| কবি আবাল ফকিরের বৈষ্ণব পদাবলী |
| মুরড়ি আনিআ দে রাধা মোরে কবি আবাল ফকির এই পদটি ১৯০৪ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত, ব্রজসুন্দর সান্ন্যাল সম্পাদিত “মুসলমান বৈষ্ণব কবি, ৩য় খণ্ড” সংকলনের ২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বড়ারি॥ মুরড়ি আনিআ দে রাধা মোরে ; (শ্যামের) মুরড়ি আনিআ দে মোরে। ধু। ঠিক দুপুরিয়া বেলা, কদম তলে নিদ্রা গেলা, মুরড়ি লই গেল করে(১)। নিদ্রার আলসে রাই, ঘুমেতে চৈতন্য নাই, মুরড়ি লইয়া গেল চোরে॥ হাত লাড়া লাড়ি, বাহু ঝাড়া ঝাড়ি, একলা পাইয়াছ মোরে। তোমার মুরড়ি, আমি যদি নিআ থাকি, অই সাইদ(২) বোলাইবা কারে॥ আবাল(৩) ভাগিনা, না চাও রে আঙ্গিনা, ধুলে লোটাই (আ) কান্দে। (?) আবাল ভাগিনা দেখি, কোলে লইলুম, সেহ মোরে কুবোল বোলে॥ (?) রাধিকা কানাইআ, জল পরীক্ষিতে, কানাইআ নামিল আগে। আবাল ফকিরে কহে, এই বাক্য মন্দ নহে, রাধিকারে বড় দয়া লাগে॥ ১॥ ১। বাঁশীটি রাখিয়া বাম করে। ২। সাইদ - সাক্ষী। ৩। আবাল - ছোট। এই পদটি ১৯৪৫ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত, যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “বাঙ্গালার বৈষ্ণব-ভাবাপন্ন মুসলমান কবি” গ্রন্থের ৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বড়ারি - বংশী॥ মুরড়ি আনিআ দে রাধা মোরে ; (শ্যামের) মুরড়ি আনিআ দে মোরে। ধু। ঠিক দুপুরিয়া বেলা, কদমতলে নিদ্রা গেলা, মুরড়ি লই গেল করে। নিদ্রার আলসে রাই, ঘুমেতে চৈতন্য নাই, মুরড়ি লই গেল চোরে॥ হাত লাড়ালাড়ি, বাহু ঝাড়াঝাড়ি, একলা পাইয়াছ মোরে। তোমার মুরড়ি, আমি যদি নিআ থাকি, অই সাইদ বোলাইবা কারে॥ আবাল ভাগিনা, না চাও রে আঙ্গিনা, ধুলে লোটাই (আ) কান্দে। (?) আবাল ভাগিনা দেখি, কোলে লইলুম, সেই মোরে কুবোল বোলে॥ (?) রাধিকা কানাইআ, জল পরীক্ষিতে, কানাইআ নামিল আগে। আবাল ফকিরে কহে, এই বাক্য মন্দ নহে, রাধিকারে বড় দয়া লাগে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |