কবি তরুণীরমণের বৈষ্ণব পদাবলী
*
অম্বর হেরি হরল ধনি সম্বিত
অম্বর হেরি হল ধনি সম্বিত
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত,
ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,
১২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ অথ পদং॥

অম্বর হেরি হরল ধনি সম্বিত কম্পিত খল খল অঙ্গ।
বাহু পসারি ধাই ধরু কাকরু, কো জানে মদনতরঙ্গ॥
সুন্দরি হাসি বচন কহু থোর।
নীল অঞ্চল লই, সঘনে আলিঙ্গই, নয়নে নিঝরে ঝরু লোর॥ ধ্রু
কি শুনিনু কি পেখিনু কো জানে ঐছনে পুন কহে বাত।
দরশনে পরশ সব সমুঝ মানস, কোই কহবি হাতে হাত॥
অধোমুখ হোই রহই দিন যামিনী, ভাবিনী ভাব গভীর।
তরুণীরমণে ভণে, মরমহি জাগত, অদভুত শ্যাম শরীর॥

ই পদটি ১৯১৯ সালে (১৩২৬বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত “সাহিত্য পরিষৎ
পত্রিকা”-র ৪র্থ সংখ্যায়, তারকেশ্বর ভট্টাচার্য্যর “তরুণীরমণের পদাবলী” প্রবন্ধের ২১০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

পূর্ব্ব-রাগ

অম্বর হেরি                          হল ধনি সম্বিত
ঘন ঘন কম্পিত অঙ্গ।
বাহু পসারি                        ধাই ধরু কা করু
কো বুঝে মরম তরঙ্গ॥
সুন্দরী হাসি বচন কহু থোর।
নীল অঞ্চল লই                    সঘনে আলিঙ্গই
নয়নে নিঝরে ঝরু লোর॥ ধ্রু।
কি শুনিনু কি পেখনু              কে জানে কৈছন
ঐছন পুন কহে বাত।
দরশনে পরশ                     সরস মঝু মানস
কোই করব হাতে হাত॥
অধমুখ হোই                     রহই দিন-যামিনী
ভাবিনী ভাব গভীর।
তরুণীরমণ ভণ                     মরমহি জাগত
অদভুত শ্যাম শরীর॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
নিশি দিন ভাবি ভবনে ধনি রহই
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,১২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্রৈব॥

নিশি দিন ভাবি ভবনে ধনি রহই।
দারুণ মদন দহনে তনু দহই॥
সুন্দরী আকুল পরাণ।
মরমকি দুঃখ, কোই নাহি জানত,
ক্ষেণে তনু কম্পই ঝম্পই কাম॥
মনে মনে সঘনে জপই প্রিয় নাম।
কানু কলপতরু, যো তনু উজর,
সঙরিতে মনহি নয়নে বহে নীর॥
সখীগণ পরশে স্ববশ যদি হই।
মনমথ হৃদয় বিদারই সোই॥
রেণু পর পতই সুতই ক্ষিতি মাঝ।
উঠইতে লুঠই ঘটহ বহু লাজ॥
সখীগণ পেখি নিমিখ নাহি ছোড়।
তরুণীরমণ ভণে ক্ষণ তনু মোড়॥

ই পদটি ১৯১৯ সালে (১৩২৬বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত
“সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা”-র ৪র্থ সংখ্যায়, তারকেশ্বর ভট্টাচার্য্যর “তরুণীরমণের পদাবলী”
প্রবন্ধের ২১১-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পূর্ব্ব-রাগ

নিশি দিন ভাবি ভবনে ধনী রহই।
দারুণ মদন দহনে তনু দহই॥
সুন্দরী আকুল পরাণ।
মরমকো দুখ কোই নাহি জান॥
খেণে তনু কম্পই ঝম্পই কাম।
মনে মনে সঘনে জপই প্রিয়নাম॥
কানু কল্পতরু        তনু উজর।
স্মরিতে মনহি নয়নে বহে নীর॥
সখিগণ পরশে সরস যদি হোয়ী।
মনমথ হৃদয়ে বিদারই সোই॥
রেণুপর পতই সুতই খিতিমাঝ।
উঠইতে লুটই ঘটই বহু লাজ॥
সখিগণ পেখি নিমিখ নাহি ছোড়।
তরুণীরমণ ভণ ঘন তনু মোড়॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
রাইকো পেখি উপেখি জগ ভাবিনী
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”, ১২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কৃষ্ণস্য পূর্ব্বরাগঃ
॥ অন্যত্র চ॥

রাইকো পেখি উপেখি জগ ভাবিনী ভাবি রহই হৃদি মাঝ॥
এ অতি অপরূপ, কো নিরমায়ল কো বিধি বিদগধ রাজ।
মাধব মদনবেদনে তনু ভোর।
ক্ষেণে ক্ষেণে উঠই, চমকি মহী লুঠই, সুবল সখা করু কোর॥
মরম সখা সঞে, সকল নিবেদয়ে, কি ভেল পাপ পরাণ।
গোরিমুখ নিরখি, তরখি জিউ যায়ত, কতহি করব সাবধান॥
তরুণিম অধব, সুধা কত বরিখত, বচন অমিঞা তছু মাঝ।
হেন মনে হোই, চরণে ধরি রোদই, পরিহরি পৌরুষ লাজ॥
যো নাহি পাওল, বিধি না ঘটায়ল, পুন যদি অন্য কোন হোয়।
তরুণীরমণ ভণ, এই নিবেদন, আনি মিলায়বি মোয়॥

ই পদটি ১৯১৯ সালে (১৩২৬বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত
“সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা”-র ৪র্থ সংখ্যায়, তারকেশ্বর ভট্টাচার্য্যর “তরুণীরমণের পদাবলী”
প্রবন্ধের ২১১-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কৃষ্ণস্য পূর্ব্বরাগঃ

রাইকো পেখি, উপেখি জগ ভাবিনি, ভাবি বহই হৃদিমাঝ।
এ অতি অপরূপ, রূপসি নিরমায়ল, কো বিধি বিদগধরাজ।
মাধব, মদন বেদনে তনু ভোর।
খেনে খেনে উঠই, চমকি মহী লোটই, সুবল সখা করু কোর॥
মরম-সখা সঞে, সকল নিবেদল, কিয়ে ভেল পাপ পরাণ।
গুরিমুখ নিরখিত, রখি জীউ জায়ত, কতহি করব সাবধান॥
অরুণিম অধরে, সুধা কত বরিখত, বচন অমিয়া তছু মাঝ।
হেন মনে হোই, চরণে চরণে ধরি, রোদই পরিহরি পৌরুষ লাজ॥
যো নাহি পায়ল, বিহি নাষ্টায়ল, পুন যদি অনুকুল হোয়।
তরুণীরমণ ভণ, এহি নিবেদন, আনি মিলায়বি মোয়॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
শুনহে সুবল সখা আর কি পাইব দেখা
সুন হে সুবল সখা আর কি হইবে দেখা
শুন হে সুবল সখা আর কি হইবে দেখা
ভণিতা তরুণীরমণ, তরণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত,
ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,
১৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্রৈব॥

শুনহে সুবল সখা,                       আর কি পাইব দেখা,
পাশরিতে নারি সুধামুখী।
একথা কহিব কায়,                       কেবা পরতিত যায়,
মোর প্রাণ আমি তার সাখী॥
সখা, ভাবিতে ভাবিতে তনু শেষ।
যদি কার্য্য নহে সিদ্ধি,                না জানি কি করে বিধি,
অনলে করিব পরবেশ।
শুনিয়া সুবল কর,                        আর না করিহ ভয়,
অবিলম্বে আনি দিব তোরে।
পূরাব মনের আশ,                     তবে সে জানিবে দাস,
বিলাস করিবে রসভরে॥
কর যোড় করি শ্যাম,                     সখায় করে পরণাম,
ইহ লোকে তুমি মোর বন্ধু।
তরুণীরমণে বলে,                         রাখ রাঙ্গা পদতলে,
এবার তরাহ ভবসিন্ধু॥

ই পদটি ১৯১৯ সালে (১৩২৬বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত “সাহিত্য পরিষৎ
পত্রিকা”-র ৪র্থ সংখ্যায়, তারকেশ্বর ভট্টাচার্য্যর “তরুণীরমণের পদাবলী” প্রবন্ধের ২১২-পৃষ্ঠায়, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

কৃষ্ণস্য পূর্ব্বরাগঃ

সুন হে সুবল সখা                     আর কি হইবে দেখা
পাসরিতে নারি সুধামুখি।
ই কথা কহিব কারে                   কে বা পরতিত জায়
মোর প্রাণ আমি তার সাখি॥
সখী হে, ভাবিতে ভাবিতে তনু সেস॥
যদি কার্য্য হয় সিদ্ধি                 না জানি কি করে বিধি
আনলে করিব পরবেশ॥
শুনিয়া সুবল কয়                        কিছু না করিহ ভয়
অবিলম্বে আনি দিব তারে।
পূরাব মনের আস                     তবে সে জানিবে দাস
বিলাস করিবে রসভরে॥
কর জোর করি শ্যাম                    সখাএ করে পরনাম
ইহ লোকে তুমি মোর বন্ধু।
তরুণীরমণ বলে                         রাখ রাঙ্গা পদতলে
এ বার তরাহ ভবসিন্ধু॥

ই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ১৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদরসসার পুথির পদ।

[ শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ ]
॥ গান্ধার॥

শুন হে সুবল সখা                     আর কি হইবে দেখা
পাসরিতে নারি সুধামুখী।
এ কথা কহিব কায়                     কেবা পরতীত যায়
মোর প্রাণ আমি তার সাখী॥
সখা ভাবিতে ভাবিতে তনু শেষ।
না জানি কি করে বিধি         যদি নহে কার্য্য-সিধি        
আনলে করিব পরবেশ॥ ধ্রু॥
শুনিয়া সুবল কয়                        কিছু না করিহ ভয়
অবিলম্বে আনি দিব তারে।
পূরাব তোমার আশ                   তবে সে জানিবে দাস
বিলাস করিবে রস-ভরে॥
কর-যোড় করি শ্যাম                    সখারে করে পরণাম
ইহ লোকে তুমি মোর বন্ধু।
তরণীরমণে বলে                         রাখ রাঙ্গা-পদ-তলে
এবার তরাও ভব-সিন্ধু॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
৫৩২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ
॥ গান্ধার॥

শুন হে সুবল সখা                       আর কি হইবে দেখা
পাসরিতে নারি সুধামুখী।
এ কথা কহিব কায়                       কেবা পরতীত যায়
মোর প্রাণ আমি তার সাখী॥
সখা ভাবিতে ভাবিতে তনু শেষ।
না জানি কি করে বিধি                যদি কার্য্য নহে সিধি
আনলে করিব পরবেশ॥ ধ্রু॥
শুনিয়া সুবল কয়                        কিছু না করিহ ভয়
অবিলম্বে আনি দিব তারে।
পূরিবে তোমার আশ                  তবে সে জানিবে দাস
বিলাস করিবে রসভরে॥
কর-যোড় করি শ্যাম                   সখারে করে পরণাম
ইহলোকে তুমি মোর বন্ধু।
তরণীরমণে বলে                         রাখ রাঙ্গা পদতলে
এবার তরাও ভবসিন্ধু॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২১৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শুন হে সুবল সখা আর কি হইবে দেখা                        
পাসরিতে নারি সুধামুখী।
এ কথা কহিব কায় কেবা পরতীত যায়                        
মোর প্রাণ আমি তার সাখী॥
সখা ভাবিতে ভাবিতে তনু শেষ।                             
না জানি কি করে বিধি যদি কার্য্য নহে                        
সিধি আনলে করিব পরবেশ॥
শুনিয়া সুবল কয় কিছু না করিহ ভয়                          
অবিলম্বে আনি দিব তারে।
পূরিবে তোমার আশ তবে সে জানিবে                        
দাস বিলাস করিবে রসভরে॥
কর যোড় করি শ্যাম সখারে করে পরণাম                   
ইহলোকে তুমি মোর বন্ধু।
তরণীরমণে বলে রাখ রাঙ্গা পদতলে                         
এবার তরাও ভবসিন্ধু॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
সুরচন বেশ বয়স নবকৈশোর
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,১৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ অথ কৃষ্ণাভিসার পদং॥

সুরচন বেশ, বয়স নবকৈশোর, আভরণে ঝলমল অঙ্গ।
চন্দ্রকোটি জিতি, বদন সুউজ্জ্বল, সুরেশ্বরী নয়ন তরঙ্গ॥
মাধব কুঞ্জে করল অভিসার।
জয় বলি জগত, পূরল জগমোহন, মুরলী তান ফুকার।
সহচরী সঙ্গে, রঙ্গে সুবলাদয়ঃ, কুঞ্জে করল পরবেশ।
কৈছন মিলব সোবর নাগরী, ঐছে মাগত উপদেশ॥
উপজব সুখ দুঃখ, সব বিমোচব, কোন কামিনী অবলম্ব।
প্রথম সমাগম ভয় রহু ভাবই, তরুণীরমণ মন কম্প॥

ই পদটি ১৯১৯ সালে (১৩২৬বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত
“সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা”-র ৪র্থ সংখ্যায়, তারকেশ্বর ভট্টাচার্য্যর “তরুণীরমণের পদাবলী”
প্রবন্ধের ২১২-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সংক্ষিপ্ত মিলন
কৃষ্ণাভিসার

সুরচন বেশ, বয়েস নব কৈশোর, আভরণে ঝলমল অঙ্গ।
চন্দ্র কোটি জিনি, বদন সুউজ্জ্বল, সুরেশ্বর নয়ান তরঙ্গ॥
মাধব কুঞ্জে করল অভিসার।
জয় বলি জগত, পুরল জগমোহন, মুরলী ফুকার।
সহচর সঙ্গে, রঙ্গে সুবলাদয়, কুঞ্জে করল পরবেশ।
কৈছন মিলব, সো বর নাগরী, ঐছে মাগত উপদেশ॥
উপজব সুখ, দুখ সব বিমোচব, কোন কামিনি অবলম্ব।
প্রথম সমাগম, ভয় বহু ভাবই, তরুণীরমণ তনু কম্প॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
শুন ধনি রমণীর শিরোমণি রাধে
সুন ধনি রমণী-সিরমণি রাধে
শুন ধনি রমণিশিরোমণি রাধে
ভণিতা তরুণীরমণ, তরণীরমণ        
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,১৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ অন্যত্র॥

শুন ধনি, রমণীর শিরোমণি রাধে।
হেরইতে কাণু করল তোহেঁ সাধে॥
কালিন্দীক সলিলে সব তঁহু যাত।
কাঁখ হি কুম্ভ সখীগণ সাঁত॥
যব যমুনাকো তীরে তঁহু গেল।
মাধব তবহিঁ তরুতলে থেল॥
যই ক্ষণে হেরল তোমা মুখচান্দে।
যামিনী দিন অঝরে ঝরু কান্দে॥
উচল কুচযুগে হাব উজোর।
স্মঙরিতে কম্পিত নন্দকিশোর॥
রামকলদী উরু পদ নখদ্বন্দ্ব।
সঘনে ফুকারই ব্রজকুল বন্ধু॥
অতিসরু সুন্দরি না করু বিলম্ব।
যদি জিয়ে মাধব তুয়া অবলম্ব॥
তরুণীরমণে ভণে বিহিক বিধান।
দরিদ্রে যৈছে করবি হেম দান॥

ই পদটি ১৯১৯ সালে (১৩২৬বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত
“সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা”-র ৪র্থ সংখ্যায়, তারকেশ্বর ভট্টাচার্য্যর “তরুণীরমণের পদাবলী”
প্রবন্ধের ২১৩-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কৃষ্ণস্য দূতীগমনম্

সুন ধনি রমণী-সিরমণি রাধে।
হেরইতে কাণু করল তোহে সাধে॥
কালিক (?) নিলয় জব যাত।
কাঁখে কুম্ভ সখিগণ সাঁথ॥
যব জমুনা তিরে তহু গেল।
মাধব তবহি তরুতলে খেল॥
জেই খনে হেরল তুয়া মুখচান্দ।
জামিনি দিন আ-রে (?) ঝরু কান্দ॥
উচল কুচযুগে হারয়ো জোর।
সঙরিতে কম্পিত নন্দকিশোর॥
রাম-কলদী উরু পদনখ ইন্দু।
সঘনে ফুকারই ব্রজকুল বন্ধু॥
অভিসর সুন্দরি না করু বিলম্ব।
যদি জিয়ে মাধব তুয়া অবলম্ব॥
তরুণীরমণ ভণ বিহিক বিধান।
দারিদ্রে যৈছে করবি হেমদান॥

ই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ১৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদরসসার পুথির পদ।

[ শ্রীকৃষ্ণের শ্রীকৃষ্ণের আপ্ত-দূতী ]
॥ বরাড়ী॥

শুন ধনি রমণি-শিরোমণি রাধে।
হেরইতে কাণু করল বহু সাধে॥
যব যমুনা তুহুঁ নাহিতে গেল।
মাধব তব তহি তরু-তলে খেল॥
যৈখনে হেরল তুয়া মুখ-চাঁদ।
যামিনি দিনু@ ঝুরে রি রি কান্দ॥
ঊচল-কুচ-যুগ হাব উজোর।
সোঙরিতে কম্পিত নন্দ-কিশোর॥
রাম-কদলি উরু পদ-নখ ইন্দু।
সঘনে ফুকারই ব্রজ-কুল-বন্ধু॥
অভিসর সুন্দরি না কর বিলম্ব।
মাধব যদি জিয়ে তব অবলম্ব॥
তরণিরমণ ভণ বিহিক বিধান।
দারিদ্রে যৈছে করল হেম-দান॥

@ - অপাঠ্য অক্ষর।
এই দুটি কলি এখানে নেই . . .
কালিন্দীক সলিলে সব তঁহু যাত।
কাঁখ হি কুম্ভ সখীগণ সাঁত॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ
॥ বরাড়ী॥

শুন ধনি রমণিশিরোমণি রাধে।
হেরইতে কানু করল বহু সাধে॥
যব যমুনা তুহুঁ নাহিতে গেল।
মাধব তব তহি তরুতলে খেল॥
যৈখনে হেরল তুয়া মুখচান্দ।
যামিনি দিনুয়া ঝুরি ঝুরি কান্দ॥
উচল কুচযুগ হার উজোর।
সোঙরিতে কম্পিত নন্দকিশোর॥
রামকদলি ঊরু পদনখ ইন্দু।
সঘনে ফুকারই ব্রজকুলবন্ধু॥
অভিসর সুন্দরি না কর বিলম্ব।
মাধব যদি জিয়ে তব অবলম্ব॥
তরণীরমণ ভণ বিহিক বিধান।
দারিদে যৈছে করল হেমদান॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ২১৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শুন ধনি রমণিশিরোমণি রাধে।
হেরইতে কানু করল বহু সাধে॥
যব যমুনা তুহুঁ নাহিতে গেল।
মাধব তব তহি তরুতলে খেল॥
যৈখনে হেরল তুয়া মুখচান্দ।
যামিনি দিনুয়া ঝুরি ঝুরি কান্দ॥
উচল কুচযুগ হার উজোর।
সোঙরিতে কম্পিত নন্দকিশোর॥
রামকদলি ঊরু পদনখ ইন্দু।
সঘনে ফুকারই ব্রজকুলবন্ধু॥
অভিসর সুন্দরি না কর বিলম্ব।
মাধব যদি জিয়ে তব অবলম্ব॥
তরণীরমণ ভণ বিহিক বিধান।
দারিদে যৈছে করল হেমদান॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
নবযৌবনী ধনি রমণীর শিরোমণি
নব জৌবনি ধনি রমণির শিরমণি
ভণিতা তরুণীরমণ        
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,১৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ অথ রাধিকাভিসার॥

নবযৌবনী ধনি, রমণীর শিরোমণি, অভিসরু সখীগণ সঙ্গ।
নব নব বসন, ভূষণ মণি আভরণ, বরণ পীতগুণ অঙ্গ॥
সুন্দরী কুঞ্জে করল অভিসারে।
একে নবযৌবনী, আর কুলকামিনী, ঘন ঘন দিক নেহারে॥
তব বনিতাচয়, সমীর সমাগম, যনু মন যাতহিঁ বাই।
পতিত পত্র সরস সুপদ ধ্বনি, ঘন তনু কম্পিত রাই॥
ফণিগণ বদনে, মণিগণ নিকসই, হেরইতে চমকই রামা।
দীপ ভরমে ধনি, মরমে বিয়াকুলি, সকল সখী এক ঠামা॥
বাজত বঙ্ক রতনমণি কিঙ্কিণী, কঙ্কণ করু সাবধানে।
অলখিতে ভাবিনী, গজগতি গামিনী, চলনে কোই নাহি জানে॥
গত সঙ্কেত, চেত রহিত চিত, হরষ দরশ রস মন্দ্রে।
তরুণীরমণে ভণে, কাণু বিলাসিনি, ধাই ধর যাই চন্দ্রে॥

ই পদটি ১৯১৯ সালে (১৩২৬বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত
“সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা”-র ৪র্থ সংখ্যায়, তারকেশ্বর ভট্টাচার্য্যর “তরুণীরমণের পদাবলী”
প্রবন্ধের ২১৩-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কৃষ্ণস্য দূতীগমনম্

নবজৌবনি ধনি, রমণির শিরমণি, অভিসরু সখিগণ সঙ্গ।
নব নব বসন, ভূষণ মণি আভরণ, বরণ পীতো গুণ অঙ্গ॥
সুন্দরী কুঞ্জে করল অভিসারে।
একে নব কামিনী, নব অনুরাগিণি, ঘন ঘন দীগ নেহারে॥
তরুর লতাচয়, সমির সমাগম, জনু মনু জত হি রাই।
পতিত পত্র, পরস সুন পদ কুনি (?), ঘন কম্পিত রাই॥
ফণিগণ বদনে, মণিগণ নিকসই, হেরইতে চমকিত বামা।
দিপ ভরমে ধনি, মরমে বিয়াকুলি, সকল সখি এক ঠামা॥
বাজল বঙ্ক, রতন মণি কিঙ্কিণী, ... ... ... ... করু সাবধানে।
অলখিতে ভাবিনী, গজগতি গামিনী, চললহি কোহি নাহি জানে॥
গত সঙ্কেত, চেত রহিত চিত, হরস দরস রস মন্ত্রে।
তরুণীরমণ ভণ, কহ্নু বিধুন্তুদ, ধাই ধরল যেন চন্দ্রে॥

... ... ... - অপাঠ্য।

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
উনমত মাধব মনোরথে ভোর
ভণিতা তরুণীরমণ        
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,১৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্র পদং॥

উনমত মাধব মনোরথে ভোর।
বাহু পসারি যুবতী লই কোর॥
ধনি ভেল চমকিত ঘন বহে শ্বাস।
নাগর হেরি পায়ল বহু ত্রাস॥
ধনি নাহি জানত পুরুষকি সঙ্গ।
কৈছে আলাপন কৈছন রঙ্গ॥
কাণু নয়ন ফণী গরল উগার।
পরশে বিরস তনু পাবক বিকার॥
মরি মরি বচন মরণ সম জান।
ছি ছি কি লাগি ইহ করলু পয়ান॥
যেন কদলীদল কলেবর কাঁপি।
বিমুখে রহল ধনি সকল তনু ঝাঁপি॥
হেরইতে কাতর নাগর চাঁদ।
মৃগিণী লাগি কাছে পাতলি ফাঁদ॥
তরুণীরমণে ভণে শুনহ কানাই।
পহিলকি রীত হয়ত সব ঠাঁই॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
যতন করিয়া হরি অমিয়া পিয়ারলি
ভণিতা তরুণীরমণ        
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,১৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যতন করিয়া হরি, অমিয়া পিয়ায়লি, গরল বলিয়া ধনি ভাবি।
সুশীতল ঠাম, অনল বলি তেজই, কৈছন বুঝই না পারি॥
সুন্দরী কমল ফণা করি জান।
পরশিতে লম্ফ, কম্পই ঝম্পই, পড়তহি থান বিথান॥
পুণমিক জানি, চকোরবর মাতল, প্রতিপদ সো ভৈ গেল।
শ্যামরু মুখ হেরি, সহচরী বোলত, মরণ সমান পুন ভেল॥
অসময় সময়, দ্বিগুণ দুঃখে জারল, জাগি রহল পাঁচবাণ।
তরুণীরমণে ভণে, কাহে কহব দুঃখ, বিষামৃতে একই সমান॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
যতনে রাই লই মন্দিরে গেল
যতনে রাই লেই মন্দিরে গেল
ভণিতা তরুণীরমণ        
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,১৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যতনে রাই লই মন্দিরে গেল।
নিজ নিজ সেবন সখীগণে কেল॥
নিচলে রহই ধনি হোই সুধীর।
অন্তর গর গর কপট বাহির॥
কাণু পরশ রস যদি নাহি জান।
দবশে হরষ মন সরস নয়ান॥
ভাবি ভবনে ধনি হৃদয় বিথার।
বিরস লাজ ভয় তাহা অনিবার॥
তরুণীরমণ ভণ অভিনব রস।
পঁহিল কি রীত যুবতী অপযশ॥

ই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ১৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদরসসার পুথির পদ।

[ সম্ভোগ ]
॥ ধানশী॥

যতনে রাই লেই মন্দিরে গেল।
নিজ নিজ সেবন সখিগণ কেল॥
নিরজনে রহ ধনি হোই সুথির।
অন্তর গরগর কপট বাহির॥
কানু-পরশ-রস যদি নাহি জান।
দবশে হরষ-মন সরস নয়ান॥
ভাবি ভবনে ধনি হৃদয় বিথার।
বিবশ লাজ ভয়ে তাহে অনিবার॥
তরণীরমণে ভণ অপরুপ রস।
পহিলক মিলন যুবতি-অপযশ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

সম্ভোগ
॥ ধানশী॥

যতনে রাই লেই মন্দিরে গেল।
নিজ নিজ সেবন সখিগণ কেল॥
নিরজনে রহ ধনি হোই সুথির।
অন্তর গরগর কপট বাহির॥
কানুপরশরস যদি নাহি জান।
দবশে হরষমন সরস নয়ান॥
ভাবি ভবনে ধনি হৃদয় বিথার।
বিবশ লাজ ভয়ে তাহে অনিবার॥
তরণীরমণে ভণ অপরূপ রস।
পহিলক মিলন যুবতি অপযশ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ২১৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

যতনে রাই লেই মন্দিরে গেল।
নিজ নিজ সেবন সখিগণ কেল॥
নিরজনে রহ ধনি হোই সুথির।
অন্তর গরগর কপট বাহির॥
কানুপরশরস যদি নাহি জান।
দবশে হরষমন সরস নয়ান॥
ভাবি ভবনে ধনি হৃদয় বিথার।
বিবশ লাজ ভয়ে তাহে অনিবার॥
তরণীরমণে ভণ অপরূপ রস।
পহিলক মিলন যুবতি অপযশ॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর