কবি এবাদুল্লার বৈষ্ণব পদাবলী
*
সহন না যাএ দুঃখ, সহন ন যাএ
কবি এবাদোল্লা
এই পদটি ১৯০৪ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত, ব্রজসুন্দর সান্ন্যাল সম্পাদিত “মুসলমান বৈষ্ণব কবি,
৩য় খণ্ড” সংকলনের ২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কোড়া॥

সহন না যাএ দুঃখ, সহন না যাএ।
যৌবন চলিয়া গেলে পিয়া না বোলাএ॥ ধু॥
সব নারী পিয়া সনে করে আনন্দিত।
আমার মন্দিরে পিয়া কেন রে বঞ্চিত॥
বদন (বেদন?) হুতাশে দহে কিবা রাত্র দিন।
হেরিতে পিয়ার পম্থ আঁখি হৈল ক্ষীণ॥
আজু কালুকা (১) করি দিন গেল বইয়া।
না ভজিলাম পিয়া মোর যৌবন ভেটিয়া॥
এবাদোল্লা কহে ধনী ভজ গুরু পদ।
কদম্ব তলে গিয়া দেখ পিয়ার সম্পদ॥ ১॥

১। আজু কালুকা - আজি কালি।

ই পদটি জলধর সেন সম্পাদিত “ভারতবর্ষ” পত্রিকার পৌষ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ সংখ্যায়
(জানুয়ারী ১৯১৯ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, আবদুল করিম সাহিত্য-বিশারদের মুসলমান কবির
বৈষ্ণব-পদাবলী প্রবন্ধে, ৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কোড়া॥

সহন না জায় দুঃখ সহন না জাএ।
যৌবন চলিয়া গেলে পিয়া না বোলাএ॥
সব নারী প্রিয়া সনে করে আনন্দিত।
আমার মন্দিরে প্রিয়া কেনে রে বঞ্চিত॥
বদন (বেদন?) হুতাশে দহে কিবা রাত্র দিন।
হেরিতে পিয়ার পম্থ আখি হৈল ক্ষীণ॥
আজু কালুকা করি দিন গেল বইয়া।
না ভজিলুম প্রিয়া মোর জৌবন ভেটিয়া॥
এবাদোল্লা কহে ধনি ভজ গুরু পদ।
কদম্বতলে গিয়া দেখ পিয়ার সম্পদ॥

ই পদটি ১৯৪৫ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত, যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “বাঙ্গালার বৈষ্ণব-
ভাবাপন্ন মুসলমান কবি” গ্রন্থের ৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কোড়া - বিরহ॥

সহন না যাএ দুঃখ, সহন না যাএ।
যৌবন চলিয়া গেলে পিয়া না বোলাএ॥ ধু॥
সব নারী পিয়া সনে করে আনন্দিত।
আমার মন্দিরে পিয়া কেন রে বঞ্চিত॥
বদন (বেদন?) হুতাশে দহে কিবা রাত্রদিন।
হেরিতে পিয়ার পম্থ আঁখি হৈল ক্ষীণ॥
আজু কালুকা করি দিন গেল বইয়া।
না ভজিলাম পিয়া মোর যৌবন ভেটিয়া॥
এবাদোল্লা কহে ধনী ভজ গুরুপদ।
কদম্বতলে গিয়া দেখ পিয়ার সম্পদ॥

.            *************************             
.                                                                           
সূচীতে . . .      



মিলনসাগর