কবি কৃষ্ণকান্তের বৈষ্ণব পদাবলী
*
শ্যামরচন্দ উতাপিত অঙ্গ
শ্যামরচন্দ্র উতাপিত অঙ্গ

ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৯৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।


॥ তথা রাগ॥

শ্যামরচন্দ উতাপিত-অঙ্গ।
হেরি বর-নাগরি অতিহুঁ সশঙ্ক॥
কঠিন মানি হিয়ে কাঁচুলি ডারি।
তাহিঁ নিধারল ভূধর-ধারি॥
সুকঠিন-দরপক দুরতর কাজ।
মানি সুকামিনি পরিহরু লাজ॥
কর দেই ঠেলই নয়নক বারি।
অধরে অধর দেই চুম্বই অপারি॥
পাই পরম-রস অতিহুঁ উদণ্ড।
শ্যাম সিতকারই পুলকিত-গণ্ড॥
দুহুঁ-মন মনভব-তরঙ্গ বিথার।
দুহুঁজন ভূলল সহজ বিচার॥
কো কি কর ইহ নহত নিতান্ত।
অতুল উলাসিত হেরি কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

শ্যামরচন্দ্র উতাপিত অঙ্গ।
হেরি বর-নাগরী অতিহুঁ-সশঙ্ক॥
কঠিন মানি হিয়ে কাঁচুলী ডারি।
তাহিঁ নিধারল ভূধর-ধারী॥
সুকঠিন-দরপক দুরন্তর কাজ।
মানি সুকামিনী পরিহরু লাজ॥
কর দেই ঠেলই নয়নক বারি।
অধরে অধর দেই চুম্বই অপারি॥
পাই পরম-রস অতিহুঁ উদণ্ড।
শ্যাম সিতকারই পুলকিত-গণ্ড॥
দুহুঁ-মন মনোভব-তরঙ্গ বিথার।
দুহুঁজন ভুলল সহজ বিচার॥
কো কি কর ইহ নহত নিতান্ত।
অতুল উলাসিত হেরি কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ তথা রাগ॥

শ্যামর চন্দ উতাপিত অঙ্গ।
হেরি বরনাগরি অতিহুঁ সশঙ্ক॥
কঠিন মানি হিয়ে কাঁচুলি ডারি।
তাহিঁ নিধারল ভূধর ধারি॥
সুকঠিন দরপক দুরতর কাজ।
মানি সুকামিনি পরিহরু লাজ॥
কর দেই ঠেলই নয়নক বারি।
অধরে অধর দেই চুম্বই অপারি॥
পাই পরমরস অতিহুঁ উদণ্ড।
শ্যাম সিতকারই পুলকিত গণ্ড॥
দুহুঁ মন মনোভব তরঙ্গ বিথার।
দুহুঁজন ভূলল সহজ বিচার॥
কো কি কর ইহ নহত নিতান্ত।
অতুল উলসিত হেরি কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্যামর চন্দ উতাপিত অঙ্গ।
হেরি বরনাগরি অতিহুঁ সশঙ্ক॥
কঠিন মানি হিয়ে কাঁচুলি ডারি।
তাহিঁ নিধারল ভূধর ধারি॥
সুকঠিন দরপক দুরতর কাজ।
মানি সুকামিনি পরিহরু লাজ॥
কর দেই ঠেলই নয়নক বারি।
অধরে অধর দেই চুম্বই অপারি॥
পাই পরমরস অতিহুঁ উদণ্ড।
শ্যাম সিতকারই পুলকিত গণ্ড॥
দুহুঁ মন মনোভব তরঙ্গ বিথার।
দুহুঁজন ভূলল সহজ বিচার॥
কো কি কর ইহ নহত নিতান্ত।
অতুল উলসিত হেরি কৃষ্ণকান্ত॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রাধা বদন বিমল মধু পানে
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৯৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

রাধা-বদন-বিমল-মধু-পানে।
মাতল শ্যামল চঞ্চল ভানে॥
ধনিক কলেবর কোমল আতি।
নিবিড় আলিঙ্গয়ে হিয়ে হিয়ে যাঁতি॥
এ সখি কিয়ে ইহ প্রেমক কাজ।
সুরতে কি জীতল পাঁচ-শর-রাজ॥
হরি-পরিরম্ভণে ধনি ভেল ভোর।
তবহি সুহাসিত বহি দিঠি লোর॥
কোরে সুনাগরি দূর গেয়ান।
ধনি-মুখ সমুখহি ধরত ধেয়ান॥
তবহি পরাক্রম তবহি অথীর।
থেহ না পাওত শ্যামর বীর॥
রাইক প্রতিতনু সুকুসুম জান।
নিবিড় সুচুম্বই অলিক বন্ধান॥
অতিহঁ উলাসে কহয়ে কৃষ্ণকান্ত।
অন্তরে জাগি রহু এ দুহুঁ নিতান্ত॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

রাধা-বদন-বিমল-মধু-পানে।
মাতল শ্যামর চঞ্চল ভানে॥
ধনীক কলেবর কোমল আতি।
নিবিড় আলিঙ্গয়ে হিয়ে হিয়ে যাঁতি॥
এ সখি কিয়ে ইহ প্রেমক কাজ।
সুরতে কি জিতল পাঁচ-শর-রাজ॥
হরি-পরিরম্ভণে ধনী ভেল ভোর।
তবহি সুহাসিত বহি দিঠি লোর॥
কোরে সুনাগরী দূর গেয়ান।
ধনি-মুখ সমুখহি ধরত ধেয়ান॥
তবহি পরাক্রম তবহি অথীর।
থেহ না পাওত শ্যাম-শরীর॥
রাইক প্রতিতনু সুকুসুম জান।
নিবিড় সুচুম্বই অলিক সন্ধান॥
অতিহঁ উলাসে কহয়ে কৃষ্ণকান্ত।
অন্তরে জাগি রহু এ দুহুঁ নিতান্ত॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ তথা রাগ॥

রাধা বদন বিমল মধু পানে।
মাতল শ্যামল চঞ্চল ভানে॥
ধনিক কলেবর কোমল আতি।
নিবিড় আলিঙ্গয়ে হিয়ে হিয়ে যাঁতি॥
এ সখি কিয়ে ইহ প্রেমক কাজ।
সুরতে কি জীতল পাঁচ-শর-রাজ॥
হরি পরিরম্ভণে ধনি ভেল ভোর।
তবহি সুহাসিত বহি দিঠি লোর॥
কোরে সুনাগরি দূর গেয়ান।
ধনি মুখ সমুখহি ধরত ধেয়ান॥
তবহি পরাক্রম তবহি অথীর।
থেহ না পাওত শ্যামর বীর॥
রাইক প্রতিতনু সুকুসুম জান।
নিবিড় সুচুম্বই অলিক বন্ধান॥
অতিহঁ উলাসে কহয়ে কৃষ্ণকান্ত।
অন্তরে জাগি রহু এ দুহুঁ নিতান্ত॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধা বদন বিমল মধু পানে।
মাতল শ্যামল চঞ্চল ভানে॥
ধনিক কলেবর কোমল আতি।
নিবিড় আলিঙ্গয়ে হিয়ে হিয়ে যাঁতি॥
এ সখি কিয়ে ইহ প্রেমক কাজ।
সুরতে কি জীতল পাঁচ শর রাজ॥
হরি পরিরম্ভণে ধনি ভেল ভোর।
তবহি সুহাসিত বহি দিঠি লোর॥
কোরে সুনাগরি দূর গেয়ান।
ধনি মুখ সমুখহি ধরত ধেয়ান॥
তবহি পরাক্রম তবহি অথীর।
থেহ না পাওত শ্যামর বীর॥
রাইক প্রতিতনু সুকুসুম জান।
নিবিড় সুচুম্বই অলিক বন্ধান॥
অতিহঁ উলাসে কহয়ে কৃষ্ণকান্ত।
অন্তরে জাগি রহু এ দুহুঁ নিতান্ত॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
বিনোদিনীর কবরী বেশ খসি গেল
বিনোদিনীর বিনোদ কবরী খসি গেল

ভণিতা কৃষ্ণকান্ত দাস
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৮৯৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

বিনোদিনীর কবরী বেশ খসি গেল।
হোর দেখ নাগরের চূড়া আউলাইল॥
আহা মরি রাই-মুখ কি মধুর লাগে।
ঠাঞি ঠাঞি রাতুল শ্যাম-অধরের রাগে॥
ও কি ও কি শ্যামচাঁদ-মুখে ও রঙ্গিমা।
উহা দেখি সুখ উঠে নাহি পাই সীমা॥
হেম-নীল-কান্তি-ধর বুকের খেলনে।
ওই ওই চিত্র-রাগ ভৈ গেল খণ্ডনে॥
আই আই নিতম্বের নাহিক সামাল।
বসন ভূষণ সব হৈল উলডাল॥
এ কি এ কি যুবরাজ দুরবল লাগে।
কমলিনী ক্ষণে ক্ষণে অতিশয় জাগে॥
গিরিবরে গিরিধর যবে কৈল রাস।
এই সে কারণ কহে কৃষ্ণকান্ত দাস॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

বিনোদিনীর কবরী-বেশ খসি গেল।
হোর দেখ নাগরের চূড়া আউলাইল॥
আহা মরি রাই-মুখ কি মধুর লাগে।
ঠাঞি ঠাঞি রাতুল শ্যাম-অধরের রাগে॥
ও কি ও কি শ্যামচাঁদ-মুখে ও রঙ্গিমা।
উহা দেখি সুখ উঠে নাহি পাই সীমা॥
হেম-নীল-কান্তি-ধর বুকের খেলনে।
ওই ওই চিত্র-রাগ ভৈ গেল খণ্ডনে॥
বসন ভূষণ সব হৈল উলডাল।
আই আই নিতম্বের নাহিক সাভাল॥
এ কি এ কি যুবরাজ দুরবল লাগে।
কমলিনী ক্ষণে ক্ষণে অতিশয় জাগে॥
গিরিবরে গিরিধর যবে কৈল রাস।
এই সে কারণে কহে কৃষ্ণকান্ত দাস॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ তথা রাগ॥

বিনোদিনীর বিনোদ কবরী খসি গেল।
হোর দেখ নাগরের চূড়া আউলাইল॥
আহা মরি রাই মুখ কি মধুর লাগে।
ঠাঞে ঠাঞি রাতুল শ্যাম অধরের রাগে॥
ও কি ও কি শ্যামচাঁদ মুখে ও রঙ্গিমা।
উহা দেখি সুখ উঠে নাহি পাই সীমা॥
হেম নীল কান্তি ধর বুকের খেলনে।
ওই ওই চিত্র রাগ ভৈ গেল খণ্ডনে॥
আই আই নিতম্বের নাহিক সামাল।
বসন ভূষণ সব হৈল উলডাল॥
এ কি এ কি যুবরাজ দুরবল লাগে।
কমলিনী ক্ষণে ক্ষণে অতিশয় জাগে॥
গিরিবরে গিরিধর যবে কৈল রাস।
এই সে কারণ কহে কৃষ্ণকান্ত দাস॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিনোদিনীর বিনোদ কবরী খসি গেল।
হোর দেখ নাগরের চূড়া আউলাইল॥
আহা মরি রাই মুখ কি মধুর লাগে।
ঠাঞে ঠাঞি রাতুল শ্যাম অধরের রাগে॥
ও কি ও কি শ্যামচাঁদ মুখে ও রঙ্গিমা।
উহা দেখি সুখ উঠে নাহি পাই সীমা॥
হেম নীল কান্তি ধর বুকের খেলনে।
ওই ওই চিত্র রাগ ভৈ গেল খণ্ডনে॥
আই আই নিতম্বের নাহিক সামাল।
বসন ভূষণ সব হৈল উলডাল॥
এ কি এ কি যুবরাজ দুরবল লাগে।
কমলিনী ক্ষণে ক্ষণে অতিশয় জাগে॥
গিরিবরে গিরিধর যবে কৈল রাস।
এই সে কারণ কহে কৃষ্ণকান্ত দাস॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সহজে শিঙ্গারক সার কলেবর
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয়
নিত্য-লীলা, ২৮৯৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

সহজে শিঙ্গারক সার কলেবর
.        রতি-রণ-পণ্ডিত যোই।
সো হরি রাইক পাই পরশ-রস
.        ধৃতি মতি সঙ্গতি সগরিহ খোই॥
.        সখি হে কিয়ে ইহ কেলি-নিধান।
বিদগধ-নাহক কিয়ে ইহ বৈদগধি
.        প্রেমক কিয়ে পরিণাম॥ ধ্রু॥
পরিসর-বক্ষ-দক্ষ-পরিরম্ভণে
.        কামিনি-ধৈরজ বিনাশ।
রাই-উরোজ-সরোজ-ঘন-ঘরষণে
.        সো ভেল অচল-বিলাস॥
নিরবধি রাই-অধর-রস-লালসে
.        রদনহি করু খণ্ড খণ্ড।
অধর বিথারি ধারি রহু সো মুখ
.        কমলিনি চুম্বই প্রচণ্ড॥
বহু সুখ পাই রাই-মুখ হেরই
.        গদ গদ কহ কিয়ে বাণি।
যবহিঁ পরাক্রম থোরি করত ধনি
.        পদহি নিধারত পাণি॥
হরিক এ হেন গতি হরিণি ঘটাওল
.        ভূলল রস-ভরে সহজ-বিলাস।
ধনি সুকুমারি-বিশাল-পরিশ্রম
.        কৃষ্ণকান্ত-অন্তরে এ লাগি তরাস॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

সহজে শিঙ্গারক,                       সার কলেবর,
রতি-রণ-পণ্ডিত যোই।
সো হরি রাইক,                      পাই পরশ-রস,
ধৃতি মতি সঙ্গতি সগরিহ খোই॥
সখি হে কিয়ে ইহ কেলি-নিধান।
বিদগধ-নাহক,                     কিয়ে ইহ বৈদগধি
প্রেমক কিয়ে পরিণাম॥
পরিসর-বক্ষ,                        দক্ষ পরিরম্ভণে,
কামিনি-ধৈরজ বিনাশ।
রাই উরোজ,                    সরোজ ঘন ঘরষণে
সো ভেল অচল বিলাস॥
নিরবধি রাই,                     অধর-রস লালসে,
রদনহি কর খণ্ড খণ্ড।
অধর বিথারি,                     বারি রহু সো মুখ,
কমলিনী চুম্বই প্রচণ্ড॥
বহু সুখ পাই,                        রাই মুখ হেরই,
গদ গদ কহ কিয়ে বাণী।
যবহি পরাক্রম,                    থোরি করত ধনী
পদহি নিধারত পাণি॥
হরিক এ হেন গতি,                  হরিণী ঘটাওল,
ভূলল রস-ভরে সহজ-বিলাস।
ধনি সুকুমারী,                        বিশাল-পরিশ্রম,
কৃষ্ণকান্ত-অন্তরে লাগি তরাস॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৮৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
সখীর উক্তি
॥ তথা রাগ॥

সহজে শিঙ্গারক সার কলেবর                
রতিরণপণ্ডিত যোই।
সো হরি রাইক পাই পরশ রস                
ধৃতি মতি সঙ্গতি সগরিহ খোই॥
সখি হে কিয়ে ইহ কেলি নিধান।                
বিদগধ নাহক কিয়ে ইহ বৈদগধি                
প্রেমক কিয়ে পরিণাম॥
পরিসর বক্ষ দক্ষ পরিরম্ভণে                
কামিনি ধৈরজ বিনাশ।
রাই উরোজ সরোজ ঘন ঘরষণে                
সো ভেল অচল বিলাস॥
নিরবধি রাই অধর রস লালসে                
রদনহি করু খণ্ড খণ্ড।
অধর বিথারি ধারি রহু সো মুখ                
কমলিনি চুম্বই প্রচণ্ড॥
বহু সুখ পাই রাই-মুখ হেরই                
গদ গদ কহ কিয়ে বাণি।
যবহিঁ পরাক্রম থোরি করত ধনি                
পদহি নিধারত পাণি॥
হরিক এ হেন গতি হরিণি ঘটাওল        
ভূলল রসভরে সহজ-বিলাস।
ধনি সুকুমারি বিশাল-পরিশ্রম                
কৃষ্ণকান্ত অন্তরে এ লাগি তরাস॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৪১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সহজে শিঙ্গারক সার কলেবর                
রতিরণপণ্ডিত যোই।
সো হরি রাইক পাই পরশ রস                
ধৃতি মতি সঙ্গতি সগরিহ খোই॥
সখি হে কিয়ে ইহ কেলি নিধান।                
বিদগধ নাহক কিয়ে ইহ বৈদগধি                
প্রেমক কিয়ে পরিণাম॥
পরিসর বক্ষ দক্ষ পরিরম্ভণে                
কামিনি ধৈরজ বিনাশ।
রাই উরোজ সরোজ ঘন ঘরষণে                
সো ভেল অচল বিলাস॥
নিরবধি রাই অধর রস লালসে                
রদনহি করু খণ্ড খণ্ড।
অধর বিথারি ধারি রহু সো মুখ                
কমলিনি চুম্বই প্রচণ্ড॥
বহু সুখ পাই রাই-মুখ হেরই                
গদ গদ কহ কিয়ে বাণি।
যবহিঁ পরাক্রম থোরি করত ধনি                
পদহি নিধারত পাণি॥
হরিক এ হেন গতি হরিণি ঘটাওল        
ভূলল রসভরে সহজ-বিলাস।
ধনি সুকুমারি বিশাল-পরিশ্রম                
কৃষ্ণকান্ত অন্তরে এ লাগি তরাস॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কামিনি কাম-কলা কিয়ে জীতল
কামিনি কাম-কলা কিরে জিতল

ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয়
নিত্য-লীলা, ২৯০০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

কামিনি কাম-কলা কিয়ে জীতল
.        নীচল শ্যামর-দেহ।
যামিনি শেষ বেশ সব খণ্ডিত
.        তবহুঁ না পাওত থেহ॥
সখি হে হোর দেখ রাইক ঠাম।
স্বেদিত অপঘন শ্বাস বহত ঘন
.        কীয়ে করব পরিণাম॥ ধ্রু॥
শ্যামর-বদন-কমল-মধু-পানহিঁ
.        অবহি কি ভেল বিভোর।
অধরে অধর ধরি নিচলে নিচুম্বল
.        প্রতিতনু ঠোরহিঁ ঠোর॥
অতুল-মদালসে সবহুঁ বিছুরল
.        শূতলি ধনি তনু ঢারি।
উহ কিয়ে কেলি-কলা-রস ভোরলি
.        কৃষ্ণকান্ত-অন্তর নহত বিচারি॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

কামিনি কাম-                   কলা কিরে জিতল,
নীচল শ্যামর দেহ।
যামিনী শেষ,                      বেশ সব খণ্ডিত,
তবহুঁ না পাওত থেহ॥
সখি হে হোর দেখ রাইক ঠাম।
স্বেদিত অপঘন                      শ্বাস বহত ঘন
কিয়ে করব পরিণাম॥
শ্যামর বদন,                      কমল মধু পানহিঁ,
অবহি কি ভেল বিভোর।
অধরে অধর ধরি,                   নিচলে নিচুম্বল,
প্রতিতনু ঠোরহি ঠোর॥
অতুল মদালসে,                        সবহুঁ বিছুরল,
শুতলি ধনী তনু ঢারি।
উহ কিয়ে কেলি-                  কলা-রস ভোরলি,
কৃষ্ণকান্ত-অন্তর নহত বিচারি॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৮৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
সখীর উক্তি
॥ তথা রাগ॥

কামিনি কাম কলা কিয়ে জীতল
.        নীচল শ্যামরদেহ।
যামিনি শেষ বেশ সব খণ্ডিত
.        তবহুঁ না পাওত থেহ॥
সখি হে হোর দেখ রাইক ঠাম।
স্বেদিত সবতনু শ্বাস বহত ঘন
.        কীয়ে করব পরিণাম॥ ধ্রু॥
শ্যামর বদন-কমল-মধু পানহিঁ
.        অবহি কি ভেল বিভোর।
অধরে অধর ধরি নিচলে নিচুম্বল
.        প্রতিতনু ঠোরহিঁ ঠোর॥
অতুল মদালসে সবহুঁ বিছুরল
.        শূতলি ধনি তনু ঢারি।
উহ কিয়ে কেলি কলা রস ভোরলি
.        কৃষ্ণকান্ত অন্তর নহত বিচারি॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৪১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কামিনি কাম কলা কিয়ে জীতল
.        নীচল শ্যামরদেহ।
যামিনি শেষ বেশ সব খণ্ডিত
.        তবহুঁ না পাওত থেহ॥
সখি হে হোর দেখ রাইক ঠাম।
স্বেদিত সবতনু শ্বাস বহত ঘন
.        কীয়ে করব পরিণাম॥
শ্যামর বদন কমল মধু পানহিঁ
.        অবহি কি ভেল বিভোর।
অধরে অধর ধরি নিচলে নিচুম্বল
.        প্রতিতনু ঠোরহিঁ ঠোর॥
অতুল মদালসে সবহুঁ বিছুরল
.        শূতলি ধনি তনু ঢারি।
উহ কিয়ে কেলি কলা রস ভোরলি
.        কৃষ্ণকান্ত অন্তর নহত বিচারি॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
দুহুঁক বদন-শশি ঝামর হইল
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৯০১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

দুহুঁক বদন-শশি ঝামর হইল।
দুহুঁ-অবলম্বনে দুহুঁ সে রহিল॥
হোর দেখ রাই কানু অলস-বিভঙ্গী।
কৈছনে রহত দুহুঁ প্রতি-তনু-সঙ্গী॥
অধরে অধর রহু চিবুকে চিবুক।
ভুজে ভুজ-বল্লরি বুকহি বুক॥
জঘনে জঘনে রহু বসন নিধান।
পদে পদ-পঙ্কজ কোন সন্ধান॥
অতিহু নিরূপম বরণ মিশান।
কো কিয়ে ভাঙ নিসংশয় মান।
সপনকি জাগর একহি ধার।
কৃষ্ণকান্ত-অন্তর বুঝই না পার॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

দুহুঁক বদন শশী ঝামর হইল।
দুহুঁ-অবলম্বনে দুহুঁ সে রহিল॥
হোর দেখ রাই কানু অলসে বিভঙ্গী।
কৈছনে রহত দুহুঁ প্রতি তনু-সঙ্গী॥
অধরে অধর রহু চিবুকে চিবুক।
ভুজে ভুজবল্লরী বুকেহি বুক॥
জঘনে জঘনে রহু বসনে নিধান।
পদে পদ পঙ্কজ কোন সন্ধান॥
অতিহুঁ নিরূপম বরণ মিশান।
কো কিয়ে ভাঙ নিসংশয় মান।
সপনিক জাগর একহি ধার।
কৃষ্ণকান্ত অন্তর বুঝই না পার॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
সখীর উক্তি
॥ তথা রাগ॥

দুহুঁক বদনশশি ঝামর হইল।
দুহুঁ অবলম্বনে দুহুঁ সে রহিল॥
হোর দেখ রাই কানু অলস বিভঙ্গী।
কৈছনে রহত দুহুঁ প্রতি তনু সঙ্গী॥
অধরে অধর রহু চিবুকে চিবুক।
ভুজে ভুজ-বল্লরি বূকহি বুক॥
জঘনে জঘনে রহু বসন নিধান।
পদ পঙ্কজ যুগ কোন সন্ধান॥
অতিহু নিরূপম বরণ মিশান।
দুহুঁ ভেল এক নিসংশয় মান।
সপনকি জাগর একহি ধার।
কৃষ্ণকান্ত অন্তর বুঝই না পার॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দুহুঁক বদনশশি ঝামর হইল।
দুহুঁ অবলম্বনে দুহুঁ সে রহিল॥
হোর দেখ রাই কানু অলস বিভঙ্গী।
কৈছনে রহত দুহুঁ প্রতি তনু সঙ্গী॥
অধরে অধর রহু চিবুকে চিবুক।
ভুজে ভুজ বল্লরি বূকহি বুক॥
জঘনে জঘনে রহু বসন নিধান।
পদ পঙ্কজ যুগ কোন সন্ধান॥
অতিহু নিরূপম বরণ মিশান।
দুহুঁ ভেল এক নিসংশয় মান।
সপনকি জাগর একহি ধার।
কৃষ্ণকান্ত অন্তর বুঝই না পার॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
অঙ্গ মোড়াইছে এ ধনি যবে
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৯০২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

অঙ্গ মোড়াইছে এ ধনি যবে।
চমকি নাগর নেহারে তবে॥
অলসে অচল আপন দেহ।
অলপ বিছেদে না বান্ধে থেহ॥
ব্রজ-নব-নারি যে জন প্রাণ।
রাই-অঙ্গ-সঙ্গে নিজ না জান॥
সুকোমল জানি ধনিক গাত।
ঘুমে ঘুমাওত করহি হাত॥
কবহি কন্ঠহি কন্ঠক বোল।
আইহ নিকসে অমিয়া ঘোল॥
এ কিয়ে বদন কছু উঠাই।
ওঠ অধর মিঠ মিঠাই॥
কৈছন অলস নহ নিতান্ত।
ভূরি ভুলল এ কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

অঙ্গ মোড়াইছে এ ধনী যবে।
চমকি নাগর নেহারি তবে॥
অলসে অচল আপন দেহ।
অলপ বিচ্ছেদে না বান্ধে থেহ॥
ব্রজ নব নারী যে জন প্রাণ।
রাই অঙ্গ সঙ্গে নিজ না জান॥
সুকোমল জানি ধনীক গাত।
ঘুমে ঘুমাওত করহি হাত॥
কবহি কন্ঠহি কন্টক রোল।
আইহ নিকসে অমিয়া ঘোল॥
এ কিয়ে বদন কছু উঠাই।
ওঠ অধর মিঠ মিঠাই॥
কৈছন অলস নহ নিতান্ত।
ভূরি ভুলল এ কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
সখীর উক্তি
॥ তথা রাগ॥

অঙ্গ মোড়াইছে এ ধনি যবে।
চমকি নাগর নেহারে তবে॥
অলসে অচল আপন দেহ।
অলপ বিছেদে না বান্ধে থেহ॥
ব্রজ নব নারি যে জন প্রাণ।
রাই অঙ্গ সঙ্গে নিজ না জান॥
সুকোমল জানি ধনিক গাত।
ঘুমে ঘুমাওত করহি হাত॥
কবহি কন্ঠহি কন্ঠক বোল।
কবহি নিকসে অমিয়া ঘোল॥
এ কিয়ে বদন কছু উঠাই।
ওঠ অধর মিঠ মিঠাই॥
কৈছন অলস নহ নিতান্ত।
ভূরি ভুলল এ কৃষ্ণকান্ত॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অঙ্গ মোড়াইছে এ ধনি যবে।
চমকি নাগর নেহারে তবে॥
অলসে অচল আপন দেহ।
অলপ বিছেদে না বান্ধে থেহ॥
ব্রজ নব নারি যে জন প্রাণ।
রাই অঙ্গ সঙ্গে নিজ না জান॥
সুকোমল জানি ধনিক গাত।
ঘুমে ঘুমাওত করহি হাত॥
কবহি কন্ঠহি কন্ঠক বোল।
কবহি নিকসে অমিয়া ঘোল॥
এ কিয়ে বদন কছু উঠাই।
ওঠ অধর মিঠ মিঠাই॥
কৈছন অলস নহ নিতান্ত।
ভূরি ভুলল এ কৃষ্ণকান্ত॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কবরি বিথারিত বালিশ তলপে
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৯০৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

কবরি বিথারিত বালিশ তলপে।
হরি-নীলিম-ভুজ ঠেসন অলপে॥
ধনি-মুখ-মণ্ডল হেরহ সজনী।
ধূসর চাঁদে কি ভেল রজনী॥
উচ-কুচ-কোরক নখরক দাগে।
শ্যাম সাজাওল নিজ-অনুরাগে॥
শিথিল বাহু রহু নাগর-কান্ধে।
মরকতে ঢালল হাটক-ছান্দে॥
বিপুল নিতম্বহি বিগলিত বসনা।
কানুক জানু কতহি ভেল গহনা॥
প্রতি-তনু হেরইতে লাগয়ে চঙ্ক।
সবহুঁ শোহায়ত নাগর-অঙ্গ॥
রতি-রস-আলসে অতিহুঁ বিভোর।
দুহুঁক বিভূষণ দুহুঁ জন-কোর॥
যুগল-কিশোরক অলস বিলাস।
হেরি কি পূরব কৃষ্ণকান্ত-আশ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

কবরী বিথারিত বালিশ তলপে।
হরি নীলিম ভুজ ঠেসন অলপে॥
ধনী মুখ-মণ্ডল হেরহ সজনি।
ধূসর চাঁদে কি ভেল রজনী॥
উচ কুচ কোরক নখর দাগে।
শ্যাম সাজাওল নিজ অনুরাগে॥
শিথিল বাহু রহু নাগর-কান্ধে।
মরকতে ঢালল হাটক-ছান্দে॥
বিপুল নিতম্বহি বিগলিত বসনা।
কানুক জানু কতহুঁ ভেল গহনা॥
প্রতি-তনু হেরইতে লাগয়ে চঙ্ক।
সবহুঁ শোহায়ত নাগর-অঙ্ক॥
রতি-রস-আলসে অতিহুঁ বিভোর।
দুহুঁক বিভূষণ দুহুঁ জন-কোর॥
যুগল-কিশোরক অলস বিলাস।
হেরি কি পূরব কৃষ্ণকান্ত-আশ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
সখীর উক্তি
॥ তথা রাগ॥

কবরি বিথারিত বালিশ তলপে।
হরি নীলিম ভুজ ঠেসন অলপে॥
ধনি মুখ মণ্ডল হেরহ সজনী।
ধূসর চাঁদ কিয়ে ভেল রে রজনী॥
উচ কুচ কোরক নখরক দাগে।
শ্যাম সাজাওল নিজ অনুরাগে॥
শিথিল বাহু রহু নাগর কান্ধে।
মরকতে ঢালল হাটক ছান্দে॥
বিপুল নিতম্বহি বিগলিত বসনা।
কানুক জানু কতহি ভেল গহনা॥
প্রতি তনু হেরইতে লাগয়ে চঙ্ক।
সবহুঁ শোহায়ত নাগর অঙ্গ॥
রতি রস আলসে অতিহুঁ বিভোর।
দুহুঁক বিভূষণ দুহুঁ জন কোর॥
যুগল কিশোরক অলস বিলাস।
হেরি কি পূরব কৃষ্ণকান্ত আশ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৪০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কবরি বিথারিত বালিশ তলপে।
হরি নীলিম ভুজ ঠেসন অলপে॥
ধনি মুখ মণ্ডল হেরহ সজনী।
ধূসর চাঁদ কিয়ে ভেল রে রজনী॥
উচ কুচ কোরক নখরক দাগে।
শ্যাম সাজাওল নিজ অনুরাগে॥
শিথিল বাহু রহু নাগর কান্ধে।
মরকতে ঢালল হাটক ছান্দে॥
বিপুল নিতম্বহি বিগলিত বসনা।
কানুক জানু কতহি ভেল গহনা॥
প্রতি তনু হেরইতে লাগয়ে চঙ্ক।
সবহুঁ শোহায়ত নাগর অঙ্গ॥
রতি রস আলসে অতিহুঁ বিভোর।
দুহুঁক বিভূষণ দুহুঁ জন কোর॥
যুগল কিশোরক অলস বিলাস।
হেরি কি পূরব কৃষ্ণকান্ত আশ॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শীতল সমীর বহত অতি মৃদুতর
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২য়ভাগ ৩২শপল্লব ,অষ্টকালীয়
নিত্য-লীলা, ২৯০৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিহগড়া॥

শীতল সমীর বহত অতি মৃদুতর
.         অলিকুল ফুল পরি গেল।
অণ্ডজ সবহু কবহু ঘন বোলত
.         শচীপতি-দীগ অরুণ-রুচি ভেল॥
.         সখি হে দারুণ বিহিক বিধান।
এ হেন নেহ সিরজি পুন অনুচিত
.        রজনি-শেষ নিরমাণ॥ ধ্রু॥

দুলহ সমীলন বিবিধ বিলাসহি
.        দুহুঁ-তনু দুহুঁ নাহি তেজে।
রস-ভরে সো পুন অতি অবশায়িত
.        অবহি নিধারল শেজে॥
অলসক আধ ভোগ নাহি পুরণিত
.        কৈছে জাগাওব তায়।
কহ কৃষ্ণকান্ত নিতান্ত পুন ঐছন
.        দারুণ গুরু-জন-দায়॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিহগড়া॥

শীতল সমীর,                    বহত অতি মৃদুতর,
অলিকুল ফুল-পরি গেল।
অণ্ডজ সবহুঁ,                        কবহুঁ ঘন বোলত
শচীপতি-দিগ অরুণ-রুতি ভেল॥
সখি হে দারুণ বিহিক বিধান।
এ হেন লেহ,                     সিরজি পুন অনুচিত,
রজনী-শেষ নিরমাণ॥
দুলহ সমীলন,                       বিবিধ বিলাসহি,
দুহুঁ-তনু দুহুঁ নাহি তেজে।
রস-ভরে সো পুন,                  অতি অবশায়িত,
অবহি নিধারল শেজে॥
অলসক আধ,                     ভোগ নাহি পুরলি,
কৈছে জাগাওব তায়।
কহ কৃষ্ণকান্ত,                      নিতান্ত পুন ঐছন
দারুণ গুরু-জন-দায়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৮৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যুগলবিহার
সখীর উক্তি
॥ বিহগড়া॥

শীতল সমীর বহত অতি মৃদুতর        
অলিকুল ফুলদলে চলি গেল।
অণ্ডজ সবহু কবহু ঘন বোলত                
শচীপতি দীগ অরুণ রুচি ভেল॥
সখি হে দারুণ বিহিক বিধান।                
এ হেন নেহ সিরজি পুন অনুচিত        
রজনি শেষ নিরমাণ॥
দুলহ সমীলন বিবিধ বিলাসহি                
দুহুঁ তনু দুহুঁ নাহি তেজে।
রসভরে সো পুন অতি অবশায়িত        
অবহি নিধারল শেজে॥
অলসক আধ ভোগ নাহি পুরণিত        
কৈছে জাগাওব তায়।
কহ কৃষ্ণকান্ত নিতান্ত পুন ঐছন                
দারুণ গুরুজন দায়॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৪১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শীতল সমীর বহত অতি মৃদুতর            
অলিকুল ফুলদলে চলি গেল।
অণ্ডজ সবহু কবহু ঘন বোলত                
শচীপতি দীগ অরুণ রুচি ভেল॥
সখি হে দারুণ বিহিক বিধান।                
এ হেন নেহ সিরজি পুন অনুচিত             
রজনি শেষ নিরমাণ॥
দুলহ সমীলন বিবিধ বিলাসহি               
দুহুঁ তনু দুহুঁ নাহি তেজে।
রসভরে সো পুন অতি অবশায়িত           
অবহি নিধারল শেজে॥
অলসক আধ ভোগ নাহি পুরণিত             
কৈছে জাগাওব তায়।
কহ কৃষ্ণকান্ত নিতান্ত পুন ঐছন                
দারুণ গুরুজন দায়॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জয় জয় কসরব বৃষভানু পুরে
ভণিতা কৃষ্ণকান্ত
কবি কৃষ্ণকান্ত দাস
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন
পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কেবল এই পদটি
পদকল্পতরুতে নেই।

শ্রীরাধিকার জন্মোত্সব
॥ ধানশী - জপতাল॥
.        
জয় জয় কসরব বৃষভানু পুরে।
আনন্দ-অবধি নাহি প্রতি ঘরে ঘরে॥
কীর্ত্তিকা কীর্ত্তিদা বটে গোপ গোপী বলে।
কোন কীর্ত্তি ফলে এই মূর্ত্তিমতী কোলে॥
কেহ বলে বৃষভানু মেনে বটে।
নহিলে বা কার ভাগ্যে হেন কন্যা ঘটে॥
কেহ বলে এ কি কথা চেয়ে দেখ মাই।
ত্রিভূবনে হেন রূপ কোন জনে নাই॥
কূপের ছটা চান্দের ঘটা না পারি লিখিতে।
দেখি আঁখি জুড়াইল পরাণ সহিতে॥
রূপ দেখিতে বুক ভাসিয়ে আনন্দ পাথারে।
আপনি নাচিছে পদ কি আর বিচারে॥
জনমে জনমে যেন হেন নিধি মিলে।
কেহ বলে মনের কথা তুমি সে কহিলে॥
যত সুমঙ্গল আছে করহ নিছনি।
ব্রাহ্মণ আনিয়া দান দেহ রত্ন মণি॥
মগ্ন মনে গোপগণে করে মহোত্সব।
কবে হবে কৃষ্ণকান্তে সে সব সম্ভব॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর