“সুতরাং জানা যাইতেছে যে, রাধামোহন ঠাকুরের গুরুদেব শ্রীনিবাস আচার্য্যের বংশোদ্ভব যে জগদানন্দ ঠাকুর ছিলেন, তাঁহারই পিতা নাম কৃষ্ণপ্রসাদ ঠাকুর বটে। রাধামোহন ঠাকুর কৃষ্ণপ্রসাদের ভণিতা-যুক্ত ৯৪৪ সংখ্যক ( পদকল্পতরুর ) ভালই সময় ছিল যখন শিশুমতি। ইত্যাদি পদটি তাঁহার পদসমুদ্রে উদ্ধৃত করিয়াছেন। সম্ভবতঃ তাঁহার গুরু জগদানন্দ ঠাকুরের পিতা কৃষ্ণপ্রসাদই এই পদের রচয়িতা হইবেন। রাধামোহন ঠাকুর খৃষ্টীয় অষ্টাদশ শতকের প্রথম ও মধ্যভাগে বর্ত্তমান ছিলেন। সুতরাং এই কৃষ্ণপ্রসাদ ঠাকুর সপ্তদশ শতকের শেষ ও অষ্টাদশ শতকের প্রথম ভাগে বর্ত্তমান ছিলেন, এরূপ সিদ্ধান্ত করিলে অসঙ্গত হইবে না।”
কৃষ্ণপ্রসাদ সম্বন্ধে রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রের উদ্ধৃতি - পাতার উপরে . . . রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্র তাঁর ১৯৫৫ সালে, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসীর সঙ্গে সহ-সম্পাদিত ও প্রকাশিত “পদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ডের পদকর্তার পরিচয়ের ১২-পৃষ্ঠায় কৃষ্ণপ্রসাদ সম্বন্ধে লিখেছেন . . .
“শ্রীনিবাস আচার্য্যের বংশোদ্ভব জগদানন্দ ঠাকুরের পিতার নাম কৃষ্ণপ্রসাদ ঠাকুর। সম্ভবতঃ এই কৃষ্ণপ্রসাদই পদকর্ত্তা। রাধামোহন ঠাকুর খৃষ্টীয় অষ্টাশ শতকের প্রথম ও মধ্য ভাগে বর্ত্তমান ছিলেন। ইঁহার গুরু ও পিতৃ- দেব জগদানন্দ ঠাকুরের পিতা ছিলেন কৃষ্ণপ্রসাদ।”