কবি জগদানন্দের বৈষ্ণব পদাবলী
*
মাথে শপতি দেই যতনে শিখায়লুঁ
ভণিতা জগদানন্দ দাস
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৯৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি রয়েছে নিমানন্দ দাসের পদরসসার পুখিতে প্রাপ্ত।

কলহান্তরিতা
শ্রীরাধার প্রতি সখীর উক্তি
॥ ধানশী॥

মাথে শপতি দেই                        যতনে শিখায়লুঁ
অবিরত কত শত-বার।
কিয়ে তুহুঁ পরবশ                        তব না সমুঝলি
কত সমুঝায়ব আর॥
মানিনি তুহে আয়লুঁ হম বাজে।
সো শঠ কোটি-                        নটিনি-ভট-লম্পট
হঠে নঠ কৈলি সব কাজে॥ ধ্রু॥
কত নব-যুবতী                        সুমুরতি রসবতি
ইতি উতি পড়ু তছু পায়।
তুহুঁ অবিচারে                        দোখ বিনু রোখলি
এ দুখ কহব হম কায়॥
ব্রজমাহা রসিক                   যুবতি অব কো কাহাঁ
তুহেঁ ন করই উপহাস।
শুনি শুনি মরমে                      মরল তুয় নিজ-জন
ভণ জগদানন্দ দাস॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

মাথে শপতি দেই                      যতনে শিখায়লুঁ
আবিরত কত শত বার।
কিযে তুহুঁ পরবশ                    তবহুঁ না সমুঝলি
কত সমুঝায়ব আর॥
মানিনি তুহে আয়লুঁ হম বাজে।
সো শঠ কোটি                        নটিনি-ভট-লম্পট
হঠে নঠ কৈলি সব কাজে॥ ধ্রু॥
ব্রজ মাহা রসিক                 যুবতি অব কো কাহাঁ
তুহেঁ ন করই উপহাস।
শুনি শুনি মরমে                     মরল তুয় নিজ-জন
ভণ জগদানন্দ দাস॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত  পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মাথে শপতি দেই যতনে শিখায়লুঁ                
আবিরত কত শত বার।
কিযে তুহুঁ পরবশ তবহুঁ না সমুঝলি              
কত সমুঝায়ব আর॥
মানিনি তুহে আয়লুঁ হম বাজে।                    
সো শঠ কোটি নটিনি ভট লম্পট                   
হঠে নঠ কৈলি সব কাজে॥
ব্রজ মাহা রসিক যুবতি অব কো কাহাঁ            
তুহেঁ ন করই উপহাস।
শুনি শুনি মরমে মরল তুয় নিজ জন                
ভণ জগদানন্দ দাস॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নিধুবনে দুহুঁ জনে চৌদিকে সখীগণে
ভণিতা জগদানন্দ
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ
সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১ম তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, নান্দী বা পূর্ব্বরাগ, ১-পৃষ্ঠায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে।

নিধুবনে দুহুঁ জনে                        চৌদিকে সখীগণে
শুতিয়াছে রসের আলসে।
নিশিশেষে বিধুমুখী                     উঠিলেন স্বপ্ন দেখি
কাঁদি কাঁদি কহে বঁধু পাশে॥
উঠ উঠ প্রাণনাথ                    কি দেখিলাম অকস্মাৎ
এক যুবা গৌউর বরণ।
কিবা তার রূপঠাম                  জিনি কত কোটি কাম
রসরাজ রসের সদন॥
অশ্রু কম্প পুলকাদি                     ভাব ভূষা নিরবধি
নাচে গায় মহা মত্ত হৈঞা।
অনুপম রূপ দেখি                     জুড়াইল মোর আঁখি
মন ধায় তাঁহারে দেখিয়া॥
নব জলধররূপ                               রসময় রসকুপ
ইহা বৈ না দেখি নয়নে।
তবে কেন বিপরীত                      হেন ভেল আচম্বিত
কহ নাথ ইহার কারণে॥
চতুর্ভুজ আদি কত                        বনের দেবতা যত
দেখিয়াছি এই বৃন্দাবনে।
তাহে তিরপিত মন                          না হইল কদাচন
( এই ) গৌরাঙ্গ হরিল মোর মনে॥
এতেক কহিতে ধনী                    মূর্চ্ছাপ্রায় ভেল জানি
বিদগধ রসিক নাগর।
কোলেতে করিয়া বেড়ি                  মুখ চুম্বে কত বেরি
হেরিয়া জগদানন্দ ভোর॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৫৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা-রাগ॥

নিধুবনে দুহুঁজনে,                        চৌদিকে সখীগণে,
শুতিয়াছে রসের তালসে।
নিশি শেষে বিধুমুখী,                    উঠিলেন স্বপ্নদেখি,
কান্দি কান্দি কহেন বঁধু পাশে॥
উঠ উঠ প্রাণনাথ,                  কি দেখিলাম অকস্মাৎ,
এক যুবা গৌর বরণ।
কিবা তার রূপঠাম,                 যিনি কত কোটি কাম,
রসরাজ রসের সদন॥
অশ্রুকর্ম্ম পুলকাদি,                        ভাবভূষা নিরবধি,
নাচে গায় মহামত্ত হৈয়া।
অনুপম রূপ দেখি,                    জুড়াইল মোর আঁখি,
মন ধায় তাহারে দেখিয়া॥
নব জলধর রূপ,                            রসময় রসকুপ,
ইহা বৈ না দেখি নয়ানে।
তবে কেন বিপরীত,                     হেন হৈল আচম্বিত,
কহ নাথ ইহার কারণে॥
চতুর্ভুজ আদি কত,                       বনের দেবতা গত,
দেখিয়াছি এই বৃন্দাবনে।
তাহে তিরপিত মন,                         না হইল কদাচন,
( এই ) গৌরাঙ্গ হরিল মোর মনে॥
এতেক কহিতে ধনি,                   মূর্চ্ছাপ্রায় ভেল জানি,
বিদগধ রসিক নাগর।
কোলেতে করিয়া বেড়ি,                 মুখ চুম্বে কত বেরি,
হেরিয়া জগদানন্দ ভোর॥

ই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌর-চন্দ্রিকা
পূর্ব্বাভাস
॥ ধানশী - বড় দশকুশী॥

নিধুবনে দুহু জনে, চৌদিকে সখীগণে,                                
শুতিয়াছে রসের আলসে।
নিশি শেষে বিধুমুখী, উঠিলেন স্বপ্নদেখি,                             
কাঁদি কাঁদি কহে বঁধু পাশে॥
উঠ উঠ প্রাণনাথ, কি দেখিলাম অকস্মাৎ,                            
এক যুবা গউর বরণ।
কিবা তার রূপ ঠাম, জিনি কত কোটী কাম,                        
রসরাজ রসের সদন॥
অশ্রু কম্প পুলকাদি, ভাব ভূষা নিরবধি,                             
নাচে গায় মহামত্ত হৈঞা।
অনুপম রূপ দেখি, জুড়াইল মোর আঁখি,                              
মন ধায় তাহারে দেখিয়া॥
নব জলধর রূপ, রসময় রসকূপ,                                      
ইহা বৈ না দেখি নয়নে।
তবে কেন বিপরীত, হেন ভেল আচম্বিত,                              
কহ নাথ ইহার কারণে॥
চতুর্ভুজ আদি কত, বনের দেবতা যত,                                
দেখিয়াছি এই বৃন্দাবনে।
তাহে তিরপিত মন, না হইল কদাচন,                                  
( এই ) গৌরাঙ্গ হরিল মোর মনে॥
এতেক কহিতে ধনী, মূর্চ্ছাপ্রায় ভেল জানি,                             
বিদগধ রসিক নাগর।
কোলেতে করিয়া বেড়ি, মুখ চুম্বে কত বেরি,                           
হেরিয়া জগদানন্দ ভোর॥

ই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব সেবা আরতি ও
কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, ৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

স্বপ্ন বিলাস ও শ্রীগৌরাঙ্গের আবির্ভাবের কারণ।

নিধু বনে দুহুঁ জনে,                      চৌদিকে সথীগণে,
শুতিয়াছে রসের আলসে।
নিশি শেষে বিধূমুখী,                    উঠিলেন স্বপ্ন দেখি,
কান্দি কান্দি কহে বঁধু পাশে॥
উঠ উঠ প্রাণনাথ.                     কি দেখিলু অকস্মাৎ,
এক যুবা গৌরবরণ।
কিবা তার রূপঠাম,                 যিনি কত কোটিকাম,
রসরাজ রসের সদন॥
অশ্রুকম্প পুলকাদি,                     ভাব ভূষা নিরবধি,
নাচে গায় মহামত্ত হৈয়া।
অনুপম রূপ দেখি,                    জুড়াল আমার আঁখি,
মন ধায় তাহারে দেখিয়া॥
নব জলধর রূপ,                            রসময় রসকূপ,
ইহা বই না দেখি নয়ানে।
তবে কেন বিপরীত,                   হেন হৈল আচাম্বিত,
কহ নাথ ইহার কারণে॥
চতুর্ভুজ আদি কত,                     বনের দেবতা যত,
দেখিয়াছি এই বৃন্দাবনে।
তাহে তিরপিত মন,                       না হইল কদাচন,
গৌরাঙ্গে হরিল মোর মনে॥
এতেক কহিতে ধনী,                  মূর্চ্ছাপ্রায় ভেল জানি,
বিদগধ রসিক নাগর।
কোলেতে করিয়া গোরী,                মুখ চুম্বে কতবেরি,
হেরিয়া জগদানন্দ ভোর॥

ই পদটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ঘোষ সম্পাদিত “শ্রীশ্রীগৌরপদরত্নমালা”, ৩-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নান্দী বা পূর্ব্বাভাষ।
॥ ললিত - মধ্যম দশকুশী॥

নিধুবনে দুহুঁজনে,                        চৌদিকে সথীগণে,
শুতিয়াছে রসের আলসে।
নিশিশেষে বিধুমুখী,                    উঠিলেন স্বপ্ন দেখি
কাঁদি কাঁদি কহে বঁধুপাশে॥
উঠ উঠ প্রাণনাথ,                   কি দেখিলাম অকস্মাৎ,
এক যুবা গউর বরণ।
কিবা তার রুপঠাম,                 জিনি কত কোটী কাম,
রসরাজ রসের সদন॥
অশ্রু কম্প পুলকাদি,                      ভাবভূষা নিরবধি,
নাচে গায় মহামত্ত হৈঞা।
অনুপম রূপ দেখি,                     জুড়াইল মোর আঁখি,
মন ধায় তাঁহারে দেখিয়া॥
নবজলধর রূপ,                              রসময় রসকূপ,
ইহা বই না দেখি নয়নে।
তবে কেন বিপরীত,                    হেন ভেল আচাম্বিত,
কহ নাথ ইহার কারণে॥
চতুর্ভুজ আদি কত,                      বনের দেবতা যত,
দেখিয়াছি এই বৃন্দাবনে।
তাহে 'তিরপিত মন,                       না হইল কদাচন,
(এই) গৌরাঙ্গ হরিল মোর মনে॥
এতেক কহিতে ধনী,                   মূর্চ্ছাপ্রায় ভেল জানি,
বিদগধ রসিক নাগর।
কোলেতে করিয়া বেড়ি,                 মুখ চুম্বে কত বেরি,
হেরিয়া জগদানন্দ ভোর॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৭৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার স্বপ্নকথা
শ্রীগৌরাঙ্গের আবির্ভাব সূচনা
॥ তথারাগ॥

নিধুবনে দুহুঁজনে                        চৌদিকে সথীগণে
শুতিয়াছে রসের আলসে।
নিশিশেষে রসমুখী                    উঠিলেন স্বপ্ন দেখি
কাঁদি কাঁদি কহেন বঁধু-পাশে॥
উঠ উঠ প্রাণনাথ কি                  দেখিলাম অকস্মাৎ
এক যুব গৌরবরণ।
কিবা তার রুপঠাম                জিনি কত কোটি কাম
রসরাজ রসের সদন॥
অশ্রু কম্প পুলকাদি                     ভাবভূষা নিরবধি
নাচে গায় মহামত্ত হৈয়া।
অনুপম রূপ দেখি                     জুড়াইল মোর আঁখি
মন ধায় তাহারে দেখিয়া॥
নবজলধর রূপ                               রসময় রসকূপ
ইহা বই না দেখি নয়নে।
তবে কেন বিপরীত                     হেন হৈল আচাম্বিত
কহ নাথ ইহার কারণে॥
চতুর্ভুজ আদি কত                       বনের দেবতা যত
দেখিয়াছি এই বৃন্দাবনে।
তাহে 'তিরপিত মন                        না হইল কদাচন
গৌরাঙ্গ হরিল মোর মনে॥
এতেক কহিতে ধনি                   মূর্চ্ছা প্রায় ভেল জানি
বিদগধ রসিক নাগর।
কোলেতে করিয়া বেড়ি                 মুখ চুম্বে বেরি বেরি
হেরিয়া জগদানন্দ ভোর॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত  পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নিধুবনে দুহুঁজনে চৌদিকে সথীগণে                        
শুতিয়াছে রসের আলসে।
নিশিশেষে রসমুখী উঠিলেন স্বপ্ন দেখি                     
কাঁদি কাঁদি কহেন বঁধু পাশে॥
উঠ উঠ প্রাণনাথ কি দেখিলাম অকস্মাৎ                   
এক যুব গৌরবরণ।
কিবা তার রুপঠাম জিনি কত কোটি                        
কাম রসরাজ রসের সদন॥
অশ্রু কম্প পুলকাদি ভাবভূষা নিরবধি                       
নাচে গায় মহামত্ত হৈয়া।
অনুপম রূপ দেখি জুড়াইল মোর আঁখি                      
মন ধায় তাহারে দেখিয়া॥
নবজলধর রূপ রসময় রসকূপ                               
ইহা বই না দেখি নয়নে।
তবে কেন বিপরীত হেন হৈল আচাম্বিত                     
কহ নাথ ইহার কারণে॥
চতুর্ভুজ আদি কত বনের দেবতা যত                      
দেখিয়াছি এই বৃন্দাবনে।
তাহে তিরপিত মন না হইল কদাচন                          
গৌরাঙ্গ হরিল মোর মনে॥
এতেক কহিতে ধনি মূর্চ্ছা প্রায় ভেল জানি                    
বিদগধ রসিক নাগর।
কোলেতে করিয়া বেড়ি মুখ চুম্বে বেরি                        
বেরি হেরিয়া জগদানন্দ ভোর॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
চাঁদ নিঙ্গাড়ি কেবা অমিঞা ছানল রে
চাঁদ নিঙ্গাড়ি কেবা অমিয়া ছানল রে
চাঁদ নিঙ্গাড়ি কেবা অমিয় ছানল রে
ভণিতা জগদানন্দ
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ
সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৩য় তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, রূপ, ১০১-পৃষ্ঠায় এই রূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

চাঁদ নিঙ্গাড়ি কেবা         অমিঞা ছানল রে
তাহে মাজল গোরামুখ।
মোতিম দরপণ                সিন্দুরে মাজল
হেরইতে কতই সুখ॥
ভূতলে কি উদল চাঁদ।
মদন-বেয়াধ কি                নারী-হরিণীধরা
পাতল নদীয়ামে ফাঁদ॥ ধ্রু॥
গেও মঝু ধরম                 গেও মঝু সরম
গেও মঝু কুল শীল মান।
গেও মঝু লাজ ভয়            গুরু গঞ্জনা চায়
গোরা বিনু অথির পরাণ॥
গৌরপীরিতে হম                  ভেল গরবিত
কুল মানে আনল ভেজাই।
জগদানন্দ কহ                ধনি ধনি তুয়া লেহ
মরি যাঙ লইয়া বালাই॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

চাঁদ নিঙ্গাড়ি কেবা,           অমিয়া ছানল রে,
তাহে মাজল গোরামুখ।
মোতিম দরপণ,                  সিন্দুরে মাজল,
হেরইতে কতই সুখ॥
ভূতলে কি উদল চাঁদ।
মদন বেয়াধকি,                 নারী হরিণীধরা,
পাতল নদীয়ামে ফাঁদ॥
গেও মঝু ধরম,                  গেও মঝু সরম,
গেও মঝু কুল শীল মান।
গেও মঝু লাজ ভয়,             গুরু গঞ্জনা চায়,
গোরা বিনা অথির পরাণ॥
গৌর পীরিতে হম,                  ভেল গরবিত,
কুল মানে আনল ভেজাই।
জগদানন্দ কহ,                ধনি ধনি তুয়া লেহ,
মরি যাঙ লইয়া বালাই॥

ই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী”,
১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এখানে উল্লেখ রয়েছে যে এই কবি জগদানন্দ ঠাকুর (জোঁফলাই)।

॥ কামোদ রাগ - মধ্যম দশকুশী॥

চাঁদ নিঙ্গাড়ি কেবা,         অমিঞা ছানল রে
তাহে মাজল গোরামুখ।
মোতিম দরপণ,                সিন্দূরে মাজল,
হেরইতে কতই সুখ॥
ভূতলে কি উদল চাঁদ।
মদন বেয়াধ কি,               নারী হরিণী ধরা
পাতল নদীয়ামে ফাঁদ॥ ধ্রু॥
গেও মঝু ধরম,                   গেও মঝু সরম,
গেও মঝু কুলশীলমান।
গেও মঝু লাজভয়,                গুরু গঞ্জনাচয়,
গোরা বিনু অথির পরাণ॥
গৌর পীরিতি রসে,            হম ভেল গরবিত,
কুল মানে আনল ভেজাই।
জগদানন্দ কহ,              ধনি ধনি তুয়া নেহ,
মরি যাঙ লইয়া বালাই॥

এই পদটি নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড,
রূপানুরাগ, ১২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ কামোদ রাগ - মধ্যম দশকুশী॥

চাঁদ নিঙ্গাড়ি কেবা,         অমিঞা ছানল রে,
তাহে মাজল গোরামুখ।
মোতিম দরপণ,                 সিন্দূরে মাজল,
হেরইতে কতই সুখ॥
ভূতলে কি উদল চাঁদ।
মদন-বেয়াধ কি,                নারী-হরিণীধরা,
পাতল নদীয়ামে ফাঁদ॥
গেও মঝু ধরম,                 গেও মঝু সরম,
গেও মঝু কুল শীল মান।
গেও মঝু লাজ ভয়,            গুরু গঞ্জনা চায়,
গোরা বিনু অথির পরাণ॥
গৌর পিরীতে হম,                ভেল গরবিত,
কুলমানে আনল ভেজাই।
জগদানন্দ কহ,                ধনি ধনি তুয়া লেহ,
মরি যাঙ লইয়া বালাই॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথারাগ॥

চাঁদ নিঙাড়ি কেবা             অমিয় ছানল রে
তাহে মাজল গোরামুখ।
মোতিম দরপণ                    সিদূঁরে মাজল
হেরইতে হউ কত সুখ॥
ভূতলে কি উদয় চাঁদ।
মদন-বেয়াধ কি                  নারী-হরিণী-ধরা
পাতল নদীয়ামে ফাঁদ॥
গেও মঝু ধরম                    গেও মঝু শরম
গেও মঝু কুলশীলমান।
গেও মঝু লাজভয়                   গুরুগঞ্জনা-চয়
গোরা বিনু অথির পরাণ॥
গৌর-পীরিতে মঝু                মন ভেল গরবিত
কুলমানে আনল ভেজাই।
জগদানন্দ কহ                   ধনি ধনি তুয়া নেহ
মরি যাও লইয়া বালাই॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত  পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

চাঁদ নিঙাড়ি কেবা অমিয় ছানল রে           
তাহে মাজল গোরামুখ।
মোতিম দরপণ সিদূঁরে মাজল                  
হেরইতে হউ কত সুখ॥
ভূতলে কি উদয় চাঁদ।                          
মদন বেয়াধ কি নারী হরিণী ধরা               
পাতল নদীয়ামে ফাঁদ॥
গেও মঝু ধরম গেও মঝু শরম                  
গেও মঝু কুলশীলমান।
গেও মঝু লাজভয় গুরুগঞ্জনা চয়                
গোরা বিনু অথির পরাণ॥
গৌর পীরিতে মঝু মন ভেল গরবিত             
কুলমানে আনল ভেজাই।
জগদানন্দ কহ ধনি ধনি তুয়া নেহ                
মরি যাও লইয়া বালাই॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
তনু গোরচন গরব বিমোহন লোচন কুবলয়কাঁতি
ভণিতা জগদানন্দ
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ
সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৩য় তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, রূপ, ১০১-পৃষ্ঠায় এই রূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

তনু গোরচন গরব বিমোহন লোচন কুবলয়কাঁতি।
অতুলন সো মুখ বিকচ সরোরুহ অধরহি বান্ধুলিপাঁতি॥
আজু গৌরব দরশন বেলি।
মাই রি দিঠে ভারি                     মাধুরী পিবইতে
লাজ বৈরিণী দুঃখ দেলি॥ ধ্রু॥
নাসা তিলফুল                          দশন মূকুতা ফল
ভাস মল অটমিক চন্দ।
ভুরুযুগ চপল                            ভুজগ যুগ গঞ্জই
রঞ্জই কুলবতীবৃন্দ॥
গম্ভীর জলধি                        অবধি বুধি গুণনিধি
কি কয়ল নিরমাণ।
জগদানন্দ ভণই                    নবরঙ্গিণী ভেল তুয়া
অমিঞা সিনান॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
চাঁচর চারু চিকুরচয় চূড়হি চঞ্চল চম্পকমাল
ভণিতা জগদানন্দ
কবি জগদানন্দ ঠাকুর (জোঁফলাই)
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ
সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৩য় তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, রূপ, ১০১-পৃষ্ঠায় এই রূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

চাঁচর চারু চিকুরচয় চূড়হি চঞ্চল চম্পকমাল।
মারুত-চালিত ভালে অলকাবলী, জনু উছলিত অলিজাল॥
মাই রি কো পুন বিহরই ইহ।
সুরধুনীতীরে ধীরে চলি আয়ত থির বিজুরী সম দেহ॥ ধ্রু॥
ঢল ঢল গণ্ডমণ্ডল মণিমণ্ডিত ঝলমল কুণ্ডল বিকাশ।
বারিজ-বদনে বিহসি বিলোকনে বরবধূ-বরত বিনাশ॥
কটি অতি ক্ষীণ পীন তহি চীনজ নীলিম বলন উজোর।
জগদানন্দ ভণ, শ্রীশচীনন্দন, সতীকুলবতী-মতি-চোর॥

ই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী”, ১৮-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এখানে উল্লেখ রয়েছে যে এই কবি জগদানন্দ ঠাকুর (জোঁফলাই)।

॥ কামোদ মঙ্গল - মধ্যম দশকুশী॥

চাঁচর চারু                        চিকুরচয় চূড়হি
চঞ্চল চম্পক মাল।
মারুত চালিত,                  ভালে অলকাবলী,
জনু উছলিত অলি জাল॥
মাই রি কো পুন বিহরই ইহ।
সুরধুনী তীরে,                  ধীরে চলি আওত,
থির বিজুরী সম দেহ॥ ধ্রু॥
ঢল ঢল গণ্ড-                     মণ্ডল মণিমণ্ডিত,
ঝলমল কুণ্ডল বিকাশ।
বারিজ বদনে,                    বিহসি বিলোকনে
বর বধূ বরত বিনাশ॥
কটি অতি খীণ                     পীন তহি চীনজ
নীলিম বসন উজোর।
জগদানন্দ ভণ,                        শ্রীশচীনন্দন,
সতী কুলবতী-মতি-চোর॥

ই পদটি নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড,
৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ কামোদমঙ্গল - মধ্যম দশকুশী॥

চাঁচর চারু,                        চিকুর চয় চূড়হি,
চঞ্চল চম্পক মাল।
মারুত চালিত,                    ভালে অলকাবলী,
জনু উছলিত অলিজাল॥
মাই রি কো পুন বিহরই ইহ।
সুরধুনি তীরে,                    ধীরে চলি আয়ত,
থির বিজুরী সম দেহ॥ ধ্রু॥
ঢল ঢল গণ্ড-                      মণ্ডল মণি মণ্ডিত,
ঝলমল কুণ্ডল বিকাশ।
বারিজ বদনে,                      বিহসি বিলোকনে,
বর বধূ বরত বিলাস॥
কটি অতি খীণ,                      পীন তহি চীনজ,
নীলিম বসন উজোর।
জগদানন্দ ভণ,                           শ্রীশচীনন্দন,
সতীকুলবতী-মতি-চোর॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শারদ ইন্দু কুন্দ নব বন্ধক
নারদ ইন্দু কুন্দ নব বন্ধক
ভণিতা জগদানন্দ
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ
সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৩য় তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, রূপ, ১০১-পৃষ্ঠায় এই রূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

শারদ ইন্দু কুন্দ নব বন্ধক ইন্দীবরবর নিন্দ।
যাকর বদন বদনাবলী ছদন, নয়ন পদ অরবিন্দ॥
দেখ শচীনন্দন সোই।
যছু গুণকেতন তনু হেরি চেতন হীন মীনকেতন হোই॥ ধ্রু॥
হেরইতে যাক চিকুররুচি বিগলিত কুলবতীহদয়-দুকূল।
সো কিয়ে পামরী চামর ঝামর চামর সমতুল মূল॥
নীরখত নয়ন নহত পুন তিরপিত, অপরূপ রূপ অতিরূপ।
জগদানন্দ ভণই সতী ভাবিনী সো আসেচনক স্বরূপ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথারাগ॥

শারদ ইন্দু                        কুন্দ নববন্ধুক
ইন্দীবর অরবিন্দ।
যাকর বদন                   রদন খিনি রদছদ
লোচন চরণক ছন্দ॥
দেখ শচীনন্দন সোই।
যছু গুণ-কেতন                তনু হেরি চেতন-
হীন মীনকেতন হোই॥
হেরই যাকর                  কচ-রুচি বিগলিত
কুলবতী-হুদয়-দুকূল।
সো কিএ পামরী                   চামরী ঝামর
চামর সমতুল মূল॥
নিরখত নয়ন                নহত পুন তিরপিত
অপরূপ রূপ অতিরূপ।
জগদানন্দ                    ভনই সতি ভাবিনী-
শোয়াসে চমক স্বরূপ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত  পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নারদ ইন্দু কুন্দ নববন্ধুক                
ইন্দীবর অরবিন্দ।
যাকর বদন রদন খিনি রদছদ           
লোচন চরণক ছন্দ॥
দেখ শচীনন্দন সোই।                     
যছু গুণ কেতন তনু হেরি চেতন        
হীন মীনকেতন হোই॥
হেরই যাকর কচ রুচি বিগলিত         
কুলবতী হুদয় দুকূল।
সো কিএ পামরী চামরী ঝামর           
চামর সমতুল মূল॥
নিরখত নয়ন নহত পুন তিরপিত        
অপরূপ রূপ অতিরূপ।
জগদানন্দ ভনই সতি ভাবিনী             
শোয়াসে চমক স্বরূপ॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
দূরহি নব নব সুরতরঙ্গিণী সব
ভণিতা জগদানন্দ
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ
সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৩য় তরঙ্গ, ২য় উচ্ছ্বাস, নাগরীর পদ, ১১৬-পৃষ্ঠায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

দূরহি নব নব                      সুরতরঙ্গিণী সব
যৈখনে পেখনু তোয়।
রূপক কূপে                        মগন ভেল তৈখন
লখই না পারই কোয়॥
শুনহ গৌর দ্বিজরাজ।
তুয়া পরসঙ্গ                  হোত নিতি ইতি উতি
অভিনব যুবতী-সমাজ॥ ধ্রু॥
কোই কহ কনক                 মুকুর কোই কহ নহ
কনক কমল কিবা হোই।
কোই কহ নহ নহ                        শরদসুধাকর
কোই কহ নহ মুখ সোই॥
গুরুজননয়ন                        প্রহরিগণ চৌদিশে
নিশি দিশি রহত আগোরি।
কি করব'অবিরত                  আবেকত রোয়ত
জগদানন্দ কহ তোরি॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নিরখিতে ভরমে সরমে মঝু পৈঠল
নিরখিতে ভরমে মরমে মঝু পৈঠল
ভণিতা জগদানন্দ
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ
সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৩য় তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, রূপ, ১০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ যথারাগ॥

নিরখিতে ভরমে সরমে মঝু পৈঠল যব সঞে গৌরকিশোর।
তব সঞে কোন কি করি কাহা আছিএ অনুভবি নহ পুন ঠোর॥
কহল শপথ করি তোয়।
দ্বিজকুলগৌরব গৌরক সৌরভে চৌর সদৃশ ভেল মোয়॥ ধ্রু॥
বিসরিতে চাহি, নহত পুন বিসরণ, স্মৃতি-পথ-গত মুখ-চন্দ।
করে ধরি কতএ, যতন করি রাখব, অবিরত বিধি নিরবন্ধ।
ধৈরজ আদি পহিলে দূর ভাজল, হেতু কি বুঝিএ না পারি॥
জগদানন্দ সব, অব সমুঝায়ব, রহ দিন দুই তিন চারি॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ যথা-রাগ॥

নিরখিতে ভরমে,                মরমে মঝু পৈঠল,
যবসঞে গৌর কিশোর।
তবসঞে কোন কি,             করি কাঁহা আছিএ,
অনুভবি নহ পুন ঠোর॥
কহল শপথ করি তোয়।
দ্বিজকুল গৌরব,                     গৌরক সৌরভ,
চৌর সদৃশ ভেল মোয়॥
বিসরিতে চাহি,                  নহত পুন বিসরণ,
স্মৃতিপথ-গত মুখ-চন্দ্র।
করে ধরি কতএ,                 যতন করি রাখব,
আবিরত নীবি নিরবন্ধ॥
ধৈরয আদি.                   পহিলে দূরে ভাগল,
হেতু কি বুঝিএ না পারি।
জগদানন্দ সব.                      অব সমুঝাঅব,
রহ দিন দুই তিন চারি॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৮৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথারাগ॥

নিরখিতে ভরমে                মরমে মঝু পৈঠল
যব সঞে গৌরকিশোর।
তব সঞে কোন কি            করি কাঁহা আছিএ
অনুভবি নহ পুন ঠোর॥
কহল শপথ করি তোয়।
দ্বিজকুল-গৌরব                    গৌরক সৌরভ
চৌর সদৃশ ভেল মোয়॥
বিসরিতে চাহি                   নহত পুন বিসরণ
স্মৃতিপথ-গত মুখচন্দ্র।
করে ধরি কতএ                  যতন করি বারব
অবিরত নীবি নিরবন্ধ॥
ধৈরজ আদি                    পহিলে দূরে ভাগল
হেতু কি বুঝিএ না পারি।
জগদানন্দ সব                        অব সমুঝাওব
রহ দিন দুই তিন চারি॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত  পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নিরখিতে ভরমে মরমে মঝু পৈঠল                
যব সঞে গৌরকিশোর।
তব সঞে কোন কি করি কাঁহা আছিএ            
অনুভবি নহ পুন ঠোর॥
কহল শপথ করি তোয়।                            
দ্বিজকুল গৌরব গৌরক সৌরভ                     
চৌর সদৃশ ভেল মোয়॥
বিসরিতে চাহি নহত পুন বিসরণ                    
স্মৃতিপথ গত মুখচন্দ্র।
করে ধরি কতএ যতন করি বারব                   
অবিরত নীবি নিরবন্ধ॥
ধৈরজ আদি পহিলে দূরে ভাগল                      
হেতু কি বুঝিএ না পারি।
জগদানন্দ সব অব সমুঝাওব                        
রহ দিন দুই তিন চারি॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সহজই মধুর মধুর যছু মাধুরী
সহজ হি মধুর মধুরযুত মাধুরী
ভণিতা জগদানন্দ
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ
সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৩য় তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, রূপ, ১০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

সহজই মধুর                        মধুর যছু মাধুরী
ত্রিভুবনজন-মনোহারী।
জলজ কি স্থলজ                   চলাচল জগ ভরি
সবহুঁ বিমোহনকারী॥
মাই রি অপরূপ গোরাতনুকাঁতি।
নিরখি জগতে ধরু                   দামিনী কামিনী
চঞ্চল চপল খেয়াতি॥ ধ্রু॥
হারকি ছলকিয়ে                      তাকর বিলসই
উরপরিযঙ্কে নিহারি।
গগনহি ভগন                    রমণ নিজ পরিজন
গণি গণি অন্তরকারি॥
যাহা হেরি সুরপুর                  নারী নয়ন ভরি
বারি ঝরত অনিবারি।
জগদানন্দ ভণ                  তাহা কি ধিরজ ধর
দ্বিজবরকুলজকুমারী॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

সহজই মধুর মধুর যছু,          মাধুরী ত্রিভুবন,
জন-মনোহারী।
জলজ কি স্থলজ,                চলাচল জগভরি,
সবহুঁ বিমোহনকারী॥
মাইরি অপরূপ গোরাতনু কাঁতি।
নিরখি জগতে ধরু,               দামিনী কামিনী,
চঞ্চল চপল খেয়াতী॥
হারকি ছলকিয়ে,                  তাকর বিলসই,
উরপরিযঙ্কে নিহারি।
গগনহি ভগন,                  রমণ নিজ পরিজন,
গণি গণি অন্তর কারী॥
যাহা হেরি সুরপুর,                নারী নয়ন ভরি,
বারি ঝরত অনিবারি।
জগদানন্দ ভণ,                 তাহাকি ধিরয ধর,
দ্বিজবর কুলজ কুমারী॥

ই পদটি নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড,
রূপানুরাগ, ৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই - বড় দশকুশী॥

সহজই মধুর                    মধুর যছু মাধুরী
ত্রিভুবন জন মনোহারী।
জলজ কি স্থলজ                চলাচল জগভরি,
সবহু বিমোহনকারী॥
মাই রি অপরূপ গোরা-তনু-কাঁতি।
নিরখি জগতে ধরু,               দামিনী কামিনী,
চঞ্চল চপলে খেয়াতী॥ ধ্রু॥
হারকি ছলকিয়ে,                 তারক বিলসই,
উরপরিযঙ্কে নিহারি।
গগনহিঁ ভগণ-                 রমণ নিজ পরিজন,
গণি গণি অন্তর কারি॥
যাহা হেরি সুরপুর-               নারী নয়ন ভরি,
বারি ঝরত অনিবারি।
জগদানন্দ ভণ,                 তাহা কি ধিরয ধর
দ্বিজবর-কুলজ-কুমারী॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৮৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথারাগ॥

সহজ হি মধুর                   মধুরযুত মাধুরী
ত্রিভূবন-জন-মনোহারী।
জলজ কি স্থলজ                চলাচল জগভরি
সবহুঁ বিমোহনকারী॥
মই রি অপরূপ গোরাতনু কাঁতি।
নিরখি জগতে ধরু                দামিনীকামিনী
চঞ্চলা চপলা খেয়াতি॥
হার ছলে কিএ                     সোই বিলসই
উর-পরি জঙ্ঘে নিহারি।
গগনহিঁ ভ-গণ                 রমণ-নিজ পরিজন
গণি গণি অন্তর কারী॥
যাহা হেরি সুরপুর-               নারী-নয়ন ভরি
বারি ঝরত অনিবারি।
জগদানন্দ ভণ                 তাহা কি ধিরজ ধর
দ্বিজবর-কুলক কুমারী॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত  পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সহজ হি মধুর মধুরযুত মাধুরী           
ত্রিভূবন জন মনোহারী।
জলজ কি স্থলজ চলাচল জগভরি        
সবহুঁ বিমোহনকারী॥
মই রি অপরূপ গোরাতনু কাঁতি।       
নিরখি জগতে ধরু দামিনীকামিনী        
চঞ্চলা চপলা খেয়াতি॥
হার ছলে কিএ সোই বিলসই              
উর পরি জঙ্ঘে নিহারি।
গগনহিঁ ভগণ রমণ নিজ পরিজন           
গণি গণি অন্তর কারী॥
যাহা হেরি সুরপুর নারী নয়ন ভরি        
বারি ঝরত অনিবারি।
জগদানন্দ ভণ তাহা কি ধিরজ ধর        
দ্বিজবর কুলক কুমারী॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নিন্দই ইন্দুবদন-রুচি সুন্দর বদনহি নিন্দই কুন্দ
ভণিতা জগত আনন্দ
কবি জগদানন্দ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত,
মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৩য় তরঙ্গ, ২য়
উচ্ছ্বাস, নাগরীর পদ, ১১৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

নিন্দই ইন্দুবদন-রুচি সুন্দর বদনহি নিন্দই কুন্দ।
বদন ছদন রুচি নিন্দই সিন্দূর ভুরুযুগ ভূজগগতি নিন্দ॥
আজু কহবি গৌর-যুবরায়।
যুবতী-মতিহর তোহারি কলেবর কুলবতী কি করু উপায়॥ ধ্রু॥
সুরধুনীতটগত হরিণনয়নী যত গুরুজন করইতে আঁধে।
কত কত গোপত বরত করু অবিরত পড়ি তছু লোচনফাঁদে॥
তুয়া মুখ সদৃশ সুধাকর নিরজনে নিরখিতে যব কহ মন্দ।
কঙ্কণঘাত মাথে দেই কাঁদই কি করব জগত আনন্দ॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর