| কবি নয়নানন্দের (ভরতপুর) বৈষ্ণব পদাবলী |
| গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপে কি কহব এক মুখে ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখা ২য় পল্লব,রূপাভিসার, ২৯০- পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কেবল রূপানুরাগ। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গ-লাবণ্য রূপে কি কহব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। ও চান্দ মুখের হাসি জিব না গো হেন বাসি আর তাহে পিরিতি-চাহনি॥ সই লো বিহি গঢ়ল কত ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ-পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি সতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ রহিবার নয় মনের আনলে পুড়্যা মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরিতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনি ঠেকিলা গৌরাঙ্গ-প্রেম-ফান্দে॥ এই পদটি সামান্য পাঠান্তর সহ, শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা ১০মপল্লব ,রূপানুরাগ, ৭৮৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গ-লাবণ্য রূপে কি কহিব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। চাঁদ-মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ বিহি সে গঢ়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ-পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ রহিবার নয় মনের অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরিতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনী ঠেকিলা গৌরাঙ্গ-প্রেম-ফান্দে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১২৭৭-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গ-লাবণ্য রূপে কি কহিব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। ও চাঁদ-মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ বিহি সে গঢ়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ-পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ বাহিরাবার নয় প্রেম অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরিতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনী ঠেকিলা গৌরাঙ্গ-প্রেম-ফান্দে॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী - ধরাতাল॥ গৌরাঙ্গ-লাবণ্যরূপে কি কহব এক মুখে আর তাহে কুলের কাচনি। চাঁদ মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর পীরিতি চাহনি॥ সই লো বিহি গড়ল কত ছাঁদে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলি মোর কাঁদে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুললাজভয় পরাণ বাহির নয় মনের আনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পীরিতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বাঁধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন ঠাকুরাণি ঠেকিলা গৌরাঙ্গপ্রেমফাঁদে॥ এই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, রূপানুরাগ, ৪৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরচন্দ্র। ॥ ভীমপলশ্রী - ধড়া॥ গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপে কি কহব এক মুখে আর তাহে কুলের কাঁচনি। ও চাঁদমুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে পিরীতি চাহনি॥ বিহি সে গড়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুললাজভয় পরাণ রহিবার নয় মনের আনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরীতি ভাঙ্গে চিতে মোর ধৈরজ না বাঁধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনী ঠেকিলা গৌরাঙ্গ প্রেম ফাঁদে॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ১৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বালা-ধানশী॥ গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপের, কি কহব একমুখে, আর তাহে ফুলের কাঁচনি। ও চাঁন্দ মুখের হাসি, জীব না গো হেন বাসি, আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ (সই লো) বিহি গঢ়ল কত ছান্দে। কেমন কেমন করে মন, সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলী মোর কান্দে॥ বিধিরে বলিব কি, করিল কুলের ঝি, আর তাহে নহি স্বতন্তরী। গেল কুল লাজ ভয়, পরাণ রহিবার নয় মনের অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে, কহিলে পিরীতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী, শুন শুন ঠাকুরাণী ঠেকিলা গৌরাঙ্গ প্রেম ফাঁদে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৬-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রূপানুরাগ ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপে কি কহিব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। চাঁদ মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ বিহি সে গঢ়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ রহিবার নয় মনের অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরীতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনি ঠেকিলা গৌরাঙ্গ প্রেম ফান্দে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপে কি কহিব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। চাঁদ মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ বিহি সে গঢ়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলি মোর কান্দে॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ রহিবার নয় মনের অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরীতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনি ঠেকিলা গৌরাঙ্গ প্রেম ফান্দে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| দেখ দেখ গোরা-নট রঙ্গ ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা ১৭শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা, ২১০৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ দেখ দেখ গোরা-নট রঙ্গ। কীর্ত্তন মঙ্গল মহারাস-মণ্ডল উপজিল পূরব-প্রসঙ্গ॥ ধ্রু॥ নাচে পহু নিত্যানন্দ ঠাকুর অদ্বৈতচন্দ্র শ্রীনিবাস মুকুন্দ মুরারি। রামানন্দ বক্রেশ্বর আর যত সহচর প্রেম সিন্ধু আনন্দ-লহরী॥ ঠাকুর পণ্ডিত গায় গোবিন্দ আনন্দে বায় নাচে গোরা গদাধর সঙ্গে। দ্রিমিক দ্রিমিক ধৈয়া, তা থৈয়া তা থৈয়া থৈয়া বাজত মোহন মৃদঙ্গে॥ যত যত অবতারে সুখময় সুখ-সারে এই মোর নবদ্বীপ-নাথে। যার যেই নিজ ভাব পরতেকে দেখ সব নয়নানন্দের রহু চিতে॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল রাগ পরিমিত তালো তত্র গৌরচন্দ্র॥ দেখ দেখ গোরানটরঙ্গ। কীর্ত্তনমঙ্গল মহারাসমণ্ডল উপজল পূরূব প্রসঙ্গ॥ নাচে পহুঁ নিত্যানন্দ ঠাকুর অদ্বৈতচন্দ্র শ্রীনিবাস মুকুন্দ মুরারি। রামানন্দ বক্রেশ্বর আর জত সহচর প্রেমসিন্ধু আনন্দলহরী॥ ঠাকুর পণ্ডিত গায় গোবিন্দ আনন্দ তায় নাচে গোরা গদাধর সঙ্গে। দৃমিকি দৃমিকি ধৈয়া তাথৈয়া তাথৈয়া থৈয়া বাজওত মোহন মৃদঙ্গে॥ জত জত অবতারে সুখময় সুখসারে এই মোর নবদ্বীপনাথে। জার যত নিজভাব পরতেক দেখি সব নয়নানন্দের রহু চিতে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২১৫ পদসংখ্যায় কোনও পাঠান্তর ছাড়াই এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ মঙ্গল॥ দেখ দেখ গোরা-নট রঙ্গ। কীর্ত্তন মঙ্গল মহারাস-মণ্ডল উপজিল পূরব-প্রসঙ্গ॥ ধ্রু॥ নাচে পহু নিত্যানন্দ ঠাকুর অদ্বৈতচন্দ্র শ্রীনিবাস মুকুন্দ মুরারি। রামানন্দ বক্রেশ্বর আর যত সহচর প্রেম সিন্ধু আনন্দ-লহরী॥ ঠাকুর পণ্ডিত গায় গোবিন্দ আনন্দে বায় নাচে গোরা গদাধর সঙ্গে। দ্রিমিক দ্রিমিক ধৈয়া, তা থৈয়া তা থৈয়া থৈয়া বাজত মোহন মৃদঙ্গে॥ যত যত অবতারে সুখময় সুখ-সারে এই মোর নবদ্বীপ-নাথে। যার যেই নিজ ভাব পরতেকে দেখ সব নয়নানন্দের রহু চিতে॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ দেখ দেখ গোরা-নটরঙ্গ। কীর্ত্তন মঙ্গল মহারাসমণ্ডল উপজিল পূরুব প্রসঙ্গ॥ ধ্রু॥ নাচে পহুঁ নিত্যানন্দ ঠাকুর অদ্বৈতচন্দ্র শ্রীনিবাস মুকুন্দ মুরারি। রামানন্দ বক্রেশ্বর আর যত সহচর প্রেম সিন্ধু আনন্দলহরী॥ ঠাকুর পণ্ডিত গায় গোবিন্দ আনন্দে বায় নাচে গোরা গদাধর সঙ্গে। দ্রিমিকি দ্রিমিকি ধৈয়া তাথৈয়া তাথৈয়া থৈয়া বাজত মোহন মৃদঙ্গে॥ যত যত অবতারে সুখময় সুখসারে এই মোর নবদ্বীপনাথে। যার যেই নিজ ভাব পরতেকে দেখ সব নয়নানন্দের রহু চিতে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৮-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা ॥ মঙ্গল॥ দেখ দেখ গোরানট রঙ্গ। কীর্ত্তন মঙ্গল মহারাস মণ্ডল উপজিল পুরবপ্রসঙ্গ॥ ধ্রু॥ নাচে পহু নিত্যানন্দ ঠাকুর অদ্বৈতচন্দ্র শ্রীনিবাস মুকুন্দ মুরারি। রামানন্দ বক্রেশ্বর আর যত সহচর প্রেমসিন্ধু আনন্দলহরী॥ ঠাকুর পণ্ডিত গায় গোবিন্দ আনন্দে বায় নাচে গোরা গদাধর সঙ্গে। দ্রিমিকি দ্রিমিকি ধৈয়া তা থৈয়া তা থৈয়া থৈয়া বাজত মোহন মৃদঙ্গে॥ যত যত অবতারে সুখময় সুখ-সারে এই মোর নবদ্বীপনাথে। যার যেই নিজ ভাব পরতেকে দেখ সব নয়নানন্দের রহু চিতে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। দেখ দেখ গোরানট রঙ্গ। কীর্ত্তন মঙ্গল মহারাস মণ্ডল উপজিল পুরবপ্রসঙ্গ॥ নাচে পহু নিত্যানন্দ ঠাকুর অদ্বৈতচন্দ্র শ্রীনিবাস মুকুন্দ মুরারি। রামানন্দ বক্রেশ্বর আর যত সহচর প্রেমসিন্ধু আনন্দলহরী॥ ঠাকুর পণ্ডিত গায় গোবিন্দ আনন্দে বায় নাচে গোরা গদাধর সঙ্গে। দ্রিমিকি দ্রিমিকি ধৈয়া তা থৈয়া তা থৈয়া থৈয়া বাজত মোহন মৃদঙ্গে॥ যত যত অবতারে সুখময় সুখ সারে এই মোর নবদ্বীপনাথে। যার যেই নিজ ভাব পরতেকে দেখ সব নয়নানন্দের রহু চিতে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| নাচে শচীর নন্দন দুলালিয়া নাচে শচীনন্দন দুলালিয়া ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা ১৭শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা, ২০৭৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারি॥ নাচে শচীর নন্দন দুলালিয়া। সকল রসের সিন্ধু গদাধর-প্রাণবন্ধু নিরবধি বিনোদ রঙ্গিয়া॥ ধ্রু॥ কস্তুরী-তিলক মাঝে মোহন চূড়াটী সাজে অলকাবলিত বর শোভা। কনক বদন-শশী অমিয়া মধুর হাসি নবীন নাগরী মন-লোভা॥ গোরা-গলে বনমালা অতি অপরূপ লীলা কনক-অঙ্গুরী অঙ্গ ভুজে। পিয়ল বসন জোরা অখিল-মরম-চোরা নয়নানন্দ পদাম্বুজে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২১৮২ পদসংখ্যায় কোনও পাঠান্তর ছাড়াই এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ভাটিয়ারি॥ নাচে শচীর নন্দন দুলালিয়া। সকল রসের সিন্ধু গদাধর-প্রাণবন্ধু নিরবধি বিনোদ রঙ্গিয়া॥ ধ্রু॥ কস্তুরী-তিলক মাঝে মোহন চূড়াটী সাজে অলকাবলিত বর শোভা। কনক বদন-শশী অমিয়া মধুর হাসি নবীন নাগরী মন-লোভা॥ গোরা-গলে বনমালা অতি অপরূপ লীলা কনক-অঙ্গুরী অঙ্গ ভুজে। পিয়ল বসন জোরা অখিল-মরম-চোরা নয়নানন্দ পদাম্বুজে ॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারি॥ নাচে শচীনন্দন দুলালিয়া। সকল রসের সিন্ধু গদাধর প্রাণবন্ধু নিরবধি বিনোদ রঙ্গিয়া॥ ধ্রু॥ কস্তুরি তিলক মাঝে মোহন চুড়াটী সাজে অলকাবলিত বড় শোভা। কনক বদনশশী অমিঞা মধুর হাসি নবীন নাগরী-মনোলোভা॥ গোরা গলে বনমালা অতিঅপরূপ লীলা কনক অঙ্গুরি অঙ্গ ভুজে। পিঙ্গল বসন জোড়া অখিল মরম-চোরা মজে নয়নানন্দ পদাম্বুজে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৮-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা ॥ ভাটিয়ারি॥ নাচে শচীর নন্দন দুলালিয়া। সকল রসের সিন্ধু গদাধর প্রাণবন্ধু নিরবধি বিনোদ রঙ্গিয়া॥ ধ্রু॥ কস্তুরী তিলক মাঝে মোহন চূড়াটী সাজে অলকাবলিত বর শোভা। কনক বদনশশী অমিয়া মধুর হাসি নবীন নাগরী মনোলোভা॥ গোরা গলে বনমালা অতি অপরূপ লীলা কনক অঙ্গুরী অঙ্গ ভুজে। পিয়ল বসন জোড়া অখিলমরমচোরা নয়নানন্দ পদাম্বুজে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। নাচে শচীর নন্দন দুলালিয়া। সকল রসের সিন্ধু গদাধর প্রাণবন্ধু নিরবধি বিনোদ রঙ্গিয়া॥ কস্তুরী তিলক মাঝে মোহন চূড়াটী সাজে অলকাবলিত বর শোভা। কনক বদনশশী অমিয়া মধুর হাসি নবীন নাগরী মনোলোভা॥ গোরা গলে বনমালা অতি অপরূপ লীলা কনক অঙ্গুরী অঙ্গ ভুজে। পিয়ল বসন জোড়া অখিলমরমচোরা নয়নানন্দ পদাম্বজে @॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| প্রেমের সাগর নয়ন কমল নাচন খঞ্জন তারা প্রেমের সায়র বয়ান কমল, লোচন খঞ্জন তারা গোরা রূপ দেখিলুঁ মোহন বেশে ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা ১৯শ পল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ— নাগরী উক্তি, ২১৭০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারি॥ প্রেমের সাগর নয়ন-কমল নাচন খঞ্জন তারা। কিয়ে শুভক্ষণ সর্ব্ব সুলক্ষণ ভেটলুঁ প্রাণ-পিয়ায়া॥ গোরা-রূপ দেখিলুঁ মোহন বেশে। যার অনুভব সেই সে জানয়ে না পায় আনে উদ্দেশে॥ ধ্রু॥ রূপের সদন ও চাঁদ-বদন সরুয়া বসন রাঙ্গা। রাঙ্গা কর-পদ জিনি কোকনদ রহে অঙ্গ তিরিভঙ্গা॥ ভাবের আবেশে ভাবিনী লালসে অন্তরে বাহিরে গোরা। এ নয়নানন্দ ভাবে অনুবন্ধ সদত ভাবে বিভোরা॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২৭৭ পদসংখ্যায়, এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ভাটিয়ারি॥ প্রেমের সাগর নয়ন-কমল নাচন খঞ্জন তারা। কিয়ে শুভক্ষণ সর্ব্ব সুলক্ষণ ভেটলুঁ প্রাণ-পিয়ায়া॥ গোরা-রূপ দেখিলুঁ মোহন বেশ। যার অনুভব সেই সে জানয়ে না পায় আনে উদ্দেশ॥ ধ্রু॥ রূপের সদন ও চাঁদ-বদন সরুয়া বসন রাঙ্গা। রাঙ্গা কর-পদ জিনি কোকনদ রহে অঙ্গ তিরিভঙ্গা॥ ভাবের আবেশে ভাবিনী লালসে অন্তরে বাহিরে গোরা। এ নয়নানন্দ ভাবে অনুবন্ধ সদত ভাবে বিভোরা॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারি॥ প্রেমের সায়র, বয়ান কমল, লোচন খঞ্জন তারা। কিয়ে শুভক্ষণ, সর্ব্ব সুলক্ষণ, ভেটলুঁ প্রাণ পিয়ারা॥ গোরারূপ দেখিলুঁ মোহন বেশে। যার অনুভব, সেই সে জানয়ে, না পায় আন উদ্দেশে॥ ধ্রু॥ রূপের সদন, ও চাঁদ বদন, সরুয়া বসন রাঙ্গা। রাঙ্গা করপদ, জিনি কোকনদ, রহে অঙ্গ তিরিভঙ্গা॥ ভাবের আবেশে, ভাবিনী লালসে, অন্তর বাহিরে গোরা। এ নয়নানন্দ, ভাবে অনুবন্ধ, সতত ভাবে বিভোরা॥ এই পদটি নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, আক্ষেপানুরাগ, ৬৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পুনশ্চ শ্রীগৌরচন্দ্র। ॥ মায়ুর মিশ্রিত ধানশী - মধ্যম দশকুশী॥ গোরা রূপ দেখিলুঁ মোহন বেশে। যার অনুভব সেই সে জানয়ে না পায় আনে উদ্দেশে॥ ধ্রু॥ প্রেমের সাগর বয়ান কমল লোচন খঞ্জন পারা। কিয়ে শুভক্ষণ সর্ব্ব সুলক্ষণ ভেটিলুঁ প্রাণ-পিয়ারা॥ রূপের সদন ও চাঁদ বদন সরুয়া বসন রাঙ্গা। রাঙ্গা করপদ জিনি কোকনদ রহে অঙ্গ তিরিভঙ্গা॥ ভাবের আবেশে ভাবিনী লালসে অন্তরে বাহিরে গোরা। এ নয়নানন্দ ভাবে অনুবন্ধ সদত ভাবে বিভোরা॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৯-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি ॥ ভাটিয়ারি॥ প্রেমের সাগর নয়নকমল নাচন খঞ্জন তারা। কিয়ে শুভক্ষণ সর্ব্ব সুলক্ষণ ভেটলুঁ প্রাণপিয়ারা॥ গোরারূপ দেখিলুঁ মোহন বেশে। যার অনুভব সেই সে জানয়ে না পায় আনে উদ্দেশে॥ ধ্রু॥ রূপের সদন ও চাঁদবদন সরুয়া বসন রাঙ্গা। রাঙ্গা করপদ জিনি কোকনদ রহে অঙ্গ তিরিভাঙ্গা॥ ভাবের আবেশে ভাবিনী লালসে অন্তরে বাহিরে গোরা। এ নয়নানন্দ ভাবে অনুবন্ধ সদত ভাবে বিভোরা॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রেমের সাগর নয়নকমল নাচন খঞ্জন তারা। কিয়ে শুভক্ষণ সর্ব্ব সুলক্ষণ ভেটলুঁ প্রাণপিয়ারা॥ গোরারূপ দেখিলুঁ মোহন বেশে। যার অনুভব সেই সে জানয়ে না পায় আনে উদ্দেশে॥ রূপের সদন ও চাঁদবদন সরুয়া বসন রাঙ্গা। রাঙ্গা করপদ জিনি কোকনদ রহে অঙ্গ তিরিভাঙ্গা॥ ভাবের আবেশে ভাবিনী লালসে অন্তরে বাহিরে গোরা। এ নয়নানন্দ ভাবে অনুবন্ধ সদত ভাবে বিভোরা॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| মণ্ডলী রচিয়া সহচরে ভণিতা নয়নানন্দ কবি নয়নানন্দ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা ১৭শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা, ২০৬৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ মণ্ডলী রচিয়া সহচরে। তার মাঝে গোরা নটবরে॥ ধ্রু॥ নাচে বিশ্বম্ভর সঙ্গে গঙ্গাধর নাচে নিত্যানন্দ রায়। পূরব কৌতুক ভুঞ্জে প্রেম-সুখ স্বভাবে বুঝিবা পায়॥ ঘরে ঘরে শ্যাম- সুন্দর-মূরতি পিরীতি ভকতি দিয়া। করে সংকীর্ত্তন যাচে প্রেম-ধন সব সহচর লৈয়া॥ পুরুষ নাচে প্রকৃতি-ভাবে পুরুষ-ভাবে যুবতী। যার যেই ভাব পাইয়া স্বভাব নাচে কত শত জাতি॥ কহে নয়নানন্দ নদীয়া-আনন্দ আনন্দে ভুবন ভোরা। দুখিত-জীবন মাধব-নন্দন- চরণে শরণ মোরা॥ টীকা - ১৭-১৮। “দুখিত” ইত্যাদি। দুঁখিত জীবন আমরা ( আমি পদকর্ত্তা নয়নানন্দ ও আমার প্রিয়বন্ধুগণ ) মাধব- নন্দন অর্থাৎ গদাধর পণ্ডিতের চরণে আশ্রয় (লইলাম)। ---সতীশচন্দ্র রায়, পদকল্পতরু॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২১৭৭ ও ২২১৩ পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা- পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ কেদার॥ মণ্ডলী রচিয়া সহচরে। তার মাঝে গোরা নটবরে॥ ধ্রু॥ নাচে বিশ্বম্ভর সঙ্গে গঙ্গাধর নাচে নিত্যানন্দ রায়। পূরব কৌতুক ভুঞ্জে প্রেম-সুখ সভারে বুঝিবা পায়॥ ঘরে ঘরে শ্যাম- সুন্দর-মূরতি পিরীতি ভকতি দিয়া। করে সংকীর্ত্তন যাচে প্রেম-ধন সভারে সদয় হৈয়া॥ পুরুষ নাচত প্রকৃতি-ভাবে পুরুষ-ভাবে প্রকৃতি। যার যেই ভাব পাইয়া স্বভাব নাচে কত শত জাতি॥ কহে নয়নানন্দ নদীয়া-আনন্দ আনন্দে ভুবন ভোরা। দুঃখিত-জীবন মাধব-নন্দন- চরণে শরণ মোরা॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তত্র গৌরচন্দ্র নটো রাগ একতালি॥ মণ্ডলী রচিয়া সহচরে। তার মাঝে গোরা নটবরে॥ নাচে বিশ্বম্ভর সঙ্গে গঙ্গাধর নাচে নিত্যানন্দরায়। @ পূরূব কৌতুকে ভুঞ্জে প্রেমসুখ সভারে বুঝিয়া পায়॥ পুরুষ নাচে প্রকৃতি ভাবে পুরুষভাব যুবতী। জার জেই ভাব পাইয়া স্বভাব নাচে কত শত জাতি॥ কহে নয়নানন্দ নদীআ আনন্দ আনন্দে ভুবন ভোরা। দুখিত জীবন মাধবনন্দন চরণে শরণ মোরা॥ @ - এর পরে এই কলি দুটি এখানে নেই . . . ঘরে ঘরে শ্যাম- সুন্দর-মূরতি পিরীতি ভকতি দিয়া। করে সংকীর্ত্তন যাচে প্রেম-ধন সব সহচর লৈয়া॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ মণ্ডলী রচিয়া সহচরে। তার মাঝে গোরা নটবরে॥ ধ্রু॥ নাচে বিশ্বম্ভর, সঙ্গে গঙ্গাধর, নাচে নিত্যানন্দ রায়। পূরুব কৌতুক, ভুঞ্জে প্রেমসুখ, স্বভাবে বুঝিবা পায়॥ ঘরে ঘরে শ্যাম, সুন্দর মূরতি, পিরীতি ভকতি দিয়া। করে সংকীর্ত্তন যাচে প্রেমধন, সব সহচর লৈয়া॥ পুরুষ নাচে, প্রকৃতি ভাবে, পুরুষ ভাবে যুবতী। যার যেই ভাব পাইয়া স্বভাব, নাচে কত শত জাতি॥ কহে নয়নানন্দ, নদীয়া আনন্দ, আনন্দে ভুবন ভোরা। দুঃখিত জীবন, মাধবনন্দন, চরণে শরণ মোরা॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৭-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরাঙ্গের নৃত্যাদি লীলা ॥ কেদার॥ মণ্ডলী রচিয়া সহচরে। তার মাঝে গোরা নটবরে॥ ধ্রু॥ নাচে বিশ্বম্ভর সঙ্গে গঙ্গাধর নাচে নিত্যানন্দ রায়। পূরব কৌতুক ভুঞ্জে প্রেম-সুখ স্বভাবে বুঝিয়া পায়॥ ঘরে ঘরে শ্যাম- সুন্দর মূরতি পিরীতি ভকতি দিয়া। করে সংকীর্ত্তন যাচে প্রেমধন সব সহচর লৈয়া॥ পুরুষ নাচে প্রকৃতিভাবে পুরুষভাবে যুবতী। যার যেই ভাব পাইয়া স্বভাব নাচে কত শত জাতি॥ কহে নয়নানন্দ নদীয়া আনন্দ আনন্দে ভুবন ভোরা। দুখিত-জীবন মাধবনন্দন চরণে শরণ মোরা॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। মণ্ডলী রচিয়া সহচরে। তার মাঝে গোরা নটবরে॥ নাচে বিশ্বম্ভর সঙ্গে গঙ্গাধর নাচে নিত্যানন্দ রায়। পূরব কৌতুক ভুঞ্জে প্রেম সুখ স্বভাবে বুঝিয়া পায়॥ ঘরে ঘরে শ্যাম সুন্দর মূরতি পিরীতি ভকতি দিয়া। করে সংকীর্ত্তন যাচে প্রেমধন সব সহচর লৈয়া॥ পুরুষ নাচে প্রকৃতিভাবে পুরুষভাবে যুবতী। যার যেই ভাব পাইয়া স্বভাব নাচে কত শত জাতি॥ কহে নয়নানন্দ নদীয়া আনন্দ আনন্দে ভুবন ভোরা। দুখিত জীবন মাধবনন্দন চরণে শরণ মোরা॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |