রহাথে বিদ্যমানে আড়হো আড়হো করি ডাক ছাড়ে। উভ বাহু না জাএ তল ভূমি বৈকুন্ঠ নীলাচল চন্দনের ছড়া পথে পড়ে॥ লবণ সমুদ্র তটে অক্ষয় বট নিকটে বিশ্বকর্ম্মার নির্ম্মিত পুরী দেখি। সৌধ ঘর সারি সারি উপরে সোনার বারি কাঞ্চনে নির্ম্মিত নানা পাখী॥ সিদ্ধেশ্বর যমেশ্বর মার্কণ্ডেয় সরোবর পক্ষরাজ গরুড় হনুমানেরে। শ্বেত গঙ্গা মহোদধি জিঅর পর্ব্বতাবধি মুক্তি গেলা অশ্বমেধ স্থানেরে॥ কর্ণাক ভুবনেশ্বর ইন্দ্রদ্যুম্ন সরোবর রোহিণী কুণ্ড পাতালবাসিনীরে। হংসেশ্বর কপোতাক্ষী নিকুঞ্জ অলর্কসাক্ষী বিমলা কমলা ভদ্রাণীরে॥ চিত্রোত্পলা কনখলা স্বর্গদ্বারা রত্নমালা ব্রহ্মবেদী সুদর্শন রেবতী। নৃসিংহ বামন রাম বরাহ কচ্ছপ নাম চতুর্ভুজ ব্যাস সত্যবতী॥ নানা ফুলে বিরচিত বনমালা শত শত মল্লিকা মালতী জাতি যুতি। করবীর আমলকী কেতকী মাধবী লতা ফুলে। কুন্দ তুলসী দল নীল রাতা উত্পল নাগেশ্বর চম্পক বকুলে॥ নানা ফুলে বিরচিত বনমালা শত শত আবীর চন্দন চুয়া গন্ধে। পট্টনা পড়িছা পাতা মাহাতি ধরে জেগান গৌরচন্দ্রে॥ দেখিয়া দেউলে ধ্বজা দণ্ডবতে কৈল পূজা কমলপুর বাহির উদ্যানে। প্রেমানন্দে ঝরে আঁখি পুলকে পথ না দেখি দিগ্ বিদিগ্ নাঞি জানে॥ আঠারনালা পার হয়্যা নরেন্দ্রের দীঘি দিয়া উত্তরিলা পুরুষোত্তমে। গুণ্ডিচা মণ্ডপে রহি তিন প্রহর বই অশ্বমেধ বেদী কৈল বামে॥ দশদণ্ড রাত্রি গেলে পুষ্পাঞ্জলির বেলা প্রবেশ করিল সিংহদ্বারে। মহেন্দ্র দ্বার দিয়া জগমোহন বামে থুয়্যা উত্তরিলা নাটমন্দিরে॥ নাটমন্দিরে দেখি সমুখে গরুড় পাখি জয় জয় করি উভ হাথে। গভীর হুঙ্কার ছাড়ি প্রেমানন্দে ভূমে পড়ি দেখিয়া ঠাকুর জগন্নাথে॥ মুখচন্দ্র ষোলকলা গলাএ দনের মালা কিরীট মুকুট রত্ন মাথে। লক্ষ বাণ হীরামণি প্রবাল রত্ন খেচনি পদ্মরাগ শঙ্খচক্র হাথে॥ প্রফুল্লিত রাজিত লোচন অরুণারুণ রূপে জিনিলে কোটি কামে। রত্ন সিংহাসন রাজে সুভদ্রা ভগিনী মাঝে ডাহিনে ভাই বলরাম রে॥ জত জত অবতার বিশ্রাম কল্পতরু দারুব্রহ্মময় নীলাচলে। জগন্নাথ দরশনে পুনর্জন্ম নহে ভূমে ব্রহ্মপুরাণে ইহা বলে॥ চৈতন্যপাদারবিন্দে সুধাময় মকরন্দে ভকতনিকর অলিকুলে। ত্রৈলোক্যদুর্লভ পদ ছাড়িয়া সংসার আশ জয়ানন্দ সেই আশে বুলে॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |