কবি শশিশেখরের বৈষ্ণব পদাবলী
*
শ্রীদাম কহিছে বাণী শুনগো যশোদারাণী
ভণিতা শশী
কবি  শশিশেখর
এই পদটি ১৯২২ সালে, চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত
সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”,
৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীদাম কহিছে বাণী শুনগো যশোদারাণী, নিতি নিতি সভে যাই বনে।
সকল রাখাল মিলি, মাঝে করি বনমালী, ধেনু বত্স চরাই কাননে॥ মোহন
বেণির স্বরে, কত ছান্দে গান করে, জগৎ মোহিত সেই রবে। শুনিয়া বেণুর রব,
দিব্য মূর্ত্তি দেবসব, আসি দরশন কর সভে॥ হংসের উপরে চড়ি, চারি মুখে বেদ
পড়ি, স্তব করে কানায়ের পাশে। কেহ রথে ঐরাবতে, শূন্যপথে বজ্রহাতে,
দেখি মোরা পলাই তরাসে॥ গজমুণ্ড একজন, মুষিকেতে আরোহণ, রক্তবর্ণ
যোগীন্দ্রের প্রায়। বাম ভিতে শিখী পরে, ষড়ানন ধনু ধরে, রূপ দেখি ভুবন
ভুলায়॥ ক্ষিপ্তপ্রায় বৃষোপরে, পঞ্চ মুখে গান করে, দিয়ে শিঙ্গা ডম্বুরে নিশান।
শিরে জটা ত্রিলোচন, ভস্ম আঙ্গে বিভূষণ, সঘনে ডাকয়ে রাম রাম॥ আর জন
দুই দাসী, সকল কাননে আসি, দিব্য বসন পরিধান॥ দুই ভিতে দুই নারি,
মধ্যেতে মুরারি করি, কানায়েরে করয়ে প্রণাম। দশভূজ এক নারি, তুলনা কি
দিতে পারি, দেখি মোরা ডরাই অন্তরে। স্বর্ণ-কান্তি শশিমুখী, ভালে তার তিন
আঁখি, রূপেতে ভুবন আলো করে॥ পরিধান রক্তসাড়ী, দুই করে হেম চুড়ি,
নানাচিত্র সোণার কঙ্কণ। বক্ষেতে কাঁচলি তার, তার মণি মুক্তাহার, ক্ষীণকটি
কিঙ্কিণী আভরণ॥ চড়িয়া সিংহের পরে, খড়গচর্ম্ম অসি ধরে, বাম হাতে ধরে
কার চুল। সে জন অসুর প্রায়, ভুজঙ্গে বেষ্টিত কায়, বুকে তার মেরেছে ত্রিশূল॥
কোলে করি কানায়েরে, ননী দেয় দশ করে, কত ননী খায় তার ঠাঁই। শঠ
অতি বনমালী, কত করে ঠাকুরালী, সুধালে সুধান মানে নাই॥ শশী কহে যত
কথা, পার্ব্বতী পর্ব্বতসুতা. এত স্তুতি করয়ে কিঙ্করে। ওরে কানু পূর বেণু
আনন্দে চরাও ধেনু, কাননে তোদের ভয় কিরে॥

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
*
জীতি কুঞ্জর গতি মন্থর
ভণিতা শশিশেখর
কবি  শশিশেখর
এই পদটি ১৯৮২ সালে বিশ্বভারতী গবেষণা কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের
প্রথমার্ধে অনুলিখিত, ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত,
“শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কুঞ্জর বর    গতি মন্থর    চলত গমন নারী।
বংশীবট    জাবচ তট    বনহি বন হেরি॥
মদনকুঞ্জ    শ্যামকুঞ্জ    রাধাকুঞ্জ তীরে।
দ্বাদশ বন    ফিরত সঘন    শৈলহি কিনারে॥
জাঁহা সব ধেনু রব    তাঁহা চলত    জোরে।
ছিদাম সুদাম    মধুমঙ্গল    দেখত বনবীরে॥
যমুনাতীরে    নীপহি মূলে    ঢুরত বনআরি।
শশিশেখর    ধূলিধূসর    কহত প্যারি প্যারি॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ২৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কলহান্তরিতা।
॥ শ্রীরাগ - জপতাল॥

জিতি কুঞ্জর                গতি মন্থর,
গমন করত নারী।
বংশী-বট                    যাবচ তট
বনহি বন নেহারি॥
শ্যাম-কুণ্ড                      মদন-কুণ্ড
শ্রীরাধা-কুণ্ড তীরে।
দ্বাদশবন                    হেরত সঘন
শৈলহুঁ কিনারে॥
যাঁহা সব                      ধেনু চরত
তাঁহা চলত জোরে।
শ্রীদাম সুদাম              দাম বসুদাম
দেখত বলবীরে॥
যমুনা কূলে                    নীপহু মূলে
লুঠত বনোয়ারী।
শশি শেখর                    ধূলি ধূসর
কহত প্যারী প্যারী॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”,
৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কৃষ্ণ অন্বেষণে বৃন্দাদূতীর গমন।

জীতি কুঞ্জর                গতি মন্থর,
গমন করত নারী।
বংশী বট,                  যাবচ তট,
বনহী বন হেরি॥
শ্যাম কুণ্ড                    মদন কুঞ্জ
রাধা কুণ্ড তীরে।
দেখে দ্বাদশবন            হোরত সঘন
সইলহু কিনারে॥
যাঁহা সব                      ধেনু রব
তাঁহা চলত জোরে।
দেখে শ্রীদাম                সুদাম মধু
মঙ্গল দেখত বলবীরে॥
যমুনা কূলে                নীপহু মূলে
পড়িরহু বনয়ারী।
শশিশেখর,                ধূলি ধূসর,
জপতহি প্যারি প্যারি॥

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
*
খল সংহতি সরলা জন জীবন শর ভেল
ভণিতা শশিশেখর
কবি  শশিশেখর
এই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ১২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সঞ্চারি বেহাগ - জপতাল॥

খল সংহতি,                   সরলা জন,
জীবন-শর ভেল।
প্রতি ঘরে ঘরে,                উঠল রব,
কানু সনে মেল॥
অলপ বয়েসে নয়ান ভঙ্গ
বিপদে পড়ল তোসব সঙ্গরে,
কিয়ে কাল পঙ্কে ডারসুঁ,
.                        শঙ্কা দূরে গেল।
শাশুড়ি কটি বিকট ভাষ,
ননদি অতি দেয় তরাস
ঘরে ঘরে মোর সবহু বৈরী,
.                        মমতা দূরে গেল॥
(যদি) কাহুক বদনে শ্যামের নাম,
না শুনি তবে জ্বলত প্রাণ,
আন কহিতে কহিয়ে আন,
.                        ধৃতি মতি দূরে গেল।
(যদি) কাহুক বদনে শ্যামের নাম,
শুনি তবে মোর উলসিত প্রাণ,
শশি শেখর চিত অভিমত,
.                        সরম ভরম গেল॥

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
*
ও শঠ লম্পট কোটি নটিনী ভট
ভণিতা শশিশেখর
কবি  শশিশেখর
এই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ১৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সখীর উক্তি।
॥ ললিত - তেওট॥

ও শঠ লম্পট                    কোটি নটিনী ভট
রাই নিয়ড়ে মতি যাহ।
কহিলাম বেরি বেরি            ওথা না যাইহ হরি
যদি নিজ মরিযাদ চাহ॥
তোহে কহুঁ করি নিজ দীব।
তোহে হেরি সিন্দরী                 মোরে পাঠায়ল
আওয়ে মতি হামারি সমীপ॥
ইথে যদি যাওবি                   কলহ বাঢ়ায়বি
বৈরি হাসায়বি প্রাতে।
রোই রোই যাওবি                   থেহ না পাওবি
কর অবলম্বন মাথে॥
এত কহি সো সখি                তাহি চলল ফেরি
কানু চলত তছু সাথ।
কহে শশি শেখর                 লাজ নাহি যাকর
তা সঞে কিয়ে আর বাত॥

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
*
যত ব্রজবালা আইলা দেখিবারে রাই
ভণিতা শশীশেখর
কবি  শশিশেখর
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন
পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার জন্মোত্সব।
॥ বালা ধানশী - একতালা॥

যত ব্রজবালা আইলা দেখিবারে রাই।
কৃষ্ণ কোলে করে আইল যশোমতী মাই॥
কোলে হইতে গোপালে রাখিয়া ভূমিতলে।
যশোদায় কীর্ত্তিকা দুঃখ কান্দি কান্দি বলে॥
হামাগুড়ি ধীরে ধীরে যাইয়া মুরারি।
এলাম আমি নয়নকোণে হেরহে কিশোরী॥
রাই হিয়ায় হাত দিয়া রহিলেন হরি।
রাধিকা চাহিয়া দেখে ওরূপ মাধুরী॥
হেনকালে দেখিয়া যশোদা নন্দরাণী।
আই আই বলে কোলে নিল নীলমণি॥
নিরমল আঁখি দেখি কীর্ত্তিকা বিহ্বলা।
গোপালে আদরে দিল কাঞ্চনের মালা॥
পুরাইল গোপাল তোমার আমার বাসনা।
এ শশীশেখর দিল নগরে ঘোষণা॥

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
*
দধি মন্থ ধ্বনি শুনইতে নীলমণি
ভণিতা শশীশেখর
কবি  শশিশেখর
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা।
॥ মায়ূর - দশকুশী॥

দধি মন্থ ধ্বনি                  শুনইতে নীলমণি
আওল সঙ্গে বলরাম।
যশোমতী হেরি মুখ          পাওল মরমে সুখ
চুম্বয়ে চাঁদ বয়ান॥
কহে শুন যদুমনি,        তোরে দিব ক্ষীর ননী,
খাইয়া নাচহ মোর আগে।
নবনী লোভিত হরি,         মায়ের বদন হেরি,
কর পাতি নবনীত মাগে॥
আদি অনাদি,                 পরম পুরুষোত্তম,
কপট বালক বেশ ধরি।
চারি বেদ যার,                 অন্ত না পাওত,
সো হরি নবনী-ভিখারী॥ ধ্রু॥
নাচ লালন                          মোরি বচন,
হেরি অঙ্গন মাঝে।
কটী মাঝহি,                        ঘাঘর ঘুঙুর,
অতি সুমধুর বাজে॥
পদ পঙ্কজে,                        নুপুর বাজে,
ধরি পঞ্চম তান।
ভালো শোভে,                        অলকাবৃত,
হেরি জুড়াওত প্রাণ॥
সেবি শঙ্কর,                         দেব দিগম্বর,
দিয়া ঘৃত গঙ্গানীরে।
উড়ি তণ্ডুল,                          শ্রীফল দল,
দিয়াছিলাম শিবের শিরে॥
নয়ন কমল,                        ও মুখ মণ্ডল,
হেরি জুড়াওত আঁখি।
খাও মাখন,                          মেরি বচন,
শশীশেখর সাখী॥

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
*
ধনি চলিল রে
ভণিতা শশীশেখর
কবি  শশিশেখর
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৫১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মিশ্র বিভাস - যপতাল॥

ধনি, চলিল রে---
ধনির কেশরী জিনিয়া মাঝহি খীনী,
তাহে শোভিছে কিঙ্কিনী
চরণ কমলে নূপুরের ধ্বনি,
.                কুণু ঝুণু রুণু তানরে।
নীল বসন উড়ানী গায়,
মেঘেতে বিজরী লুকায়ে যায়,
নীল কমল রচিত হার,
.                হিয়া মাঝে অনুপাম রে।
মুখ মণ্ডল শশী উজোর,
ভরমে ধাওল চকোর রে,
উড়ি পড়ত হ’য়ে বিভোর,
.                মাগে পীযূষ দানরে।
পরিমল পাই ব্রমর পুঞ্জ
বৈঠত আসি চরণে
মন্দ মন্দ মধুর গুঞ্জ
.                লুব্ধ মধু পান রে।
পথে পরমাদ হেরিয়া রাই
বসনে ঝাঁপয়ে বদন খানি,
হেরি হসত সখিনি বৃন্দ
.                করত সাবধান রে।
ভাবিতে ভাবিতে বঁধুর কথা,
আপনি কহে আপন মনে
এস এস ওহে পরাণ বঁধুয়া
.                নিয়রে বৈস কানরে।
শুনিয়া কহত ললিতা সখী,
ধনি ধনি অনুরাগিনি,
শশিশেখর হেরিয়া বিভোর
.                সফল জনম মানরি।

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
*
কাহা নন্দকুলচন্দ্র শিখি পুচ্ছধারী
ভণিতা শশীশেখর
কবি  শশিশেখর
এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ করুণাশ্রী॥

কাহা নন্দকুলচন্দ্র শিখি-পুচ্ছধারী।
মরকত কান্তি কাহা নয়নসুখকারী॥ কাহা
মন্দ মুরলীবর যুরতী চিতহারী। কাহা
রাসরস নৃত্য কাননবিহারী॥ কাহা নিখিল
রোগহর জীবন রক্ষৌষধি। কাহা তোহারি
বন্ধু সখী আমার সেই মহানিধি॥ কাহা
মদন গর্ব্ব হর প্রেম অভিলাষী। কাহা
রসিকনাগর গুরু গিরীন্দ্রবিলাসী॥ কাহা
পীতবসন পরিধান গুণরাশি। শশিশেখর
কহই নব রঙ্গ পরকাশি॥

ই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ৪৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ করুণাশ্রী॥

কাহাঁ নন্দকুল-চন্দ্র শিখি-পিচ্ছধারী।
মরকত-কান্তি কাহাঁ নয়নসুখ-কারী॥
কাহাঁ মন্দ-মুরলীবর যুরতী-চিতহারী।
কাহাঁ রাস-রস-নৃত্য কানন-বিহারী॥
কাহাঁ নিখিলরোগহর জীবনরক্ষৌষধি।
কাহাঁ মোর বন্ধু সখী সুহৃৎ মহানিধি॥
কাহাঁ মদন-গর্ব্বহর প্রেম-অভিলাষী।
কাহাঁ রসিক-নাগর গুরুগিরীন্দ্র-বিলাসী॥
কাহাঁ পীতবসন-পরিধান গুণরাশি।
শশিশেখর কহই নব রঙ্গ পরকাশি॥

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর