| কবি জয়ানন্দের বৈষ্ণব পদাবলী |
| পাটের ধড়া বিচিত্র চূড়া কবি জয়ানন্দ ভণিতা দ্বিজ জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, নদীয়া খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়, ২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কথা দিশা। ॥ সুই রাগ॥ পাটের ধড়া বিচিত্র চূড়া কিংকিণী হার বরণ। বিচিত্র মুদড়ি কর্ণে গাঁঠ্যা কড়ি গুঞ্জাদাম বনমালা আন॥ গৌরাঙ্গ সুন্দর খেলে নিরন্তর ধূলাএ ধূসর হয়্যা। নগরে চাতরে সভার মন্দিরে রঙ্গে সঙ্গী শিশু লয়্যা॥ চাঁপা নাগেশ্বর কুন্দ তুলসী মল্লিকা মালতী মালে। চুয়া চন্দন কুঙ্কুম কস্তুরি অলকা ললিত ভালে॥ নাছে বাটে ঘাটে নদীয়া নিকটে খেলাএ গৌরাঙ্গ বীরে। বনে উপবনে নদীর পুলিনে শ্রীনিবাসের মন্দিরে॥ চিন্তিয়া চৈতন্য পদপঙ্কজমকরন্দ। চৈতন্যমঙ্গল নিগমা নিগূঢ় গাএ দ্বিজ জয়ানন্দ॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| পাটের ধড়া পাটের থোপা কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, নদীয়া খণ্ড, ১৮শ অধ্যায়, ২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কথা দিশা। ॥ সিন্ধুড়া॥ পাটের ধড়া পাটের থোপা সোনারূপার কাঁঠি। মণি মুকুতা প্রবাল হার মদনমোহন লাঠি॥ কনক চাঁপার জুতি অঙ্গ ঝলমল করে। রূপ দেখিয়া মদন চান্দ ক্ষেণে জীএ মরে॥ আর নাহি খেলাতে জাএ নগর চাতরে। ছাল্যা ধরা রাজার দূত ফিরে ঘরে ঘরে॥ আবির চন্দন কুমকুম চুড়া শ্রীঅঙ্গে সৌরভে। ঝাঁকে ঝাঁকে ভ্রমর উড়্যা বুলে মধুলোভে॥ কত সৌদামিনী তোমার অঙ্গে ঝলকে। রূপ দেখিয়া কূলবধূ ঘরে নাঞি থাকে॥ চাঁচর কেশে বকুল মালা বদন সুধানিধি। কত অনুমানি তুমা নিরমাইল বিধি॥ জয়ানন্দ বলে শুন শচীঠাকুরাণী। মুঞি মরিআ জাঙ তুমার পুত্রের নিছনি॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| পূর্ব্বে ইন্দ্রদ্যুম্ন রাজা বিশ্বশ্রবার কৈল পূজা কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, উত্কল খণ্ড, ৮ম অধ্যায়, ১৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ততঃ কথা। ॥ মহারাটী রাগ॥ পূর্ব্বে ইন্দ্রদ্যুম্ন রাজা বিশ্বশ্রবার কৈল পূজা জগন্নাথ জাহার স্থাপিত। তাহার কটক এই স্থানেতে আছিল তেঞি কটক নাম নিয়োজিত॥ পাটের ঈশান কাছে বিশ্বশ্রবার দেউল আছে ভুবনমোহন অনুপাম। সুবর্ণদর্পণ চূড়ে শ্বেত চামর উড়ে রাজরাজেশ্বর নাম॥ কি কৈব কটকের কথা গুপ্ত বারাণসী তথা নানা বর্ণে বৈসে সব প্রজা। সভার মন্দির চূড়ে নেতের পতাকা উড়ে জথিতে প্রতাপরুদ্র রাজা॥ শুনহ আশ্চর্য কথা সাক্ষী গোপীনাথের কথা জার দেলু গগন পরশে। জত ইন্দ্র বিদ্যাধরী নটি রূপে সেবা করি মুক্তিপদ জাহার সম্ভাষে॥ পূর্ব্বে ছিলা মথুরাতে সুবর্ণ মূরলী হাথে দ্বাদশ মাসেতে হৈল জাত। ব্রহ্মাদি অমর সঙ্গে মথুরা আসিয়া রঙ্গে যাত্রাকালে পূজি গোপীনাথ॥ পূর্ব্বে এই ওড্রদেশে দুই ব্রাহ্মণ বৈসে মহাকুল এক ব্রাহ্মণ। আর জন হীনকুল নাঞি তার জাতিকুল তীর্থ গেলা সেই দুই জন॥ আনেক বত্সর ধরে দুহেঁ নানা তীর্থ করে পুনরপি আস্যে মথুরাতে। মহাকুল ব্রাহ্মণ তিহোঁ হইলা অচেতন সাক্ষী করএ গোপীনাথে॥ এবার জদি রক্ষা পাই উড্র দেশেরে জাই কন্যা দিব এই ব্রাহ্মণেরে। এই সে তীর্থ ভাই ইহা বই গতি নাই প্রাণদান দেউয়া পাবেরে॥ অনেক দিবস ধরি সত্য সুকৃত করি দেশেরে আইলা দুই জনে। হীনকুল দ্বিজ লইয়া কুটুম্ব নিজ গেলা সেই মহাকুল স্থানে॥ আজ্ঞা কর মহাশয় সে কথা অন্যথা নয় মোরে জে কহিয়াছ মথুরাতে। মোরে দেহ কন্যা দান একথা না করিহ আন সাক্ষী করিয়াছ গোপীনাথে॥ একথা শুনিঞা সাঁপে কোপে মহাকুল কাঁপে আরেরে পাপিষ্ঠ হীনকুল। তুমারে কন্যা মানিল ইহা কে জানিল নাঞি তোর জাতি কুল শীল॥ তবে বিপ্র সভা করি বসিলাত সারি সারি সভে বৈল কহত পশ্চাতে। এসব অযোগ্য কথা কহিতে রিদএ ব্যথা কে আর ছিল মথুরাতে॥ বৈল সেই হীনকুল জার নাহি জাতি মূল মোর সাক্ষী আছে মথুরাতে। মথুরার গোপীনাথ বিচিত্র পাষাণ জাত সুবর্ণ মুরলী জার হাথে॥ জদি আজ্ঞা কর মোরে সাক্ষী আনি এথাকারে তবে কন্যা দিব দ্বিজবরে। শুভক্ষণে যাত্রা করি উদ্র দেশ পরিহরি গেলা দ্বিজ মথুরানগরে॥ গোপীনাথের দেউলে গিয়া অন্নজল না খাইয়া অভিমানে কান্দে দ্বিজবরে। ব্রাহ্মণ কান্দন শুনি গোপীনাথ মনে গুণি ছাড়ি প্রভু মথুরা নগরে॥ ছাড়িয়া মথুরা পুরী সাক্ষী দিতে যান হরি হাসি হাসি কহিলা ব্রাহ্মণে। আগে আগে চল তুমি পশ্চাত জাইব আমি চাহিলে রহিব সেই স্থানে॥ এই কটক রম্যস্থান দেখিয়া ত ভগবান দেখিআ রহিতে হৈল মন। গ্রাম নিকট হইল প্রাণ উচাটন হইল উলটি চাহিল ব্রাহ্মণ ॥ আশ্চর্য্য দেখিয়া ত্রাসে আনন্দাশ্রু জলে ভাসে হাসিতে কহেন ভগবান। দেশ সহিতে সব লোক ব্রাহ্মণ আন গিয়া সাক্ষী দিব সভার বিদ্যমান॥ গোপীনাথের আজ্ঞা পায়্যা ব্রাহ্মণ মন্দিরে গিয়া দেশ সহিতে আনে এথা। মহাকুল ব্রাহ্মণ দেখি দুরন্ত পাবক সাক্ষী পাষাণ কহে কথা॥ সাক্ষী হইলে সাক্ষী না দেই সে চড়ে তাহার কান্ধে মিথ্যা কহিলে হএ পাপ। জথারে বলাএ তথা অবশ্য জাইতে চাহি পুত্র সাক্ষী মুখে হারে বাপ॥ উত্তম জন হএ কেহো কাহারো সাক্ষী নয় সাক্ষী হয়্যা ছাড়িল মথুরা। মোর বিদ্যমানে কন্যা মানিল ব্রাহ্মণে এখন না দিস দ্বিজবরে॥ জয় জয় শব্দ করি ব্রাহ্মণ শত শত গেল সভে ব্রহ্মপুর গ্রাম। সেই হইতে উদ্র দেশে সর্ব্বলোক ইহা ঘোষে সাক্ষী গোপীনাথ ঞিহার নাম॥ নিজ নাম বিস্তারিতে সর্ব্বলোক নিস্তারিতে কটকের সাক্ষী গোপীনাথ। মুক্তিপদদরশনে মহাপ্রসাদ ভক্ষণে আর বার নহে গর্ব্ভজাত॥ চৈতন্যমঙ্গল গীত সবলোকে আনন্দিত জয়ানন্দমুখে দৈববাণী জেবা শুনে জেবা গাএ স্মরণে বৈকুন্ঠ জায় গঙ্গা জেন ত্রিপথগামিনী॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ব্রহ্মার শাসন ঘাট দশাশ্বমেধের ঘাট কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, নদীয়া খণ্ড, ৮ম অধ্যায়, ১৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ততঃ তথা দিশা। ॥ পটমঞ্জরী॥ চৈতন্য-শ্রীনিবাস সংবাদ। ব্রহ্মার শাসন ঘাট দশাশ্বমেধের ঘাট ব্রহ্মা দশাশ্বমেধ কৈল। ব্রহ্মকুণ্ডে স্নান করি না জাএ মাএর পুরী কুক্কুর চতুর্ভুজ হইল॥ কি য়ারে॥ জাজপুর রম্যস্থান হরি বরাহ অধিষ্ঠান পাপহরা নদীর সন্নিহিতে। অযুত নিযুত শত ব্রাহ্মণ বৈস্যে কত ব্রহ্মার শাসন চারিভিতে॥ ধ্রু। আদ্যাশক্তি বিরজা ব্রহ্মার করিল পূজা নাভিগয়া দেউল ঈশানে। সর্ব্বতীর্থ ফল পাই স্মরণে বৈকুন্ঠ যাই বিরজার মুখ দরশনে॥ কি য়ারে॥ লবণসমুদ্রকূলে জগন্নাথ নীলাচলে ব্রহ্মা রহিলা জাজপুরে। একাম্রবনে কৃত্তিবাস ছাড়িআ কৈল বাস প্রথমে লয়্যা বিন্দু শশরে॥ কি আরে॥ দশ যোজন সম শ্রীপুরুষোত্তম জীব জন্তু মরে লাখে লাখে। গন্ধর্ব্ব কিন্নর যত সুর বস্য শত শত চতুর্ভুজময় তারে দেখে॥ কি আরে॥ এই হইতে বৃক্ষলতা জগন্নাথে নঙাএ মাথা ক্ষেত্রগুণে সভে চতুর্ভুজে। যমে অধিকার নাঞি জীব মুক্ত সর্ব্ব ঠাঞি দেবতা গন্ধর্ব্ব যাকে পূজে॥ চৈতন্যমঙ্গল গীত সাধুজনে আনন্দিত জয়ানন্দ মুখে দৈববাণী। জেবা শুনে জেবা গাএ স্মরণে বৈকুণ্ঠ জাএ গঙ্গা জেন ত্রিপথগামিনী॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| যতেক সরস্বতী তেজিআ গৃহপতি কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, নদীয়া খণ্ড, ৫১শ অধ্যায়, ৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার রাগ॥ যতেক সরস্বতী তেজিআ গৃহপতি রহুল গৌরচন্দ্র পাশে। কুসুম মালা পেলি অঙ্গের ঠেলাঠেলি মদন রভস প্রকাশে॥ সুন্দর কামিনী সুন্দর লখিমিনী সুন্দর কুসুম বেহার। দেখিআ দেবাসুর গন্ধর্ব কিন্নর চৌদিগে জয় জয় কার॥ ধ্রু। পরশ পতিয়াশ করল আয়াশ তেজিআ কুলশীল লাজ। ঈষৎ মৃদু হাসি কেহো রূপ বাশী রহল রমণী সমাঝ॥ ভাবের ভাবিনী রমণী তরুণী মোর কুলে পড়ু বাজ। আর রমণী বলে করিলু কি কাজ॥ আর রমণী আর না রহিল ঘরে। আর রমণী বলে প্রাণ কেমন কেমন করে॥ আলো কি আলো কি আলো কি। এমন রূপ কন্যা বর কোথাও না দেখি॥ এক রমণী বলে আমি মন্দার জাব। আর রমণী বলে গঙ্গাসাগরে মরিব॥ আর রমণী বলে মোর কাঁপে সব গা। আর রমণী বলে মুখে না বাব়্যাএ রা॥ এক রমণী বলে মোর ননদিনী মরু। আর রমণী বলে স্বামী জে করে সে করু॥ আলো কি আলো কি আলো কি॥ জয়ানন্দ বলে বিকল করাল্যে সভাতে। নদীয়ার জগন্নাথ মিশ্রের সুতে॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরিতি ভাঙ্গে জাতি কুল শীল নাই থাকে। জয়ানন্দ বলে ডাকি শুন সব চন্দ্রমুখী ঠেকিলে গৌরাঙ্গ বেড়া পাকে॥ আলো সজনি॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| লবণ সমুদ্র তটে অক্ষয় বট নিকটে কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, তীর্থ খণ্ড, ৪র্থ অধ্যায়, ২১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ লবণ সমুদ্র তটে অক্ষয় বট নিকটে চতুর্ভূজময় সব দেখি। ভদ্রা বলরাম সঙ্গে রথ বিজয় রঙ্গে স্তুতি করে শ্রীগরুড় পাখি॥ জগন্নাথের পিঠা পানা অন্ন ব্যঞ্জন নানা কুকুরের মুখে পড়্যা জাএ। ব্রহ্মা শঙ্কর ইন্দ্র কুবের বরুণ চন্দ্র সে মহাপ্রসাদ কুড়াআ খায়॥ ধ্রু। শাক সূপ লাফরা উলা ভাজা ঝোল বড়া মূলা কাঞ্চিবড়া দধিবড়া ঝাঁঝরি। নারিকেল কাকরা দুঃখহরা ডিআপুলি শর্করা মধুশ্রবা দুগ্ধ শিখরি॥ অমৃতখণ্ডা মৃতখণ্ডা হংসকেলি মৃতখণ্ডা কর্পূর পুলি ডালি মাল বড়া। ক্ষীর খিরসা মদককেলি অনু ঝিলি মিলি ডালি পারিজাত আরিসা হিঙ্গ বড়া॥ নঅনসুর গঙ্গাজল অনুপাম পমফল ছাওয়া কাঁকড়া চন্দ্রকাতি। হরিবল্লভ শোষবড়া মুগ পুলি বোগড়া কদম্ব কেশর সুখরাতি॥ চৈতন্যপদারবিন্দে সুধাময় মকরন্দে ভকত নিকর অলিকুলে। ত্রৈলোক্য দুর্লভ পদ ছাড়িয়া সংসার পদ জয়ানন্দ সেই আশে বুলে॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| শুভক্ষণে যাত্রা করি নীলাচল পরিহরি কবি জয়ানন্দ ভণিতা জয়ানন্দ এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, বিজয় খণ্ড, ৩য় অধ্যায়, ২১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ততঃ কথা দিশা। ॥ মহারাটি রাগেন গীয়তে॥ শুভক্ষণে যাত্রা করি নীলাচল পরিহরি উত্তরিলা একাম্র বনে। কটক ডাহিনে থুঞা মহানৈ পার হআ প্রবেশিল ব্রহ্মার সদনে॥ চৈতন্য চলিলা গৌড়দেশে। শ্রীজগন্নাথের আজ্ঞা বিশেষে॥ ধ্রু। তুঙ্গদা ভদ্রক পাড়া ছাড়িআ অসুরগড়া সরো নগরে বাসা করি। রেমুনা বাঁশদহ দিয়া দাঁতিনে রহিল গিয়া জলেশ্বরে বঞ্চিল শর্ব্বরী॥ ছাড়িয়া দেবশরণ প্রবেশ মন্দারণ বর্দ্ধমানে দিল দরশন। জ্যৈষ্ঠমাসের তাতে উত্তপ্ত সিকতা পথে তরুতলে করিল শয়ন॥ বর্দ্ধমান সন্নিকটে ক্ষুদ্র এক গ্রাম বটে মাঞিপুরা তার নাম। তাহে সুবুদ্ধি মিশ্র গোসাঞির পূর্ব্ব-শিষ্য তার ঘরে করিল বিশ্রাম॥ তাহার নন্দন গুহিয়া জয়ানন্দ নাম থুয়া রোদনী রান্ধিল তার লঞা। রোদনী-ভোজন করি চলিলা নদীয়া পুরী বায়ড়াএ উত্তরিলা গিয়া॥ আশ্চর্য্য বিজয়খণ্ড কেবল অমৃতকুণ্ড কর্ণরন্ধ্রে জগজন পিএ। চৈতন্যপদারবিন্দ সুধাময় মকরন্দ জয়ানন্দ সেই আসে জিএ॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |