অকারণে কেন ডুবে যাওয়া! এখনও তো বাকি আছে কিছুটা সংঘাত উদ্ভিন্ন দিন কোনও বিনিময় চাইলে তার সমস্ত আয়ুরেখায় লেপে দাও নশ্বর ছাইয়ের গন্ধ এ-সময় স্বেদ আর রক্ত হাত ধরে ইতিহাস লিখছে ইথারে জেনেছি, আমাদের অস্থি-অন্তর-অনন্ত-ঘুম— সব জাহান্নমে বিক্রি আছে পূতমন্ত্র এসো আগুন জ্বালি আর ফলকে সাজিয়ে রাখি শ্রদ্ধা মোমমিছিল কোনও সান্ধ্যগান তুলে আনুক মৌনতায় আমরা আদিম এবং আত্মা নয় ভেক ধরি ঈশ্বরের
গাছেদের স্নেহভার শ্লথ হলে পর খয়েরি পাতারা ঢাকে জল ও বিষাদ এতখানি যোগাযোগ— তবু তো হৃদয় অনুরোধ ভুলে ছিল কোন অছিলায় জানি সব রাস্তাই সামান্য হেঁটে অবশেষে এক হাত মাটিতেই স্থির মাঝখানে কোলাহল চেনাজানা ধুলো কিছু চিঠি লিখে রাখে নিয়মমাফিক সে-সব হরফ দিয়ে ব্যথা মাপে কেউ কারও-কারও অভিমানে ধুয়ে যায় চোখ পৃথিবীর সব শোক আঁচলের খুঁটে বেঁধে রেখে, তবু কাড়া ফূল বলে ডাকে কারা যেন ঘড়ি-ভাঙা সময়ের হাতে মেহগনি ভুল ঠুকে এঁকে দেয় নদী
মাস্তুল ভেঙে পোড়া গন্ধরা উড়ান চাইছে কারা যেন নাভি ছেড়ে গেছে ওই নদীর শরীরে কিছু ছাই, কিছু বৈভব-গুঁড়ো দু’টো হাতভরে লিখে দিলো এক নৈঃশব্দ্য একটা জলজ উপকথা-নাম তাতেই সাঁতার শিখে নিতে-নিতে মানুষ কখনও আগুন কখনও ঈশ্বর হয়
সমাধির কাছে এসে বলো কতখানি ব্যথা ছিলো গাঢ় আমি তো ফুলের থেকে বেশি মিথ্যুক দেখিনি কোথাও শোকের অধিক কোনও গূঢ় অভিনয় জানিনি কিছুই মানুষের পিঠের ও’পাশে ছায়া বাড়ে, মায়া ছোট হয় সংসার দেহ খুলে বসে যেন এক খিলখিলে হাট বিপনে-বিয়োগে তার কেটে গেছে ব্যস্ত প্রহর এখন প্রৌঢ় হলে আলো বিরতির হয় প্রয়োজন মৃত্যুর মতো এত বড় বন্ধুতা থাকে না কোথাও