কবি তরুণীরমণের বৈষ্ণব পদাবলী
*
যতনে রাই লই বৈঠল কোর
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”, ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্র পদং ॥

যতনে রাই লই বৈঠল কোর।
ঘন ঘন চুম্বন রতিরসে ভোর॥
নিবিড় আলিঙ্গনে তনু তনু মেলি।
ঘন কুচমর্দ্দন রতিরস কেলি॥
উভয় প্রেমামৃত লহু লহু হাস।
মরমকি দুঃখ সকল ভেয় নাশ॥
রতি রণ বাজন মঞ্জীর নাদ।
কিঙ্কিণী শবদ বিপদ করু বাদ॥
ভুজে ভুজে ছান্দি বান্ধি রহু দোঁহু।
তরুণীরমণ ভণ বরিখত মোহু॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
ভূতলে সুতলি মেঘের কোড়া
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”, ১৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্র পদং ॥

ভূতলে সুতলি মেঘের কোড়া।
উপরে কামিনী দামিনী মোড়া॥
ঘনের উপরে শিখির নাচ।
অরুণতা রুক তমিছে কাছ॥
চাঁদ কমলে সঘনে মেলি।
ভ্রমর চকোর করয়ে কেলি ॥
উলটা সুমেরু ফণির মুখে।
কখন চাপয়ে মেঘের বুকে ॥
এ কি অপরূপ রসের কথা ।
তরুণীরমণে জানিবে কোথা॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
সুখের লাগিয়া দুখের পাড়া
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী
প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”, ১৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্রৈব ॥        

সুখের লাগিয়া দুখের পাড়া।
পরাণ যাইছে না যায় ছাড়া॥
আকাশে পাতালে সমান সুখ।
সে নাকি জানয় পরের দুখ ॥
স্থির হইলে কিশোরী কান্দে ।
লম্বিত হইলে ফণিতে বান্ধে॥
চাঁদ পাইলে গরাসে বাহু ।
তরুণীরমণে ভাবয়ে পহু॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
এত দিন কতি ছিলে
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত,
ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,
১৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্র পদং ॥

এত দিন কতি ছিলে,            কি লাগিয়া পুন আইলে,
কুবুজা তেজিল কেনে তোমা।
মধুপুর-কুলবতী,                     ভুঞ্জি নিল পরপতি,
তেঞি সে পড়িল মনে আমা॥
বন্ধু হে, মোর দুঃখে পাখী ছাড়ে বাসা।
হাম কুলবতী নারী,               কিবা কার ধার ধারি,
আমার এমন কেনে দশা॥
কেবা না পীরিতি করে,       কেবা কোন দুঃখে মরে,
সঙরিতে বিদরয়ে হিয়া।
কহিতে শুখায় নীর,                পাষাণে মিলায় চির,
এত দুঃখ তোমার লাগিয়া॥
শুনিয়া রাইর বাণী,                   নয়নে গলয়ে পানি,
করপুটে বলে সকরুণে।
তরুণীরমণে কয়,                      কিবা দিব পরিচয়,
রাখ রাঙ্গা যুগল চরণে॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
কেবল তোমার বই
ভণিতা তরুণীরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯০৫ সালে মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, রাসবিহারী সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত,
ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী প্রণীত, পদাবলী সংকলন“সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”,
১৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণস্য উক্তিপদং।

কেবল তোমার বই,                  আর আমি কারু নই,
আমারে জানিহ নিজ দাস।
কাহাঁ নাহি যাই ছাড়ি,                 আছি এ চরণে পড়ি,
তুমি মেরো না কর বিশ্বাস॥
ধনি হে, ক্ষণেক বিলম্ব হৈলে মরি।
পরাণ কেমন করে,                   তুরিতে আসিয়ে ঘরে,
বিপিনে গমন যদি করি॥
একটা দিবস তুমি,                      মুরুছি পড়িলে ভূমি,
ধাইয়া লইনু গিয়া কোলে।
মানিলে স্বপন বলি,                   বিধাতারে দিলে গালি,
নয়ন ভরিল অশ্রুজলে॥
এত শুনি কহে ধনি,                    কাঁহা বা থাকহ তুমি,
আজি হৈতে পাইনু প্রাণনাথ।
এই নিবেদন তোরে,                 আর না ছাড়িহ মোরে,
তরুণীরমণে প্রাণিপাত॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই
মঙ্গল ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই
ঐছনে সঙ্কেত ভাবিয়া রাই
ভণিতা তরণীরমণ, তরুণীরমণ, তরণী-রমণ, তরণিরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড,
২য় শাখা, ৭ম পল্লব, সর্ব্বকালোচিত অভিসারিকা, ৩৫৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে। পদকল্পতরুর অন্যান্য পুথিতে পুথিতে ভণিতা “তরুণীরমণ” দেওয়া রয়েছে এবং
পদরসসার পুথির একাধিক পদে “তরণীরমণ” ভণিতা রয়েছে। পাঠান্তর দৃষ্টব্য।

॥ মঙ্গল রাগ॥১

ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই।
সব সখীগণ-বদন চাই॥
আবেশে কহত মনের কথা।
কবহুঁ হরিষ বিষাদ বেথা২॥
সঙ্কেত করল নাগর-রায়।
কি করব সখি কহ উপায়॥
গুরু দুরুজন বঞ্চনা করি।
কেমনে যাইব রহিতে নারি॥
এতহু ভাবিয়া চলিলা ধনি।
যতহুঁ বিঘিনি কিছু৩ না গণি॥
সখীগণ মেলি সঙ্কেত-গেহে।
আওল তরণীরমণ৪ কহে॥

পাঠান্তর -
১। ইহা প-র-সা (পদরসসার) পুথির ৪৪৩ সংখ্যক পদ।
২। ‘বেথা’ স্থলে ‘ব্যথা’ ক---গ।
৩। কিছু স্থলে কছু ঘ।
৪। তরণীরমণ ক---গ। পদকল্পতরুর পূর্ব্ববর্ত্তী সংস্করণগুলিতে---
‘সখীগণ মেলি সঙ্কেত-গেহে।
আওল তরুণী রমণ কহে॥’
এইরূপ পাঠ থাকায় ‘তরুণী’ শব্দের ‘যুবতি’ অর্থাৎ শ্রীরাধা ও ‘রমণ’ পদ-কর্ত্তার নাম  
বলিয়া প্রতীত হয়। কিন্তু প-র-সা পুথিতে ‘তরুণী রমণ’ স্থলে ‘তরণীরমণ’ পাঠ আছে এবং
‘তরণীরমণ’ ভণিতা-যুক্ত আরও অনেকগুলি পদ নানা স্থলে উদ্ধৃত হইয়াছে ; পক্ষান্তরে  
‘রমণ’ ভণিতা-যুক্ত পদ পদকল্পতরু গ্রন্থে আর কুত্রাপি দৃষ্ট হয় না ; সুতরাং এই পদের
রচয়িতা যে ‘তরণীরমণ’, তাহাতে কোন সন্দেহ নাই। পদকল্পতরু গ্রন্থে ‘তরণীরমণ’  
ভণিতাযুক্ত অন্য কোন পদ না থাকায় ও ‘তরণীরমণ’ নামটি কিছু বিচিত্র বলিয়াই  
লিপিকরগণের ভ্রম জন্মিয়াছে।---সতীশচন্দ্র রায়॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ৪৪৩-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ মঙ্গল রাগ॥

ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই।
সব সখীগণ-বদন চাই॥
আবেশে কহত মনের কথা।
কবহুঁ হরিষ বিষাদ বেথা॥
সঙ্কেত করল নাগর-রায়।
কি করব সখি কহ উপায়॥
গুরু দুরুজন বঞ্চনা করি।
কেমনে যাইব রহিতে নারি॥
এতহু ভাবিয়া চলিলা ধনি।
যতহুঁ বিঘিনি কিছু না গণি॥
সখীগণ মেলি সঙ্কেত-গেহে।
আওল তরণীরমণ কহে॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১১৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী ধানসী॥

মঙ্গল ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই। সব সখীগণ বদন চাই॥
আবেশে কহই মনের কথা। কবহু হরিস বিষাদ বেথা॥
সঙ্কেত করল নাগর রায়। কি কহব সখী কহ উপায়॥
গুরু দুরূজন বঞ্চনা করি। কেমনে যাইব রহিতে নারি॥
এতহু কহিএ চলল ধনি। জতহু বিপদ কিছু না শুনি॥
সখীগণ মেলি সঙ্কেতগেহে। আইল তরুণীরমণ কহে॥

ই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদ-সংকলন “বৈষ্ণব-
গীতাঞ্জলি”, ২৫৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে জেওয়া রয়েছে।

ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই।
সব সখীগণ-বদন চাই॥
আবেশে কহত মনের কথা।
কবহুঁ হরিষ বিষাদ বেথা॥
সঙ্কেত করল নাগর-রায়।
কি করব সখি কহ উপায়॥
গুরু দুরুজন বঞ্চনা করি।
কেমনে যাইব রহিতে নারি॥
এতহুঁ ভাবিয়া চলিলা ধনি।
যতহুঁ বিঘিনি কছু না গণি॥
সখীগণ মেলি সঙ্কেত-গেহে।
আওল তরণীরমণ কহে॥

ই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদ-সংকলন “বৈষ্ণব-
গীতাঞ্জলি”, ৩৩০-পৃষ্ঠায় এই রূপে জেওয়া রয়েছে।

॥ মঙ্গল রাগ॥

ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই।
সব সখীগণ-বদন চাই॥
আবেশে কহত মনের কথা।
কবহুঁ হরিষ বিষাদ বেথা॥
সঙ্কেত করল নাগর রায়।
কি করব সখি কহ উপায়॥
গুরু দুরুজন বঞ্চনা করি।
কেমনে যাইব রহিতে নারি॥
এতহুঁ ভাবিয়া চলিলা ধনি।
যতহুঁ বিঘিনি কছু না গণি॥
সখীগণ মেলি সঙ্কেত-গেহে।
আওল তরণী-রমণ কহে॥

ই পদটি ১৯৫৩(?) সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, অভিসারিকা, ১৪০-পৃষ্ঠায় এই রূপে জেওয়া
রয়েছে।

॥ জয় দয়ন্তী - দুঠিকী॥

ঐছনে সঙ্কেত ভাবিয়া রাই।
সব সখিগণ বদন চাই॥
আবেশে কহত মনের কথা।
কবহুঁ হরিষ বিষাদ ব্যথা॥
সঙ্কেত করল নাগর রায়।
কি করব সখি কহ উপায়॥
গুরু দুরুজন বঞ্চনা করি।
কেমনে যাইব রহিতে নারি॥
এতহুঁ ভাবিয়া চলিলা ধনি।
যতহুঁ বিঘিনি কিছু না গণি॥
সখিগণ মেলি সঙ্কেত-গেহে।
আওল তরুণীরমণ কহে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

সম্ভোগ
॥ তথারাগ॥

ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই।
সব সখীগণ বদন চাই॥
আবেশে কহত মনের কথা।
কবহুঁ হরষি বিষাদ ব্যথা॥
সঙ্কেত করল নাগর রায়।
কি করব সখি কহ উপায়॥
গুরু দুরুজন বঞ্চনা করি।
কেমনে যাইব রহিতে নারি॥
এতই ভাবিয়া চলিলা ধনী।
যতই বিঘিনি কিছু না গণি॥
সখীগণ মেলি সঙ্কেত গেহে।
আওল তরণীরমণ কহে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ২১২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

ঐছন সঙ্কেত ভাবিয়া রাই।
সব সখীগণ বদন চাই॥
আবেশে কহত মনের কথা।
কবহুঁ হরষি বিষাদ ব্যথা॥
সঙ্কেত করল নাগর রায়।
কি করব সখি কহ উপায়॥
গুরু দুরুজন বঞ্চনা করি।
কেমনে যাইব রহিতে নারি॥
এতই ভাবিয়া চলিলা ধনী।
যতই বিঘিনি কিছু না গণি॥
সখীগণ মেলি সঙ্কেত গেহে।
আওল তরণীরমণ কহে॥

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
মঝু মন পাখী সাখি ব্রজসুন্দর
ভণিতা তরুণিরমণ
কবি তরুণীরমণ
এই পদটি ১৯১৯ সালে (১৩২৬বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত “সাহিত্য পরিষৎ
পত্রিকা”-র ৪র্থ সংখ্যায়, তারকেশ্বর ভট্টাচার্য্যর “তরুণীরমণের পদাবলী” প্রবন্ধের ২১৬-পৃষ্ঠায়, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

মঝু মন পাখী                        সাখি ব্রজসুন্দর
তছু পর করল সুবির।
অদ্ভুত অধরে                        সুধারস বরিখএ
পিবইতে তিপিত শরীর॥
সখি হে দৈব গতি নাহি জান।
মদন কিরাট                      সপতন লব লইতে
ফুলসরে করল সন্ধান॥
বিকুল হিয়াপর                       থর থর কম্পই
পতিত বিহঙ্গম তাই।
@@ বাখি                           পাখিকুল আকুল
নয়নাধিক মুখ চাই॥
বিবেক রাজচর                       দ্রুততর মিলল
নিরসল ব্যাধ দুরন্ত।
তরুণিরমণ ভণ                        কানু পরসরস
ইসদ ভাব একান্ত॥

@ - অপাঠ্য অক্ষর।

.            ****************              
.                                                                                
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর