হাঁচ্ছি ফেলে শান্তি পেলো হ্যাংলা বুড়ি এগো খুন্তি নিয়ে আসবে তেড়ে হঠাৎ রেগে গিয়ে হাতের কাছে পরন মত নজর পেলে তবে ইচ্ছে যত গায়ের জোরে খুন্তি করে মারে আজকে তাই হ্যাংলা বুড়ির দাপট গেছে কমে বয়সে তার বারো আনা রাগের চোটে গেছে আত্মীয় সব পাড়া পড়সি আপন কাছের জন ইচ্ছা থাকলে যায়ন কাছে খিঁজতে উঠান তার। গায়ের শক্তি নেহাত কম হ্যাংলা বুড়ির আজ দম ফাটানো শুকনো কাশি বিকট শব্দ হয় ওষুধ পত্র কিনে দিলেও নেয়না কিছু আর উলটে তাদের গালি গালাজ সভাব হচ্ছে তার সময় বুঝে আত্মীয় সব খবর নিতে আসে কেমন আছো পদ্মা মাসি কাছে এসে বসে হঠাৎ কখন রেগে গিয়ে মুখ বেঁকিয়ে উঠে কেমন করে পদ্মা বতী হ্যাংলা বুড়ি হচ্ছে।
দুরন্ত সেই চঞ্চলও পায়ে পায়ে নিমেষে ভেঙে দেয় মনের বাসনা সহস্র ইচ্ছে গুলো ধুলায় মিশায় যতবার যায় তাঁর কাছে আপন হতে। আঙুলের ফাঁকে নরম তুলতুলে হাত অন্তরে তৃপ্তি পায় , দু'জনে হাঁটি পথ ছোট্ট শিশু নই যে সেই অদম্য ইচ্ছা বুকে বলে আমি আগে তুমি এস পিছে পিছে। ইস্কুলের পথে রোজ সকালে সূর্য উঠে পড়ার বিষয় বললে লেখাপড়া বেকার কাজ পড়াতে গিয়ে হতদম্য পড়বে না সেই বই দেখে শুনবে শুধু একমনে খেয়ালে যদি আরাম থাকে। খাবার সময় নিত্যদিনে নিত্যসঙ্গী অনীহা সযত্নে খাবার দিলে তবু লাগে আর্তনাদ টিভির রিমোর্ড মুষ্ঠিবদ্ধ সম্মুখে যে রাজত্ব ইচ্ছে মত দেখবে শুধু কার্টুন খেলার দৌরাত্ব।
কবিতা তোমার কাছে কিছু বলার আছে নীল খাম লেখা ভর্তি চিঠি পাঠালাম, পড়ে নিও আমাদের ও আমাদের কিছু কথা,,,,, সমাজ পরিবর্তনশীল এটাই ধারা নতুন দিশায় আত্ম সম্পর্ক গুলি চির ধরে শব্দ ছাড়াই পরিবর্তন, রাত জাগা পাখি গুলো তবুও ডাকে চুলচেরা বিশ্লেষণ লাভ কি? দু মুঠো অন্নের জন্য শ'এ শ'এ নাম লেখায় বেকার ভাতার এক্সচেঞ্জে হামাগুড়ি দৌড়াদড়ি ঘোরাঘুরি পকেট ফাঁকা আর নয় ক্ষ্যাপা নিজের ব্যবসাটা এবার দ্যাখ্ দ্যাখ পাবলিক কি চাই ? দ্যাখ পাবলিক কি পায় ? কিসের তরে ঝান্ডা হাতে সাম্যের গান গায়। কবিতা, জীবন বড়ো কাঁদায় সময়ের খাঁজে খাঁজে কখনো ক্লান্ত শরীর , পথের উদভ্রান্ত ঘুর্ণিপাকে কখনো এলোকেশী প্রেয়সীর নরম কোলে তবু আমরা জানি আমাদের অনেক কাছের স্বপ্ন গুলো ধরার জন্য এলোমেলো দৌড়ি আর একটু , সম্মুখে ঐ ভয়ের পরাজয় দুই হস্তে বিলিয়ে দেবো মুক্ত গুলো সব।