| কবি নয়নানন্দের (ভরতপুর) বৈষ্ণব পদাবলী |
| আওত পিরিতি মুরতিময় সাগর ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা ১৮শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি, ২১১৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বালা ধানশী॥ আওত পিরিতি মুরতিময় সাগর অপরুপ পহু দ্বিজ-রাজ। নব নব ভকত ভকতি নব রতন সু- যাচত নটন-সমাজ॥ ভালি ভালি নদিয়া-বিহার। সকল বৈকুন্ঠ-বৃন্দাবন-সম্পদ সকল সুখের সুখ-সার॥ ধ্রু॥ ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনি আনন্দে বহে রস-ধার। স্নান পান অবগাহ আলিঙ্গন সঙ্গম কত কত বার॥ প্রতি পুর মন্দির প্রতি তরুকুল-তল প্রতি ফুল-বিপিন বিলাস। কহে নয়নানন্দ প্রেমে বিশ্বম্ভর সভাকার পূরল আশ॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২২৪ পদসংখ্যায়, কোনো পাঠান্তর ছাড়াই এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ বালা ধানশী॥ আওত পিরিতি মুরতিময় সাগর অপরুপ পহু দ্বিজ-রাজ। নব নব ভকত ভকতি নব রতন সু- যাচত নটন-সমাজ॥ ভালি ভালি নদিয়া-বিহার। সকল বৈকুন্ঠ-বৃন্দাবন-সম্পদ সকল সুখের সুখ-সার॥ ধ্রু॥ ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনি আনন্দে বহে রস-ধার। স্নান পান অবগাহ আলিঙ্গন সঙ্গম কত কত বার॥ প্রতি পুর মন্দির প্রতি তরুকুল-তল প্রতি ফুল-বিপিন বিলাস। কহে নয়নানন্দ প্রেমে বিশ্বম্ভর সভাকার পূরল আশ॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বালা ধানশী॥ আওত পিরীতি মুরতিময় সাগর অপরুপ পহু দ্বিজরাজ। নব নব ভকত নব রস যাবত নব তনু রতন সমাজ॥ ভালি ভালি নদীয়াবিহার। সকল বৈকুন্ঠ বৃন্দাবন সম্পদ সকল সুখের সুখ সার॥ ধ্রু॥ ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনী আনন্দে বহে রসধার। স্নান পান অবগাহ আলিঙ্গন সঙ্গম কত কত বার॥ প্রতিপুর মন্দির প্রতি তরুকুলতল ফুল বিপিন বিলাস। কহে নয়নানন্দ প্রেমে বিশ্বম্ভর সবাকার পূরাইল আশ॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বালা ধানশী॥ আওত পিরীতি মুরতিময় সাগর অপরূপ পহুঁ দ্বিজরাজ। নব নব ভকত ভকতি নব রতন সুরতন যাচত নটন সমাজ॥ ভালি ভালি নদীয়া বিহার। সকল বৈকুন্ঠ বৃন্দাবন সম্পদ সকল সুখ সার॥ ধ্রু॥ ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনী আনন্দে বহে রসধার। স্নান পান অব- গাহ আলিঙ্গন সঙ্গম কত কত বার॥ প্রতি পুর মন্দির প্রতি তরু কুল তল প্রতিকুল বিপিন বিলাস। কহে নয়নানন্দ প্রেমে বিশ্বম্ভর সভাকার পূরল আশ॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৯-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি ॥ বালা ধানশী॥ আওত পিরিতি মুরতিময় সাগর অপরুপ পহু দ্বিজরাজ। নব নব ভকত ভকতি নব রতন সুযাচত নটনসমাজ॥ ভালি ভালি নদীয়া-বিহার। সকল বৈকুন্ঠ বৃন্দাবনসম্পদ সকল সুখের সুখসার॥ ধ্রু॥ ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনি আনন্দে বহে রসধার। স্নান পান অব- গাহ আলিঙ্গন সঙ্গম কত কত বার॥ প্রতি পুর মন্দির প্রতি তরুকুলতল প্রতি ফুলবিপিন বিলাস। কহে নয়নানন্দ প্রেমে বিশ্বম্ভর সভাকার পূরল আশ॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। আওত পিরীতি মুরতিময় সাগর অপরূপ পহু দ্বিজরাজ। নব নব ভকত ভকতি নব রতন সুযাচত নটনসমাজ॥ ভালি ভালি নদীয়া বিহার। সকল বৈকুন্ঠ বৃন্দাবনসম্পদ সকল সুখের সুখসার॥ ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনি আনন্দে বহে রসধার। স্নান পান অব গাহ আলিঙ্গন সঙ্গম কত কত বার॥ প্রতি পুর মন্দির প্রতি তরুকুলতল প্রতি ফুলবিপিন বিলাস। কহে নয়নানন্দ প্রেমে বিশ্বম্ভর সভাকার পূরল আশ॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচী-নন্দন ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ এই পদটি আনুমানিক ১৭০০ সালে, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা সংকলিত ও বিরোচিত এবং ১৯২৪ সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”, ত্রিংশ ক্ষণদা - পৌর্ণমাসী, ২৩৮-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান। কীর্ত্তন-আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥ দ্রাং দ্রিমিকি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মন্দীর রসাল। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতল-তাল॥ কো দেই গোরা-অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতী-মাল। পিরিতি ফুল-শরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোর॥ কোই কহত গোরা জানকী-বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ। নয়নানন্দের মনে আন নাহিক জানে আমার গদাধরের প্রাণ॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭২৫ সালে, রাধামোহন ঠাকুর দ্বারা সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গলরাগ দশকোশী তালৌ॥ জয়রে জয়রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান। কীর্ত্তন আনন্দ শ্রীবাস রামানন্দ মুকুন্দ বাসু গণ গান॥ ধ্রু॥ দ্রাং দ্রিমিকি দ্রিমি মাদল বাজত মঞ্জীর মধুর রসাল। শঙ্খ কর- তাল ঘন্টারব ভেল মীলল পদতলে তাল॥ কেহ দেই অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন, কেহ দেই মালতির মাল। পিরিতি ফুলশরে মরম ভেদল, ভাব সহচরি ভাল॥ কেহ বলেরে গোরা জানকী বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ। নয়নানন্দের মনে আন নাহিক জানে আমার গদাধরের প্রাণ॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ১ম শাখা ১ম পল্লব,মঙ্গলাচরণ, ২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচী-নন্দন মঙ্গল নটন সুঠাম রে। কীর্ত্তন-আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ-গান রে॥ দাং দ্রিমিক দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জীর রসাল রে। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতলে তাল রে॥ কো দেই গোরা-অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতী-মাল রে। পিরিতি-ফুল শরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোর রে॥ কোই বোলে গোরা জানকী বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে। নয়নানন্দ মনে আন নাহি জানে আমারি গদাধরের প্রাণ রে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ কামোদ॥ জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচী-নন্দন মঙ্গল নটন সুঠাম রে। কীর্ত্তন-আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ-গান রে॥ তা দ্রিমি কি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জীর রসাল রে। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতলে তাল রে॥ কো দেই গোরা-অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতী-মাল রে। পিরিতি-ফুল শরে মরম ভেদল ভাবে সহচরি ভোর রে॥ কোই বলে গোরা জানকী বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে। নয়নানন্দ মনে আন নাহি জানে আমার গদাধরের প্রাণ রে॥ এই পদটি ১৭৭১ সালে, দীনবন্ধু দাস দ্বারা সংকলিত এবং ১৯২৯ সালে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অথ সংকীর্ত্তনাদৌ প্রথমতো গন্ধমাল্যাদিনাহ্বানম্॥ তত্র গৌরচন্দ্রঃ॥ ॥ কামোদ॥ জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান। কীর্ত্তনমণ্ডলে শ্রীবাস রামানন্দ মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥ দ্রাং দিমিকি দিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জিরা রসাল। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতলে তাল॥ কেহ দেই গোরা অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কেহ দেই মালতীর মাল। পিরিতি ফুলশর মরম ভেদল ভাবে সহচরি ভোর॥ কেহ বলে গোরা জানকীবল্লভ রাধার প্রিয় পাচ বাণ। নয়নানন্দ মনে আন নাহিক জানে আমারি গদাধরের প্রাণ॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বন্দে গুরূনীশভক্তানীশমীশাবতার কান। তত্প্রকাশাংষ্চতচ্ছক্তীঃ কৃষ্ণচৈতন্যসংজ্ঞকং॥ পদমেরুগ্রন্থ আরব্ধ॥ জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান। কীর্ত্তনআনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণগান॥ দাং দ্রিমিকি দ্রিমি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জীর রসাল রে। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতল রে॥ কো দেই গোরাঅঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতীক মাল রে। পিরিতি ফুলশর মরমে ভেদল ভাবে সহচর ভোর রে॥ কোই বলে গোরা জানকীবল্লভ রাধাপ্রিয় পাঁচবাণ রে। নয়নানন্দ মনে আন নাহি জানে রে হামারি গদাধরের প্রাণ রে॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার বা মঙ্গল॥ জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান রে। কীর্ত্তন আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ গান রে॥ দ্রাং দ্রাং দৃমি দৃমি মাদল বাজত মধুর মন্দিরা রসাল রে। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলন পদতলে তাল রে॥ কোই দেই অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কোই দেই মালতীমাল রে। পিরীতি ফুলশরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোর রে॥ কোই বোলে গোরা জানকীবল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে। নয়নানন্দের মনে আন নাহি জানে আমার গদাধরের প্রাণ রে॥ এই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ মঙ্গল - তাল দশকুশী॥ জয় রে জয় রে গোরা, শ্রীশচী-নন্দন, মঙ্গল নটন-সুঠান। কীর্ত্তন-আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে, মুকুন্দ বাসু গুণগান॥ দ্রাং দ্রাং দৃমি দৃমি, মাদল বাজত, মধুর মঞ্জির রসাল রে। শঙ্খ করতাল, ঘন্টারব ভেল, মিলল পদতলে তাল রে॥ কো দেই গোরা অঙ্গে, সুগন্ধি চন্দন, কো দেই মালতী মাল রে। পিরিতি ফুলশরে, মরম ভেদল, ভাবে সহচর ভোর রে॥ কোই কহত গোরা, জানকী-বল্লভ, রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে। নয়নানন্দের মনে, আন নাহিক জানে, হামারি গদাধরের প্রাণ রে॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তন-অধিবাস। তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র। ॥ কামোদ॥ জয়রে জয়রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান। কীর্ত্তন আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণগান॥ দাং দ্রিমি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জির রসাল। শঙ্খ করতাল ঘন্টা রব ভেল মিলন পদতলে তাল॥ কো দেই গোরা অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতীক মালা। পিরীতি ফুলশরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোলা॥ কোই (১) কহত গোরা জানকী বল্লভ শ্রীরাধার প্রিয় পাঁচ বান (২)। নয়নানন্দের মনে আন নাহি জানত আমার গদাধরের প্রাণ॥ (১) - মুরারীগুপ্ত পূর্ব্বলীলায় হনুমান ছিলেন। তিনি গৌরাঙ্গে রামমূর্ত্তি দর্শনে মহাপ্রভুকে জানকীবল্লভ কহিতেছেন। (২) - পাঁচবান - মদন, মাদন শোষন স্তম্ভন মোহন। প্রিয় পাঁচবান = অপ্রাকৃত মদন। ---হরিলাল চট্টোপাধ্যায়, শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা॥ এই পদটি ১৩৩৯ বঙ্গাব্দে (১৯৩২ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব সেবা আরতি ও কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, ৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ জয়রে জয়রে গোরা, শ্রীশচী নন্দন, মঙ্গল নটন সুঠাম। কীর্ত্তন আনন্দে, শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥ দ্রাংদ্রিমিকি দ্রিমি, মঙ্গল বাজত, মধুর মৃদঙ্গ রসাল। শঙ্খ করতাল, ঘন্টারব ভেল, মিলল পদতলে তাল॥ কোই দেই গোরা অঙ্গে, সুগন্ধি চন্দন, কোই দেই মালতীর মাল। পিরিতি ফুলশরে, মরম ভেদল, ভাবে সব ভোল ভোর॥ কোই কহত গোরা, জানকী বল্লভ, রাধার প্রিয় পাঁচ বাণ। নয়নানন্দের মনে, আন নাহিক জানত, আমার গদাধরের প্রাণ॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৬-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। মঙ্গলাচরণ ॥ কামোদ॥ জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান রে। কীর্ত্তন আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ-গান রে॥ দাং দ্রিমিকি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জীর রসাল রে। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলন পদতলে তাল রে॥ কো দেই গোরা অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতী মাল রে। পিরীতি ফুল শরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোর রে॥ কোই বলে গোরা জানকী বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে। নয়নানন্দ মনে আন নাহি জানে আমারি গদাধরের প্রাণ রে॥ এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৮৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীসংকীর্ত্তন-অধিবাস শ্রীগৌরচন্দ্র জয়রে জয়রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান। কীর্ত্তন আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥ দ্রাং দ্রিমি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জির রসাল। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতলে তাল॥ কো দেই গোরা অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতীক মালা। পিরীতি ফুলশরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোলা॥ কোই কহত গোরা জানকীবল্লভ শ্রীরাধার প্রিয় পাঁচবাণ। নয়নানন্দের মনে আন নাহি জানত আমার গদাধরের প্রাণ॥ এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী”, ১৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগিণী কামোদ মঙ্গল - তাল বড় দশকুশি॥ জয় রে জয় রে গোরা, শ্রীশচীনন্দন, মঙ্গল নটন সুঠাম। কীর্ত্তন আনন্দে, শ্রীবাস রামানন্দে, মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥ দ্রাং দ্রাং দৃমি দৃমি, মাদল বাজত, মধুর মন্দিরা রসাল। শঙ্খ কর- তাল, ঘন্টারব ভেল, মিলল পদতলে তাল॥ কো দেই গোরা অঙ্গে, সুগন্ধি চন্দন, কো দেই মালতী মাল রে। পিরীত-ফুলশরে, মরম ভেদল ভাব, সহচর মন ভেল রে॥ কোই কহত গোরা, জানকী বল্লভ, রাধার প্রিয় পাঁচ বাণ। নয়নানন্দের মনে, আন নাহিক জানে, গোরা আমার গদাধরের প্রাণ॥ এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের পদাবলী”, ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচী-নন্দন মঙ্গল নটন সুঠান রে। কীর্ত্তন-আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ গান রে॥ দ্রাং দ্রিমিকি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জীর রসাল রে। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতলে তাল রে॥ কো দেই গোরা-অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতী-মাল রে। পিরিতি-ফুল-শরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোর রে॥ কোই বোলে গোরা জানকী-বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে। নয়নানন্দ মনে আন নাহি জানে আমারি গদাধরের প্রাণ রে॥ এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য”, যোড়শ স্তবক, ৪৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রাসলীলা জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন-সুঠান। কীর্ত্তন আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥ দাং দ্রিমিকি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মন্দীর রসাল। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতল-তাল॥ কো দেই গোরাঅঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতী-মাল। পিরীতি ফুল-শরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোর॥ কোই কহত গোরা জানকী-বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ। নয়নানন্দের মনে আন নাহিক জানে আমার গদাধরের প্রাণ॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান রে। কীর্ত্তন আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণ গান রে॥ দাং দ্রিমিকি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জীর রসাল রে। শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলন পদতলে তাল রে॥ কো দেই গোরা অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতী মাল রে। পিরীতি ফুল শরে মরম ভেদল ভাবে সহচর ভোর রে॥ কোই বলে গোরা জানকী বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে। নয়নানন্দ মনে আন নাহি জানে আমারি গদাধরের প্রাণ রে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কলি-ঘোর-তিমিরে গরাসল জগ-জন ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২০শপল্লব ,শ্রীগৌরচন্দ্র--- প্রকারান্তর, ২২০৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ কলি-ঘোর-তিমিরে গরাসল জগ-জন ধরম করম রহু দূর। অসাধনে চিন্তামণি বিহি মিলাওল আনি গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥ ভাই রে ভাই গোরা-গুণ কহনে না যায়। কত শত-আনন কত চতুরানন বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥ চারি বেদ ষড় দরশন পড়িয়া যে সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে। কিবা তার অধ্যয়ন লোচন-বিহীন যেন দরপণে কিবা তার কাজে॥ বেদ বিদ্যা দুই কিছুই না জানত সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার। নয়নানন্দ ভণে সেই সে সকল জানে সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২৮৭ পদসংখ্যায়, কোনও পাঠান্তর ছাড়াই. এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ কলি-ঘোর-তিমিরে গরাসল জগ-জন ধরম করম রহু দূর। অসাধনে চিন্তামণি বিহি মিলাওল আনি গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥ ভাই রে ভাই গোরা-গুণ কহনে না যায়। কত শত-আনন কত চতুরানন বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥ চারি বেদ ষড় দরশন পড়িয়া যে সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে। কিবা তার অধ্যয়ন লোচন-বিহীন যেন দরপণে কিবা তার কাজে॥ বেদ বিদ্যা দুই কিছুই না জানত সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার। নয়নানন্দ ভণে সেই সে সকল জানে সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহই॥ কলি ঘোর তিমিরে গরাসল জগজন ধরম করম রহুঁ দূর। অসাধনে চিন্তামণি বিহি মিলাওল আনি গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥ ভাই রে ভাই গোরা-গুণ কহনে না যায়। কত করি-বদন কত চতুরানন বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥ চারি বেদ ষড় দরশন পড়িয়াছে সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে। কিবা তার অধ্যয়ন লোচন বিহীন যেন দরপণে অন্ধে কিবা কাজে॥ বেদ বিদ্যা দুই কিছুই না জানত সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার। নয়নানন্দ ভণে সেই সে সকল জানে সর্ব্বসিদ্ধি করতলে তার॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯০-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরচন্দ্র - প্রকারান্তর ॥ তথা রাগ॥ কলি ঘোর তিমিরে গরাসল জগজন ধরম করম রহু দূর। অসাধনে চিন্তামণি বিহি মিলাওল আনি গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥ ভাই রে গোরাগুণ কহনে না যায়। কত শত আনন কত চতুরানন বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥ চারি বেদ ষড়্- দরশন পড়িয়াছে সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে। কিবা তার অধ্যয়ন লোচনবিহীন যেন দরপণে কিবা তার কাজে॥ বেদ বিদ্যা দুই কিছুই না জানত সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার। নয়নানন্দ ভণে সেই সে সকল জানে সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥ এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ললিত-মধ্যম দশকুশী॥ কলি-ঘোর-তিমিরে গরাসল জগ-জন ধরম করম রহু দূর। অসাধনে চিন্তামণি বিহি মিলাওল আনি গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥ ভাইরে ভাই গোরা-গুণ কহন না যায়। কত শত-আনন কত চতুরানন বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥ চারি বেদ ষড়- দরশন পড়িয়া যে সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে। কিবা তার অধ্যয়ন লোচন-বিহীন যেন দরপণে কিবা তার কাজে॥ বেদ বিদ্যা দুই কিছুই না জানত সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার। নয়নানন্দ ভণে সেই সে সকল জানে সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কলি ঘোর তিমিরে গরাসল জগজন ধরম করম রহু দূর। অসাধনে চিন্তামণি বিহি মিলাওল আনি গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥ ভাই রে গোরাগুণ কহনে না যায়। কত শত আনন কত চতুরানন বরণিয়া ওর না পায়॥ চারি বেদ ষড়্ দরশন পড়িয়াছে সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে। কিবা তার অধ্যয়ন লোচনবিহীন যেন দরপণে কিবা তার কাজে॥ বেদ বিদ্যা দুই কিছুই না জানত সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার। নয়নানন্দ ভণে সেই সকল জানে সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |