ছট্ পট্ কুসুম শয়ানে ভণিতা পীতাম্বরদাস কবি পীতাম্বর দাস এই পদটি পীতাম্বর দাস দ্বারা সপ্তদশ শতকে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ১৯৪৬ সালে হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, সুকুমার সেন ও প্রফুল্ল পাল দ্বারা সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "অষ্টরস-ব্যাখ্যা ও রসমঞ্জরী”, রসমঞ্জরী-অথ উত্কণ্ঠিতা, ২৮২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এইটিই তাঁর রচিত, একমাত্র প্রাপ্ত পদ। অন্যগুলো তাঁর রসমঞ্জরী গ্রন্থের পয়ার থেকে নেওয়া।
গোপী-যূথেশ্বরী মধ্যে রাধিকা প্রধান কবি পীতাম্বর দাস এই পদটি পীতাম্বর দাস দ্বারা সপ্তদশ শতকে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ১৯৪৬ সালে হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, সুকুমার সেন ও প্রফুল্ল পাল দ্বারা সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "অষ্টরস-ব্যাখ্যা ও রসমঞ্জরী”, রসমঞ্জরী-অথ স্বাধীনভর্ত্তৃকা, ৩১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কুঞ্জাধিরাজমহিষী মুখ্যা বৃন্দাবনেশ্বরী।
গোপী-যূথেশ্বরী মধ্যে রাধিকা প্রধান। সভার অধিক করে তাহার সম্মান॥ বৃন্দাবনেশ্বরী করি রাইকরে বসাইল। রত্নসিংহাসনে তাকে অভিষেক করিল॥ সহচরীগণ মেলি করে উপচার। সুগন্ধি শীতল জল কনকভৃঙ্গার॥ নিজ হাতে কৃষ্ণ তার অভিসেচ কৈল। গন্ধ চন্দন তৈল হরিদ্রা মাখাইল॥ নানা বস্ত্র অভরণ আপনি পরাণ। কুঞ্জে মহিষী নাম কহে সখী বিদ্যমান॥ কুঞ্জ সহরে লীলাঅ কমলাপতি বিহরে। কর সাধে গোপিকা রাজারে॥ ইতি॥ শ্রীশচীনন্দন প্রভু ঠাকুর আমার। পীতাম্বর দাস কহে রসের বিস্তার॥ . ************************* . সূচীতে . . .
বন্দো আমি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য গদাধর কবি পীতাম্বর দাস ১৩৩৩ বঙ্গাব্দে (১৯২৬ খৃষ্টাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশিত, বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ও তারাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য্য সংকলিত, অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ”, ৩য় খণ্ড ২য় সংখ্যায়, পীতাম্বর দাসের “রসমঞ্জরী” পুথির আলোচনায়, ১৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণচরণভ্যাং নমঃ॥
বন্দে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যপ্রিয় গদাধর। বন্দো নিত্যানন্দচন্দ্র অদ্বৈত ঈশ্বর॥ বন্দো আর নরহরি শ্রীরঘুনন্দন। বন্দো গুরূ বৈষ্ণব আর মহাজন॥ শ্রীসচিনন্দন প্রভু ঠাকুর আমার। শ্রীখণ্ড মহাঁস্থানে বসতি জাহাঁর॥ মুগ্ধা মধ্যা প্রগল্ ভা গোপি তৃবিধ প্রকার। প্রাখর্জ্য(র্য্য) মাধবর(র্য্য) সাম্যকগুণ হয়ত জাহার॥ বামা দক্ষিণা ধিরাদি হএত ত্রিভেদ। বিপ্রলম্ভ সম্ভোগ হয় তাহার উদ্ভেদ॥ খণ্ডিতাদি অষ্ট রস তাহাতে জে হয়। অষ্ট অষ্ট চৌসষ্টী রষ তাহার ভেদ কয়॥ রসকল্পবল্লী গ্রন্থে তাহাক অষ্টম কোরকে। তাহার সূক্ষ্ম করি[তে] পিতা আজ্ঞা দিল মোকে॥ তাহার কড়চায় সব আছয়ে বর্ণ্ণন। গ্রন্থবিস্তার হেতু তেহোঁ না কৈল লীখন॥ সেই অষ্ট দলের কথোক মঞ্জরি পাইল। শ্রীরষমঞ্জরি বলি গ্রন্থ জানাইল॥ অভিসারিকা হইতে আগে করিব বর্ণ্ণন। পদ্যক্রমে কহিব সে রষের কারণ॥
এই পদটি পীতাম্বর দাস দ্বারা সপ্তদশ শতকে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ১৯৪৬ সালে হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, সুকুমার সেন ও প্রফুল্ল পাল দ্বারা সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "অষ্টরস-ব্যাখ্যা ও রসমঞ্জরী”, রসমঞ্জরী, ২৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসমঞ্জরী ওঁ নমঃ কৃষ্ণায়
বন্দো আমি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য গদাধর। বন্দো নিত্যানন্দ আর অদ্বৈত ঈশ্বর॥ তবে বন্দো নরহরি শ্রীরঘুনন্দন। বন্দো গুরু বৈষ্ণব যত মহাজন॥ শ্রীশচীনন্দন প্রভু ঠাকুর আমার। শ্রীখণ্ড মহাস্থানে বসতি যাহার॥
অতঃপর কহি কিছু রস বিবরণ। রসিক ভকতগণের জেই প্রাণসম॥
মুগ্ধা মধ্যা প্রগল্ ভা গোপী ত্রিবিধ প্রকার। প্রাখর্য্য মাধুর্য্য সাম্য গুণ হয় যাহার॥ বামা দক্ষিণা ধীরাদি বিভেদ। বিপ্রলম্ভ সম্ভোগ তাহার উদ্ভেদ॥ খণ্ডিতাদি অষ্টরস তাহাতে জন্মএ। আট আট্টে চৌসট্টি তাহার ভেদ হএ॥ রসকল্পবল্লী গ্রন্থের অষ্টম কোরকে। তাহা সূক্ষ্ম করিতে পিতা আজ্ঞা দিল মোকে॥ তাহার করচা কিছু আছিল বর্ণন। গ্রন্থ বিস্তার ভয়ে না কৈল লিখন॥ সেই অষ্টদসের মঞ্জরী কথোক পাইল। রসমঞ্জরী বলি তবে গ্রন্থ জানাইল॥ অভিসারিকা হইতে আগে করি বর্ণন। পদ্যক্রমে কহি কিছু তাহার বিবরণ॥
অভিসারিকাদি রস আট আট করি কবি পীতাম্বর দাস এই পদটি পীতাম্বর দাস দ্বারা সপ্তদশ শতকে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ১৯৪৬ সালে হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, সুকুমার সেন ও প্রফুল্ল পাল দ্বারা সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "অষ্টরস-ব্যাখ্যা ও রসমঞ্জরী”, রসমঞ্জরী-অথ প্রোষিতভর্ত্তৃকা, ৩৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসারিকাদি রস আট আট করি। চৌষট্টি প্রকার কৈল গ্রন্থ রসমঞ্জরী॥ গদ্য পদ্য সঙ্গীতে ইহার প্রমাণে। অবোধ না বুঝে ইহা রসিক সে জানে॥ শ্রীশচীনন্দন প্রভু ঠাকুর আমার। পীতাম্বরদাস কহে রসের বিস্তার॥ রসকল্পবল্লীগ্রন্থে জে অবশিষ্ট ছিল। তাহা বিবরিঞা ইহা বর্ণনা করিল॥