ছেলেটা পারত প্যান্ট শার্ট টাই গলায় দিয়ে লিফটে দরজা বেয়ে উঠতে কিন্তু তা করল না। রাস্তার ফুটপাতে বেঞ্চে,আস্তকুড়ে ভেজা গায়ে গন্ধ চুষে নেই সামনের দোকানের এঁটো খাবারের।
এখন যকৃতেও তার ঠিক কাজ করে না সামান্য জল তার পেট ভরাই। ছেলেটা পারত, ক্ষুদিরাম পার্কে মহুয়া গাছের আড়ালে লুকিয়ে বসে চুম্বন করতে থাকা সুন্দর মেয়েটিকে তার প্রণয়ী করতে কিন্তু পারল না। জট ধরা চুলে শুকনো ডালের কঞ্চি খোঁচাই। একবার শুধু পেপারে বেরিয়ে ছিল তার ছবি কেউ খোঁজ নেবার প্রয়োজনে। একদম শিরোনামে ছিল পিতা সুবিনয় মহাজনের নাম। চাইলে হয়ত খোঁজ ঠিক পেতো কিন্তু সময় গেছে অনেকটা কেটে, এখন সুবিনয় নেই আর বেঁচে আর খোঁজ কেউ নেই নি সেই ছেলেটির।
একটা পূর্ণ শতাব্দীর শেষে নতুন করে চেয়েছিলাম তোমায় ব্যাল্কনির পোতা গাছগুলি আজ অযত্নে মারা গেছে। কলিং বেলের শব্দে অসমাপ্ত খবরের কাগজ ফেলে রেখে উঠতে হবে না । আজও আর মলাটের প্রয়োজনে ফুরিয়েছে চাদর বিছানার । সব কিছুই তৃপ্তির প্রয়োজনে কুর্ণিশ একে যায়, যেন অপ্রয়োজন মনের অন্ধকারে।
আমি কোনদিন কালিম্পং দেখিনি শুনেছি পুজা তুমি নাকি সেখানে গিয়েছ। আমি এক হতভাগা, এক কাজ কর। আসীম সেই সৌন্দর্যর বিচিত্র বাহার আমাকে দেবে, তাঁর বদলে আমি তোমাকে আমার সব নস্টালজিয়া ভেজা দিনগুলি দিতে পারি। এই নস্টালজিয়া চেনার মধ্যে তুমি আমাকে খুঁজে পাবে। কারন এই শহর আমার শুধু অপেক্ষা তোমার মতো রংবাহারি এক রাজ-রানী যে জীবদ্দশায় জীবন্মৃতের চেয়ে কঠিন অথচ বিনিময় মধ্যে থাকবে এক একপট দৃষ্টি বিনিময় চিরন্তর।
প্রতিদিনের হতাশা আমাকে একটু একটু করে উৎসাহিত করে কিছু লেখার জন্য। হতাশা কারণ লোকে জিজ্ঞাসা করে, আমি বলি না। কলম ধরলে কেন জানি সব শব্দমালাও আমাকে নিঃসঙ্গ করে চলে যায় হয় তো আমি এক ব্যর্থ কবি বলে।
সমুদ্রে ঢেউ আসার আগে বালির চরে চুপি চুপি উৎসাহের সাথে কাজটি সেরে ফেলব নতুন কোন ঢেউ আসার আগে কেউ জানতে পারবো না কি ছিল আমার হতাশার কারণ ।