| কবি সৈয়দ নাসিরদ্দিন-এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| আলো রে পরাণের পোতলী বন্ধু ভণিতা নাছিরদ্দিন কবি সৈয়দ নাসিরদ্দিন এই পদটি ১৯০৪ সালে (১৩১১ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত, ব্রজসুন্দর সান্ন্যাল সম্পাদিত, মুসলমান বৈষ্ণব কবি, ৩য় খণ্ড, ১৬-পৃষ্ঠায় এই রুপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গান্ধার॥ আলো রে পরাণের পোতলী বন্ধু, তুমি মোর তিলকের ফোঁটা! দৈবে সে তোমার লাগি, হৈয়াছম্ (১) বৈরাগী, তাতে কিবা লাজ খোঁটা॥ ধু। পিরীতি অবশেষ, না রহিমু এই দেশ, আনল দিয়া যাইমু ঘরে। নিতি রাধার মন, করে উচাটন, বাহির হম্ হম্ (২) প্রাণি করে॥ করেতে কঙ্কণ, নয়ানে অঞ্জন, পিন্ধনে (৩) পাটের সাড়ী। করেতে মন্দির, চরণে নেপুর, কেন ফির বাড়ী বাড়ী॥ অন্তরে আগুণি, বাহিরে আগুণি, আগুণি এদশ দিশ। নাছিরদ্দিনএ মিনতি ভণএ, দয়া না ছাড়িও শেষ (৪)॥ ১। হৈয়াছম্ - হইয়াছি। ২। হম্ হম্ - হই হই। ৩1 পিন্ধনে - পরিধানে। ৪। এই পদের সহিত নিম্নোদ্ধৃত ভণিতি শূন্য পদের (সোণা বন্ধের লাগিয়া সদায় পোড়ে হিয়া) বহুল সাদৃশ্য দেখা যায় --- . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| সোণা বন্ধের লাগিয়া সদায় পোড়ে হিয়া ভণিতা হীন পদ কবি সৈয়দ নাসিরদ্দিন এই পদটি ১৯০৪ সালে (১৩১১ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত, ব্রজসুন্দর সান্ন্যাল সম্পাদিত, মুসলমান বৈষ্ণব কবি, ৩য় খণ্ড, ১৭-পৃষ্ঠায় এই রুপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গান্ধার॥ সোণা বন্ধের লাগিয়া, সদায় পোড়ে হিয়া, মুই নারীর মরমে জানে। ধু। দৈবে তোমার লাগি, হৈয়াছম্ বৈরাগী, তাতে কি লোকের ডর। পিরীতি অবশেষ, না থাকিমু এই দেশ, আগুণি দিয়া যাইমু ঘর॥ আম না গাছেতে, কোকিলা কুহরে, ডালিম্ব গাছেতে শুয়া। এ দেশের পাড়াপড়ি, সকল প্রাণের বৈরী, কারদি’ পাঠাইমু পান গুয়া॥ হাকিমে জানিল, জগতে শুনিল, লোকের মুখেতে হৈল হাসি। মুই নারীর যৌবন খানি, যাচিয়া না দিলুম্ রে, অনামূলে হৈতাম তোমার দাসী॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |