বুদ্ধি কবি সিদ্ধার্থ সিংহ ২০০৬ সালে প্রকাশিত, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও স্বপনকুমার মান্না সম্পাদিত “আবৃত্তির বাছাই ৫০০ ছড়া ও কবিতা” সংকলন থেকে নেওয়া। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৭.২০১৯।
হুটোপুটি কিছুই তো নেই পাকুক দুটো একটা এখন বরং হাতাও দাদু ওপর তলার ব়্যাকটা!
আমতৈলের বয়াম আছে আছে কুলের আচার রোদ খাইয়ে কোথায় যেন মা করেছেন পাচার।
হাত না পেলে টুল আনো না কিংবা তোলো আমায়। গন্ধ শুঁকেই দিচ্ছি বলে কে আর বলো ছামায়!
ভাবছোটা কি? বলব তোমায়? ভাবছ, মাকে বলব, এখন আমি মস্ত বড় অতই সোজা, গলব!
দূরের মাঠে কবি সিদ্ধার্থ সিংহ ২০০৬ সালে প্রকাশিত, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও স্বপনকুমার মান্না সম্পাদিত “আবৃত্তির বাছাই ৫০০ ছড়া ও কবিতা” সংকলন থেকে নেওয়া। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৭.২০১৯।
এক চিলতে মাঠ দেবে না একটুখানি আকাশ? এ সব কথা শুনলো কেন চোখ টেরিয়ে তাকাস?
মাঠ মানে তো ফড়িং ধরা আকাশ মানে ঘুড়ি, নয়তো গোটা পুকুর জুড়ে বর্ষার ফুলকুঁড়ি।
ঘর রয়েছে বাবার জন্য হেঁশেলখানা মা’র, চার দেয়ালের চৌদিকেতে ভাল্লাগে না আর।
জান্ লা দিয়ে তাকিয়ে দেখি দালান শুধু দালান, এখন আমায় করুক না কেউ দূরের মাঠে চালান।
দৈনন্দিন কবি সিদ্ধার্থ সিংহ ২০০৬ সালে প্রকাশিত, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও স্বপনকুমার মান্না সম্পাদিত “আবৃত্তির বাছাই ৫০০ ছড়া ও কবিতা” সংকলন থেকে নেওয়া। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৭.২০১৯।
স্কুলের অ্যানুয়াল পরীক্ষাটা সারা বছর ধরে হোক।
সকালে বেরিয়ে যান বাবা খানিক বাদে মা-ও। মাসিই জুগিয়ে যান যা চাই প্রতিদিন পরি পাট ভাঙা স্কুল ড্রেস পরিপাটি করে ব্যাগে দেওয়া থাকে টিফিন-বক্স ফিরতে না-ফিরতেই আন্টি আন্টির পর স্যার যেটুকু সময় আমার তা ওই টিভির চ্যানেলে না-হয় কমপিউটারে বইয়ে মুখ গুঁজে থাকতে-থাকতে যখন ঢলে পড়ি মা আসেন বাবা আসেন আমার সহ্গে কথাই হয় না।
যখন স্কুলে অ্যানুয়াল পরীক্ষা হয় তার ঠিক ক’দিন আগে থেকেই ছুটি নেন মা নয়তো বাবা কেউ না কেউ থাকেনই, সব সময় আমাকে নিয়ে বসছে তা নয়, তবে থাকেন, আশপাশেই থাকেন বাবা কী ভাবে ফোনে কথা বলেন, দেখতে পারি মা কী ভাবে এ গ্লাসে ও গ্লাসে ঢেলে ঠাণ্ডা করেন দুধ, দেখতে পারি ইচ্ছে হলেই আমি তাঁদের ছুঁতে পারি
বাংলা বছরের শেষ দিকে নয় আমার অ্যানুয়াল পরীক্ষা হোক সারা বছর ধরে সারা বছর ধরে।
রাবণ জানতেন কবি সিদ্ধার্থ সিংহ ২০০৯ সালে প্রকাশিত, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “সেরা আবৃত্তির কবিতা সংগ্রহ” সংকলন থেকে নেওয়া। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৭.২০১৯।
যতই গণ্ডি কেটে দিয়ে যার লক্ষ্মণেরা আমি ঠিক তার বাইরে বের করে আনব তোমাকে দু’ বাহুতে বন্দী করে রাখবো।
সূর্পনকার নাক কেটে দিয়েছে দেখে রাবণ সীতেকে হরণ করেননি উনি ভালো করেই জানতেন, ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন নারীকে ছুঁলেই তাঁর ন’টা মুণ্ডুই খসে যাবে। ফলে আপনারা যা ভাবছেন সে মতলবেও নয় রাবণ জানতেন সীতা আসলে লক্ষ্মী লক্ষ্মীকে নিজের রাজ্যে রাখতে পারলে ধন-সম্পদ-শস্যে উপচে পড়বে দেশ তাই শুধু মাত্র প্রজাদের জন্যই উনি সীতাকে হরণ করেছিলেন।
যতই গণ্ডি কেটে দিয়ে যার লক্ষ্মণেরা আমি তার বাইরে ঠিক বের করে আনব তোমাকে দু’ বাহুতে বন্দী করে রাখবো। আমার ঘর নিষ্প্রদীপ, মলিন তুমি থাকলে ঝলমল করে উঠবে ঘর এবং দুয়ার।