কবি নয়নানন্দের (ভরতপুর) বৈষ্ণব পদাবলী
*
আওত পিরিতি মুরতিময় সাগর
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা ১৮শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ
প্রভৃতি, ২১১৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বালা ধানশী॥

আওত পিরিতি         মুরতিময় সাগর
অপরুপ পহু দ্বিজ-রাজ।
নব নব ভকত ভকতি নব রতন সু-
যাচত নটন-সমাজ॥
ভালি ভালি নদিয়া-বিহার।
সকল বৈকুন্ঠ-বৃন্দাবন-সম্পদ
সকল সুখের সুখ-সার॥ ধ্রু॥
ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনি
আনন্দে বহে রস-ধার।
স্নান পান অবগাহ আলিঙ্গন
সঙ্গম কত কত বার॥
প্রতি পুর মন্দির প্রতি তরুকুল-তল
প্রতি ফুল-বিপিন বিলাস।
কহে নয়নানন্দ            প্রেমে বিশ্বম্ভর
সভাকার পূরল আশ॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২২৪ পদসংখ্যায়,
কোনো পাঠান্তর ছাড়াই এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ বালা ধানশী॥

আওত পিরিতি     মুরতিময় সাগর
অপরুপ পহু দ্বিজ-রাজ।
নব নব ভকত ভকতি নব রতন সু-
যাচত নটন-সমাজ॥
ভালি ভালি নদিয়া-বিহার।
সকল বৈকুন্ঠ-বৃন্দাবন-সম্পদ
সকল সুখের সুখ-সার॥ ধ্রু॥
ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনি
আনন্দে বহে রস-ধার।
স্নান পান অবগাহ আলিঙ্গন
সঙ্গম কত কত বার॥
প্রতি পুর মন্দির প্রতি তরুকুল-তল
প্রতি ফুল-বিপিন বিলাস।
কহে নয়নানন্দ        প্রেমে বিশ্বম্ভর
সভাকার পূরল আশ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বালা ধানশী॥

আওত পিরীতি               মুরতিময় সাগর
অপরুপ পহু দ্বিজরাজ।
নব নব ভকত                  নব রস যাবত
নব তনু রতন সমাজ॥
ভালি ভালি নদীয়াবিহার।
সকল বৈকুন্ঠ                   বৃন্দাবন সম্পদ
সকল সুখের সুখ সার॥ ধ্রু॥
ধনি ধনি অতি ধনি        অব ভেল সুরধুনী
আনন্দে বহে রসধার।
স্নান পান অবগাহ            আলিঙ্গন সঙ্গম
কত কত বার॥
প্রতিপুর মন্দির             প্রতি তরুকুলতল
ফুল বিপিন বিলাস।
কহে নয়নানন্দ                  প্রেমে বিশ্বম্ভর
সবাকার পূরাইল আশ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বালা ধানশী॥

আওত পিরীতি                     মুরতিময় সাগর
অপরূপ পহুঁ দ্বিজরাজ।
নব নব ভকত            ভকতি নব রতন সুরতন
যাচত নটন সমাজ॥
ভালি ভালি নদীয়া বিহার।
সকল বৈকুন্ঠ                          বৃন্দাবন সম্পদ
সকল সুখ সার॥ ধ্রু॥
ধনি ধনি অতি ধনি               অব ভেল সুরধুনী
আনন্দে বহে রসধার।
স্নান পান অব-                        গাহ আলিঙ্গন
সঙ্গম কত কত বার॥
প্রতি পুর মন্দির                প্রতি তরু কুল তল
প্রতিকুল বিপিন বিলাস।
কহে নয়নানন্দ                      প্রেমে বিশ্বম্ভর
সভাকার পূরল আশ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৮৯-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি
॥ বালা ধানশী॥

আওত পিরিতি              মুরতিময় সাগর
অপরুপ পহু দ্বিজরাজ।
নব নব ভকত               ভকতি নব রতন
সুযাচত নটনসমাজ॥
ভালি ভালি নদীয়া-বিহার।
সকল বৈকুন্ঠ                   বৃন্দাবনসম্পদ
সকল সুখের সুখসার॥ ধ্রু॥
ধনি ধনি অতি ধনি        অব ভেল সুরধুনি
আনন্দে বহে রসধার।
স্নান পান অব-                 গাহ আলিঙ্গন
সঙ্গম কত কত বার॥
প্রতি পুর মন্দির           প্রতি তরুকুলতল
প্রতি ফুলবিপিন বিলাস।
কহে নয়নানন্দ                 প্রেমে বিশ্বম্ভর
সভাকার পূরল আশ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ
(ভরতপুর), ১৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আওত পিরীতি মুরতিময় সাগর         
অপরূপ পহু দ্বিজরাজ।
নব নব ভকত ভকতি নব রতন          
সুযাচত নটনসমাজ॥
ভালি ভালি নদীয়া বিহার।                
সকল বৈকুন্ঠ বৃন্দাবনসম্পদ                
সকল সুখের সুখসার॥
ধনি ধনি অতি ধনি অব ভেল সুরধুনি     
আনন্দে বহে রসধার।
স্নান পান অব গাহ আলিঙ্গন                
সঙ্গম কত কত বার॥
প্রতি পুর মন্দির প্রতি তরুকুলতল           
প্রতি ফুলবিপিন বিলাস।
কহে নয়নানন্দ প্রেমে বিশ্বম্ভর               
সভাকার পূরল আশ॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
আচার্য্য-মন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড,
৪র্থ শাখা ২১শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের সন্ন্যাস ইত্যাদি, ২২৩৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ সুহই॥

আচার্য্য-মন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য।
পতিত পাতকী দুখী করিলেন ধন্য॥
চন্দনে শোভিত অঙ্গ অরুণ বসন।
সংকীর্ত্তন মাঝে নাচে অদ্বৈত-জীবন॥
মুকুন্দ মাধবানন্দ গায় উচ্চস্বরে।
নিতাই চৈতন্য নাচে অদ্বৈত-মন্দিরে॥
আচার্য্য গোসাঞি নাচে দিয়া করতালি।
চির দিনে মোর ঘরে গোরা বনমালী॥
কহয়ে নয়নানন্দ গদাধরের পাছে।
কিবা ছিল কিবা হৈল আর কিবা আছে॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৩৩৯
পদসংখ্যায়, এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ সুহই॥

আচার্য্য-মন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য।
পতিত পাতকী দুখী করিলেন ধন্য॥
চন্দনে শোভিত অঙ্গ অরুণ বসন।
সংকীর্ত্তন মাঝে নাচে অদ্বৈত-জীবন॥
মুকুন্দ মাধবানন্দ গায় উচ্চস্বরে।
নিতাই চৈতন্য নাচে অদ্বৈত-মন্দিরে॥
আচার্য্য গোসাঞি নাচে দিয়া করতালি।
চির দিন মোর ঘরে গোরা বনমালী॥
কহয়ে নয়নানন্দ গদাধরের পাছে।
কিবা ছিল কিবা হৈল আর কিবা আছে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

আচার্য্যমন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য।
পতিত পাতকী দুঃখী করিলেন ধন্য॥
চন্দনে শোভিত অঙ্গ অরুণ বসন।
সংকীর্ত্তন মাঝে নাচে অদ্বৈত-জীবন॥
মুকুন্দ মাধবানন্দ গায় উচ্চস্বরে।
নিতাই চৈতন্য নাচে অদ্বৈতমন্দিরে॥
আচার্য্য গোসাঞী নাচে দিয়া করতালি।
চিরদিন মোর ঘরে গোরা বনমালী॥
কহয়ে নয়নানন্দ গদাধরের পাছে।
কিবা ছিল, কিবা হৈল, আর কিবা আছে॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব
পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৪৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

আচার্য্য মন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য।
পতিত পাতকী দুঃখী করিলেন ধন্য॥
চন্দনে শোভিত অঙ্গ অরুণ বসন।
সংকীর্ত্তন মাঝে নাচে অদ্বৈত জীবন॥
মুকুন্দ মাধবানন্দ গায় উচ্চ স্বরে।
নিতাই চৈতন্য নাচে অদ্বৈত মন্দিরে॥
আচার্য্য গোসাই নাচে দিয়া করতালি।
চিরদিনে মোর ঘরে গোরা বনমালী॥
কহয়ে নয়নানন্দ গদাধরের কাছে।
কিবা ছিল কিবা হৈল আর কিবা আছে॥

ই পদটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ঘোষ সম্পাদিত সংকলন
শ্রীশ্রীগৌরপদরত্নমালা, ৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ঝিঁঝিট খাম্বাজ - একতালী॥

আচার্য্য মন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য।
পতিত পাতকী দুঃখী করিলেন ধন্য॥
চন্দনে শোভিত অঙ্গ অরুণ বসন।
সংকীর্ত্তন মাঝে নাচে অদ্বৈত-জীবন॥
মুকুন্দ মাধবানন্দ গায় উচ্চ স্বরে।
নিতাই চৈতন্য নাচে অদ্বৈত মন্দিরে॥
আচার্য্য গোঁসাই নাচে দিয়া করতালি।
চির দিনে মোর ঘরে গোরা বনমালী॥
কহয়ে নয়নানন্দ গদাধরের পাছে।
কিবা ছিল কিবা হৈল আর কিবা আছে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯০-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরঙ্গের সন্ন্যাস ইত্যাদি
॥ সুহই॥

আচার্য্য মন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য।
পতিত পাতকী দুখী করিলেন ধন্য॥
চন্দনে শোভিত অঙ্গ অরুণ বসন।
সংকীর্ত্তন মাঝে নাচে অদ্বৈতজীবন॥
মুকুন্দ মাধবানন্দ গায় উচ্চস্বরে।
নিতাই চৈতন্য নাচে অদ্বৈত মন্দিরে॥
আচার্য্য গোসাঞি নাচে দিয়া করতালি।
চির দিনে মোর ঘরে গোরা বনমালী॥
কহয়ে নয়নানন্দ গদাধরের পাছে।
কিবা ছিল কিবা হৈল আর কিবা আছে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী”, ১৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী সুহই - তাল লোফা॥

আচার্য্য-মন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য। পতিত কাপাত @
দুঃখী করিলেন ধন্য॥ চন্দনে শোভিত অঙ্গ অরুণ বসন।
সংকীর্ত্তন মাঝে নাচে অদ্বৈত জীবন॥ মুকুন্দ মাধবানন্দ গায়
উচ্চ স্বরে। নিতাই চৈতন্য নাচে অদ্বৈত-মন্দিরে॥ আচার্য্য
গোসাঞি নাচে দিয়ে করতালী। চিরদিন মোর ঘরে গোরা
বনমালী॥ কহয়ে নয়নানন্দ গদাধরের পাছে। কিবা ছিল, কিবা
হৈল আর কিবা আছে॥

@ - কাপাত - শব্দের কোন অর্থ হচ্ছে না। সম্ভবত মুদ্রণ প্রমাদ। “পাতকী” হবে।

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আচার্য্য মন্দিরে ভিক্ষা করিয়া চৈতন্য।
পতিত পাতকী দুখী করিলেন ধন্য॥
চন্দনে শোভিত অঙ্গ অরুণ বসন।
সংকীর্ত্তন মাঝে নাচে অদ্বৈতজীবন॥
মুকুন্দ মাধবানন্দ গায় উচ্চস্বরে।
নিতাই চৈতন্য নাচে অদ্বৈত মন্দিরে॥
আচার্য্য গোসাঞি নাচে দিয়া করতালি।
চির দিনে মোর ঘরে গোরা বনমালী॥
কহয়ে নয়নানন্দ গদাধরের পাছে।
কিবা ছিল কিবা হৈল আর কিবা আছে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ও রুপ সুন্দর গৌর কিশোর
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড,
৪র্থ শাখা ১৮শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি, ২১১৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

ও রুপ সুন্দর গৌর কিশোর।
হেরইতে নয়নে আরতি নাহি ওর॥
কর পদ সুন্দর অধর সুরাগ।
নব অনুরাগিণি নব অনুরাগ॥
লোল বিলোচন লোলত লোর।
রসবতি-হৃদয়ে বান্ধল প্রেম-ডোর॥
পরতেক প্রেম কিয়ে মনমথ-রাজ।
কাঞ্চন-গিরি কিয়ে কুসুম-সমাজ॥
তছু প্রেম-লম্পট শ্রীগৌরাঙ্গ রায়।
শিব শুক অনন্ত ধেয়ানে নাহি পায়॥
পুলক-পটল-বলয়িত সব অঙ্গ।
প্রেমবতি-আলিঙ্গনে লহরি-তরঙ্গ॥
তছু পদ-পঙ্কজ-অলি সহকার।
কহ নয়নানন্দ চীত বিহার॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২২৩
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ সুহই॥

ও রুপ সুন্দর গৌর কিশোর।
হেরইতে নয়নে আরতি নাহি ওর॥
কর পদ সুন্দর অধর সুরাগ।
নব অনুরাগিণি নব অনুরাগ॥
লোল বিলোচন লোলত লোর।
রসবতি-হৃদয়ে বান্ধল প্রেম-ডোর॥
পরতেক প্রেম কিয়ে মনমথ-রাজ।
কাঞ্চন-গিরি কিয়ে কুসুম-সমাজ॥
অছু প্রেম-লম্পট শ্রীগৌরাঙ্গ রায়।
শিব শুক অনন্তাদি ধেয়ানে না পায়॥
পুলক-পটল-বন ইথে সব অঙ্গ।
প্রেমবতি-আলিঙ্গনে নহলি-তরঙ্গ॥
তছু পদ-পঙ্কজ-অলি সহকার।
কহ নয়নানন্দ চীত বিহার॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৯৪-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

ও রূপ সুন্দর গৌরকিশোর।
হেরইতে নয়নে আরতি নাহি ওর॥
কর পদ সুন্দর অধর সুরাগ।
নব অনুসারিণী নব অনুরাগ॥
লোল বিলোচন লোলত লোর।
রসবতী হৃদয়ে বাঁধিল প্রেমডোর॥
পরতেক প্রেম কিয়ে মনমথরাজ।
কাঞ্চন-গিরি কিয়ে কুসুম-সমাজ॥
অছু প্রেম-লম্পট গৌরাঙ্গ রায়।
শিব-শুক-অনন্ত ধেয়ানে নাহি পায়॥
পুলক পটল বলইত সব অঙ্গ।
প্রেমবতী আলিঙ্গয়ে লহরী তরঙ্গ॥
তছু পদপঙ্কজ অলি সহকার।
কয়ল নয়নানন্দচিত বিহার॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

ওরূপ সুন্দর গৌরকিশোর।
হেরইতে নয়নে আরতি নাহি ওর॥
কর পদ সুন্দর অধর সুরাগ।
নব অনুরাগিণী নব অনুরাগ॥
লোল বিলোচন লোলত লোর।
রসবতী হৃদয়ে বান্ধল প্রেমডোর॥
পরতেক প্রেম কিয়ে মনমথরাজ।
কাঞ্চনগিরি কিয়ে কুসুম সমাঝ॥
অছু প্রেম-লম্পট গৌরাঙ্গ রায়।
শিব শুক অনন্ত ধেয়ানে নাহি পায়॥
পুলক পটল বলইত সব অঙ্গ।
প্রেমবতী আলিঙ্গনে লহলী তরঙ্গ॥
তছু পদপঙ্কজে অলি সহকার।
কহল নয়নানন্দ চিত বিহার॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৯-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি
॥ সুহই॥

ও রুপ সুন্দর গৌর কিশোর।
হেরইতে নয়নে আরতি নাহি ওর॥
কর পদ সুন্দর অধর সুরাগ।
নব অনুরাগিণি নব অনুরাগ॥
লোল বিলোচন লোলত লোর।
রসবতিহৃদয়ে বান্ধল প্রেমডোর॥
পরতেক প্রেম কিয়ে মনমথ-রাজ।
কাঞ্চনগিরি কিয়ে কুসুমসমাজ॥
তছু প্রেমলম্পট শ্রীগৌরাঙ্গ রায়।
শিব শুক অনন্ত ধেয়ানে নাহি পায়॥
পুলকপটলবলয়িত সব অঙ্গ।
প্রেমবতি আলিঙ্গনে লহরি তরঙ্গ॥
তছু পদপঙ্কজ অলি সহকার।
কহ নয়নানন্দ চীত বিহার॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ও রুপ সুন্দর গৌর কিশোর।
হেরইতে নয়নে আরতি নাহি ওর॥
কর পদ সুন্দর অধর সুরাগ।
নব অনুরাগিণি নব অনুরাগ॥
লোল বিলোচন লোলত লোর।
রসবতিহৃদয়ে বান্ধল প্রেমডোর॥
পরতেক প্রেম কিয়ে মনমথ রাজ।
কাঞ্চনগিরি কিয়ে কুসুমসমাজ॥
তছু প্রেমলম্পট শ্রীগৌরাঙ্গ রায়।
শিব শুক অনন্ত ধেয়ানে নাহি পায়॥
পুলকপটলবলয়িত সব অঙ্গ।
প্রেমবতি আলিঙ্গনে লহরি তরঙ্গ॥
তছু পদপঙ্কজ অলি সহকার।
কহ নয়নানন্দ চীত বিহার॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচী-নন্দন
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ
এই পদটি আনুমানিক ১৭০০ সালে, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা সংকলিত ও বিরোচিত এবং
১৯২৪ সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”, ত্রিংশ
ক্ষণদা - পৌর্ণমাসী, ২৩৮-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কেদার॥

জয় রে জয় রে গোরা                 শ্রীশচীনন্দন
মঙ্গল নটন সুঠান।
কীর্ত্তন-আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥
দ্রাং দ্রিমিকি দ্রিমি                     মাদল বাজত
মধুর মন্দীর রসাল।
শঙ্খ করতাল                         ঘন্টারব ভেল
মিলল পদতল-তাল॥
কো দেই গোরা-অঙ্গে                  সুগন্ধি চন্দন
কো দেই মালতী-মাল।
পিরিতি ফুল-শরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচর ভোর॥
কোই কহত গোরা                   জানকী-বল্লভ
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ।
নয়নানন্দের মনে                 আন নাহিক জানে
আমার গদাধরের প্রাণ॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭২৫ সালে, রাধামোহন ঠাকুর দ্বারা সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৮৭৮ সালে,
রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ মঙ্গলরাগ দশকোশী তালৌ॥

জয়রে জয়রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান।
কীর্ত্তন আনন্দ শ্রীবাস রামানন্দ মুকুন্দ বাসু গণ গান॥ ধ্রু॥ দ্রাং
দ্রিমিকি দ্রিমি মাদল বাজত মঞ্জীর মধুর রসাল। শঙ্খ কর-
তাল ঘন্টারব ভেল মীলল পদতলে তাল॥ কেহ দেই অঙ্গে
সুগন্ধি চন্দন, কেহ দেই মালতির মাল। পিরিতি ফুলশরে
মরম ভেদল, ভাব সহচরি ভাল॥ কেহ বলেরে গোরা জানকী
বল্লভ রাধার প্রিয় পাঁচবাণ। নয়নানন্দের মনে আন নাহিক
জানে আমার গদাধরের প্রাণ॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ১ম শাখা ১ম পল্লব,মঙ্গলাচরণ,
২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

জয় রে জয় রে গোরা                 শ্রীশচী-নন্দন
মঙ্গল নটন সুঠাম রে।
কীর্ত্তন-আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ-গান রে॥
দাং দ্রিমিক দ্রিমি                     মাদল বাজত
মধুর মঞ্জীর রসাল রে।
শঙ্খ করতাল                         ঘন্টারব ভেল
মিলল পদতলে তাল রে॥
কো দেই গোরা-অঙ্গে                  সুগন্ধি চন্দন
কো দেই মালতী-মাল রে।
পিরিতি-ফুল শরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচর ভোর রে॥
কোই বোলে গোরা                   জানকী বল্লভ
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে।
নয়নানন্দ মনে                        আন নাহি জানে
আমারি গদাধরের প্রাণ রে॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১-পদসংখ্যায় এই রূপে
দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে
উপস্থাপন করা হলো।

॥ কামোদ॥

জয় রে জয় রে গোরা                 শ্রীশচী-নন্দন
মঙ্গল নটন সুঠাম রে।
কীর্ত্তন-আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ-গান রে॥
তা দ্রিমি কি দ্রিমি                     মাদল বাজত
মধুর মঞ্জীর রসাল রে।
শঙ্খ করতাল                         ঘন্টারব ভেল
মিলল পদতলে তাল রে॥
কো দেই গোরা-অঙ্গে                  সুগন্ধি চন্দন
কো দেই মালতী-মাল রে।
পিরিতি-ফুল শরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচরি ভোর রে॥
কোই বলে গোরা                      জানকী বল্লভ
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে।
নয়নানন্দ মনে                      আন নাহি জানে
আমার গদাধরের প্রাণ রে॥

ই পদটি ১৭৭১ সালে, দীনবন্ধু দাস দ্বারা সংকলিত এবং ১৯২৯ সালে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা
সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ সংকীর্ত্তনাদৌ
প্রথমতো গন্ধমাল্যাদিনাহ্বানম্॥
তত্র গৌরচন্দ্রঃ॥
॥ কামোদ॥

জয় রে জয় রে গোরা                 শ্রীশচীনন্দন
মঙ্গল নটন সুঠান।
কীর্ত্তনমণ্ডলে                       শ্রীবাস রামানন্দ
মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥
দ্রাং দিমিকি দিমি                    মাদল বাজত
মধুর মঞ্জিরা রসাল।
শঙ্খ করতাল                         ঘন্টারব ভেল
মিলল পদতলে তাল॥
কেহ দেই গোরা অঙ্গে                  সুগন্ধি চন্দন
কেহ দেই মালতীর মাল।
পিরিতি ফুলশর                       মরম ভেদল
ভাবে সহচরি ভোর॥
কেহ বলে গোরা                       জানকীবল্লভ
রাধার প্রিয় পাচ বাণ।
নয়নানন্দ মনে                   আন নাহিক জানে
আমারি গদাধরের প্রাণ॥

ই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার,
১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বন্দে গুরূনীশভক্তানীশমীশাবতার কান।
তত্প্রকাশাংষ্চতচ্ছক্তীঃ কৃষ্ণচৈতন্যসংজ্ঞকং॥
পদমেরুগ্রন্থ আরব্ধ॥

জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন মঙ্গল নটন সুঠান।
কীর্ত্তনআনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে মুকুন্দ বাসু গুণগান॥
দাং দ্রিমিকি দ্রিমি দ্রিমি মাদল বাজত মধুর মঞ্জীর রসাল রে।
শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল মিলল পদতল রে॥
কো দেই গোরাঅঙ্গে সুগন্ধি চন্দন কো দেই মালতীক মাল রে।
পিরিতি ফুলশর মরমে ভেদল ভাবে সহচর ভোর রে॥
কোই বলে গোরা জানকীবল্লভ রাধাপ্রিয় পাঁচবাণ রে।
নয়নানন্দ মনে আন নাহি জানে রে হামারি গদাধরের প্রাণ রে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কেদার বা মঙ্গল॥

জয় রে জয় রে গোরা                 শ্রীশচীনন্দন
মঙ্গল নটন সুঠান রে।
কীর্ত্তন আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ গান রে॥
দ্রাং দ্রাং দৃমি দৃমি                  মাদল বাজত
মধুর মন্দিরা রসাল রে।
শঙ্খ করতাল                       ঘন্টারব ভেল
মিলন পদতলে তাল রে॥
কোই দেই অঙ্গে                      সুগন্ধি চন্দন
কোই দেই মালতীমাল রে।
পিরীতি ফুলশরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচর ভোর রে॥
কোই বোলে গোরা                   জানকীবল্লভ
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে।
নয়নানন্দের মনে                আন নাহি জানে
আমার গদাধরের প্রাণ রে॥

ই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ মঙ্গল - তাল দশকুশী॥

জয় রে জয় রে গোরা,                 শ্রীশচী-নন্দন,
মঙ্গল নটন-সুঠান।
কীর্ত্তন-আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে,
মুকুন্দ বাসু গুণগান॥
দ্রাং দ্রাং দৃমি দৃমি,                   মাদল বাজত,
মধুর মঞ্জির রসাল রে।
শঙ্খ করতাল,                         ঘন্টারব ভেল,
মিলল পদতলে তাল রে॥
কো দেই গোরা অঙ্গে,                  সুগন্ধি চন্দন,
কো দেই মালতী মাল রে।
পিরিতি ফুলশরে,                      মরম ভেদল,
ভাবে সহচর ভোর রে॥
কোই কহত গোরা,                    জানকী-বল্লভ,
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে।
নয়নানন্দের মনে,                 আন নাহিক জানে,
হামারি গদাধরের প্রাণ রে॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তন-অধিবাস।
তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ কামোদ॥

জয়রে জয়রে গোরা                 শ্রীশচীনন্দন
মঙ্গল নটন সুঠান।
কীর্ত্তন আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণগান॥
দাং দ্রিমি দ্রিমি                      মাদল বাজত
মধুর মঞ্জির রসাল।
শঙ্খ করতাল                      ঘন্টা রব ভেল
মিলন পদতলে তাল॥
কো দেই গোরা অঙ্গে                সুগন্ধি চন্দন
কো দেই মালতীক মালা।
পিরীতি ফুলশরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচর ভোলা॥
কোই (১) কহত গোরা              জানকী বল্লভ
শ্রীরাধার প্রিয় পাঁচ বান (২)।
নয়নানন্দের মনে                আন নাহি জানত
আমার গদাধরের প্রাণ॥

(১) - মুরারীগুপ্ত পূর্ব্বলীলায় হনুমান ছিলেন। তিনি গৌরাঙ্গে রামমূর্ত্তি দর্শনে মহাপ্রভুকে জানকীবল্লভ
কহিতেছেন।
(২) - পাঁচবান - মদন, মাদন শোষন স্তম্ভন মোহন। প্রিয় পাঁচবান = অপ্রাকৃত মদন।
---হরিলাল চট্টোপাধ্যায়, শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা॥

ই পদটি ১৩৩৯ বঙ্গাব্দে (১৯৩২ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
সেবা আরতি ও কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, ৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

জয়রে জয়রে গোরা,                 শ্রীশচী নন্দন,
মঙ্গল নটন সুঠাম।
কীর্ত্তন আনন্দে,                   শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥
দ্রাংদ্রিমিকি দ্রিমি,                     মঙ্গল বাজত,
মধুর মৃদঙ্গ রসাল।
শঙ্খ করতাল,                         ঘন্টারব ভেল,
মিলল পদতলে তাল॥
কোই দেই গোরা অঙ্গে,                  সুগন্ধি চন্দন,
কোই দেই মালতীর মাল।
পিরিতি ফুলশরে,                     মরম ভেদল,
ভাবে সব ভোল ভোর॥
কোই কহত গোরা,                   জানকী বল্লভ,
রাধার প্রিয় পাঁচ বাণ।
নয়নানন্দের মনে,              আন নাহিক জানত,
আমার গদাধরের প্রাণ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৮৬-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মঙ্গলাচরণ
॥ কামোদ॥

জয় রে জয় রে গোরা                 শ্রীশচীনন্দন
মঙ্গল নটন সুঠান রে।
কীর্ত্তন আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ-গান রে॥
দাং দ্রিমিকি দ্রিমি                     মাদল বাজত
মধুর মঞ্জীর রসাল রে।
শঙ্খ করতাল                         ঘন্টারব ভেল
মিলন পদতলে তাল রে॥
কো দেই গোরা অঙ্গে                  সুগন্ধি চন্দন
কো দেই মালতী মাল রে।
পিরীতি ফুল শরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচর ভোর রে॥
কোই বলে গোরা                     জানকী বল্লভ
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে।
নয়নানন্দ মনে                    আন নাহি জানে
আমারি গদাধরের প্রাণ রে॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”,
১৮৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীসংকীর্ত্তন-অধিবাস
শ্রীগৌরচন্দ্র

জয়রে জয়রে গোরা                 শ্রীশচীনন্দন
মঙ্গল নটন সুঠান।
কীর্ত্তন আনন্দে                  শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥
দ্রাং দ্রিমি দ্রিমি                     মাদল বাজত
মধুর মঞ্জির রসাল।
শঙ্খ করতাল                       ঘন্টারব ভেল
মিলল পদতলে তাল॥
কো দেই গোরা অঙ্গে                 সুগন্ধি চন্দন
কো দেই মালতীক মালা।
পিরীতি ফুলশরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচর ভোলা॥
কোই কহত গোরা                   জানকীবল্লভ
শ্রীরাধার প্রিয় পাঁচবাণ।
নয়নানন্দের মনে                আন নাহি জানত
আমার গদাধরের প্রাণ॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদরত্নাবলী”, ১৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী কামোদ মঙ্গল - তাল বড় দশকুশি॥

জয় রে জয় রে গোরা, শ্রীশচীনন্দন, মঙ্গল নটন সুঠাম।
কীর্ত্তন আনন্দে, শ্রীবাস রামানন্দে, মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥ দ্রাং
দ্রাং দৃমি দৃমি, মাদল বাজত, মধুর মন্দিরা রসাল। শঙ্খ কর-
তাল, ঘন্টারব ভেল, মিলল পদতলে তাল॥ কো দেই গোরা
অঙ্গে, সুগন্ধি চন্দন, কো দেই মালতী মাল রে। পিরীত-ফুলশরে,
মরম ভেদল ভাব, সহচর মন ভেল রে॥ কোই কহত গোরা,
জানকী বল্লভ, রাধার প্রিয় পাঁচ বাণ। নয়নানন্দের মনে, আন
নাহিক জানে, গোরা আমার গদাধরের প্রাণ॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের পদাবলী”,
৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জয় রে জয় রে গোরা                 শ্রীশচী-নন্দন
মঙ্গল নটন সুঠান রে।
কীর্ত্তন-আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ গান রে॥
দ্রাং দ্রিমিকি দ্রিমি                     মাদল বাজত
মধুর মঞ্জীর রসাল রে।
শঙ্খ করতাল                         ঘন্টারব ভেল
মিলল পদতলে তাল রে॥
কো দেই গোরা-অঙ্গে                  সুগন্ধি চন্দন
কো দেই মালতী-মাল রে।
পিরিতি-ফুল-শরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচর ভোর রে॥
কোই বোলে গোরা                   জানকী-বল্লভ
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে।
নয়নানন্দ মনে                      আন নাহি জানে
আমারি গদাধরের প্রাণ রে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য”,
যোড়শ স্তবক, ৪৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাসলীলা

জয় রে জয় রে গোরা                 শ্রীশচীনন্দন
মঙ্গল নটন-সুঠান।
কীর্ত্তন আনন্দে                    শ্রীবাস রামানন্দে
মুকুন্দ বাসু গুণ গান॥
দাং দ্রিমিকি দ্রিমি                     মাদল বাজত
মধুর মন্দীর রসাল।
শঙ্খ করতাল                         ঘন্টারব ভেল
মিলল পদতল-তাল॥
কো দেই গোরাঅঙ্গে                  সুগন্ধি চন্দন
কো দেই মালতী-মাল।
পিরীতি ফুল-শরে                     মরম ভেদল
ভাবে সহচর ভোর॥
কোই কহত গোরা                   জানকী-বল্লভ
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ।
নয়নানন্দের মনে                আন নাহিক জানে
আমার গদাধরের প্রাণ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ
(ভরতপুর), ১৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জয় রে জয় রে গোরা শ্রীশচীনন্দন                
মঙ্গল নটন সুঠান রে।
কীর্ত্তন আনন্দে শ্রীবাস রামানন্দে                   
মুকুন্দ বাসু গুণ গান রে॥
দাং দ্রিমিকি দ্রিমি মাদল বাজত                    
মধুর মঞ্জীর রসাল রে।
শঙ্খ করতাল ঘন্টারব ভেল                        
মিলন পদতলে তাল রে॥
কো দেই গোরা অঙ্গে সুগন্ধি চন্দন                
কো দেই মালতী মাল রে।
পিরীতি ফুল শরে মরম ভেদল                     
ভাবে সহচর ভোর রে॥
কোই বলে গোরা জানকী বল্লভ                     
রাধার প্রিয় পাঁচবাণ রে।
নয়নানন্দ মনে আন নাহি জানে                     
আমারি গদাধরের প্রাণ রে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
করিব কি মুঞি করিব কি
করিব কি সখি করিব কি
করিব মুই কি করিব কি?
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ                
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড,
৩য় শাখা ৬ষ্ঠপল্লব ,মঙ্গলাচরণ, ৬৯৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
      
॥ বিভাষ॥

করিব কি মুঞি করিব কি।
গোপত গৌরাঙ্গের প্রেমে ঠেকিয়াছি॥ ধ্রু॥
দীঘল দীঘল চাঁচর কেশ রসাল দুটি আঁখি।
রূপে গুণে প্রেমে তনু মাখা যেন দেখি।
আচম্বিতে আসিয়া ধরল মোর বুক।
স্বপনে দেখিলুঁ হাম গোরাচাঁদের মুখ॥
বাপের কুলের মুই কুলের ঝিয়ারী।
শ্বশুর-কুলের মুঞি কুলের বৌহারী॥
পতিব্রতা মুঞি সে আছিলুঁ পতির কোলে।
সকল ভাসিয়া গেল গোরা-প্রেম-জলে॥
কহয়ে নয়নানন্দ বুঝিলাম ইহা।
কোন পরকারে এখন নিবারিবা হিয়া॥

পাঠান্তর -
কহ নয়নানন্দ ইত্যাদি ভণিতা পংক্তিদ্বয় প-র (পদ রত্নাকর) পুথিতে নাই ; উহার জন্য এক
ফাঁক আছে।
---সতীশচন্দ্র রায়, পদকল্পতরু, ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ৬৪-পৃষ্ঠা॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১১৬৯-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ বিভাষ॥

করিব কি মুঞি করিব কি।
গুপত গৌরাঙ্গের প্রেমে ঠেকিয়াছি॥ ধ্রু॥
দীঘল দীঘল চাঁচর কেশ রসাল দুটি আঁখি।
রূপে গুণে প্রেমে তনু মাখা যেন দেখি॥
আচম্বিতে আসিয়া ধরল মোর বুক।
স্বপনে দেখিলুঁ হাম গোরাচাঁদের মুখ॥
বাপের কুলের মুই কুলের ঝিয়ারী।
শ্বশুর-কুলের মুঞি কুলের বৌহারী॥
পতিব্রতা মুঞি যে আছিলুঁ পতি কোলে।
সকল ভাঙ্গিয়া গেল গোরা-প্রেম-জলে॥
কহয়ে নয়নানন্দ বুঝিলাম ইহা।
কোন পরকারে এখন নিবারিবা হিয়া॥

ই পদটি ১৭৭১ সালে, দীনবন্ধু দাস দ্বারা সংকলিত এবং ১৯২৯ সালে অমূল্যচরণ
বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

করিব কি সখি করিব কি।
গুপত গৌরাঙ্গের প্রেমে ঠেকিঞাছি॥
না জানি গুণ তার না জানি নাম।
নাহি ১ পরশি তার পিরিতি কাম॥
দীঘল কুন্তল রসাল আঁখি।
রূপে গুণে মুখে মাখিঞা দেখি॥
নায়্যার কুলে আমি মা বাপের জীউ।
শ্বশুরকুলে আমি কুলের বউ॥
পতিব্রতা আমি পতির কোলে।
সকল ভাসাইলাম গোরা-প্রেমজলে॥
কহেন নয়নানন্দ যার লাগিল হিএ।
কোন পরকারে তার পাসরিল নহে॥

১ - “নাহি” ইত্যাদি দুটি অতিরুক্ত কলি, এই পদে দেখা যাচ্ছে।
এবং এই কলি দুটি এখানে নেই . . .
আচম্বিতে আসিয়া ধরল মোর বুক।
স্বপনে দেখিলুঁ হাম গোরাচাঁদের মুখ॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ১৩|৩৯-
পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ বিভাষ॥

করিব কি মুঞি করিব কি।
গৌরাঙ্গচান্দের ভাবে পড়িয়াছি॥ ধ্রু॥
বাপের কুলে মুই কুলের ঝিয়ারী।
শ্বশুর-কুলের মুঞি কুলের বহুয়ারি॥
পতিব্রতা মুঞি সে আছিলুঁ পতির কোলে।
সকল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে॥
আচম্বিতে আসিয়া ধরল মোর বুক।
স্বপনে দেখিলুঁ হাম গোরাচাঁদের মুখ॥

পাঠান্তর -
কহ নয়নানন্দ ইত্যাদি ভণিতা পংক্তিদ্বয় প-র (পদ রত্নাকর) পুথিতে নাই ; উহার জন্য এক
ফাঁক আছে।
---সতীশচন্দ্র রায়, পদকল্পতরু॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

করিব মুই কি করিব কি?
গোপত গৌরাঙ্গের প্রেমে ঠেকিয়াছি॥ ধ্রু॥
দীঘল দীঘল চাঁচর কেশ রসাল দুটী আঁখি।
রূপে গুণে প্রেমে তনু মাখা জনু দেখি।
আচম্বিতে আসিয়া ধরিল মোর বুক।
স্বপনে দেখিনু আমি গোরাচাঁদের মুখ॥
বাপের কুলের মুই ঝিয়ারি।
শ্বশুরকুলের মুঞি কুলের বৌহারী॥
পতিব্রতা মুই সে আছিনু পতির কোলে।
সকল ভাসিয়া গেল গোরাপ্রেমের জলে॥
কহয়ে নয়নানন্দ বুঝিলাম ইহা।
কোন পরকারে এখন নিবারিব হিয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৬-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ বিভাস॥

করিব কি মুঞি করিব কি।
গোপত গৌরাঙ্গের প্রেমে ঠেকিয়াছি॥ ধ্রু॥
দীঘল দীঘল চাঁচর কেশ রসাল দুটি আঁখি।
রূপে গুণে প্রেমে তনু মাখা যেন দেখি।
আচম্বিতে আসিয়া ধরল মোর বুক।
স্বপনে দেখিলুঁ হাম গোরাচাঁদের মুখ॥
বাপের কুলের মুই কুলের ঝিয়ারী।
শ্বশুর কুলের মুঞি কুলের বৌহারী॥
পতিব্রতা মুঞি সে আছিলুঁ পতির কোলে।
সকল ভাসিয়া গেল গোরা প্রেম জলে॥
কহয়ে নয়নানন্দ বুঝিলাম ইহা।
কোন পরকারে এখন নিবারিবা হিয়া॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

করিব কি মুঞি করিব কি।
গোপত গৌরাঙ্গের প্রেমে ঠেকিয়াছি॥
দীঘল দীঘল চাঁচর কেশ রসাল দুটি আঁখি।
রূপে গুণে প্রেমে তনু মাখা যেন দেখি।
আচম্বিতে আসিয়া ধরল মোর বুক।
স্বপনে দেখিলুঁ হাম গোরাচাঁদের মুখ॥
বাপের কুলের মুই কুলের ঝিয়ারী।
শ্বশুর কুলের মুঞি কুলের বৌহারী॥
পতিব্রতা মুঞি সে আছিলুঁ পতির কোলে।
সকল ভাসিয়া গেল গোরা প্রেম জলে॥
কহয়ে নয়নানন্দ বুঝিলাম ইহা।
কোন পরকারে এখন নিবারিবা হিয়া॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কলি-ঘোর-তিমিরে গরাসল জগ-জন
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা ২০শপল্লব ,শ্রীগৌরচন্দ্র---
প্রকারান্তর, ২২০৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

কলি-ঘোর-তিমিরে                গরাসল জগ-জন
ধরম করম রহু দূর।
অসাধনে চিন্তামণি            বিহি মিলাওল আনি
গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥
ভাই রে ভাই গোরা-গুণ কহনে না যায়।
কত শত-আনন                     কত চতুরানন
বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥
চারি বেদ ষড়                  দরশন পড়িয়া যে
সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে।
কিবা তার অধ্যয়ন             লোচন-বিহীন যেন
দরপণে কিবা তার কাজে॥
বেদ বিদ্যা দুই                    কিছুই না জানত
সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার।
নয়নানন্দ ভণে                 সেই সে সকল জানে
সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২৮৭ পদসংখ্যায়,
কোনও পাঠান্তর ছাড়াই. এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তথা রাগ॥

কলি-ঘোর-তিমিরে                গরাসল জগ-জন
ধরম করম রহু দূর।
অসাধনে চিন্তামণি             বিহি মিলাওল আনি
গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥
ভাই রে ভাই গোরা-গুণ কহনে না যায়।
কত শত-আনন                       কত চতুরানন
বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥
চারি বেদ ষড়                    দরশন পড়িয়া যে
সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে।
কিবা তার অধ্যয়ন             লোচন-বিহীন যেন
দরপণে কিবা তার কাজে॥
বেদ বিদ্যা দুই                     কিছুই না জানত
সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার।
নয়নানন্দ ভণে                 সেই সে সকল জানে
সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

কলি ঘোর তিমিরে                গরাসল জগজন
ধরম করম রহুঁ দূর।
অসাধনে চিন্তামণি            বিহি মিলাওল আনি
গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥
ভাই রে ভাই গোরা-গুণ কহনে না যায়।
কত করি-বদন                      কত চতুরানন
বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥
চারি বেদ ষড়                    দরশন পড়িয়াছে
সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে।
কিবা তার অধ্যয়ন             লোচন বিহীন যেন
দরপণে অন্ধে কিবা কাজে॥
বেদ বিদ্যা দুই                     কিছুই না জানত
সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার।
নয়নানন্দ ভণে                 সেই সে সকল জানে
সর্ব্বসিদ্ধি করতলে তার॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৯০-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্র - প্রকারান্তর
॥ তথা রাগ॥

কলি ঘোর তিমিরে                গরাসল জগজন
ধরম করম রহু দূর।
অসাধনে চিন্তামণি           বিহি মিলাওল আনি
গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥
ভাই রে গোরাগুণ কহনে না যায়।
কত শত আনন                    কত চতুরানন
বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥
চারি বেদ ষড়্-                  দরশন পড়িয়াছে
সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে।
কিবা তার অধ্যয়ন             লোচনবিহীন যেন
দরপণে কিবা তার কাজে॥
বেদ বিদ্যা দুই                   কিছুই না জানত
সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার।
নয়নানন্দ ভণে               সেই সে সকল জানে
সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ললিত-মধ্যম দশকুশী॥

কলি-ঘোর-তিমিরে                গরাসল জগ-জন
ধরম করম রহু দূর।
অসাধনে চিন্তামণি            বিহি মিলাওল আনি
গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥
ভাইরে ভাই গোরা-গুণ কহন না যায়।
কত শত-আনন                      কত চতুরানন
বরণিয়া ওর না পায়॥ ধ্রু॥
চারি বেদ ষড়-                  দরশন পড়িয়া যে
সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে।
কিবা তার অধ্যয়ন             লোচন-বিহীন যেন
দরপণে কিবা তার কাজে॥
বেদ বিদ্যা দুই                    কিছুই না জানত
সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার।
নয়নানন্দ ভণে                 সেই সে সকল জানে
সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ
(ভরতপুর), ১৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কলি ঘোর তিমিরে গরাসল জগজন                
ধরম করম রহু দূর।
অসাধনে চিন্তামণি বিহি মিলাওল আনি           
গোরা বড় দয়ার ঠাকুর॥
ভাই রে গোরাগুণ কহনে না যায়।                
কত শত আনন কত চতুরানন                    
বরণিয়া ওর না পায়॥
চারি বেদ ষড়্ দরশন পড়িয়াছে                  
সে যদি গৌরাঙ্গ নাহি ভজে।
কিবা তার অধ্যয়ন লোচনবিহীন যেন            
দরপণে কিবা তার কাজে॥
বেদ বিদ্যা দুই কিছুই না জানত                   
সে যদি গৌরাঙ্গ জানে সার।
নয়নানন্দ ভণে সেই সকল জানে                   
সর্ব্ব সিদ্ধি করতলে তার॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কান্দয়ে মহাপ্রভু গদাধর সঙ্গে
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড,
৪র্থ শাখা ১৯শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ---নাগরী-উক্তি, ২১৮১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

কান্দয়ে মহাপ্রভু গদাধর সঙ্গে।
পহিলহি পুরুষ পিরিতি-পরসঙ্গে॥
সোঙরি সে সব সুখ নিকুঞ্জ-কাননে।
উপজল দুহুঁ প্রেম-ভাব মনে মনে॥
সুগন্ধি চন্দন মালা তুলসী দূর্ব্বা লৈয়া।
দুহুঁ দোহাঁ সম্ভাষণে মিলিল আসিয়া॥
হাসি হাসি পরশি পরশি করু কোর।
দুহুঁ রসে ভাসল না বুঝল ওর॥
না জানি পুরুষ নারী না জানি ভকত।
দোহার আবেশে তিন লোক উনমত॥
কহয়ে নয়নানন্দ নিগূঢ় বিচার।
অমিয়া-পুতলী যেন অমিয়া-আকার॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২৮৭
পদসংখ্যায়, কোনও পাঠান্তর ছাড়াই. এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে
পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তথা রাগ॥

কান্দয়ে মহাপ্রভু গদাধর সঙ্গে।
পহিলহি পুরুষ পিরিতি-পরসঙ্গে॥
সোঙরি সে সব সুখ নিকুঞ্জ-কাননে।
উপজল দুহুঁ প্রেম-ভাব মনে মনে॥
সুগন্ধি চন্দন মালা তুলসী দূর্ব্বা লৈয়া।
দুহুঁ দোহাঁ সম্ভাষণে মিলিল আসিয়া॥
হাসি হাসি পরশি পরশি করু কোর।
দুহুঁ রসে ভাসল না বুঝল ওর॥
না জানি পুরুষ নারী না জানি ভকত।
দোহার আবেশে তিন লোক উনমত॥
কহয়ে নয়নানন্দ নিগূঢ় বিচার।
অমিয়া-পুতলী যেন অমিয়া-আকার॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

কান্দয়ে মহাপ্রভু গদাধর সঙ্গে।
পহিলহি পূরব পিরীতি পরসঙ্গে॥
সোঙরি সে সব সুখ নিকুঞ্জ কাননে।
উপজল দুহুঁ প্রেমভাব মনে মনে॥
সুগন্ধি চন্দন মালা তুলসী দূর্ব্বা লৈয়া।
দুহুঁ দুহুঁ সম্ভাষণে মিলল আসিয়া॥
হাসি হাসি পরশি পরশি করু কোর।
দুহুঁ রসে ভাসল না বুঝলুঁ ওর॥
না জানি পুরুষ নারী না জানি ভকত।
দোহার আবেশে তিন লোক উনমত॥
কহয়ে নয়নানন্দ নিগূঢ় বিচার।
অমিয়া পুতলি যেন অমিয়া আকার॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯০-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্র - প্রকারান্তর
॥ তথা রাগ॥

কান্দয়ে মহাপ্রভু গদাধর সঙ্গে।
পহিলহি পুরব পিরীতি-পরসঙ্গে॥
সোঙরি সে সব সুখ নিকুঞ্জকাননে।
উপজল দুহুঁ প্রেমভাব মনে মনে॥
সুগন্ধি চন্দন মালা তুলসী দূর্ব্বা লৈয়া।
দুহুঁ দোহাঁ সম্ভাষণে মিলিল আসিয়া॥
হাসি হাসি পরশি পরশি করু কোর।
দুহুঁ রসে ভাসল না বুঝল ওর॥
না জানি পুরুষ নারী না জানি ভকত।
দোহার আবেশে তিন লোক উনমত॥
কহয়ে নয়নানন্দে নিগূঢ় বিহার।
অমিয়া পুতলী যেন অমিয়া আকার॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কান্দয়ে মহাপ্রভু গদাধর সঙ্গে।
পহিলহি পুরব পিরীতি পরসঙ্গে॥
সোঙরি সে সব সুখ নিকুঞ্জকাননে।
উপজল দুহুঁ প্রেমভাব মনে মনে॥
সুগন্ধি চন্দন মালা তুলসী দুর্ব্বা লৈয়া।
দুহুঁ দোহাঁ সম্ভাষণে মিলিল আসিয়া॥
হাসি হাসি পরশি পরশি করু কোর।
দুহুঁ রসে ভাসল না বুঝল ওর॥
না জানি পুরুষ নারী না জানি ভকত।
দোহাঁর আবেশে তিন লোক উনমত॥
কহয়ে নয়নানন্দে নিগূঢ় বিহার।
অমিয়া পুতলী যেন অমিয়া আকার॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কিনা সে সুখের সরোবরে
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড,
৪র্থ শাখা ১৭শপল্লব, শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা,  ২১০৩-পদসংখ্যায়  এইরূপে  দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

কিনা সে সুখের সরোবরে।
প্রেমের তরঙ্গ উথলিয়া পড়ে ধারে॥
নাচত পহু বিশ্বম্ভরে।
প্রেম-ভরে পদ ধরে ধরণী না ধরে॥
বয়ান কনয়া-চান্দ ছান্দে।
কত সুধা বরিখয়ে থির নাহি বান্ধে॥
রাজহংস প্রিয় সহচরে।
কেহ ভেল মধুকর কেহ বা চকোরে॥
নব নব নটন-লহরী।
প্রেম-লছমি নাচে নদিয়া-নগরী॥
নব নব ভকতি-রতনে।
অযতনে পাইল সব দীন হীন জনে॥
নয়নানন্দ কহয়ে সুখ-সারে।
সেই বৃন্দাবন ভেল নদীয়া নগরে॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২১২-
পদসংখ্যায় কোনও  পাঠান্তর ছাড়াই এই রূপে দেওয়া  রয়েছে।  আমরা পুথিটি হাতে
পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তথা রাগ॥

কিনা সে সুখের সরোবরে।
প্রেমের তরঙ্গ উথলিয়া পড়ে ধারে॥
নাচত পহু বিশ্বম্ভরে।
প্রেম-ভরে পদ ধরে ধরণী না ধরে॥
বয়ান কনয়া-চান্দ ছান্দে।
কত সুধা বরিখয়ে থির নাহি বান্ধে॥
রাজহংস প্রিয় সহচরে।
কেহ ভেল মধুকর কেহ বা চকোরে॥
নব নব নটন-লহরী।
প্রেম-লছমি নাচে নদিয়া-নগরী॥
নব নব ভকতি-রতনে।
অযতনে পাইল সব দীন হীন জনে॥
নয়নানন্দ কহয়ে সুখ-সারে।
সেই বৃন্দাবন ভেল নদীয়া নগরে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২২-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

কিনা সে সুখের সরোবরে।
প্রেমের তরঙ্গ উথলিয়া পড়ে ধারে॥
নাচত পহুঁ বিশ্বম্ভরে।
প্রেমভরে পদধরে ধরণী না ধরে॥
বয়ান কনয়াচাঁদ ছাঁদে।
কত সুধা বরিষয়ে থির নাহি বাঁধে॥
রাজহংস প্রিয় সহচর।
কেহ ভেল মধুকর কেহ বা চকোর॥
নব নব নটন লহরী।
প্রেম লছিমা নাচে নদীয়া-নাগরী॥
নব নব ভকতি রতনে।
অযতনে পাইল সব দীনহীন জনে॥
নয়নানন্দ কহে সুখ সারে।
সেই বৃন্দাবন ভেল নদীয়া নগরে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহিনী॥

কি না সে সুখের সরোবরে।
প্রেমের তরঙ্গ উথলিয়া পড়ে ধারে॥
নাচত পহুঁ বিশ্বম্ভরে।
প্রেম ভরে পদ ধরে, ধরণী না ধরে॥
বয়ান কনয়া চাঁদছাঁদে।
কত সুধা বরিখয়ে থির নাহি বাঁধে॥
রাজহংস প্রিয় সহচরে।
কেহ ভেল মধুকর কেহ বা চকোরে॥
নব নব নটনী লহরী।
প্রেম-লছিমী নাচে নদীয়ানগরী॥
নব নব ভকতি-রতনে।
অযতনে পাইল সব দীনহীন জনে॥
নয়নানন্দ কহয়ে এ সুখসায়রে।
সেই বৃন্দাবন ভেল নদীয়ানগরে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৮-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা
॥ তথা রাগ॥

কিনা সে সুখের সরোবরে।
প্রেমের তরঙ্গ উথলিয়া পড়ে ধারে॥
নাচত পহু বিশ্বম্ভরে।
প্রেমভরে পদ ধরে ধরণী না ধরে॥
বয়ান কনয়াচান্দ ছান্দে।
কত সুধা বরিখয়ে থির নাহি বান্ধে॥
রাজহংস প্রিয় সহচরে।
কেহ ভেল মধুকর কেহ বা চকোরে॥
নব নব নটন লহরী।
প্রেম লছমি নাচে নদিয়ানগরী॥
নব নব ভকতিরতনে।
অযতনে পাইল সব দীন হীন জনে॥
নয়নানন্দ কহে সুখসারে।
সেই বৃন্দাবন ভেল নদীয়া নগরে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কিনা সে সুখের সরোবরে।
প্রেমের তরঙ্গ উথলিয়া পড়ে ধারে॥
নাচত পহু বিশ্বম্ভরে।
প্রেমভরে পদ ধরে ধরণী না ধরে॥
বয়ান কনয়াচান্দ ছান্দে।
কত সুধা বরিখয়ে থির নাহি বান্ধে॥
রাজহংস প্রিয় সহচরে।
কেহ ভেল মধুকর কেহ বা চকোরে॥
নব নব নটন লহরী।
প্রেম লছমি নাচে নদিয়ানগরী॥
নব নব ভকতিরতনে।
অযতনে পাইল সব দীন হীন জনে॥
নয়নানন্দ কহে সুখসারে।
সেই বৃন্দাবন ভেল নদীয়া নগরে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কীর্ত্তন মাঝে কীর্ত্তন-নট-রাজ
কীর্ত্তন মাঝে কীর্ত্তন নটরাজ
ভণিতা নয়নানন্দ
কবি নয়নানন্দ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড,
৪র্থ শাখা ১৭শপল্লব, শ্রীগৌরাঙ্গের  নৃত্যাদি  লীলা,  ২০৭০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ ভাটিয়ারী॥

কীর্ত্তন মাঝে কীর্ত্তন-নট-রাজ।
কীর্ত্তন-কৌতুক সব নাগরালি-সাজ॥
গলায় দোলার মালা মধুকর-গান।
কপালে চন্দন-চাঁদ ভুরু ফুল-বাণ॥
দেখ ভাই অতি অপরূপ।
এই বিশ্বম্ভর নাচে কৃষ্ণের স্বরূপ॥ ধ্রু॥
কৃষ্ণ কৃষ্ণ অন্তরে পরম-রস কোণা।
বাহিরে রাধার রূপ নিরুপম সোণা॥
প্রকৃতি-পুরুষ-সুখ রসে রসে এক।
প্রেম-অবতার এই দেখ পরতেক॥
প্রেম-লখিমিনী কোলে কৈল গদাধর।
প্রেমানন্দে নিত্যানন্দ প্রাণ-সহোদর॥
নয়নানন্দে কহে প্রেম নিগুড় বিচার।
অমিয়া-পুতলী যেন অমিয়া-আকার॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২১৯৭
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ ভাটিয়ারী॥

কীর্ত্তন মাঝে কীর্ত্তন-নট-রাজ।
কীর্ত্তন-কৌতুক সব নাগরালি-সাজ॥
গলায় দোলার মালা মধুকর-গান।
কপালে চন্দন-চাঁদ ভুরু ফুল-বাণ॥
দেখ ভাই অতি অপরূপ।
এই বিশ্বম্ভর নাচে কৃষ্ণের স্বরূপ॥ ধ্রু॥
কৃষ্ণ কৃষ্ণ অন্তরে পরম-রস কোণা।
বাহিরে রাধার রূপ নিরুপম সোণা॥
প্রকৃতি-পুরুষ-সুখ রসে রসে এক।
প্রেম-অবতার এই দেখ পরতেক॥
প্রেম-লখিমিনী কোলে কৈল গদাধর।
প্রেমানন্দে নিত্যানন্দ প্রাণ-সহোদর॥
নয়নানন্দে কহে প্রেম নিগুনি বিচার।
অমিয়া-পুতলী যেন অমিয়া-আকার॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ ভাটিয়ারি॥

কীর্ত্তন মাঝে কীর্ত্তন নটরাজ।
কীর্ত্তন কৌতুক সব নাগরালি সাজ॥
গলায় দোনার মালা মধুকর গান।
কপালে চন্দন-চাঁদ ভুরু ফুলবাণ॥
দেখ ভাই অতি অপরূপ।
এই বিশ্বম্ভর নাচে কৃষ্ণের স্বরূপ॥ ধ্রু॥
কৃষ্ণ কৃষ্ণ অন্তর পরশ-রস কোণা।
বাহিরে রাধার রূপ নিরুপম সোনা॥
প্রকৃতি পুরুষ সুখ রসের সে এক।
প্রেম অবতার এই দেখ পরতেক॥
প্রেম লখিমিনী, কোলে কৈলা গদাধর।
প্রেমানন্দে নিত্যানন্দ প্রাণসহোদর॥
নয়নানন্দে কহে প্রেম নিগুণ বিচার।
অমিয়া পুতলি যেন অমিয়া আকার॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৭-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা
॥ ভাটিয়ারি॥

কীর্ত্তন মাঝে কীর্ত্তন নটরাজ।
কীর্ত্তন কৌতুক সব নাগরালি সাজ॥
গলায় দোলয়ে মালা মধুকর গান।
কপালে চন্দনচাঁদ ভুরু ফুলবাণ॥
দেখ ভাই অতি অপরূপ।
এই বিশ্বম্ভর নাচে কৃষ্ণের স্বরূপ॥ ধ্রু॥
অন্তরে পরম-রস কৃষ্ণ সে আপনা।
বাহিরে রাধার রূপ নিরুপম সোনা॥
প্রকৃতি পুরুষ সুখ রসে রসে এক।
প্রেমঅবতার এই দেখ পরতেক॥
প্রেম লখিমিনী কোলে কৈল গদাধর।
প্রেমানন্দে নিত্যানন্দ প্রাণ সহোদর॥
নয়নানন্দে কহে প্রেম নিগূড় বিচার।
অমিয়া পুতলী যেন অমিয়া আকার॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কীর্ত্তন মাঝে কীর্ত্তন নটরাজ।
কীর্ত্তন কৌতুক সব নাগরালি সাজ॥
গলায় দোলয়ে মালা মধুকর গান।
কপালে চন্দনচাঁদ ভুরু ফুলবাণ॥
দেখ ভাই অতি অপরূপ।
এই বিশ্বম্ভর নাচে কৃষ্ণের স্বরূপ॥ ধ্রু॥
অন্তরে পরম রস কৃষ্ণ সে আপনা।
বাহিরে রাধার রূপ নিরুপম সোনা॥
প্রকৃতি পুরুষ সুখ রসে রসে এক।
প্রেমঅবতার এই দেখ পরতেক॥
প্রেম লখিমিনী কোলে কৈল গদাধর।
প্রেমানন্দে নিত্যানন্দ প্রাণ সহোদর॥
নয়নানন্দে কহে প্রেম নিগূড় বিচার।
অমিয়া পুতলী যেন অমিয়া আকার॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কো কহুঁ আজুক আনন্দ-ওর
ভণিতা নয়নানন্দ / নয়নানন্দ দীন
কবি নয়নানন্দ                
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড,
৩য় শাখা ২৭শপল্লব ,হোরি-লীলা, ১৪৪৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ বাসন্তী দোলা হোরি-বিলাস।
তত্র শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ বসন্ত॥

কো কহুঁ আজুক আনন্দ-ওর।
ফুল-বনে দোলত গৌর কিশোর॥
নিত্যানন্দ গদাধর সঙ্গে।
শান্তিপুর-নাথ গাওই রঙ্গে॥
সহচর ফাগু পেলই গোরা-গায়।
ধারই শুনি সব লোক নদিয়ায়॥
খোল-করতাল-ধ্বনি হরি হরি বোল।
নয়নানন্দে আনন্দে বিভোর॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২০০২-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ বসন্ত॥

কো কহুঁ আজুক আনন্দ-ওর।
ফুল-বনে দোলত গৌর কিশোর॥
নিত্যানন্দ গদাধর আদি সঙ্গে।
শান্তিপুর-নাথ গাওই রঙ্গে॥
সহচর ফাগু ফেলয়ে গোরা-গায়।
ধারই শুনি সব লোক নদিয়ায়॥
খোল-করতাল-ধ্বনি হরি হরি বোল।
নয়নানন্দে আনন্দে বিভোর॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ বসন্ত॥

কো কহু আজুক আনন্দ ওর।
ফুলবনে দোলত গৌরকিশোর॥
নিত্যানন্দ গদাধর সঙ্গে।
শান্তিপুরনাথ গাওই রঙ্গে॥
সহচর ফাগু লেপত গোরা-গায়।
ধাওই শুনি সব লোক নদীয়ায়॥
খোল করতাল ধ্বনি হরি হরি বোল।
নয়নানন্দ দীন আনন্দে বিভোর॥

ই পদটি ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত  
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী”  ৩য় খণ্ড,  দোললীলা,  ৬৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ বসন্ত - ছোট দশকুশী॥

কো কহু আজুক আনন্দ ওর।
ফুলবনে দোলত গৌর কিশোর॥
নিত্যানন্দ গদাধর শ্রীনিবাস সঙ্গে।
শান্তিপুর নাথ গায় কত রঙ্গে॥
সহচরগণ ফাগু লেপই গোরা গায়।
ধায় শুনি সব লোক নদীয়ায়॥
খোল করতাল হরি হরি বোল।
নয়নানন্দ হেরি বিভোর॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৬-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

হোরিলীলা
॥ বসন্ত॥

কো কহুঁ আজুক আনন্দ ওর।
ফুলবনে দোলত গৌর কিশোর॥
নিত্যানন্দ গদাধর সঙ্গে।
শান্তিপুর-নাথ গাওই রঙ্গে॥
সহচর ফাগু ফেলই গোরা গায়।
ধায়ই শুনি সব লোক নদীয়ায়॥
খোল করতাল ধ্বনি হরি হরি বোল।
নয়নানন্দে আনন্দে বিভোর॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী”, ১৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ দোল লীলা
গৌরচন্দ্র
॥ রাগিণী গান্ধার - তাল সোমতাল॥

কো কহ আজুক আনন্দ ওর। ফুলবনে দোলত গৌর
কিশোর॥ নিত্যানন্দ গদাধর সঙ্গে। শান্তিপুর নাথ গায়ই রঙ্গে॥
সহচর ফাগু লেপই গোরা গায়। ধায়ই শুনি সব লোক নদীয়ায়॥
খোল করতাল ধ্বনি হরি হরি বোল। নয়নানন্দ আনন্দে
বিভোল॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কো কহুঁ আজুক আনন্দ ওর।
ফুলবনে দোলত গৌর কিশোর॥
নিত্যানন্দ গদাধর সঙ্গে।
শান্তিপুর নাথ গাওই রঙ্গে॥
সহচর ফাগু ফেলই গোরা গায়।
ধায়ই শুনি সব লোক নদীয়ায়॥
খোল করতাল ধ্বনি হরি হরি বোল।
নয়নানন্দে আনন্দে বিভোর॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর