আজকের আকাশে জোনাকিরা খেলা করে না কর্তব্য বোধে দায়িত্ব নিয়েছে কালপুরুষ। দূরে কোন এক ভয় বার্তা আসে দূর, বহুদূর থেকে, সাগর পাড়ের নিবিড় জঙ্গল ভেতর থেকে ভেদ করে, যেখানে থেকে পরিযায়ী পাখিরা বাসা ছেড়ে ভিন্ন দেশে যাত্রা দেয়, তারা তো অনেকটা পিছিয়ে। এই ভয়াবহ বার্তা অনেক কাছে এসে পড়েছে। অশনি সংকেত বাজিয়ে।
কিছুক্ষণ আগে দেখেছিলাম যাকে ভেসে উঠছিল মেয়েটির হৃদয় বিভা দিনের সূর্য অস্তমিত মতো হারালাম আমি। সব ছেড়ে উঠা মফস্বলের বুকে ঘন ঘন ছুটে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সের ভারি চাকার দাগে আজ ক্ষতবিক্ষত শহর।
কিছুক্ষণ আগে রোদের দীপ্তিতে ধরেছিল তার তেজস্বী রুপ বেশী দেরি হয়নি অন্ধকার নামার আগে পৃথিবী ছিল সুস্থ আজ শেয়ালের ডাকে পৃথিবী হল স্তব্ধতর।
যার জন্য প্রতিনিয়ত হচ্ছি রোমাঞ্চিত পেনডেমিকে ভিড়ে হয়ত হারিয়ে ফেলেছি তাঁকে তাঁর মুখায়ব ছিল না আমার কাছে খুব স্পষ্ট সুস্থ থাকার জন্য তাঁর মুখে ছিল সদ্য প্রস্ফুটিত হলদে কাপড়ের মাস্ক।
হিসেবের শেষে শূন্য উঠেছে না বাচক শব্দে মিল ঘটবে না নদীর পাড় ধরে এগোলে এখনো দেখতে পাবে। বল্লম, ছোরা হাতে নিয়ে জনক জাতির কাছে আদেশ অনুসরণ পথে হেঁটে চলে, রাতের চাঁদ আলো নিয়ে
নিঝুম সরল চাউনি রেখা ভেঙ্গে দিয়েছে শরীরের পেশিটান। অক্ষত মজুত বারুদ ভরা ডেনামাইট হাতে লড়ে চলে। অজানা অদৃশ্য করে কার হুকুমে। মুখ আজ অচেনা,শুধু জানা আছে ডেনামাইটের ফাটার শব্দ শুনতে বাধ্য তবেই পরের সকালে থালা ভর্তি ভাত আসবে।
সাদা ধবধবে উরুর দুটোর মাঝে জল ছেটাতে ছেটাতে মোহ ভাঙ্গে পুজার। দেখে দাঁড়িয়ে আমি আরও আগ্রহে যেতে রাজী হতাম যদি ইকোস্বরে শব্দ ভাসতো বাথরুমের চার দেওয়ালের ।
জলের তীব্রতা-তে ঘসে পড়ছে বাসি ঘামের জমে থাকা যোনিকেশর। একে একে এসে জমাট বাঁধে আমার তলে, লিবিডর জাগিয়ে তোলার চেষ্টায়।
সুক্ষ জমকালো কোঁকড়ানো কেশরাশি। আর লজ্জা নয় তখন পরিচিতি সময় মুখোমুখি হয়ে হয় কিংবা কেউ এক মুখ নামিয়ে ধরতে হবে যে এক কারো যৌনাঙ্গ।
আরও কাছে, দূরে থেকে স্পর্শ আসে না এমন কি কিছু হত কারো ভাবা ছিল। হঠাৎ না চাইতেই হয়ে উঠলো
ভোর রাতের অলসতা দুটো শরীর এলোমেলো ভাবে নিল ভাগা-ভাগি করে।