কবি কৃষ্ণকান্তের বৈষ্ণব পদাবলী
*
কনক-ধরাধর-মদ-হর দেহ
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং  
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৭৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

অথ রাত্রি-বিলাসঃ।
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ তথা রাগ॥

কনক-ধরাধর-মদ-হর দেহ।
মদন-পরাভব সুবরণ-গেহ॥
হোর দেখ অপরূপ গৌর কিশোর।
কৈছন ভাব নহত কছু ওর॥
ঘন-পুলকাবলি দিঠি জল-ধার।
উরধ নেহারি রচই ফুতকার॥
নিরুপম নিরজন-রাস-বিলাস।
অচল সুসঞ্চর গদগদ ভাষ॥
কিয়ে বর-মাধুরি বাঁশি-নিসান।
ইহ বলি সঘনে পাতে নিজ-কাণ॥
সদন তেজি তব চলত একান্ত।
মীলব অব জানি কিয়ে কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৫ম তরঙ্গ, ২য় উচ্ছ্বাস,
অষ্টকালীয় লীলা, ২৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

কনক-ধরাধর-মদ-হর দেহ।
মদনপরাভব সুবরণ গেহ॥
হেরে দেখ অপরূপ গৌরকিশোর।
কৈছন ভাব নহ এ কিছু ওর॥
ঘন পুলকাবলী দিঠি জলধার।
উরধ নেহারী রচই ফুত্কার॥
নিরুপম নিরজন রাস বিলাস।
অচল সুচঞ্চর গদ গদ ভাষ॥
কিয়ে বর মাধুরি বাঁশী নিসান।
ইহ বলি সঘনে পাতে নিজ কান॥
সদন তেজি তব চলত একান্ত।
মিলব অব জানি কিয়ে কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্র।

কনক ধরাধর-মদ-হর দেহ।
মদন পরাভব সুবরণ গেহ॥
হোর দেখ অপরূপ গৌর কিশোর।
কৈছনে ভাব নহত কছু ওর॥
ঘন পুলকাবলি দিঠি জল-ধার।
উরধ নেহারি রচই ফুতকার॥
নিরুপম নিরজন-রাস-বিলাস।
অচল সুসঞ্চর গদ গদ ভাষ॥
কিয়ে বর-মাধুরী বাঁশী নিসান।
ইহ বলি সঘনে পাতে নিজ-কাণ॥
সদন তেজি তব চলত একান্ত।
মিলব অব জানি কিয়ে কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গৌরচন্দ্র
॥ তথা রাগ॥

কনক ধরাধর মদহর দেহ।
মদনপরাভব সুবরণ গেহ॥
হোর দেখ অপরুপ গৌর কিশোর।
কৈছন ভাব নহত কছু ওর॥
ঘন পুলকাবলি দিঠি জলধার।
উরধ নেহারি রচই ফুতকার॥
নিরুপম নিরজন রস বিলাস।
অচল সুসঞ্চর গদগদ ভাষ॥
কিয়ে বরমাধুরি বাঁশি নিসান।
ইহ বলি সঘনে পাতে নিজ কান॥
সদন তেজি তব চলত একান্ত।
মীলব অব জানি কিয়ে কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কনক ধরাধর মদহর দেহ।
মদন পরাভব সুবরণ গেহ॥
হোর দেখ অপরুপ গৌর কিশোর।
কৈছন ভাব নহত কছু ওর॥
ঘন পুলকাবলি দিঠি জলধার।
উরধ নেহারি রচই ফুতকার॥
নিরুপম নিরজন রস বিলাস।
অচল সুসঞ্চর গদগদ ভাষ॥
কিয়ে বরমাধুরি বাঁশি নিসান।
ইহ বলি সঘনে পাতে নিজ কান॥
সদন তেজি তব চলত একান্ত।
মীলব অব জানি কিয়ে কৃষ্ণকান্ত॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
মানস-সুরধুনি নিকট নীপ-তরু
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয়
নিত্য-লীলা, ২৮৭৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

মানস-সুরধুনি                নিকট নীপ-তরু
কুসুমিত-কানন সাজ।
মাদন-পুহুপহি                প্রকট বল্লি অরু
সুষমিত ভূধর-রাজ॥
তাহি বিরাজিত শ্যামরচন্দ।
নাগবিগণ সঞে                অবহু মীলু ধনি
নিভৃত-রাস-অনুবন্ধ॥
ইহ রস-লালসে                অথির সুমানস
মধুর বাজাওত বাঁশি।
চঞ্চল-দৃগঞ্চলে                   ঐছে নেহারণি
কুলজাগণ-কুল নাশি॥
কত অনুভাবহি              অন্তর বিভাবিত
ততহি মনোহর হাস।
ঐছন রূপ লাগি                কৈছে সুরঙ্গিণি
ধাই না মিলু তছু পাশ॥
অন্তর সুমাধুরি                যাক জাগু হরি
তাহে কি বিঘিনি বিচার।
লোলিত নিরন্তর               কৃষ্ণকান্ত-অন্তর
মিলব কি ধনিক সঞ্চার॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

মানস-সুরধুনী                নিকট নীপ-তরু,
কুসুমিত-কানন সাজ।
মাদন-@@পহি,                প্রকট বসী তরু,
সুষমিত ভূধর-রাজ॥
তাহি বিরাজিত শ্যামরচন্দ।
নারীগণ সঞে,                 অবহু মিলু ধনী,
নিভৃত-রায়-অনুবন্ধ॥
ইহ রস-লালসে                অথির সুমানস,
মধুর বাজাওত বাঁশী।
চঞ্চল-দৃগঞ্চলে                   ঐছে নেহারলি,
কুলজাগণ-কুল নাশি॥
কত অনুভাবহি,             অন্তর বিভাবিত,
ততহিঁ মনোহর হাস।
ঐছন রূপ লাগি,               কৈছে সুরঙ্গিণী,
ধাই না মিলু তছু পাশ॥
অন্তর সুমাধুরী,                যাক জাগু হরি,
তাহে কি বিঘিনি বিচার।
লোলিত নিরন্তর,              কৃষ্ণকান্ত-অন্তর,
মিলব কি ধনীক সঞ্চার॥

@@ - অপাঠ্য অক্ষর।

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের সঙ্কেত
॥ তথা রাগ॥

মানস সুরধুনি                নিকট নীপতরু
কুসুমিত কানন সাজ।
মোদন পহুপহি                প্রকট বল্লি অরু
সুষমিত ভূধররাজ॥
তাহিঁ বিরাজিত শ্যামরচন্দ।
নাগরিগণ সঞে                 অবহু মীলুঁ ধনি
নিভৃত রাস অনুবন্ধ॥
ইহ রস লালসে                অথির সুমানস
মধুর বাজাওত বাঁশি।
চঞ্চল দৃগঞ্চলে                   ঐছে নেহারণি
কুলজাগণ কুল নাশি॥
কত অনুভাবহি              অন্তর বিভাবিত
ততহিঁ মনোহর হাস।
ঐছন রূপ লাগি                 কৈছে সুরঙ্গিণি
ধাই না মিলু তছু পাশ॥
অন্তর সুমাধুরি                যাক জাগু হরি
তাহে কি বিঘিনি বিচার।
লোলিত নিরন্তর              কৃষ্ণকান্ত অন্তর
মিলব কি ধনিক সঞ্চার॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৪১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মানস সুরধুনি নিকট নীপতরু                
কুসুমিত কানন সাজ।
মোদন পহুপহি প্রকট বল্লি অরু                
সুষমিত ভূধররাজ॥
তাহিঁ বিরাজিত শ্যামরচন্দ।                   
নাগরিগণ সঞে অবহু মীলুঁ ধনি                
নিভৃত রাস অনুবন্ধ॥
ইহ রস লালসে অথির সুমানস                
মধুর বাজাওত বাঁশি।
চঞ্চল দৃগঞ্চলে ঐছে নেহারণি                  
কুলজাগণ কুল নাশি॥
কত অনুভাবহি অন্তর বিভাবিত             
ততহিঁ মনোহর হাস।
ঐছন রূপ লাগি কৈছে সুরঙ্গিণি                
ধাই না মিলু তছু পাশ॥
অন্তর সুমাধুরি যাক জাগু হরি                 
তাহে কি বিঘিনি বিচার।
লোলিত নিরন্তর কৃষ্ণকান্ত অন্তর                
মিলব কি ধনিক সঞ্চার॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সহচরি সঙ্গে পন্থে হাম যাতি
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস        
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৭৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

এতদ্রূপানুরাগ-দশায়াং স্বসখীং প্রতি শ্রীরাধাহ।
॥ তথা রাগ॥

সহচরি সঙ্গে পন্থে হাম যাতি।
তব হরি হেরহুঁ মনোহর ভাতি॥
কো জানে কৈছন মঝু হিয় চায়।
আপক অদখিণ পাণি উচায়॥
আজু নেহারলুঁ যৈছন কান।
কৈছন সঙ্কেত না বুঝলুঁ হাম॥
সো হেন রূপ সো বৈদগধি-রঙ্গ।
মনহি লাগি অথির করু অঙ্গ॥
অব সখি শূনহ বেণুক গান।
গোবর্দ্ধন পর ইহ অনুমান॥
কৃষ্ণকান্ত কহ ইথে কি বিচার।
হরি রহু তাহিঁ রচহ অভিসার॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

এতদ্রূপানুরাগ-দশায়াং স্বসখীং প্রতি শ্রীরাধাহ।
॥ তথা রাগ॥

সহচরী সঙ্গে পন্থে হাম যাতি।
তব হরি হেরলু মনোহর ভাতি॥
কো জানে কৈছন মঝু হিয় চায়।
আপক প্রদক্ষিণ পাণি উঠায়॥
আজু নেহারলু যৈছন কান।
কৈছন সঙ্কেত না বুঝল হাম॥
সো হেন রূপ সো বৈদগধী-রঙ্গ।
মনহি লাগি অথির করু অঙ্গ॥
অব সখি শুনহ রেণুক গান।
গোবর্দ্ধন কর ইহ অনুমান॥
কৃষ্ণকান্ত কহ ইথে কি বিচার।
হরি রহু তাহিঁ রচহ অভিসার॥

ই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ২৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসারিকা
[ দিনানন্তরে ]
[ শ্রীকৃষ্ণকর্ত্তৃক সঙ্কেত যথা ]

সহচরী সঙ্গে পন্থে হাম যাতি।
তব হরি হেরহুঁ মনোহর ভাতি॥
কো জানে কৈছন মঝু হিয় চায়।
আপক প্রদক্ষিণ পাণি উঠায়॥
আজু নেহারলুঁ যৈছন কান।
কৈছন সঙ্কেত না বুঝল হাম॥
সো হেন রূপ সো বৈদগধী-রঙ্গ।
মনহি লাগি অথির করু অঙ্গ॥
অব সখি শুনহ বেণুক গান।
গোবর্দ্ধন কর ইহ অনুমান॥
কৃষ্ণকান্ত কহ ইথে কি বিচার।
হরি রহু তাহিঁ রচহ অভিসার॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের সঙ্কেত
॥ তথা রাগ॥

সহচরি সঙ্গে পন্থে হাম যাতি।
তব হরি হেরহুঁ মনোহর ভাতি॥
কো জানে কৈছন মঝু হিয় চায়।
আপক অদখিণ পাণি উচায়॥
আজু নেহারলুঁ যৈছন কাম।
কৈছন সঙ্কেত না বুঝলুঁ হাম॥
সো হেন রূপ সো বৈদগধি রঙ্গ।
মনহি লাগি অথির করু অঙ্গ॥
অব সখি শূনহ বেণুক গান।
গোবর্দ্ধন পর ইহ অনুমান॥
কৃষ্ণকান্ত কহ ইথে কি বিচার।
হরি রহু তাহিঁ রচহ অভিসার॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সহচরি সঙ্গে পন্থে হাম যাতি।
তব হরি হেরহুঁ মনোহর ভাতি॥
কো জানে কৈছন মঝু হিয় চায়।
আপক অদখিণ পাণি উচায়॥
আজু নেহারলুঁ যৈছন কাম।
কৈছন সঙ্কেত না বুঝলুঁ হাম॥
সো হেন রূপ সো বৈদগধি রঙ্গ।
মনহি লাগি অথির করু অঙ্গ॥
অব সখি শূনহ বেণুক গান।
গোবর্দ্ধন পর ইহ অনুমান॥
কৃষ্ণকান্ত কহ ইথে কি বিচার।
হরি রহু তাহিঁ রচহ অভিসার॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নিরণিত বাতহি আতি উলাসিত
নিরপিত বাতহি আতি উলাসিত
নিরণিত বাতহি আতি উল্লাসিত
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয়
নিত্য-লীলা, ২৮৭৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।


॥ তথা রাগ॥

নিরণিত বাতহি আতি উলাসিত।
গাতে না ধরই আনন্দ।
অন্তরে সঞ্চরু যৈছন মনোরথ
তৈছে রচহ পরবন্ধ॥
সখি হে আজি সুনিরজনে কান।
রঙ্গিণি সবহুঁ মেলি অব সাজহ
ঐছন রস সুবিধান॥
চান্দনি রাতি ছান্দনে সব ভূষণ
দূষণ জনু নহ কোই।
বাদন-যন্ত্র স্বতন্ত্র লেই চল
রাস-রভস যথি হোই॥
যব হসি রাই সুভাখি বচন ইহ
বিকসিত ভাব-কদম্ব।
কিয়ে কৃষ্ণকান্ত নিতান্ত সুখ-সম্পদ
মীলব কব অবিলম্ব॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

নিরপিত বাতহি,                    আতি উলাসিত,
গাতে না ধরই আনন্দ।
অন্তরে সঞ্চরু,                        যৈছন মনোরথ,
তৈছে রচহ পরবন্ধ॥
সখি হে আজি সুনিরজনে কান।
রঙ্গিণী সবহুঁ,                        মেলি অব সাজহ,
ঐছন রস সুবিধান॥
চান্দনী রাতি,                    ছান্দনে সব বিভূষণ,
দূষণ জনু নহ কোই।
বাদন-যন্ত্র,                              স্বতন্ত্র লেই চল,
রাস রভস যথি হোই॥
যব হাসি রাই,                      সুভাখি রচস ইহ,
বিকসিত ভাব-কদম্ব।
কিয়ে কৃষ্ণকান্ত,                    নিতান্ত সুখ-সম্পদ,
মিলব কব অবিলম্ব॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার উক্তি
॥ তথা রাগ॥

নিরণিত বাতহি আতি উল্লাসিত।
গাতে না ধরই আনন্দ।
অন্তরে সঞ্চরু যৈছন মনোরথ
তৈছে রচহ পরবন্ধ॥
সখি হে আজি সু-নিরজনে কান।
রঙ্গিণি সবহুঁ মেলি অব সাজহ
ঐছন রস সুবিধান॥
চান্দনি রাতি ছান্দনে সব ভূষণ
দূষণ জনু নহ কোই।
বাদন-যন্ত্র স্বতন্ত্র লেই চলু
রাসরভস যথি হোই॥
যব হসি রাই সুভাখি বচন ইহ
বিকসিত ভাবকদম্ব।
কিয়ে কৃষ্ণকান্ত নিতান্ত সুখসম্পদ
মীলব কব অবিলম্ব॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৪১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নিরণিত বাতহি আতি উল্লাসিত।        
গাতে না ধরই আনন্দ।
অন্তরে সঞ্চরু যৈছন মনোরথ              
তৈছে রচহ পরবন্ধ॥
সখি হে আজি সুনিরজনে কান।            
রঙ্গিণি সবহুঁ মেলি অব সাজহ              
ঐছন রস সুবিধান॥
চান্দনি রাতি ছান্দনে সব ভূষণ            
দূষণ জনু নহ কোই।
বাদন যন্ত্র স্বতন্ত্র লেই চলু                  
রাসরভস যথি হোই॥
যব হসি রাই সুভাখি বচন ইহ            
বিকসিত ভাবকদম্ব।
কিয়ে কৃষ্ণকান্ত নিতান্ত সুখসম্পদ        
মীলব কব অবিলম্ব॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
বেশ পসারি সোঙরি ঘন হরি হরি
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয়
নিত্য-লীলা, ২৮৮০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

বেশ পসারি সোঙরি ঘন হরি হরি
ঘর সঞে ভেলি বহার।
রস ভরে দীগ বিদিগ নাহি হেরই
তাহে কি বিঘিনি বিচার॥
দেখ সখি রাই চললি অতি রঙ্গে
মদন-সুমোহন লোভন ছন্দন
ঐছে সুরঙ্গিণি সঙ্গে॥
কত অভিলাষে বিলাসক যোগহি
বদনে নিরন্তর হাস।
সাঁঝহি যৈছন বিধুবর উদয়ক
পুরবহি কুমুদিনি হোত বিকাশ॥
ঘন দল-মাল বিশাল তমাল হেরি
তরখি তরখি রহি যায়।
সরস দৃগঞ্চলে পুনহি বিলোকই
ইহ নহ কানু সখী সমুঝায়॥
আগে নিরখ ইহ মানস-সুরধুনি
ওহি পুরব তুয়া আশ।
নিকটে ধরাধর সুখদ পরাত্পর
যহিঁ মনমোহন পরম নিবাস॥
শুনি সখি-বাণি সুমানি সুরাগিণি
বেগে ততহি চলি যায়।
এ রস-তৃষ্ণ কৃষ্ণকান্ত সম্বোধই
এহি এহি বরতায়॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

বেশ পসারি,                সোঙরি ঘন হরি হরি,
ঘর সঞে ভেলি বাহার।
রস ভরে দিগ,                   বিদিগ নাহি হেরই,
তাহে কি বিঘিনি বিচার॥
দেখ সখি রাই চলি অতি রঙ্গে।
মদন-সুমোহন,                        লোভন ছন্দন,
ঐছে সুরঙ্গিণী সঙ্গে॥
কত অভিলাষে,                    বিলাসক যোগহি,
বদনে নিরন্তর হাস।
সাঝহি যৈছন,                        বিধুবর উদয়ক,
পুরবহি কুমুদিনী হোত বিকাস॥
ঘন-দল-মাল,                    বিশাল তমাল হেরি,
তরখি তরখি রহি যায়।
সরস-দৃগঞ্চলে,                       পুনহি বিলোকই
ইহ নহ কানু সখী সমুঝায়॥
আগে নিরখহ,                         মানস-সুরধুন
ওহি পুরাব তহি আশ।
নিকটে ধরাধর,                      সুখদ পরাপর
যহি মনমোহন পরম নিবাস॥
শুনি সখী-বাণী,                    সুমানি সুরাগিণী
বেগে ততহি চলি যায়।
এ রস-তৃষ্ণ,                      কৃষ্ণকান্ত সম্বোধই
এহি এহি বরতায়॥

ই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”,
২৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসারিকা
॥ যথা রাগ॥

বেশ পসারি                    সোঙরি ঘন হরি হরি
ঘর সঞে ভেলি বহার।
রস ভরে দীগ                        বিদিগ নাহি হেরই
তাহে কি বিঘিনি বিচার॥
দেখ সখি রাই চললি অতি রঙ্গে।
মদন-সুমোহন                            লোভন ছন্দন
ঐছে সুরঙ্গিণী সঙ্গে॥
কত অভিলাষে                        বিলাসক যোগহি
বদনে নিরন্তর হাস।
সাজহি যৈছন                           বিধুবর উদয়ক
পূরবহি কুমুদিনি হোত বিকাশ॥
ঘন-দল-মাল                       বিশাল তমাল হেরি
তরখি তরখি রহি যায়।
সরস-দৃগঞ্চলে                         পুনহি বিলোকই
ইহ নহ কানু সখী সমুঝায়॥
আগে নিরখ                             মানস-সুরধুন
ওহি পূরাব তহি আশ।
নিকটে ধরাধর                          সুখদ পরাপর
যহিঁ মনমোহন পরম নিবাস॥
শুনি সখী-বাণী                        সুমানি সুরাগিণী
বেগে ততহি চলি যায়।
এ রস-তৃষ্ণ                         কৃষ্ণকান্ত সম্বোধই
এহি এহি বরতায়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসার
॥ তথা রাগ॥

বেশ পসারি সোঙরি ঘন হরি হরি
ঘর সঞে ভেলি বহার।
রসভরে দীগবিদিগ নাহি হেরই
তাহে কি বিঘিনি বিচার॥
দেখ সখি রাই চললি অতি রঙ্গে
মদন সুমোহন                     লোভন ছন্দন
ঐছে সুরঙ্গিণি সঙ্গে॥
কত অভিলাষে                বিলাসক যোগহি
বদনে নিরন্তর হাস।
সাঁঝহি যৈছন বিধুবর উদয়তি
কুমুদিনি হোত বিকাশ॥
ঘন দল মাল বিশাল তমাল হেরি
তরখি তরখি রহি যায়।
সরস দৃগঞ্চলে পুনহি বিলোকই
নহ কানু সখী সমুঝায়॥
আগে নিরখ ইহ মানস-সুরধুনি
ওহি পুরব তুয়া আশ।
নিকটে ধরাধর সুখদ পরাত্পর
যহিঁ মনমোহন নিবাস॥
শুনি সখি বাণি সুমানি সুরাগিণি
বেগে ততহি চলি যায়।
এ রসতৃষ্ণ কৃষ্ণকান্ত সম্বোধই
এহি এহি বরতায়॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৪১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বেশ পসারি সোঙরি ঘন হরি হরি                
ঘর সঞে ভেলি বহার।
রসভরে দীগবিদিগ নাহি হেরই                     
তাহে কি বিঘিনি বিচার॥
দেখ সখি রাই চললি অতি রঙ্গে                     
মদন সুমোহন লোভন ছন্দন                        
ঐছে সুরঙ্গিণি সঙ্গে॥
কত অভিলাষে বিলাসক যোগহি                     
বদনে নিরন্তর হাস।
সাঁঝহি যৈছন বিধুবর উদয়তি                        
কুমুদিনি হোত বিকাশ॥
ঘন দল মাল বিশাল তমাল হেরি                     
তরখি তরখি রহি যায়।
সরস দৃগঞ্চলে পুনহি বিলোকই                        
নহ কানু সখী সমুঝায়॥
আগে নিরখ ইহ মানস সুরধুনি                        
ওহি পূরব তুয়া আশ।
নিকটে ধরাধর সুখদ পরাত্পর                        
যহিঁ মনমোহন নিবাস॥
শুনি সখি বাণি সুমানি সুরাগিণি                       
বেগে ততহি চলি যায়।
এ রসতৃষ্ণ কৃষ্ণকান্ত সম্বোধই                        
এহি এহি বরতায়॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সমুখে সুনাগর হেরি রহু রাধা
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৮১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।


॥ তথা রাগ॥

সমুখে সুনাগর হেরি রহু রাধা।
চির দেই ঝাঁপল মুখ-শশি আধা॥
ও বর-নাগর বিধু মুখি হেরি।
লোল দৃগঞ্চল তছু পর দেলি॥
বিহসি সুধামুখি শশি-মুখ চাই।
থোরহি দূরে রহল ঠমকাই॥
আজুক অপরূপ মীলন-অঙ্গ।
পহিলহি দরশনে উপজল রঙ্গ॥
অতিহু তিয়াসে পাশে মিলু কান।
কি করব অব ধনি কছুই না জান॥
অঙ্গহি অঙ্গ পরশ-রসে ভোর।
সরস সম্ভাষই যুগল কিশোর॥
সহচরি-যূথ সবহুঁ সুখে চায়।
কৃষ্ণকান্ত-নয়নে শীধু সম ভায়॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

সমুখে সুনাগর হেরি রহু রাধা।
চীর দেই ঝাঁপল মুখ-শশী আধা॥
ও বর-নাগর বিধু-মুখ হের।
লোল দৃগঞ্চল তছু পর দেল॥
বিহসি সুধামুখী শশি-মুখ চাই।
থোরহি দূরে রহল ঠমকাই॥
আজুক অপরূপ মিলন-অঙ্গ।
পহিলহি দরশনে উপজল রঙ্গ॥
অতিহুঁ তিয়াসে পাশে মিলু কান।
কি করব অব ধনী কিছুই না জান॥
অঙ্গহি অঙ্গ পরশ-রসে ভোর।
সরস সম্ভাষই যুগল কিশোর॥
সহচরী যূথ সবহুঁ সুখে চায়।
কৃষ্ণকান্ত-নয়নে শীধু সম ভায়॥

ই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-
গীতাঞ্জলি”, ৩২৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসারিকা
॥ তথা রাগ॥

সমুখে সুনাগর হেরি রহু রাধা।
চীর দেই ঝাঁপল মুখ-শশি আধা॥
ও বর-নাগর বিধু-মুখ হের।
লোল দৃগঞ্চল তছু পব দেল॥
বিহসি সুধামুখী শশি-মুখ চাই।
থোরহি দূরে রহল ঠমকাই॥
আজুক অপরূপ মিলন-অঙ্গ।
পহিলহি দরশনে উপজল রঙ্গ॥
অতিহুঁ তিয়াসে পাশে মিলু কান।
কি করব অব ধনি কিছুই না জান॥
অঙ্গহি অঙ্গ পরশ-রসে ভোর।
সরস সম্ভাষই যুগল কিশোর॥
সহচরী যূথ সবহুঁ সুখে চায়।
কৃষ্ণকান্ত-নয়নে শীধু সম ভায়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মিলন
॥ তথা রাগ॥

সমুখে সুনাগর হেরি রহু রাধা।
চির দেই ঝাঁপল মুখশশি আধা॥
ও বর নাগর বিধুমুখি হেরি।
লোল দৃগঞ্চল তছু পর দেলি॥
বিহসি সুধামুখি নাহ মুখ চাই।
থোরহি দূরে রহল ঠমকাই॥
আজুক অপরুপ মীলন অঙ্গ।
পহিলহি দরশনে উপজল রঙ্গ॥
অতিহু তিয়াসে পাশে মিলু কান।
কি করব অব ধনি কছুই না জান॥
অঙ্গহি অঙ্গ পরশ রসে ভোর।
সরস সম্ভাষই যুগল কিশোর॥
সহচরিযুথ সবহুঁ সুখে চায়।
কৃষ্ণকান্ত নয়নে শীধু সম ভায়॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সমুখে সুনাগর হেরি রহু রাধা।
চির দেই ঝাঁপল মুখশশি আধা॥
ও বর নাগর বিধুমুখি হেরি।
লোল দৃগঞ্চল তছু পর দেলি॥
বিহসি সুধামুখি নাহ মুখ চাই।
থোরহি দূরে রহল ঠমকাই॥
আজুক অপরূপ মীলন অঙ্গ।
পহিলহি দরশনে উপজল রঙ্গ॥
অতিহু তিয়াসে পাশে মিলু কান।
কি করব অব ধনি কছুই না জান॥
অঙ্গহি অঙ্গ পরশ রসে ভোর।
সরস সম্ভাষই যুগল কিশোর॥
সহচরিযূথ সবহুঁ সুখে চায়।
কৃষ্ণকান্ত নয়নে শীধু সম ভায়॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কৈছে সুরঙ্গিণি কয়লি পয়াণ
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রাসম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ
শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৮২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

ততঃ কৃষ্ণরাধয়োরুক্তি-প্রত্যুক্তী।
॥ তথা রাগ॥        

কৈছে সুরঙ্গিণি  কয়লি পয়াণ।
যৈছন মোহন মুরলি বজান॥
কৈছনে জানলি হাম ইহ ঠাম।
অব তুহুঁ নহ কিয়ে অন্তরধাম॥
বেশ পসারলি কৈছন রঙ্গে।
মনহি মনোভব যৈছে তরঙ্গে॥
তেঞি বুঝি মঝু পূরবি আশ।
কোন সুরঙ্গিণি হোত উদাস॥
তব অব বিরচহ নটন-বিলাস।
কামিনি করু কিয়ে আগে নিকাশ॥
ঐছন নাগরি-নাগর-ভাষ।
সহচরি-শ্রবণহি অমিয়া-বিকাশ॥
কৃষ্ণকান্ত কহ শুনি সখিবৃন্দ।
আগে ধ্বনিত কর তাল মৃদঙ্গ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

কৈছে সুরঙ্গিণি কয়লি পয়াণ।
যৈছন মোহন মুরলী বাজান॥
কৈছনে জানলি হাম ইহ ঠাম।
অব তুহুঁ নহ কিয়ে অন্তরধাম॥
বেশ পসারলি কৈছন রঙ্গে।
মনহি মনোভব যৈছে তরঙ্গে॥
তেঞি বুঝি মঝু পূরবি আশ।
কোন সুরঙ্গিণী হোত উদাস॥
তব অব বিরচহ নটন-বিলাস।
কামিনি করু কিয়ে আগে নিকাশ॥
ঐছন নাগরী-নাগর-ভাষ।
সহচরী-শ্রবণহি অমিয়া-প্রকাশ॥
কৃষ্ণকান্ত কহ শুনি সখী-বৃন্দ।
আগে ধ্বনিত কর তাল মৃদঙ্গ॥

ই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ২৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটির ভণিতার কলি
সহ আরও কয়েকটি কলি বাদ গিয়েছে। তবে পদকর্তার নাম রেয়েছে পদের শেষে
বন্ধনীতে।

অভিসারিকা
[ শ্রীরাধাকৃষ্ণের উক্তি প্রত্যুক্তি ]
॥ তথা রাগ॥

কৈছে সুরঙ্গিণি কয়লি পয়ান।
যৈছন মোহন মুরলী বাজান॥
কৈছনে জানলি হাম ইহ ঠাম।
অব তুহুঁ নহ কিয়ে অন্তরধাম॥
বেশ পসারলি কৈছন রঙ্গে।
মনহি মনোভব যৈছে তরঙ্গে॥
ঐছন নাগরী-নাগর-ভাষ।
সহচরী-শ্রবণহি অমিয়া-প্রকাশ॥
[ কৃষ্ণকান্ত ]

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার উক্তি-প্রত্যুক্তি
॥ তথা রাগ॥

কৈছে সুরঙ্গিণি  কয়লি পয়ান।
যৈছন মোহন মুরলি বজান॥
কৈছনে জানলি হাম ইহ ঠাম।
অব তুহুঁ নহ কিয়ে অন্তরধাম॥
বেশ পসারলি কৈছন রঙ্গে।
মনহি মনোভব যৈছে তরঙ্গে॥
তেঞি বুঝি মঝু পূরবি আশ।
কোন সুরঙ্গিণি হোত উদাস॥
তব অব বিরচহ নটন বিলাস।
কামিনি করু কিয়ে আগে নিকাশ॥
ঐছন নাগরি নাগর ভাষ।
সহচরি-শ্রবণহি অমিয়া বিকাশ॥
কৃষ্ণকান্ত কহ শুনি সখিবৃন্দ।
আগে ধ্বনিত করতাল মৃদঙ্গ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কৈছে সুরঙ্গিণি  কয়লি পয়ান।
যৈছন মোহন মুরলি বজান॥
কৈছনে জানলি হাম ইহ ঠাম।
অব তুহুঁ নহ কিয়ে অন্তরধাম॥
বেশ পসারলি কৈছন রঙ্গে।
মনহি মনোভব যৈছে তরঙ্গে॥
তেঞি বুঝি মঝু পূরবি আশ।
কোন সুরঙ্গিণি হোত উদাস॥
তব অব বিরচহ নটন বিলাস।
কামিনি করু কিয়ে আগে নিকাশ॥
কৃষ্ণকান্ত কহ শুনি সখিবৃন্দ।
আগে ধ্বনিত করতাল মৃদঙ্গ॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রাস রঙ্গ থল পরম সুশীতল
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয়
নিত্য-লীলা, ২৮৮৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ রাসঃ।
॥ তথা রাগ॥

রাস-রঙ্গ-থল পরম সুশীতল                
সহচরিগণ তহি ঘেরি।
দুহুঁ-মুখ চাহি পাই পরমানন্দ                
বাজন-যন্ত্রে তন্ত্রে করু মেলি॥
রঙ্গিণি রাই রঙ্গিয়া শ্যামরায়।
দুহু দুহাঁ চাই দুহুক মুচুকায়নি                
ঝুলাই নুপূর পরবেশল তায়॥ ধ্রু॥
শ্যামর গোরি হোই অতি উলসিত             
রচই সরস পরবন্ধ।
ইনহি ইনহি মঝু ওর সেঁ গাওব                
সখিক ভাগ নিরবন্ধ॥
নরতন-মঙ্গল পরম সুসঙ্কুল                   
গাওত বাওত আলি।
রহি রহি পাদ পসারত দুহুঁ জন                
বাওনি বোলে ভালি ভালি॥
হেরি হেরি নাগর             নাগরি সুপত্তন   
ঊয়ল সহচরি-সূখ।
কুঞ্জলতা কিয়ে             এ রসে মিটায়ব   
কৃষ্ণকান্ত-অন্তর-দূখ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

রাস-রঙ্গ-থল,                        পরম সুশীতল,
সহচরীগণ তহি ঘেরি।
দুহুঁ-মুখ চাহি,                        পাই পরমানন্দ,
বাজন-যন্ত্রে তন্ত্রে করু মেলি॥
রঙ্গিণি রাই রঙ্গিয়া শ্যামরায়।
দুহুঁ দুহাঁ চাই,                      দুহুঁক মুচুকায়নি,
ঝুলাইল পূর পরবেশল তায়॥
শ্যামর গোরী,                  হোই অতি উলসিত,
রচই সরস পরবন্ধ।
ইনহি ইনহি মঝু,                     ও রসে গাওব,
সখীক ভাগ নিরবন্ধ॥
নরতন মঙ্গল,                        পরম সুসঙ্কুল
গাওত বাওত আলি।
রহি রহি পাদ,                    পসারত দুহুঁ জন,
বাওনী বোলে ভালি ভালি॥
হেরি হেরি নাগর,                    নাগরী সুপত্তন,
ঊয়ল সহচরী-সুখ।
কুঞ্জলতা কিয়ে,                     এ রসে মিটায়ব,
কৃষ্ণকান্ত-অন্তর দুখ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাসনৃত্য
॥ তথা রাগ॥

রাসরঙ্গথল                        পরম সুশীতল
সহচরিগণ তহি ঘেরি।
দুহুঁ মুখ চাহি                     পাই পরমানন্দ
বাজনযন্ত্রে তন্ত্রে করু মেলি॥
রঙ্গিণি রাই রঙ্গিয়া শ্যামরায়।
দুহুঁ দুহাঁ চাই                    দুহুঁক মুচুকায়নি
ঝুলাই নুপূর পরবেশল তায়॥ ধ্রু॥
শ্যামর গোরি                হোই অতি উলসিত
রচই সরস পরবন্ধ।
ইনহি ইনহি মঝু                   ওর সেঁ গাওব
সখিক ভাগ নিরবন্ধ॥
নরতন মঙ্গল                        পরম সুসঙ্কুল
গাওত বাওত আলি।
রহি রহি পাদ                   পসারত দুহুঁ জন
বাওনি বোলে ভালি ভালি॥
হেরি হেরি নাগর                 নাগরি সুনর্ত্তন
ঊয়ল সহচরি সুখ।
কুঞ্জলতা কিয়ে                  এ রসে মিটায়ব
কৃষ্ণকান্ত অন্তর দূখ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৪১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাসরঙ্গথল পরম সুশীতল                   
সহচরিগণ তহি ঘেরি।
দুহুঁ মুখ চাহি পাই পরমানন্দ                
বাজনযন্ত্রে তন্ত্রে করু মেলি॥
রঙ্গিণি রাই রঙ্গিয়া শ্যামরায়।                
দুহুঁ দুহাঁ চাই দুহুঁক মুচুকায়নি                
ঝুলাই নুপূর পরবেশল তায়॥
শ্যামর গোরি হোই অতি উলসিত            
রচই সরস পরবন্ধ।
ইনহি ইনহি মঝু ওর সেঁ গাওব                
সখিক ভাগ নিরবন্ধ॥
নরতন মঙ্গল পরম সুসঙ্কুল                    
গাওত বাওত আলি।
রহি রহি পাদ পসারত দুহুঁ জন                
বাওনি বোলে ভালি ভালি॥
হেরি হেরি নাগর নাগরি সুনর্ত্তন                
ঊয়ল সহচরি সুখ।
কুঞ্জলতা কিয়ে এ রসে মিটায়ব                
কৃষ্ণকান্ত অন্তর দুখ॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শ্যাম-অঙ্গ নটন-ছন্দ
নটন ছন্দ শ্যাম অঙ্গ
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৮৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

শ্যাম-অঙ্গ নটন-ছন্দ
অঙ্গহি  অঙ্গ  অনঙ্গ-রঙ্গ
মণি-অভরণ চমকি চালি
.                তহিঁ ফিরায়ত বাঁশিয়া।
গৌরিক গান অতি সুতান
সঙ্গিনি মান তহিঁ মিশান
অতিহুঁ সুভগ দেত তালি
.                নটিনি-গরব নাশিয়া॥
নব-কিশোর নটত ভোর
কত বিমোহ নহত ওর
তবহি অঙ্গ সঙ্কোচ-কারি
.                তবহি অতি বিথারিয়া।
নবিন-নারি পুরত তারি
নব সুতান কত সঞ্চারি
তবহিঁ সূর সুখসোঁ গাই
.                তবহি উচ উচারিয়া॥
চান্দনি রাতি অনুপ-ভাতি
অতিহুঁ দ্যুতিত গোরিক কাঁতি
হেরি থকিত ও গিরি-ধারি
.                কহত ইষত হাসিয়া।
শুনহ গোরি অবশে ভোরি
নটন-রঙ্গ অতি বিভোরি
হুঁ  ত হোয়ব গীত-কারি
.                সঙ্গহি ফিরব চাহিয়া॥
ততহি বেলি সখিনি মেলি
ধনিক চান্দ-বদন হেরি
তূহিঁ পুরহ ইহ্নিক সাধ
.                শ্যাম লেওত যাচিয়া        ।        
শুনত বোল সুখ-হিলোল
রাই সাজত নিজ নিচোল
তবহিঁ হেরব কৃষ্ণকান্ত
.                আনন্দ-সাগরে ভাসিয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২২৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বেহাগড়া রাগ দোতালি॥

শ্যামঅঙ্গ নটন ছন্দ অঙ্গহি অঙ্গ অনঙ্গ রঙ্গ
মণি অভরণ চমক চালি তহি ফিরায়ত বাঁশিআ।
গৌরিক গান অতি সুতান সঙ্গিনী মান তহি মিশান
অতিহুঁ সুভগ দেয়ত তালি নটিনীগরব নাশিআ॥
নবকিশোর নটত ভোর কত বিমোহ নহত ওর
তবহুঁ অঙ্গক সঙ্কোচকারী তবহি অতি বিথারিয়া।
নবীন নারী পুরত ভারি নব সুতান কত সঞ্চারি
তবহুঁ সুর সুখসে গাই তবহু উঠ চারিয়া॥
চাঁন্দনি রাতি অনূপ ভাঁতি অতিহুঁ দ্যুতি গোরিক কাঁতি
হেরি থকিতউ গিরিধারী কহত ইষদ হাঁসিআ।
সুনহি গোরি অব সে ভোরি নটত রঙ্গ অতি বিভোরি
হুত হোয়ব গীতকারী সঙ্গহি ফিরব চাহিয়া॥
ততহু বোলি সখিনি মেলি ধনিক চাঁন্দবদন হেরি
তহিঁ পুরহ ইহ্নিক সাত শ্যাম লেয়ত যাচিয়া।        
সুনত বোল সুখহি লোল রাই সাজত নিজ নিচোল
তবহি হেরব কৃষ্ণকান্ত আনন্দসাগরে ভাসিয়া॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

শ্যাম-অঙ্গ নটন-ছন্দ
অঙ্গহি অঙ্গ অনঙ্গ-রঙ্গ
মণি-অভরণ চমকি চালি
তহি ফিরায়ত বাঁশিয়া।
গৌরীক গান অতি সুতান
সঙ্গিনী মান তহি মিশান
অতিহুঁ সুভগ দেত তালী
নটিনী-গরব নাশিয়া॥
নব কিশোর নটত ভোর
কত বিমোহন হোত ওর
তবহি অঙ্গ সঙ্কোচ কারি
তবহি অতি বিথারিয়া।
নবীন নারী পুরত তারী
নব সুতার কত সঞ্চারি
তবহি সুর সুখসো গাই
তবহি উচ উচারিয়া॥
চান্দনী রাতি অনুপ ভাতি
অতিহুঁ দ্যোতিত গোরীক কাঁতি
হেরি থকিত ও গিরি-ধারী
কহত ইষত হাসিয়া।
শুনহ গোরি অবশে ভোরি
নটন-রঙ্গ অতি বিভোরি
তহুঁ হোয়ব গীত-কারী
সঙ্গহি ফিরব চাহিয়া॥
এতহি বেলি সখিনী মেলি
ধনীক চান্দ-বদন হেরি
তূহি পূরহ ইহ্নিক সাধ
শ্যাম লেওত যাচিয়া        ।        
শুনত বোল সুখ হিলোল
রাই সাজত নিজ নিচোল
তবহি হেরব কৃষ্ণকান্ত
আনন্দ-সাগরে ভাসিয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাসনৃত্য
॥ তথা রাগ॥

নটন ছন্দ শ্যাম অঙ্গ
অঙ্গে অঙ্গে অনঙ্গ রঙ্গ
মণি আভরণ চমকি চালি
.                তহিঁ ফিরায়ত বাঁশিয়া।
গৌরিক গান অতি সুতান
সঙ্গিনি মান তহিঁ মিশান
অতিহুঁ সুভগ দেত তালি
.                নটিনি গরব নাশিয়া॥
নবকিশোর নটত ভোর
কত বিমোহ নহত ওর
তবহি অঙ্গ সঙ্কোচকারি
.                তবহি অতি বিথারিয়া।
নবিন নারি পুরত তারি
নব সুতান কত সঞ্চারি
তবহিঁ সূর সুখসোঁ গাই
.                তবহি উচ উচারিয়া॥
চান্দনি রাতি অনুপ ভাতি
অতিহুঁ দ্যুতিত গোরিক কাঁতি
হেরি থকিত ও গিরিধারি
.                কহত ইষত হাসিয়া।
শুনহ গোরি অবশে ভোরি
নটন রঙ্গ অতি বিভোরি
হাতে ছোয়ব গীতকারি
.                সঙ্গহি ফিরব চাহিয়া॥
ততহি বেলি সখিনি মেলি
ধনিক চান্দবদন হেরি
তূঁহি পুরহ ইহ্নিক সাধ
.                শ্যাম লেওত যাচিয়া        ।        
শুনত বোল সুখ হিলোল
রাই সাজত নিজ নিচোল
তবহিঁ হেরব কৃষ্ণকান্ত
.                     আনন্দ সাগরে ভাসিয়া॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নটন ছন্দ শ্যাম অঙ্গ
অঙ্গে অঙ্গে অনঙ্গ রঙ্গ
মণি আভরণ চমকি চালি
.                তহিঁ ফিরায়ত বাঁশিয়া।
গৌরিক গান অতি সুতান
সঙ্গিনি মান তহিঁ মিশান
অতিহুঁ সুভগ দেত তালি
.                নটিনি গরব নাশিয়া॥
নবকিশোর নটত ভোর
কত বিমোহ নহত ওর
তবহি অঙ্গ সঙ্কোচকারি
.                তবহি অতি বিথারিয়া।
নবিন নারি পুরত তারি
নব সুতান কত সঞ্চারি
তবহিঁ সুর সুখসোঁ গাই
.                তবহি উচ উচারিয়া॥
চান্দনি রাতি অনুপ ভাতি
অতিহুঁ দ্যুতিত গোরিক কাঁতি
হেরি থকিত ও গিরিধারি
.                কহত ইষত হাসিয়া।
শুনহ গোরি অবশে ভোরি
নটন রঙ্গ অতি বিভোরি
হাতে ছোয়ব গীতকারি
.                সঙ্গহি ফিরব চাহিয়া॥
ততহি বেলি সখিনি মেলি
ধনিক চান্দবদন হেরি
তূঁহি পুরহ ইহ্নিক সাধ
.                শ্যাম লেওত যাচিয়া        ।        
শুনত বোল সুখ হিলোল
রাই সাজত নিজ নিচোল
তবহিঁ হেরব কৃষ্ণকান্ত
.                আনন্দ সাগরে ভাসিয়া॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সহজে অনুপ সুন্দরি রাই
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৮৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।


॥ তথা রাগ॥

সহজে অনুপ সুন্দরি রাই।
বিবিধ সুভাতি পদ বাঢ়াই॥
কবহিঁ অঙ্গক আধ প্রকাশ।
কবহিঁ ঝাঁপই জনু তরাস॥
যবহুঁ চলত অতি সুমন্দ।
তবহিঁ হোয়ত খঞ্জন বন্ধ॥
ঐছন সুঘড় নাগর-রায়।
সুষম বিষম গমক গায়॥
হেরি সুরঙ্গিণি সঙ্গিনি-চীত।
বিহসি কহত ইহ্নিক জীত॥
উলাসে রসিক সো সব সাত।
ফিরি ফুরায়ত ঐছন বাত॥
কিয়ে অদভুত রস-বিলাস।
সহচরিগণ অতি উলাস॥        
দুহুঁক চান্দ-বদন হেরি।
কহে সুবচন সবহুঁ ঘেরি॥
শুন হেম-গোরি  এ ঘন-শ্যাম।
নিজ-জনগণ পুরহ কাম॥
দুহুঁ জন মেলি গতি সুরঙ্গ।
অব বিরচহ নটন-রঙ্গ॥
কৃষ্ণকান্ত কহ নাহি সন্দেহ।
নাগরি নাগর ঐছন লেহ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

সহজে অনুপ সুন্দরী রাই।
বিবিধ সুভাতি পদ বাঢ়াই॥
করহি অঙ্গক আধ প্রকাশ।
কবহুঁ ঝাঁপই জনু তরাস॥
যবহুঁ চলত অতি সুমন্দ।
তবহি হোয়ত খঞ্জন বন্ধ॥
ঐছন সুঘড় নাগর রায়।
সুষম বিষম গমক গায়॥
হেরি সুরঙ্গিণী সঙ্গিনীক চীত।
বিহসি কহত ইহ্নিক জিত॥
উলাসে রসিক সো সব সাত।
ফিরি ফুরায়ত ঐছন বাত॥
কিয়ে অদভুত রস বিলাস।
সহচরীগণ অতি উলাস॥        
দুহুঁ দোঁহা-চান্দ-বদন হেরি।
কহে সুবচন সবহুঁ ঘেরি॥
শুন হেম গোরি এ ঘন শ্যাম।
নিজ জনগণ পূরহ কাম॥
দুহুঁজন মেলি গতি সুরঙ্গ।
অব বিরচহ নটন রঙ্গ॥
কৃষ্ণকান্ত কহ নাহি সন্দেহ।
নাগরী নাগর ঐছন লেহ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাসনৃত্য
॥ তথা রাগ॥

সহজে অনুপ সুন্দরি রাই।
বিবিধ সুভাতি পদ বাঢ়াই॥
কবহিঁ অঙ্গক আধ প্রকাশ।
কবহিঁ ঝাঁপই জনু তরাস॥
যবহুঁ চলত অতি সুমন্দ।
তবহিঁ হোয়ত খঞ্জন বন্ধ॥
ঐছন সুঘড় নাগর রায়।
সুষম বিষম গমক গায়॥
হেরি সুরঙ্গিণি সঙ্গিনি চীত।
বিহসি কহত ইহ্নিক জীত॥
উলাসে রসিক সো সব সাথ।
ফিরি ফুকরত ঐছন বাত॥
কিয়ে অদভুত রসবিলাস।
সহচরিগণ অতি উলাস॥        
দুহুঁক চান্দবদন হেরি।
কহে সুবচন সবহুঁ ঘেরি॥
শুন হেম গোরি এ ঘনশ্যাম।
নিজ জনগণ পুরহ কাম॥
দুহুঁ জন মেলি গতি সুরঙ্গ।
অব বিরচহ নটনরঙ্গ॥
কৃষ্ণকান্ত কহ নাহি সন্দেহ।
নাগরি নাগর ঐছন নেহ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সহজে অনুপ সুন্দরি রাই।
বিবিধ সুভাতি পদ বাঢ়াই॥
কবহিঁ অঙ্গক আধ প্রকাশ।
কবহিঁ ঝাঁপই জনু তরাস॥
যবহুঁ চলত অতি সুমন্দ।
তবহিঁ হোয়ত খঞ্জন বন্ধ॥
ঐছন সুঘড় নাগর রায়।
সুষম বিষম গমক গায়॥
হেরি সুরঙ্গিণি সঙ্গিনি চীত।
বিহসি কহত ইহ্নিক জীত॥
উলাসে রসিক সো সব সাথ।
ফিরি ফুকরত ঐছন বাত॥
কিয়ে অদভুত রসবিলাস।
সহচরিগণ অতি উলাস॥        
দুহুঁক চান্দবদন হেরি।
কহে সুবচন সবহুঁ ঘেরি॥
শুন হেম গোরি এ ঘনশ্যাম।
নিজ জনগণ পুরহ কাম॥
দুহুঁ জন মেলি গতি সুরঙ্গ।
অব বিরচহ নটনরঙ্গ॥
কৃষ্ণকান্ত কহ নাহি সন্দেহ।
নাগরি নাগর ঐছন নেহ॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর