| কবি নয়নানন্দের (মঙ্গলডিহি) বৈষ্ণব পদাবলী |
| উঠ গোপাল প্রাতঃকাল ভণিতা নয়ান কবি নয়নানন্দ (মঙ্গলজিহি) এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯১-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোপালের নিদ্রাভঙ্গ ॥ তথারাগ॥ উঠ গোপাল প্রাতঃকাল মুখ নেহারি তের। রজনী অব- সান ভই কাম ভই মের॥ উঠত ভানু দেখত কানু রজনী গেই দূর। বালক সঙ্গে খেলত রঙ্গে রোহিণেয় বলবীর॥ এই শ্রীদাম দাম সুদাম সঙ্গীগণ তের। পুরতো বেণু ধাওত ধেনু আঙ্গিনা ভরল মের॥ নন্দরাণী পসারি পাণি বালক লেই কোর। মুখ নেহারি দুখ বিসরি কিয়ে জানি সুখ ওর॥ শ্যামচন্দ্র চন্দ্র উদিত নাশল হৃদি ঘোর। হেরিয়া বয়ান কহিছে নয়ান উঠ কানাই মোর॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি), ১৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। উঠ গোপাল প্রাতঃকাল মুখ নেহারি তের। রজনী অব সান ভই কাম ভই মের॥ উঠত ভানু দেখত কানু রজনী গেই দূর। বালক সঙ্গে খেলত রঙ্গে রোহিণেয় বলবীর॥ এই শ্রীদাম দাম সুদাম সঙ্গীগণ তের। পুরতো বেণু ধাওত ধেনু আঙ্গিনা ভরল মের॥ নন্দরাণী পসারি পাণি বালক লেই কোর। মুখ নেহারি দুখ বিসরি কিয়ে জানি সুখ ওর॥ শ্যামচন্দ্র চন্দ্র উদিত নাশল হৃদি ঘোর। হেরিয়া বয়ান কহিছে নয়ান উঠ কানাই মোর॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| নাচে হলধর সঙ্গে সহচর ভণিতা দাস নয়ন কবি নয়নানন্দ (মঙ্গলজিহি) এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯১-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হলধরের নৃত্য ॥ তথারাগ॥ নাচে হলধর সঙ্গে সহচর আনন্দে বালক মেলিয়া। যেন ঘনাগমে নাচে শিখিগণে কামে উনমত হইয়া॥ বলয়া কঙ্কণে নূপুর চরণে রনঝনঝন বাজই। করে কর ধরি করিঞা কুণ্ডলী হলধর হের নাচই॥ শ্রীদাম সুদাম সুভদ্র অর্জ্জুন করে ধরে বনি তাল। বিশাল বৃষভ ভদ্র মহাবল কহে নাচে ভায়্যা ভাল॥ তা দেখি বিপিনে মৃগপক্ষিগণে আনন্দে অবশ হৈঞা। গায়ত কোকিল শিখিকুল নাচে হলধর মুখ চাঞা॥ ভ্রমরা ভ্রমরী উড়ত পরিকর পিক রব বেড়িঞা। এ দাস নয়ন আনন্দে মগন বিপিনবিহার দেখিঞা॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি), ১৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। নাচে হলধর সঙ্গে সহচর আনন্দে বালক মেলিয়া। যেন ঘনাগমে নাচে শিখিগণে কামে উনমত হইয়া॥ বলয়া কঙ্কণে নূপুর চরণে রনঝনঝন বাজই। করে কর ধরি করিঞা কুণ্ডলী হলধর হের নাচই॥ শ্রীদাম সুদাম সুভদ্র অর্জ্জুন করে ধরে বনি তাল। বিশাল বৃষভ ভদ্র মহাবল কহে নাচে ভায়্যা ভাল॥ তা দেখি বিপিনে মৃগপক্ষিগণে আনন্দে অবশ হৈঞা। গায়ত কোকিল শিখিকুল নাচে হলধর মুখ চাঞা॥ ভ্রমরা ভ্রমরী উড়ত পরিকর পিক রব বেড়িঞা। এ দাস নয়ন আনন্দে মগন বিপিনবিহার দেখিঞা॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ঐছন সময়ে মদন মনমোহন ভণিতা নয়নানন্দ দাস কবি নয়নানন্দ (মঙ্গলজিহি) এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯২-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। খণ্ডিতা ঐছন সময়ে মদন মনমোহন আয়ল গোকুলচন্দ। রতিরসচতুর চাতুরি করি ভাষা কহত বিবিধ করি ছন্দ॥ রমণী শিরোমণি রাধে কহে জানি ঐছন বেশবনান। তুয়ামুখ নিরখি বিবশ মোর লেচন ব্যাকুল হৈল পরাণ॥ শুন অহে মাধব চঞ্চলবর কান এমতি কহ কোন লাজে। যাঁহা নিশি বঞ্চিলে কিশলয় শেজ মাঝ তার কাছে হেন কথা সাজে॥ পুন পুন শপথি করসি কাহে মাধব বেকত সব তুয়া অঙ্গে। করনখ চিহ্ন খিন্ন ভেল চন্দন গণ্ডে সীমন্তিনী রঙ্গে॥ ঘূর্ণিত নয়ন বদন রস শোষত জৃম্ভা উঠত শতবার। হে খলচরিত ত্বরিত জানি শয়ন যাহি বিলম্ব কাহে আর॥ আজু সে সমুঝল তুহুঁ কি পিরীতি রীতি কহত নয়নানন্দ দাস। ঐছন বচনে রসিক নারী নাগরে বলু বহুত উপহাস॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি), ১৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ঐছন সময়ে মদন মনমোহন আয়ল গোকুলচন্দ। রতিরসচতুর চাতুরি করি ভাষা কহত বিবিধ করি ছন্দ॥ রমণী শিরোমণি রাধে কহে জানি ঐছন বেশবনান। তুয়ামুখ নিরখি বিবশ মোর লোচন ব্যাকুল হৈল পরাণ॥ শুন অহে মাধব চঞ্চলবর কান এমতি কহ কোন লাজে। যাঁহা নিশি বঞ্চিলে কিশলয় শেজ মাঝ তার কাছে হেন কথা সাজে॥ পুন পুন শপথি করসি কাহে মাধব বেকত সব তুয়া অঙ্গে। করনখ চিহ্ন খিন্ন ভেল চন্দন গণ্ডে সীমন্তিনীরঙ্গে॥ ঘূর্ণিত নয়ন বদন রস শোষত জৃম্ভা উঠত শতবার। হে খলচরিত ত্বরিত জানি শয়ন যাহি বিলম্ব কাহে আর॥ আজু সে সমুঝল তুহুঁকি পিরীতি রীতি কহত নয়নানন্দ দাস। ঐছন বচনে রসিক নারী নাগরে বলু বহূত উপহাস॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| তুয়া বিনি এক ত্রুটি মানি কত যুগ কোটি ভণিতা দাস নয়ন কবি নয়নানন্দ (মঙ্গলজিহি) এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯২-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের আত্মনিবেদন তুয়া বিনি এক ত্রুটি মানি কত যুগ কোটি না জানি কি জান মণিমন্ত্র। তুমি বীণাবাদিনী মম হৃদি বীণাখানি তোমার হাতেতে সখী যন্ত্র॥ এত কহি নাগর ধরি প্রিয়া আঁচর বৈঠল নাগরী পাশ। কত রতিরভস পরম প্রেম সরস জগমনোমোহন হাস॥ নিজ পীতবসনে রাই মুখ মাজই হেরই পুন পুন অঙ্গ। অলক তিলক ভালে নিজ মালা দেই গলে নব মদ মদন তরঙ্গ॥ কুচযুগে চিত্র তিলক হরি রচই কবরী বান্ধই নানা ফুলে। বেণী বনায়ত রচয়তি মালা স্তবক পরায়ে শ্রুতিমূলে॥ কহ ধনী বিনোদিনী শুন বর কান চূড়া বান্ধিঞা দেহ মোর। এ দাস নয়ন করে পুন পুন নিবেদন অধীন নাগর ভেল ভোর॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি), ১৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। তুয়া বিনি এক ত্রুটি মানি কত যুগ কোটি না জানি কি জান মণিমন্ত্র। তুমি বীণাবাদিনী মম হৃদি বীণাখানি তোমার হাতেতে সখী যন্ত্র॥ এত কহি নাগর ধরি প্রিয়া আঁচর বৈঠল নাগরী পাশ। কত রতিরভস পরম প্রেম সরস জগমনোমোহন হাস॥ নিজ পীতবসনে রাই মুখ মাজই হেরই পুন পুন অঙ্গ। অলক তিলক ভালে নিজ মালা দেই গলে নব মদ মদন তরঙ্গ॥ কুচযুগে চিত্র তিলক হরি রচই কবরী বান্ধই নানা ফুলে। বেণী বনায়ত রচয়তি মালা স্তবক পরায়ে শ্রুতিমূলে॥ কহ ধনী বিনোদিনী শুন বর কান চূড়া বান্ধিঞা দেহ মোর। এ দাস নয়ন করে পুন পুন নিবেদন অধীন নাগর ভেল ভোর॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| একি শুনি আচম্বিতে অক্রূর আস্যাছে নিতে ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ (মঙ্গলজিহি) এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯২-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ভবনবিরহ একি শুনি আচম্বিতে অক্রূর আস্যাছে নিতে হরি নাকি যাবে মধুপুরে। এইত দারুণ কথা শুনিতে অন্তরে ব্যথা গোপীগণ প্রতি ঘরে ঘরে॥ নন্দঘোষ যশোমতী তারা দিল অনুমতি প্রাণনাথ যাইবে মথুরা। প্রাণনাথ পরিহরি কেমনে পরাণ ধরি নিশ্চয়ে সে মরিব আমরা॥ হরি বিনা জীবন কি ছার ধন জন যৌবন সম্পদ আমার। যাহা বিনে এক ত্রুটি মানি কত যুগ কোটি কেমনে বিচ্ছেদ সৈব আর॥ করহ উপায় তায় অক্রুর ফিরিঞা যায় প্রাণনাথ রাখি লুকাইঞা। কিবা আর লাজ ভয় প্রাণ যদি নাহি রয় হরি লৈয়া যায় পলাইঞা॥ কেহো বলে নিশা তুমি প্রভাত না হইয় জানি প্রভাতে হইবে পরমাদ। কহয়ে নয়ানানন্দ কিবা জানি কর্ম মন্দ কে আনিল বিষম সম্বাদ॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি), ১৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। একি শুনি আচম্বিতে অক্রূর আস্যাছে নিতে হরি নাকি যাবে মধুপুরে। এইত দারুণ কথা শুনিতে অন্তরে ব্যথা গোপীগণ প্রতি ঘরে ঘরে॥ নন্দঘোষ যশোমতী তারা দিল অনুমতি প্রাণনাথ যাইবে মথুরা। প্রাণনাথ পরিহরি কেমনে পরাণ ধরি নিশ্চয়ে সে মরিব আমরা॥ হরি বিনা জীবন কি ছার ধন জন যৌবন সম্পদ আমার। যাহা বিনে এক ত্রুটি মানি কত যুগ কোটি কেমনে বিচ্ছেদ সৈব আর॥ করহ উপায় তায় অক্রুর ফিরিঞা যায় প্রাণনাথ রাখি লুকাইঞা। কিবা আর লাজ ভয় প্রাণ যদি নাহি রয় হরি লৈয়া যায় পলাইঞা॥ কেহো বলে নিশা তুমি প্রভাত না হইয় জানি প্রভাতে হইবে পরমাদ। কহয়ে নয়ানানন্দ কিবা জানি কর্ম মন্দ কে আনিল বিষম সম্বাদ॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কবে দশা হবে এই পাব বৃন্দাবন সেই ভণিতা নয়নানন্দ দাস কবি নয়নানন্দ (মঙ্গলজিহি) এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯৩-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা কবে দশা হবে এই পাব বৃন্দাবন সেই বসতি করিব কুঞ্জবনে। তাহাতে দ্বাদশ বন করিব সে ভ্রমণ বিলসিব যমুনা পুলিনে॥ হেন দশা হবে জানি নয়ন গোচর পুনি মদনগোপাল গোপীনাথ। গোবিন্দদর্শন মোর নয়নের গোচর কবে হবে ভক্তগণ সাথ॥ ব্রজেতে বসতি করি অঞ্জলি অঞ্জলি পূরি পিব কবে যমুনার নীর। হেন দশা মোর হবে মাধুকরী মাগি কবে খাইয়া পালিব এ শরীর॥ বনে বনে ভ্রমিয়া আনন্দিত মন হৈঞা বিহার দেখিব স্থানে স্থানে। ব্রজধূলি লৈয়া গায় আনন্দিত হৈঞা তায় কক্ষ্যবাদ্য করি ক্ষণে ক্ষণে॥ সাধুজন সমাগমে যমুনাপুলিন বনে উচ্চ গান তাণ্ডব পূরিব। নন্দীশ্বর গোকুল পুরী তথা গোবর্দ্ধন গিরি বসতি করিঞা ভরমিব॥ বংশীবট তলে বাস সদা যার অভিলাষ ইহা বহি নাহি ভায় আন। ভাবাঙ্কুর চিহ্ন তাহে এরূপ দেখিতে যাহে এ নয়নানন্দ দাস গান॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, নয়নানন্দ (মঙ্গলডিহি), ১৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কবে দশা হবে এই পাব বৃন্দাবন সেই বসতি করিব কুঞ্জবনে। তাহাতে দ্বাদশ বন করিব সে ভ্রমণ বিলসিব যমুনা পুলিনে॥ হেন দশা হবে জানি নয়ন গোচর পুনি মদনগোপাল গোপীনাথ। গোবিন্দদর্শন মোর নয়নের গোচর কবে হবে ভক্তগণ সাথ॥ ব্রজেতে বসতি করি অঞ্জলি অঞ্জলি পূরি পিব কবে যমুনার নীর। হেন দশা মোর হবে মাধুকরী মাগি কবে খাইয়া পালিব এ শরীর॥ বনে বনে ভ্রমিয়া আনন্দিত মন হৈঞা বিহার দেখিব স্থানে স্থানে। ব্রজধূলি লৈয়া গায় আনন্দিত হঞা তায় কক্ষ্যবাদ্য করি ক্ষণে ক্ষণে॥ সাধুজন সমাগমে যমুনাপুলিন বনে উচ্চ গান তাণ্ডব পূরিব। নন্দীশ্বর গোকুল পুরী তথা গোবর্দ্ধন গিরি বসতি করিঞা ভরমিব॥ বংশীবট তলে বাস সদা যার অভিলাষ ইহা বহি নাহি ভায় আন। ভাবাঙ্কুর চিহ্ন তাহে এরূপ দেখিতে যাহে এ নয়নানন্দ দাস গান॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |