প্রহ্লাদ আমার গুরুর গুরু কবি রাজকৃষ্ণ রায় ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত "বাঙ্গালীর গান" গীত সংকলন থেকে নেওয়া।
প্রহ্লাদ আমার গুরুর গুরু, এমন গুরু আর পাব না | এই গুরুর কৃপায় জগত্গুরুর নাম জেনেছি আর ভুলি না || হরি বলো মন, ভক্তি ভরে, বিপদসাগরে যাবিতরে, ভবের শ্মশান থাকবে দূরে, পাপে-মরা আর রব না ; ইহলোকেই স্বর্গ পাব, ঘুচে যাবে যম-যাতনা ||
আহা আয় রে বাছা, আয় কোলে আয় কবি রাজকৃষ্ণ রায় ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত "বাঙ্গালীর গান" গীত সংকলন থেকে নেওয়া।
আহা আয় রে বাছা, আয় কোলে আয়, একবার চুমিব ও চাঁদবদনখানি | . ও হে ভক্তচূড়ামণি | আমায় বেঁধেছিস বাপ, ভক্তিডোরে, আমি যাই না কোথা ছেড়ে তোরে, হেরে তোরে ভাসি প্রেমসাগরে | বাছা, তোর মতো না হলে পরে, . কোন জীব পায় আমারে || . মনের সুখে না ডাকিলে, . প্রেমের হরি নাহি মিলে, যে জন মনে ভুলে, মুখে ডাকে, আমার প্রেম চায় না তাকে, যে জন তোমার মতো, বাছারে, তোমার মতো ডাকে ভক্তিভরে, বাঁধা আমি তার দুয়ারে ||
লয়লা কী খেলা এ যে নতুন খেলা কবি রাজকৃষ্ণ রায় ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত "বাঙ্গালীর গান" গীত সংকলন থেকে নেওয়া।
॥ সিন্ধু - খেমটা॥
লয়লা কী খেলা এ যে নতুন খেলা | নাইকো ছেলে-খেলা এখন প্রেমে এলা || উঠল সই যৌবন ফুটে, ভালো লাগে কি ছুটোছুটি, নিরিবিলি বসে দুটি ধরে মুটির গলা | পাঠশালার পাঠ সাঙ্গ হল দেখ যে প্রেমের মেলা ||