আমার নিঃসঙ্গতা হাটাতে আমার জানান দিয়ে গেলো যে আমি আসলে কতটা নিঃসঙ্গতা। এই ভয়াবহ সত্যটা এড়ানোর জন্য আমি দলবব্ধ । ভাবি অংশগ্রহণের প্রয়াসগুলো যে আসলে ভয়াবহ রকমের মেকী তা, সত্যিই আমি সীমাবব্ধতার বাইরে ছিলাম। না, এর জন্য আমি দুঃখিত নই হতাশও নই,- আমি শুধুই নিঃসঙ্গতা।
অর্ধ শতাব্দীর বিস্তৃন চর আমার জলে বিলীন হয়ে যায় । সুনীল আকাশ পলিবালির মধ্যে দিয়ে . পথ ধরে ঘুরছি । এখন আমার জলে জীবনের সাড়া পড়েছে এসছে অতিরিক্ত যৌবন, তৃষ্ণার দেবতারা সাঙ্গ দেয়না আমার । কাল বৈশাখী তাণ্ডবে নির্মল অনমনীয় প্রাণ করি . কাড়া কাড়ি, আমি এমনই গভীর নিরৎসর পিপাসায় সংকীর্ণ । আজও আমি নিশ্চুপ হয়ে শুনি দুই পারে মানুষের ক্রন্দন, উড়ে উড়ে - যায় বহুদূর আমার আকুল আহ্বান । সোনালী সূর্যকে ঢাকি আমার গায়ে চাদর দিয়ে । এমনই অসম শক্তির অধিকারী আমি ঋতুচক্রের মাঝে তীরে মাটি ধসে উঠে আমার জল ভেদ করে জেগে উঠে চর । ফাল্গুন, চৈত্র সময় আমার মাটির বুক দেখেনি কেউ . কোনদিন, চিরকাল রেখেছি গোপন। যার জলধারা শুকায় না কখনও আমি হলাম সেই সুবর্ণরেখা।